Archive for জুলাই, 2015


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

indian-media-and-army[মূল্যায়ন পত্রিকার তরফে ত্রয়ন দা আমাকে নেপালের ভূমিকম্প :: একটি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিষয়ক প্রবন্ধ লিখতে বলেছে। দীর্ঘ দিন ঝুলিয়ে অবশেষে লিখতেই হল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখতে গেলে সেটা অবধারিতভাবেই রাজনৈতিক মতামত হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু মুশকিল হল এই যে নেপাল সম্বন্ধে আমার যানা বোঝা হল কিছু বই পড়া ভাসা ভাসা জ্ঞ্যান আর গত ভূমি কম্পের সময় ইউএসডিএফ United Students’ Democratic Front (USDF)-এর তরফে নেপালে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে গিয়ে যেটুকু নেপাল দেখা। মাও সেতুঙএর ভাষায় যাকে বলে ঘোড়ায় চড়ে ফুল দেখা। মাওএর মতে, কোন বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান না করে সেই বিষয়ে মতামত দেওয়ার কোন অধিকার থাকে না। আর এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ স্টাডি আমার নেই। ফলে লেখাটি একটি অহেতুক অকারণ অগভীর প্রবন্ধে পর্যবসিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আজ কাল কথিত মূল ধারার অধিকাংশ রাজনৈতিক প্রবন্ধের ক্ষেত্রে যা হয় আরকিতবুও এইটুকু সময়ের মধ্যে যা দেখাজানাবোঝা (ভুল বা সঠিক) সেটা পাঠককে জানাবার সুযোগ পেলে মন্দ কি? বাকি বিচার পাঠকের উপরই ন্যস্ত থাকলো।।] (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অশোকবিজয়

eliminate-the-state-2লেখার জন্য ভাবনার প্রয়োজন পড়ে, আবার ভাবনা ব্যক্তিক বোধ দ্বারা তাড়িত হয়, যে কারণে সকল তাড়না লেখা হয়ে ওঠে না এবং সিংহক্ষেত্রে, বেপর্দা তাড়নায় হওয়া লিখাগুলো সুঠাম শক্তিমান না থেকে হয়ে পড়ে অক্ষর স‍‍র্বস্ব এই অক্ষরসর্বস্বতা সকল দশকেই কালের শরীরে রঙিন জরির মতো, ভীষণ চমকানো সত্য কিছু তাড়না অনেক ক্ষেত্রেই বোধের সুকুমার অবস্থা তথা শিল্পের বলয় ভেদ করতে না পারায় ভাবনাকে প্রভাবিত করে না ভাবনাহীন লিখায় তাড়নার যে স্বরূপ, তাকে বলে আবেগ। আবেগ হচ্ছে এমন একটি গুণ, যা মানুষকে মানবিক, অমানবিক এবং অতিমানবিক এই ত্রিবিধকল্পে পৃথক করে রেখেছে যেকোনো যন্ত্রসত্তা, জন্তুসত্তা এবং অদৃশ্য কল্পনাতুর নালৌকিক সত্তা থেকে ব্যক্তিক ভাব হচ্ছে সেই গূঢ় আদিগুরু, যা থেকে সমস্ত ভাবনার প্রকাশ ও বিকাশ এবং আবেগ হচ্ছে সেই ভাবসঞ্জাত দূরাতিক্রম্য গুণ। আবেগের স্বরূপ একই নয়; পাত্রভেদে এর বিভিন্নতায় স্থানিক প্রভাব থাকে, সময়সঞ্জাত কালিক অভিজ্ঞতার পরিমিতিবোধ থাকে এবং নি‍‍র্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ে আবেগের প্রকাশ সময়ের তারতম্যে বিভিন্ন হয়ে থাকে। ভাবনার ক্ষেত্রে ভাবসঞ্জাত তাড়িত আবেগকে ডিমাউন্ট করতেই প্রাথমিক কথাগুচ্ছের অবতারণা। (বিস্তারিত…)


abstract-art-432

চলো এবার

.

নিঃসঙ্গতার এই সময়ে ঘরকে ছাড় বাইরে চলো

সড়ক দেখ পথকে দেখ মানুষ দেখ

মানুষ খোঁজ নতুন করে নতুন মুখে শব্দ শানাই

ঘুম ভাঙাতে মাতৃভূমির সুরটি যেনো বলছে কথা

উঠলে জেগে গণমানুষ আমিও জাগি তাকাই ফিরে

শত বছর ঘুমের পরে (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

national-consciousnessইদানীং আমাদের মিডিয়াতে বিপরীতমুখী কিছু সংবাদ সব সচেতন নাগরিকেরই দৃষ্টি কেড়েছে। যেমন ধরুন, যে দিন নিউজ হলো, আমাদের মাথাপিছু গড় আয় বেড়ে ১০৮০ ডলার হয়েছে আবার সেই দিনই প্রায় পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার বাংলাদেশি সমুদ্রে ভাসছে! হ্যাঁ, এইসব সমুদ্রে ভাসা মানুষগুলো জীবনজীবিকার তাগিদ অবৈধ পথে স্বদেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দিতে গিয়েছিল। নিয়তি তাদের জীবনের কঠিনতম রূপটা দেখিয়ে দিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাসুদ রানা

Prochod -vabbudbudস্বাধীনতা অর্জনের কয়েক দশক পেরিয়ে গেল না পেলাম অর্থনৈতিক মুক্তি, না পেলাম রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি। যেখানে দিন দিন এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, সেখানে প্রতিনিয়ত অবনতির কড়াল গ্রাসের মতো পিছনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। দেশ, সমাজটা যেন জৌলসে অনেক উন্নতি করেছে। আগের চেয়ে রাস্তাঘাট, অফিসআদালত, দালানকোঠা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু মানুষের হাহাকার কমেনি, বরঞ্চ তা বেড়েছে বৈকি! এসবের পাশাপাশি আমাদের দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক সঙ্কট আরো বেশি ঘনীভূত হয়েছে এবং হচ্ছে। এসব সঙ্কটের রূপ আরো গভীরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া কোনো উপায় খুঁজে পাওয়ার সুযোগ নেই। আপাত অর্থে আমাদের দেশ পরিচালনাকারী রাজনৈতিক দল, রাজনীতিবিদরা এ সঙ্কটের জন্য মূলগতভাবে দায়ী। কিন্তু এসবের পাশাপাশি রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিকভাবে সাহায্যসহযোগিতা করেছে আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা। বুদ্ধিজীবীরাই মূলত সাংস্কৃতিক সঙ্কটের জন্য এককভাবে দায়ী। এরাই আমাদের সাহিত্যসংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করেছেন। প্রগতিশীল ভেকধারী তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরাই এ সঙ্কটের তৈরি করেছেন, বললে অত্যুক্তি হবে না। এসব বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে আহমদ ছফা বলেছেন

যাঁরা মৌলবাদী তারা শতকরা একশো ভাগ মৌলবাদী। কিন্তু যাঁরা প্রগতিশীল বলে দাবী করে থাকেন তাঁদের কেউ কেউ দশভাগ প্রগতিশীল, পঞ্চাশ ভাগ সুবিধাবাদী, পনেরো ভাগ কাপুরুষ, পাঁচ ভাগ একেবারে জড়বুদ্ধিসম্পন্ন। (সাম্প্রতিক বিবেচনা বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

rajan-murder-2015রাজন নামের শিশুটিকে খুচিয়ে খুচিয়ে মারা হলো সেটা আবার ভিডিও করা হলো ভিডিওটি আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হল। এই পুরা কর্মপ্রক্রিয়ার পেছনে যাদের কারো না কারো বুদ্ধি শ্রম পরিকল্পনা কাজ করেছে। তিনি একটা ঘটনা নির্মাণ করে চলেছেন, তিনি নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন। এই সব ঘটনা পরম্পরায় পরিকল্পনাবিদের পরিকল্পনা দ্রুত কাজ করে চলেছে। সাম্প্রতিক অপরাধ বিজ্ঞানের ভাষায় অপরাধ ঘটানোর ক্ষেত্রে নবীন অপরাধী তার নিকটতম প্রবীন অপরাধকে ফলো করে ভেবে দেখে তার স্থান কোথায়। যখন হরহামেশা একই ধরণের অপরাধ ঘটতে থাকে। তখন নবীন অপরাধী নিজেকে আর একা ভাবেনা সে বৃহৎ এক অপরাধী সমাজের সভ্য বলে মনে করে তখন নিজেকে। (বিস্তারিত…)