Archive for অক্টোবর, 2013


লিখেছেন: শান্তনু সুমন

communist-signদাবানলতার পোস্টারে রণনীতিগত ও রণকৌশলগত শ্লোগানের সাথে ‘জয় সর্বহারা’ এই শ্লোগান দিয়েছে। একারণে ‘জয় সর্বহারা’ শ্লোগানটি রাজনৈতিক রণনৈতিক ও রণকৌশলগত স্লোগান হিসেবে সঠিক কিনাআমার লেখায় আমি সে প্রশ্নটিই আলোচনার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সামিউল আলম রিচির সমালোচনামূলক লেখাটি পড়ে মনে হচ্ছে, তিনি রণনীতিগত স্লোগান হিসাবে ‘জয় সর্বহারা’ স্লোগানের যথার্থতার প্রসঙ্গটি ধরতে পারেন নি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

political-culture-2একটি নির্দিষ্ট ধারণাপ্রসূত বক্তব্য ইদানিং প্রায়শই মানুষজনের মুখে শুনতে পাওয়া যায়। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে এই কথা বলছি, এবং আমার ধারণা অনেকেই এ বিষয়ে আমার সাথে একমত হবেন যে, এই বক্তব্যের সাথে তারাও কমবেশি পরিচিত। কথাটা মোটামুটি এ রকম: “আমাদের দেশের মানুষ খারাপ, তাই এ দেশের শাসকও খারাপ।” অনেকেই ধর্মগ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে এ কথা বলে থাকেন যে, যে দেশের মানুষজন নৈতিকভাবে অধঃপতিত হয়, সৃষ্টিকর্তা সে দেশের ওপর খারাপ শাসক চাপিয়ে দেন। এই ‘বিশ্লেষণ’ থেকে অবধারিতভাবে যে সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসে তা হলো: নিজে ভালো হলে দেশের শাসকও ভালো হবে, রাজনীতি ভালো হয়ে যাবে, দেশের উন্নয়ন সাধিত হবে অতএব সর্বপ্রথম নিজের ভালো হওয়াটা দরকার ইত্যাদি ইত্যাদি (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

red-telephone-3শাহদীন মালিক আমার খুব প্রিয় মানুষদের একজন। প্রথাগত একজন আ্নিজ্ঞ হয়েও ভিন্নভাবে ভাবতে পারেন তিনি। আমার মনে আছে; সেনাকর্পোরেট কর্তৃত্বের জরুরি ক্ষমতার সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রবিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে একপর্যায়ে নিম্ন আদালত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষকের দণ্ডাদেশ দিলে তিনি এক অসাধারণ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন এক জাতীয় দৈনিকে। লেখার শিরোনাম দিয়েছিলেন “ন্যায়বিচার হয়নি”। স্বীকৃত বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে র্যাব প্রশ্নে কঠোর অবস্থান যাদের; শাহদীন মালিক তাদের অগ্রগণ্য। অনেক লেখাতেই সীমানা ভেঙেছেন তিনি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

স্নেহ কুমার চাকমা

স্নেহ কুমার চাকমা

পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম নেতৃত্বের একজন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক শিক্ষক আনন্দ বিকাশ চাকমার প্রকাশিত একটি লেখাকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে যে আলোচনা চলছে তার সূত্র ধরেই আমি নিচের পয়েন্টগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি পাঠক মহলে।

ভারত বিভাগ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম” শিরোনামে আনন্দ বিকাশ চাকমার লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি পত্রিকা’র জুন, ২০১৩ সংখ্যায় একত্রিংশ খন্ডে।

লেখায় লেখক ভারত বিভাগের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের নেতৃত্বেনর ভূমিকা নিয়ে পর্যালোচনা করেন। তার প্রবন্ধের প্রারম্ভিব বক্তব্যের সারসংক্ষেপ অংশে বলা হয়েছে

আলোচ্য প্রবন্ধে ১৯৪৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামকে পূর্ব বাংলার (বর্তমান বাংলাদশের) সঙ্গে রাখার অনুকূল ঐতিহাসিক, আর্থসামাজিক ও সাম্প্রদায়িক প্রেক্ষাপট এবং পাহাড়ী নেতৃবৃন্দের অমুসলিম পরিচিতিকে ইস্যু করে ভারত ইউনিয়নে থাকার পক্ষে প্রদত্ত যুক্তিসমূহের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

একদিন ঠিক মজুরি বাড়বে।

নিশ্চিন্তে বাজার করা যাবে।

কিন্তু সেই দিনটা কবে আসবে?

 

একদিন ঠিক অভাব ঘুচবে।

গ্যাঁটের টাকা যাবেনা উবে।

কিন্তু সেই দিনটা আসবে কবে? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সামিউল আলম রিচি

world-to-winজয় সর্বহারা স্লোগান প্রশ্নে একটি মতামত প্রকাশ করেছেন ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক শান্তনু সুমন(জয় সর্বহারা” শ্লোগানের সঠিকতা ও বেঠিকতা প্রসঙ্গে)তার বক্তব্য হলোবাংলাদেশের বিপ্লবের স্তর গণতান্ত্রিক এবং এই পর্যায়ে বিপ্লবের চারটি মিত্রশক্তি শ্রমিকশ্রেণী, কৃষক (প্রধানতঃ দরিদ্র কৃষক) শ্রেণী, ক্ষুদে বুর্জোয়া শ্রেণী ও জাতীয় বুর্জোয়া (মাঝারী বা মধ্য) শ্রেণীকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ এবং এই ঐক্য বজায় রাখার জন্য সর্বহারা শ্রেণীরদল বা পার্টিকে গণতান্ত্রিক বিপ্লবের স্তরে ‘জয় সর্বহারা’ স্লোগানটি ত্যাগ করতে হবে তা নাহলে ঐক্য বিনষ্ট হবে, শত্রুকে সুযোগ দেয়া হবে ও শত্রুকে আড়াল করা হবে এবং বিপ্লবের স্তরকে অতিক্রম করে বিপ্লবের বর্তমান স্তরকে অস্বীকার করে হবে মার্কসবাদকে বিকৃত করা, সংশোধন করা হবে’। পুরো লেখাটিই চরম প্রতিক্রিয়াশীল বিবেচনায় এই বিষয়ের উপর মতামত প্রদানের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি। (বিস্তারিত…)


সাক্ষাৎকার গ্রহণ: মহুয়া চ্যাটার্জি

অনুবাদ: শাহেরীন আরাফাত

naxal-3(সম্প্রতি সিপিআই (মাওবাদী)-এর দণ্ডকারণ্য বিশেষ আঞ্চলিক কমিটির সেক্রেটারি রমণ্য, সাংবাদিক মহুয়া চ্যাটার্জি’র কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাদের দলের নির্বাচন বর্জনের আন্দোলন ও অন্যান্য বিষয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি ২১ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে “দি টাইমস অফ ইন্ডিয়া” পত্রিকার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। নিম্নে সাক্ষাৎকারটির প্রকাশিত অংশের অনুবাদ তুলে দেওয়া হলো অনুবাদক)

প্রশ্ন:আপনারা নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানাচ্ছেন কেন?

উত্তর:যথারীতি আমরা জনগণের নিকট নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছি, কারণ তা প্রহসন ভিন্ন কিছু নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শান্তনু সুমন

revolt-3সর্বহারা শ্রেণী বাংলাদেশ তথা পূর্ববাংলার সমাজে শ্রেণীগতভাবে সংখ্যালঘু এমনকি সমাজতান্ত্রিক সমাজেও একটি পর্যায় পর্যন্ত সংখ্যালঘু থাকবে। এ অবস্থায় সর্বহারা শ্রেণী কিভাবে দেশের সকল জনসাধারণকে নেতৃত্ব দেবে?

মার্কসবাদ আমাদের শেখায়

প্রথমতঃ ঐতিহাসিক বিকাশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মৌলিক রাজনৈতিক শ্লোগান উত্থাপন করে এবং বিকাশের প্রতিটি স্তর ও ঘটনার প্রতিটি পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে কর্ম বিষয়ক শ্লোগান উত্থাপন করে, যাতে রাজনৈতিক শ্লোগানগুলোকে বাস্তবায়িত করা যায়”(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

আমজনতা

amjonotaদিনকে বানাও রাত তোমরা, রাতকে বানাও দিন

যতই হাসি, যতই কাঁদি, সবই অর্থহীন

নতুন নতুন নিয়ম বানাও, আমরা ভাঙবো বলে

নতুন চিন্তা ভাবতে গেলেই ভরবে মোদের সেল এ

 

অতীত এর সব হিসেব নিকেশ, ভবিষ্যতের মূলা

ধর্মটাকে নেড়েচেড়ে দিচ্ছ চোখে ধুলা

রামগরুড়ের ছানার ছিল হাসতে শুধু মানা

আমরা আজ করবোটা কি, সেটাও অজানা (বিস্তারিত…)


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

দমনমূলক আইনী সংস্কার :: গণ অধিকারের প্রশ্ন

shova-1আজ ০৫ অক্টোবর ২০১৩, গণঅধিকার সংগ্রাম কমিটি’র উদ্যোগে পরীবাগে সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে “দমনমূলক আইনী সংস্কার : গণ অধিকারের প্রশ্ন” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অরিন্দম হিজল (সদস্য, দাবানল), উপস্থাপনা করেন রিয়াদ (সদস্য, শ্রমজীবি সংঘ)। সভায় বক্তব্য রাখেন হাসনাত কাইয়ুম (হাইকোর্টের আইনজীবি; আহবায়ক, গণতান্ত্রিক আইন ও সংবিধান আন্দোলন), . নুরুন্নবী (সভাপতি, গণসংস্কৃতি পরিষদ), এহতেশাম উদ্দিন (যুগ্ম আহবায়ক, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ) প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা আইনী সংস্কারের মাধ্যমে ক্রমাগত গণনিপীড়ন বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। সভায় বক্তারা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী, সন্ত্রাস বিরোধী আইন, শিক্ষা আইন, শ্রম আইন, তথ্য প্রযুক্তি আইন নিয়ে আলোচনা করেন। (বিস্তারিত…)