Archive for অগাষ্ট, 2012


লিখেছেন: রবীন আহসান

 

একাত্তর মঞ্চে টকশোজীবী অধ্যাপক পিয়াস করিম কি ড. ইউনূসের স্পকম্যান?আমি রাত করে বাড়ি ফিরি। আমি যখন বাড়ি ফিরি তখন বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ টেলিভিশনে একই মুখের কিছু টকশোজীবী দেশ রাজনীতি কথা বলেন। এক বিষয়ে পড়ান কিন্তু কথা বলেন দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়আশায় নিয়ে। টেলিভিশন খুলে এসব বাচাল পণ্ডিতরা মনে করেন তাদের অনুষ্ঠানগুলো যারা দেখছেন, তারা এ জাতির বোকাচোদা জনগণ। বাংলাদেশি স্যাটেলাইট চ্যানেলের মালিকরা যদি দুনিয়ার তাবৎ চ্যানেল বন্ধ করে দিয়ে শুধু তাদেরটা চালু রাখে সে দিন কী হবে এই জাতির! ভেবে অন্ধকার দেখি।

আসল কথায় আসি। গতকাল রাত ২টায় একাত্তর টেলিভিশনের ‘একাত্তর মঞ্চ’ নামে একটি টকশোতে আলোচনার বিষয় ছিল গ্রামীণ বাংকের মালিকানা নিয়ে। তিনজন আলোচকদের মধ্যে ছিলেন এই সময়ের আলোচিত টকশোজীবী ফিলোচাপার অধ্যাপক পিয়াস করিম। গ্রামীণ ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের কাগজ প্রথম আলোর সাংবাদিক তোতাপাখি মিজানুর রহমান খান। স্টুডিওর বাইরে থেকে অংশ নেন বিশিষ্ট সাংবাদিক নাইমুল ইসলাম খান। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সায়েম চৌধুরী

 

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার লিমন...ঝালকাঠীতে র‌্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে পা হারানো কলেজছাত্র লিমন হোসেনের বাবা, মা ও ভাইসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন র‌্যাবের সোর্স হিসেবে পরিচিত ইব্রাহিম হাওলাদার। বৃহস্পতিবার ঝালকাঠী জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে করা এই মামলায় ইব্রাহিম তার শ্যালক ফোরকান হাওলাদারকে হত্যার অভিযোগ এনেছেন, যিনি তিন দিন আগে মারা যান। মামলায় লিমনের বাবা তোফাজ্জেল আকন, মা হেনোয়ারা বেগম ও বড় ভাই সুমন আকনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঈদের দিন বিকালে লিমন ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগে ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাজাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন হেনোয়ারা বেগম। ওই হামলার কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে ইব্রাহিমের শ্যালক ফোরকানের (৩৫) লাশ উদ্ধার করা হয়। তার লাশের ময়নাতদন্তও হয়েছে। লিমনের ভাই ও তার আত্মীয়স্বজনদের হামলায় ফোরকান মারা গেছেন দাবি করে ইব্রাহিমের স্ত্রী লিলি বেগম মঙ্গলবার থানায় একটি অভিযোগ করলেও পুলিশ তা অপমৃত্যু মামলা হিসাবে গ্রহণ করে।” সূত্রঃ বিডিনিউজ ২৪ ডট কম। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সত্যজিত দত্ত পরকায়স্থ

 

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জএকের পর এক কুটনৈতিক তথ্য ফাঁস করে স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে যদি কেউ মুখের উপর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়িছে তাহলে নির্ধিদায় সেটা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। একের পর এক নথি ফাস করে মার্কিন প্রশাসনের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। তাকে মোকাবেলার কোন নৈতিক ভিত্তি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার দোসরদের নাই সেটা তার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের মামলা পুনঃজাগরন থেকেই বুঝা যায়। ২০১০ সালের ২০ আগষ্ট সুইডেন পুলিশ অ্যাসাঞ্জকে প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর মামলাটি গুরত্বহীন বলে স্থগিত করে। এর পরেও তিনি আরো ৩৭ দিন সুইডেনে ছিলেন এবং বৈধভাবে লন্ডনে আসার পরে তারা আবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুইডেন ডাকলে তিনি সশরীরে হাজির না হয়ে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন কিন্তু সুইডেন তার সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। মুল উদ্দেশ্য হলো তাকে সুইডেনে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়া। যেখানে তার মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত হতে পারে। ইতিমধ্যে তার সহযোগী মার্কিন সেনা ব্র্যাডলিং ম্যানিংয়ের বিচার চলছে। (বিস্তারিত…)

নেপাল :: বিপ্লবের বীজ ধ্বংসে এনজিও’র ভূমিকা

Posted: অগাষ্ট 21, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

নেপাল বিপ্লবের দুর্বলতা :: এনজিও সৃষ্ট ফল

লিখেছেন: সাবা নাভালান

অনুবাদ: বন্ধুবাংলা

সাম্রাজ্যবাদের শান্তির ডাক...আজকাল বৈশ্বিক পরিপেক্ষিতে যা সহজে দৃশ্যমান তা হলোদেশে দেশে নিবদ্ধ থাকা বহুজাতিক কোম্পানির লোভী দৃষ্টি; সেই সব দেশের মধ্যে অন্যতম, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, তেমনি এক দেশনেপাল। ভারতের পশ্চাতে অবস্থিত নেপাল যুগ যুগ ধরে ভারতের দাসরাজ্য রূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। নেপালের গরীব কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণী এখানে বিশ্বের ‘নয়া দাস’ রূপে চিন্হিত। অধিকাংশ গ্রামে রাষ্ট্রের কোন কর্তৃত্ব ও প্রশাসনের উপস্থিতি নেই। এসব গ্রাম্য মানুষেরা কখনোই সরকারী চিকিৎসা পরিষেবা পায় না। বিগত শতাব্দীর সামন্ততান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভয়াবহ দাসত্বের ফাঁদ বর্তমানের মোড়কে এখনো ভয়ঙ্কর রূপে বর্তমান।

দীর্ঘকাল যাবৎ ভারতের উপনিবেশিকতার মাঝে থাকার ফলে নেপালে দাসত্ব ও পরাধীনতার পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। মাওবাদী আন্দোলনের আগে বিকল্প রাজনীতি তথা ভারতের সম্প্রসারনবাদী উপনিবেশিক নীতি ও সামন্ততান্ত্রিক দাস পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিপ্লবী পথের প্রস্তাবনা কেহই প্রবর্তন করতে পারেনি। এই পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ইউনিফাইড কম্যুনিস্ট পার্টি, যা মাওবাদী চিন্তা ও চেতনা দ্বারা চালিত, জনগণকে বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করেছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

অনিমাদের ঘুম ভাঙ্গে আরো একটা দিন নিষ্পেশিত হতে এই নষ্ট সমাজে...দম আটকে আসার যোগাড় হচ্ছে অনিমার।

প্রচন্ড গরম পড়েছে এবার। বৃষ্টির কোন নাম গন্ধও নেই। প্রতিদিন ১৫ ঘন্টা কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে হেঁটে যাবার সময় গাছের একটা পাতাও নড়তে দেখেনা সে। মাস্তান, পুলিশের ইশারা – ইঙ্গিতে রাস্তার একটা ধুলোকনাও তার সহমর্মী হয়না। তার উপর চারপাশ আরো গুমোট, দম পর্যন্ত ফেলার উপায় থাকেনা।

এমন অবস্থায় শেষ ২০ মিনিট ধরে তার উপর বিশালাকায় একটা শরীর উঠে আছে। সে চড়ছে তো চড়ছেই। প্রতিবার তার ভুড়ি উঠানামার দৃশ্য দেখে চোখ বন্ধ করে রেখেছে অনিমা। প্রতি সেকেন্ডেই অপেক্ষা, ভাবেএই বুঝি শেষ হলো, এরপর বস তার ইয়েটা কয়েক সেকেন্ড ঝাঁকি দিয়ে প্যান্ট ঠিক করতে করতে উঠে পড়বে, হাতে প্রয়োজনীয় টাকা বা জিনিস গছিয়ে দিয়ে আনন্দে চলে যাবে। কমলা দিদির কাছে আগে থেকেই ট্রেনিং নিয়ে রেখেছে সব। কিন্তু কতক্ষন ধরে এই লীলাখেলা চলে জিজ্ঞেস করেনি। তাহলে দাঁতে দাঁত চেপে অপেক্ষা করাটা সহজ হতো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সত্যজিত দত্ত পুরকায়স্থ

সোজা কথা.

২০১৩ সালের নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাকি অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে হবে এই নিয়ে বিতর্কের ফলাফল হিসাবে যাই আসুক এটা স্পষ্ট যে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির মান এবং এর বিকাশ খুবই দুর্বল। কারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার মত অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন যৌক্তিকতা কতটুকু প্রশ্ন সাপেক্ষ। সবচেয়ে মজার ব্যপার হলোআমাদের সভ্য নাগরিক নেতারা এই ইস্যুতে বিবাদমান দুই দলের কাছেই যখন এর জন্য সমাধান খুঁজছেন এবং তাদের দুদলকে আলোচনার টেবিলে বসার পুনঃপুনঃ আহ্বান জানাচ্ছেন। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, আমরা কি আমাদের রাজনীতির ভাগ্য কি এই দুদলের কাছে ইজারা দিয়েছি? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

 

“ইহারা কাহারা?” - “ইহারা অতিশয় বদমাইশ লোক!”গত ১৪ ই আগস্ট বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ভাইয়ের “বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড : প্রতিরোধের প্রথম দিনগুলো” শিরোনামের লেখাটি একটি জাতীয় দৈনিকে পেলাম। ঐ নিবন্ধের কিছু চুম্বক অংশ আছে যা সত্যি আমাদের সেই সময়ের কোন আলতুফালতু ধারণা নয়, মানসপটে যেন সত্যিকার জীবন্ত ছবি হয়ে ধরা দেয়।

সূত্রএখানে ক্লিক করুন

কমরেড সেলিম ভাইয়ের ভাষ্য মতে, সেপ্টেম্বর মাসের শেষে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে একটি ছোট লিফলেট ছাপাইকমিউনিস্ট পার্টির নেতা মনজুরুল আহসান খানের চামেলীবাগের বাসা থেকে কয়েকটি টিম লিফলেট বিলির এই কাজ চালায়”
নিবন্ধে সেলিম ভাই আরও যা বলেছেনআমাদের পরিকল্পনা অনুসারে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস শুরু হওয়ার প্রথমদিনে ‘মুজিব হত্যার বিচার চাই’, ‘এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ মুজিব জন্ম নেবে’, – এই ধরনের শ্লোগান দিতে দিতে ক্যাম্পাসের কলাভবনের করিডোরে ‘জঙ্গি ঝটিকা মিছিল’ করি। এই মিছিলের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি হয়। কর্মীরা সাহস পায়। কিন্তু জাসদপন্থি ছাত্ররা মরিয়া হয়ে ভয়ভীতিহুমকি দেয়া শুরু করে। হলে হলে হামলা শুরু হয়। ‘মুজিবের দালালরা হুঁশিয়ার’ শ্লোগান দিয়ে ও আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা ক্যাম্পাসে পাল্টা মিছিল করে”(বিস্তারিত…)

সিপিবি-বাসদের দাবিনামা এবং শেয়ালের কাছে মুরগী গচ্ছিত রাখার উপাখ্যান!

Posted: অগাষ্ট 9, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

সর্বহারার প্রতীক...সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিপিবি (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) ও বাসদ (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল) ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলদুটির নীতিনির্ধারণী নেতারা, সেখানে তারা ১৫ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। এই ১৫ দফায় মূলতঃ তারা কী বলতে চেয়েছেন, আর বর্তমান সমাজ বাস্তবতায় তা কতোটুকু প্রাসঙ্গিক, এ বিষয়ে মঙ্গলধ্বনি’র মূল্যায়ণ নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ

(সকলের বুঝার সুবিধার্থে ক্রমান্বয়ে সিপিবিবাসদ এর ১৫ দফা ও আমাদের মূল্যায়ণ তুলে ধরা হলো) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

মখমলের জামা খুললেই দগদগে ঘাচলো, সুরঞ্জনা চলো ফের আজনবী হয়ে যাই।

আমাদের এঁদো গলি ছালওঠা কুকুর রূপবান টিন

আর ঢেউ খেলানো খোয়ারিকে পেছনে ফেলে

চলো ফের আজনবী হয়ে যাই।

.

কোনো লাভ নেই সখা, পরিপাটি প্রেম

সুডৌল মায়া জন্মাবে এবং মরে যাবে।

নিশ্চিন্ত ঘুম আর তৃপ্ত উদ্ধত হাসির মৃত্যু হবে,

চকচকে মলাটের কবিতার বই, সাপ বিনুনি এবং

পরীক্ষিত সতীত্বসেও লুটিয়ে পড়বে পুরুষাকারে।

অনাদরে বাড়তে থাকা প্রত্যাশার হাতছানি জয় করে

চলো ফের আজনবী হয়ে যাই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

Patriotism is when love of your own people comes first; nationalism, when hate for people other than your own comes first.” – Charles De Gaulle

পাহাড়ের কোলে একটি পাহাড়ি কুটিরবরাবরের মত এবারো সারাবিশ্বে ৯ আগষ্ট পালিত হতে যাচ্ছে “বিশ্ব আদিবাসী দিবস”। যথারীতি নানাবিধ রঙ্গে ভরা এই বঙ্গদেশেও দিবসটি তথাকথিতভাবে ‘পালিত’ হবে। কিন্তু মনে করার কোন কারন নেই উপরিউক্ত কোটেশনটির মর্ম বুঝতে এই দেশের হিপোক্রেট শাসকশ্রেনী এবং তথাকথিত ‘দেশপ্রেমিক’ বাঙ্গালি সক্ষম, তারা কেউই সক্ষম নয়। যেই দেশের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ফুটবলের বাংলা করে ‘চর্মনির্মিত গোলাকার বস্তুবিশেষ পদাঘাতে যা স্থানান্তরিত হয়’ এবং প্রবল জাত্যাভিমানে বলীয়ান হয়ে ক্রিকেট খেলায় বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় সেঞ্চুরী করলে কিংবা ৫ উইকেট পেলে কদাচিত স্ট্যান্ডিং ওভেশন জানায় তাদের কাছে কোটেশনটির মর্ম অনুধাবন করার প্রত্যাশা করা আর মাইক টাইসনের কাছে গান্ধীবাদী আদর্শ ফেরী করে বেড়ানো একই কথা, উভয়েই অর্থহীন। তারচেয়ে দেখা যাক ‘বিশ্ব আদিবাসী দিবস’ এদেশের শাসকশ্রেনী এবং জনগণের কাছে আদপেই কোন তাৎপর্য্য বহন করে কিনা। (বিস্তারিত…)