Archive for অগাষ্ট, 2014


লিখেছেন: আনোয়ার হোসাইন ফার্মার

tachai-12নেকড়ের ডেরা” চীনের একটি গিরিখাতের নাম। বন্যার সময় যার দেড় কিলোমিটার অঞ্চল দিয়ে পাগলা ঘোড়ার বেগে পাহাড়ি ঢল বয়ে যেতো। চীনের লোকসঙ্গীতে আছে এরকম – “নেকড়ের ডেরা গিরিখাতে আছে তিন তিন শয়তান : ঢল, পর্বত আর নেকড়ের ক্ষুধা, শুকনো মৌসুমে গজায়না একটাও ঘাস বর্ষায় নামে শুধু মহা সর্বনাশ।” সংক্ষেপে এ হচ্ছে গিরিখাতের যথার্থ বর্ণনা। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: টিপু

protest-poetry-1আজ কবিতা লিখতে গেলে হাত কেঁপে যায় আবার,

কি লিখব? ভেবেছিলাম জীবন দিয়ে ছন্দ মেলাব,

কিন্তু অস্ফুট শব্দ চারিদিকে, মাঝে মাঝে চিৎকার

ধেয়ে আসে ছত্তিশগড়ের জঙ্গল থেকে। আমার কলম

কেঁপে কেঁপে যায়। অজস্র বক্ররেখা ভরে ওঠে

জীবনের কবিতা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

The_Faces_of_Capitalism-1একবার ব্যবহার করেই ফেলে দিতে হয়, দ্বিতীয় বার ব্যবহারের উপযোগী থাকে নাএমন ধরনের পণ্যের উদ্ভাবন একমাত্র পুঁজিবাদের হাতেই হয়েছে। মানব সভ্যতার অন্য কোন ধরনের সমাজ ব্যবস্থায় এই ধরনের পণ্যের কোন অস্তিত্বই ছিল না। মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে বাজার দখল করার যুদ্ধে এই ধরনের পণ্য তার অন্যতম হাতিয়ার। এই প্রক্রিয়ায় সে আমাদের জনসাধারনের মধ্যেও জোরেশোরে এই “একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়ার” প্রবণতা চাগিয়ে তোলে।

যার ফলে আমাদের পরস্পরের মাঝখানে তৈরী হয় বিচ্ছিন্নতার বিশাল ফাটল এবং সমাজের অভ্যন্তরে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলে বিশৃঙ্খলা। এই বিচ্ছিন্নতার ভার সহ্য না করতে পেরে এবং বিশৃঙ্খলার ফাঁদে আটকা পড়ে আমরা জড়িত হয়ে পড়ি নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রমে এবং সমাজে একে একে খুলে যেতে থাকে দুর্নীতি ও লুটপাটের সকল দ্বারমুখ। আপনাদের সকলে খুব ভালোভাবে অবগত থাকায়, আমাদের সমাজে নিয়মিত ঘটতে থাকা অপরাধী কার্যক্রমগুলোর ফিরিস্তি বর্ণনা করা এবং দুর্নীতি, লুটপাটের উদাহরণ হাজির করার বিশেষ প্রয়োজন নেই। (বিস্তারিত…)


বাংলাদেশ পরিস্থিতি নয়া উদারবাদী যুগে শাসনপ্রনালী ও কথকতা” নামের প্রকাশিতব্য সংকলনের প্রবন্ধ

লিখেছেন: বখতিয়ার আহমেদ

book-cover-1[সংকলকের ভূমিকা: আমাদের সমাজে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নানান অভিঘাতকে নির্মোহ দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করে থাকেন বখতিয়ার আহমেদ। রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষক যে গরীব কৃষকশ্রমিকের টাকায় যে জ্ঞানচর্চা করেন; তা একটিবারের জন্যও ভুলে যান না। সমাজে ক্ষমতাশালী কোনো অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন না তিনি। করেন না বলেই রাষ্ট্রআইনকানুননিও লিবারাল বাজারের আধিপত্যকে নৃবৈজ্ঞানিক অবস্থান থেকে নির্মোহ বিশ্লেষণ করতে পারেন তিনি।

বখতিয়ার আহমেদের কাছে প্রথমে লেখা চেয়েছিলাম এই সঙ্কলনের জন্য। পরে সময় বিবেচনায় নিয়ে এবং কাজের ব্যাপারে তার পারফেকশান আর ধীর গতির (দুটোই আমার কাছে ইতিবাচক। সেকারণেই তিনি যা বলেন/লেখেন তা জরুরি হয়ে ওঠে। হুটহাট বলেন না বলেই।) কথা মাথায় রেখে ফন্দি আঁটি কোনোভাবে একটি বক্তৃতা করিয়ে নেয়া যায় কিনা তাঁকে দিয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

21-august-2007-procession২০০৭ এর আগস্টে সেনাকর্পোরেট জরুরিক্ষমতার সরকারের কালে সংঘটিত ছাত্র বিক্ষোভের পর এইবার দিয়ে চতুর্থবারের মতো ২০২১২২ তারিখ উদযাপিত হচ্ছে। কিন্তু যে প্রশ্নকে সামনে রেখে আমরা কিছু শিক্ষকশিক্ষার্থী সেনাকর্পোরেট কর্তৃত্বের মহাজরুরি ক্ষমতার সেই সরকারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলাম; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতার সেই প্রশ্নটিকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনাসদস্য কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনাকে আমরা নিছক একটি নির্যাতনের ঘটনা হিসেবে দেখিনি। একে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতায় রাষ্ট্রীয় জরুরি ক্ষমতার অন্যায্য হস্তক্ষেপ বিবেচনা করেছি। সুমহান জনযুদ্ধের ৭১’এর প্রেরণায় স্বাধীন বাংলাদেশে যে জনমত ছিল;সেই জনমত বঙ্গবন্ধুর সরকারের কাছে থেকে আদায় করে নেয় ৭৩’এর অধ্যাদেশ; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের দলিল। সেই অধ্যাদেশের প্রেরণাটুকুকে উপজীব্য করে আমরা ক’জন মাত্র শিক্ষকশিক্ষার্থী (পরে আরও ক’জন যুক্ত হয়েছিল। সবমিলে মোটামোটি ৮০ জন ছিলাম) মৌন মিছিলে দাঁড়িয়েছিলাম। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

toba-garments-2বাংলাদেশের তৈরী পোশাক ক্ষেত্রে শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত কোন না কোনভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। বহুবিধ সমস্যা, অমানুষিক পরিশ্রম, কাজের অনিশ্চয়তা, অনিরাপদ কর্মক্ষেত্র, অসহনীয় দুর্ব্যবহার, এসবই তারা সহ্য করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। দেশের অর্থনীতির চাকাও টেনে চলেছেন পৃথিবীর নিম্নতম মজুরীতে। কিন্তু এসত্ত্বেও যখন তারা তাদের ন্যূনতম প্রাপ্য চাওয়ার অজুহাতে নিগৃহীত হন, আর এই প্রাপ্য চাওয়াটাকেই দেখা হয় “বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি” হিসেবে, তখন রাষ্ট্রযন্ত্রের অবস্থানটিও আরও সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

abstract_pain-7কবিতা প্রসংগে ৬০এর এক কবি আমাকে ১০টি প্রশ্ন করেছিলেন, স্বীকার করতে কার্পণ্য নেই তাঁর প্রশ্নগুলোর যুৎসই জবাব আমি দিতে পারছিলাম না। শেষ প্রশ্নটি ছিলো : আমরা যা লিখছি তা কী বাংলা সাহিত্যে কোনো অবদানের সৃষ্টি করছে! আমি গাঁই গুই করছিলাম, কিন্তু পাল্টা প্রশ্ন এলো ‘কী অবদানের সৃষ্টি করেছে বলেন’হ্যাঁ, বলবার যা ছিলো তা যুৎসই মনে হচ্ছিল না। সত্য এই যে, এরকম জিজ্ঞাসা আমার মধ্যেও বিরাজ করছে। কারণও আছে আর তা’ হলো সৃষ্টিতে ক্লিবতা, চারিদিকের নৈরাজ্য, সমাজের বন্ধ্যাত্ব, পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতা, শিল্পসাহিত্যসংস্কৃতির প্রশ্নে রাষ্ট্রের অনুল্লেখ্য আগ্রহ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: গুরুপ্রসাদ কর

gaza-35গাজায় আবার ইজরায়েলের বর্বর বিমান হানা শুরু হয়েছে। মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। গত ৫ দিনে প্রায় ১৪০ জন মানুষ মারা গেছেন, হাজারেরও বেশি মানুষ আহত। আতঙ্ক সৃষ্টি করতে বেছে বেছে স্বাস্থকেন্দ্র ও মসজিদে বিমান হানা চলছে। আহত মানুষেরা যাতে চিকিৎসা না পেতে পারে তার জন্য ৭০%-এর বেশি অ্যাম্বুলেন্স ধ্বংস করা হয়েছে। ইতোমধ্যে স্থলপথে ও জলপথে আক্রমণের জোর প্রস্তুতি চলছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

হামাসের রাজনৈতিকমতাদর্শিক উত্তরণ

free-palestine-2১৯৬৭ সালের আরবইজরায়েল যুদ্ধের ২০ বছর পর ১৯৮৭ সালে প্রথম ইন্তিফাদা, বা গণআন্দোলনের গর্ভে মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের শাখা হিসেবে গাজায় জন্ম হামাসের। হামাসের উত্থানের প্রথম দিকে পশ্চিমা শক্তিসমূহ বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল, তাদের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক কূটকৌশলে। কিন্তু তাতেও তারা নিজেদের মতো করে গড়ে তুলতে পারেনি হামাসকে। ফিলিস্তিনি নিপীড়িত জাতিসত্তার লড়াইসংগ্রামটা মুখ্য হয়ে ওঠায় হামাসকে আর তাদের ইচ্ছেমতো চালিত করাটা সম্ভব হয়নি। (বিস্তারিত…)


ধর্মযুদ্ধের যুগে একজন স্বীকৃত প্যাগানবাদী, হাইপেশিয়া ছিলেন এমন একজন নারী, যিনি গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা এবং দর্শনের চর্চা করতেন

মূল: সারাহ জেইলিন্সকি

অনুবাদ: মেহেদী হাসান

অনুবাদকের উৎসর্গ: বর্তমান সময়ের হাইপেশিয়াদের

প্রবন্ধটি স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিনে ২০১০ সালের ১৪ মার্চ প্রকাশিত হয়

Hypatia-2৪১৫ অথবা ৪১৬ সালের একদিন, মিশরের আলেকজেন্দ্রিয়া শহরের রাস্তায় পিটার দ্য লেকটরের নেতৃত্বে খ্রিষ্টান চরমপন্থীদের একটা দল একজন নারীকে বহনকারী ঘোড়ার গাড়ী ঘিরে ফেলে এবং তাকে টেনেহিঁচড়ে বের করে একটি গীর্জায় নিয়ে তুলে, সেখানে তারা তাকে উলঙ্গ করে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তার দিকে ছাঁদের টালি নিক্ষেপ করতে থাকে। এরপর তারা তার লাশ ছিন্নভিন্ন করে পুড়িয়ে ফেলে। কে এই নারী এবং কি ছিল তার অপরাধ?

হাইপেশিয়া ছিলেন প্রাচীন আলেকজান্দ্রিয়া শহরের সর্বশেষ মহান চিন্তাবিদদের একজন এবং নারীদের মধ্যে প্রথমদিককার একজন, যিনি গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা এবং দর্শনের পর অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা করতেন। যদিও তার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জন্য তাকে অনেক বেশী স্মরণ করা হয়, তবে নাটকীয়তায় ভরপুর তার জীবনটি হচ্ছে এমন একটি কৌতূহলোদ্দীপক লেন্স, যার ভেতর দিয়ে আমরা ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক যুদ্ধের যুগে জ্ঞানবিজ্ঞান চর্চার দুরবস্থার চিত্র দেখতে পাই। (বিস্তারিত…)