Archive for সেপ্টেম্বর, 2011


লিখেছেন: মনজুরুল হক

কমরেড চারু মজুমদার

নকশাল আন্দোলনের প্রাণপুরুষ হিসেবে চারু মজুমদার ছিলেন ভারতের জীবন্ত কিংবদন্তী। ১৯৭২ সালের ১৬ জুলাই কলকাতার পুলিশ গ্রেপ্তার করে তাঁকে, ২৮ জুলাই পুলিশ হেফাজতেই তিনি মারা যান। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর ওজন ছিল মাত্র ৯৬ পাউন্ড। মত্যুর ৩৯ বছর পরও তাঁর দেখানো মাওবাদী সশস্ত্র সংগ্রামে কাঁপছে ভারত। আজ ২৮ জুলাই চারু মজুমদারের মৃত্যুর ৩৮ বছর পার হলো। তাঁর মৃত্যু নিয়ে সামনের সময় আরো কথা উঠবে, চলবে আরো আলোচনা।

মারা যাবার আগে তিনি ভুগছিলেন মায়োকার্ডিয়াল ইসকিমিয়া উইথ অ্যানজাইনাতে। ব্যাপারটা হচ্ছে হার্টে ব্লাড সাপ্লাই কমে যাওয়া। দুবার হার্ট অ্যাটাকও হয়ে গেছে। প্রথম ব্যথা হয় দার্জিলিংয়ে পার্টির মিটিংয়ে গিয়ে। হেঁটে ওপরে ওঠার সময় বুকে অসম্ভব ব্যথা হয়। মিটিং সেরে শিলিগুড়িতে ফিরে আসেন। কালু ডাক্তার ইনজেকশন দেন, সারা রাত ছটফট করেছিলেন। ইনভেস্টিগেশনের জন্য তাকে কলকাতা নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে ছিল চারু মজুমদারের ছোট ছেলে অভিজিৎ। শত্রুজিৎ দাশগুপ্ত তাকে দেখেন, সেই সময় ভীষণ ব্যথা হয় বুকে। সঙ্গে সঙ্গে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়, হার্ট অ্যাটাক। এক মাস ভর্তি ছিলেন ফ্রি বেডে। ডাক্তাররা বলে রেস্ট্রিক্টেড লাইফ লিড করতে হবে এবং সিগারেট ছাড়তে হবে। ন্যাশনাল মেডিক্যালে চেক আপও করানো হয়। তারপর থেকে অ্যানজাইনার পেইনটা উঠত। তখন কন্ট্রোল করা যেত না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তানজীর মেহেদী

অবসান ঘটলো ৪২ বছরের শাসনের। লৌহমানব খ্যাত গাদ্দাফি আছেন পালিয়ে। যদিও হুঙ্কার বন্ধ হয়নি এখনো। তবুও একথা বলা যায়, গাদ্দাফি যুগের অবসান ঘটে গেছে। অনেকটা নিশ্চিত, মার্কিন আর্শিবাদপুষ্ট বিদ্রোহীদের সংগঠন ট্রানজিশনাল ন্যাশনাল কাউন্সিল (টিএনসি)-ই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। কিন্তু ঝামেলা আছে খোদ টিএনসির মধ্যেই। তবুও পশ্চিমা শক্তিদের দ্বিধাহীন সমর্থন টিএনসির দিকেই। ওবামা প্রশাসন তো ঘোষণা দিয়েছে, জব্দকৃত লিবিয়ার একশ কোটি ডলার তুলে দেওয়া হবে টিএনসির হাতে। তাহলে কী লিবিয়ার দশাও ইরাক কিংবা আফগানিস্তানের মতোই হতে যাচ্ছে? ছয়মাসের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটলো গাদ্দাফির পরাজয়ের মধ্য দিয়ে। কিন্তু এ যুদ্ধে জয়ী কারা?এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে। বিদেশী ওয়েবসাইট অবলম্বনে এই প্রশ্নের উত্তর সন্ধানের চেষ্টা করা হয়েছে এই লেখা দিয়ে

মুয়াম্মার গাদ্দাফি

গাদ্দাফি পরাজিত; জয়ী কে?

যা ধারণা করা হয়েছিল, তার চেয়ে বেশি সময় নিয়ে শেষ হলো লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ। তবে ত্রিপোলি দখলের ক্ষেত্রে বিদ্রোহীরা তুলনামূলক তাড়াতাড়ি বিজয় পেয়েছে। বিজয় নিশ্চিত হয়ে গেলেও দানা বাধছে কিছু সঙ্কট। ২০০১ সালে কাবুলে কিংবা ২০০৩ সালে বাগদাদে যখন এরকম পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীনদের হটানো হয়েছিলো, তখনও নেমে আসে নানা সঙ্কট। যদিও সমর্থকরাও ‘অনতিক্রম্য’ শাসকের বিরুদ্ধে বিজয় পেয়ে মেতেছিল উল্লাসে, মাতোয়ারা এখনও। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তারিক মাহমুদ

তেলগ্যাসকয়লাসহ ‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে’র এক যুগের পরিক্রমায় উত্থাপিত হয়েছে ‘জাতীয় সার্বভৌমত্ব’, ‘জাতীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যাবহার’ ও ‘জাতীয় সক্ষমতা প্রতিষ্ঠা’র মত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এর পাশাপাশি পরিবেশপ্রতিবেশ রক্ষার প্রশ্নটিও এর বাইরে থাকেনি। ফুলবাড়ীতে ‘উন্মুক্ত পদ্ধতি’তে কয়লা উত্তোলনের আত্নঘাতি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বৃহত্তর দিনাজপুরবাসীর সচেতন অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছেপরিবেশপ্রকৃতির ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সামষ্টিক সচেতনতা। পরিসংখ্যানগত দিকে নজর দিলেও এটি স্পস্ট, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনে কয়লার বিনিময় মূল্য থেকে পরিবেশপ্রতিবেশ গত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বেশি। যে পরিবেশপ্রতিবেশ এর মাঝে আমরা বসবাস করি, তার মধ্য থেকেই জীবনজীবিকার জন্য সম্পদ আহরণ করে থাকি। পরিবেশের এই বাস্তবতার উপরেই নিরর্ভর করে আমাদের জীবনযাপন। ফলে পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি যে প্রকৃতপক্ষে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বের সাথে সম্পর্কিত, তা অনুধাবনে দিনাজপুরবাসীর ভুল হয়নি। বহুজাতিক কোম্পানী ‘এশিয়া এনার্জি’(বর্তমান নাম গ্লোবাল কোল ম্যানেজমেন্ট বা জিসিএম) বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার এই ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ভেতর দিয়েই তাই স্পষ্ট হয়েছে ‘জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা’র প্রশ্ন। সর্বোপরি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াইসংগ্রামের ইতিহাসে যুক্ত হয়েছে আরেকটি নতুন অধ্যায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

মহাজোট সরকার গত ৩ মে, ২০১১ গভীর সমুদ্রের ১০ ও ১১ নং ব্লকের ৮৫% এলাকা মার্কিন বহুজাতিক কনোকোফিলিপসের হাতে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।(সূত্র:) ভারতের সাথে বিরোধপূর্ণ এলাকার মধ্যে এই ব্লক দুটি পড়ার কারণে সরকার ১৫% এলাকা ইজারার আওতার বাইরে রাখবে । এভাবে মার্কিন য্ক্তুরাষ্ট্রকে খুশী করা এবং একই সাথে ভারতকেও অসন্তুষ্ট না করার উপায় বের করেছে শাসক শ্রেণী। এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর ২০১০ সালে উইকিলিকস এর বরাতে ফাস হওয়া মার্কিন বার্তার (রেফারেন্স আইডি: 09DHAKA741) ”গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য গ্যাস ব্লক ইজারা”(,সি) অংশে দেখা যায়:

সাগরে ইজারা দেওয়া গ্যাস ব্লকের ম্যাপ

গত ২৩ জুলাই এর এক মিটিং এর সময় জ্বালানি উপদেষ্টা কনোকোফিলিপসকে সাগরের দুটি বিরোধহীন গ্যাস ব্লক ইজারা দেয়ার সম্ভাবনার কথা রাষ্ট্রদূতকে জানান।এরপর ঐ দিনই, আরো পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য ক্যাবিনেট থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হয়।বাংলাদেশ, ভারত এবং বার্মার মধ্যে সমুদ্রসীমার ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ একটা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।প্রথমে কনোকোফিলিপস এর ৮টি গ্যাস ব্লকের আবেদন অনুমোদন করা হলেও প্রায় ১ বছর হতে চলল বিষয়টি স্থগিত আছে। কনোকোফিলিপস যে ৮টি ব্লকের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলো একে একে তার সবকটিই বুঝে নিতে চায় কিন্ত শুরুতে বিরোধবিহীন ব্লক দিয়েই কাজ শুরু করতে আগ্রহী।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টিকে দেয়া জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক ইলাহি চৌধুরি তথা শাসক শ্রেণীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই মডেল পিএসসি২০০৮ অনুসারে গভীর সমুদ্রের ১০ ও ১১ নম্বর ব্লকের বিরোধহীন ৮৫% অংশ মার্কিন বহুজাতিক কনোকোফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়ার আয়োজন করছে ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

সাগরে সাংগু গ্যাস ব্লকের ম্যাপ

অগভীর সমুদ্রের ১৬ নম্বর ব্লকের সাঙ্গু গ্যাস ক্ষেত্রকে চুষে ছিবড়ে বানিয়ে বিপুল মুনাফা লূটে নিয়ে সান্তোসহ্যালিবার্টনের কাছে ঐ ব্লকের বাকি অংশটকু তুলে দিয়ে কেটে পড়েছে বহুজাতিক কেয়ার্ন। এবার লুট করার পালা সান্তোসহ্যালিবার্টনের। তারই সুযোগ করে দিতে কেয়ার্নের মতই, সান্তোসকেও তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির অনুমতি দিল ক্ষমতাসিন মহাজোট সরকার। গত ১৬ মে, সোমবার পেট্রোবাংলার সাথে অষ্ট্রেলিয়া ভিত্তিক বহুজাতিক সান্তোসের এক সংশোধিত গ্যাস পার্চেজ এন্ড সেলস এগ্রিমেন্ট (জিপিএসএ) চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিষয়টি চুড়ান্ত করা হয়।

এর আগে বর্তমান মহাজোট সরকার কেয়ার্নের সাথে ১৬ নম্বর ব্লকের সাঙ্গু গ্যাস ক্ষেত্রের ব্যাপারে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলো। কিন্তু কেয়ার্ন চলে যাওয়ায় সেটা তখন বাস্তবায়িত হয় নি। কেয়ার্নের কাছ থেকে এরপর সান্তোস ও হ্যালিবার্টন ১৬ নম্বর ব্লকের মালিকানা হস্তগত করে। বর্তমানে সাঙ্গু গ্যাস ক্ষেত্রের ৭৫ % মালিকানা সান্তোসের এবং ২৫ % মালিকানা মার্কিন বহুজাতিক হ্যালিবার্টনের। এছাড়া ১৬ নম্বর ব্লকের মগনামা এবং হাতিয়া গ্যাস ক্ষেত্রের শতভাগ মালিকানা সান্তোসের। সাঙ্গুসহ ১৬ নম্বর ব্লকের সকল গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যস তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির অনুমতি দেয়ার চুক্তি স্বাক্ষর করেনপেট্রোবাংলার পক্ষে সংস্থার সচিব ইমাম হোসেন এবং সান্তোস এর পক্ষে সান্তোস বাংলাদেশ লিমিটেড এর প্রেসিডেন্ট জন চেম্বার। (বিস্তারিত…)


(সভাপতি মাও সেতুঙ, অনুশীলন সম্পর্কে, দ্বন্দ্ব সম্পর্কে, অনুবাদ:সেরাজুল আনোয়ার)

সভাপতি মাওয়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা

বিপরীতগুলোর সংগ্রামের প্রশ্নের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে বৈরিতা কী সেই প্রশ্নটিও। আমদের উত্তর হল এই যে, বৈরিতা হল বিপরীতগুলোর সংগ্রামের অন্যতম এক রূপ, কিন্তু একমাত্র রূপ নয়।

মানবজাতির ইতিহাসে, শ্রেণীসমূহের মধ্যেকার বৈরিতা বিপরীতের সংগ্রামের এক সুনির্দিষ্ট অভিব্যক্তি হিসেবে বিদ্যমান থাকে। শোষিত ও শোষক শ্রেণীর মধ্যেকার দ্বন্দ্বের কথাই বিবেচনা করুন। এরূপ দ্বন্দ্বরত শ্রেণীগুলো দীর্ঘসময় একই সমাজে সহাবস্থান করে, তা সে সমাজ দাসতান্ত্রিক সমাজ, সামন্ততান্ত্রিক সমাজ বা ধনতান্ত্রিক সমাজ যাই হোকনাকেন, এবং এরা পরস্পরের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে; কিন্তু শ্রেণী দু’টির মধ্যেকার দ্বন্দ্ব একটি নির্দিষ্ট স্তরে বিকাশ লাভ করার পরই কেবল প্রকাশ্য বৈরিতার রূপ পরিগ্রহ করে এবং বিপ্লবে পরিণতি লাভ করে। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে শান্তি থেকে যুদ্ধে রূপান্তরের ক্ষেত্রেও একই কথা সত্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফেরারী সুদ্বীপ্ত

বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর উদ্যোগে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে পালিত হয় শিক্ষা দিবস

৯ই সেপ্টেম্বর ১৯১৫ ।পুলিশের গুলিতে মারাত্মক আহত অগ্নিযুগের বিপ্লবী বাঘা যতীন বালেশ্বর সরকারী হাসপাতালে মৃত্যুর প্রহর গুণছেন। আর বেশিক্ষণ নেই বোধ হয়, চিরতরে ঘুমিয়ে পড়বেন তিনি। শেষ মুহুর্তে শুরু হল রক্ত বমি, হাতে রক্ত নিয়ে যতীন বললেনএত রক্ত ছিল শরীরে? ভাগ্যক্রমে প্রতি বিন্দু অর্পণ করে গেলাম দেশমাতার চরণে।” এরপর তিনি আর চোখ মেলেন নি।

এই তো নির্ভীক, চির দুর্দম, দুর্বিনীত বাঙ্গালি। হাসতে হাসতে অকাতরে কতবার নিজের রক্ত দিয়ে ধুয়ে দিয়েছে স্বদেশ জননীর চরণ। এই জাতির অন্তরে সঞ্চিত আছে অগ্নিপ্রভ স্বদেশপ্রেম। অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে যে কোন মুহুর্তে বাঙ্গালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে উদগিরিত হতে পারে স্বদেশপ্রেমের প্রখর আগ্নেয় তেজ। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রোহী বাঙ্গালির রুদ্র নয়ন থেকে বিচ্ছুরিত হয় প্রতিবাদের বহ্নিশিখা। শিবজ্যান্ত বাঙ্গালির দ্রোহের অমিত তেজে ভস্মীভূত হয় শোষকের দল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: রাজীব নন্দী

বাজারে এখন ভার্চুয়াল বিনোদন রমরমা। ঢিংকাচিকা প্যান্ট থেকে দাবাং শার্ট। শাকিব খানের টিয়া রঙের কোটের সাথে খাকি প্যান্টভার্চুয়াল বিনোদনের মজমা জমাচ্ছি সবাই। এক কথায় বলতে গেলে, জাগতিক জীবনে একচুয়েল বিনোদনের অনুপস্থিতির ফলেই ভার্চুয়াল বিনোদনের এই বিকাশমান প্রবণতা। এই বিনোদন বহুগুণ সেয়ানা। কাটতিও তার বেশি।

প্রমাণ লাগবে? হাতের নাগালেই!

তথ্য কেনার জন্য খবরের কাগজকিনুন।

সংবাদপত্রে বিনোদন মাগনা ধরা দিবে প্রথম পৃষ্ঠায় ও/বা শেষ পৃষ্ঠায়। বিনোদন পাতার বিনোদন তো ফাও আছেই, আলাদা করে কিনতে হয় না। একচুয়েল বিনোদনের জন্য সমাজে পার্ক নাই, কেলী করার মতো নগরে কুঞ্জ নাই, ভালোবাসার জন্য পকেটে পয়সা নাই; বাট বাজারে ভার্চুয়াল বিনোদন আছে। তিনশ টাকা মডেমে ভরলেই ভার্চুয়াল বিনোদনের ওজন এক গিগাবাইট! এই ভাচুর্য়াল বিনোদনের ধর্মই পরকীয়ার মতো। আরকেটু বাড়িয়ে বললে যেন কচু পাতার পানি। আপন করে নিতে গেলেই ছলকে পড়তে চায়। কুহকের মতো; ধরা যায় না, ছোয়া যায় নাভেবে ভেবেই আনন্দ, চিন্তায় চিন্তায় সুখ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

আগের নোটটিতে (দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ প্রসঙ্গে মার্কসীয় ব্যাখ্যা এবং বাংলাদেশের বাম রাজনীতি)হেগেল এবং ফয়েরবাখের ভাববাদী দর্শন এবং দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। সেই দর্শন থেকে কিভাবে মার্কসের বস্তুবাদ এবং দ্বন্দ্বাত্মক বস্তুবাদের বিকাশ সেটাও আলোচিত হয়েছিল। বিশ্ব পরিস্থিতি বদলে যাবার পর বিশেষ করে রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লবের পর মার্কসের দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদেরও গুণগত পরিবর্তন এসেছে। নতুন বিশ্ব পরিস্থিতিতে দ্বন্দ্বের বিকাশ এবং দ্বন্দ্বের বিভিন্ন দিক উন্মোচিত হয়েছে। আরো পরে চীনের বিপ্লব সম্পন্ন হলে বিশ্ব পুঁজিবাদ, সর্বহারা শ্রেণী, সর্বহারা শ্রেণীর শত্রুমিত্র, কৃষি সমস্যা, সাম্রাজ্যবাদের হুমকি ইত্যাদি বিষয়গুলি সামনে চলে আসায় দ্বন্দ্বের বিভিন্ন দিক নতুন করে ভাবতে হয়েছে। নতুন সারসংকলন করতে হয়েছে এবং সেটি করেছেন মাও সেতুং। চীন বিপ্লবের সময়ই মাও দ্বন্দ্বের নিয়মকে দ্বন্দ্ববাদের মূল নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ইতিপূর্বে তিনটি, চারটি বা পাঁচটি নিয়মকে দ্বন্দ্বের মূল নিয়ম বলে চিহ্নিত করা হতো। তিনিই প্রথম উল্লেখ করেন দুয়ে মিলে একএকটি সমন্বয়বাদী ধারা। এই দার্শনিক ব্যাখ্যাকে তিনি খণ্ডন করেন এক দুয়ে বিভক্ত হয়এই তত্ত্ব দিয়ে। এর সাথে যুক্তভাবে সংশ্লেষণসম্পর্কিত ধারণাকেও তিনি বিকশিত করেন। তিনি দ্বন্দ্বে নতুন ব্যাখ্যা দেন– ‘দ্বন্দ্বে সার্বজনীনতা ও বিশিষ্টতা, প্রধান দ্বন্দ্ব, দ্বন্দ্বে বৈরিতা ও অভেদ। মার্কসীয় জ্ঞানতত্ত্বকে তিনি সমৃদ্ধ করেনসকল জ্ঞানের মূল উৎস হিসেবে অনুশীলনকে প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে; একই সাথে বস্তু ও চেতনার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেন জ্ঞানের দ্বন্দ্ববাদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এর কোনোটিই একাডেমিক বা পণ্ডিতি আলোচনা ছিল না। বরং বাস্তব বিপ্লবী সংগ্রাম ও শ্রেণী সংগ্রামের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ও তাকে সেবা করার জন্যই তিনি এগুলো আবিষ্কার করেন, যা বিপ্লবী অনুশীলনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

মৃত্যুপ্রান্তরে জীবনের নিস্ফল দাপাদাপি এবং জীবিতদের বেঁচে থাকার উদগ্র বাসনা!” (লিঙ্ক: মৃত্যুপ্রান্তরে জীবনের নিস্ফল দাপাদাপি এবং জীবিতদের বেঁচে থাকার উদগ্রবাসনা!) নামে আমার একটি পোস্টে দেশের চলমান রাজনীতি, এলিট ফোর্স র‍্যাবকে দিয়ে প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মীদের বেছে বেছে হত্যা করা, তথাকথিত বাম নামধারী দলগুলোর নিষ্ক্রিয়তা তুলে ধরা হয়েছিল। ফেসবুকে ওই পোস্টে অনেকেই মন্তব্য আকারে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেছিলেন। তার ভেতর থেকে দুটি মন্তব্য নিয়ে বিশদে আলোচনা করাই এই পোস্টের উদ্দেশ্য(বিস্তারিত…)