Archive for অক্টোবর, 2012


লিখেছেন: মাহমুদ ইমরান

সাধারণ তর্কঃ

tree without rootsবাংলা ভাষায় লিখিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ’র বহুল আলোচিত এবং বহুল পরিচিত উপন্যাস ‘লালসালু।‘ট্রি উইদাউট রুটস’ নামে উপন্যাসটির একটি ইংরেজি অনুবাদ (বা অনুসৃষ্টি)সাধারণ পাঠকমহলে প্রায়অনুচ্চারিত হলেও বর্তমান অধিপতি ধারার একাডেমিকসাহিত্য বাজারে হামেশাই এর দেখা পাওয়া যায়। উপন্যাসটির (বা উপন্যাসদুটির) কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম মজিদ। চরিত্রটি জটিল নয়; খুবই সাধারণঃ অন্তত পন্ডিতেরা তাই মনে করেন। মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত একজন মৌলভী বেঁচে থাকার তাগিদে কীভাবে নতুন একটি এলাকায় গিয়ে বসতি স্থাপন করে; কীভাবে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে সে তৈরী করে তার চারপাশের দূর্ভেদ্য ও শক্তিশালী ক্ষমতাবলয়; কীভাবে গ্রামের মানুষের অজ্ঞতা আর কুসংস্কারের সুযোগ নিয়ে সে প্রতিষ্ঠা করে মাজারসংস্কৃতিকে এবং কীভাবে এ মাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে তার ধর্ম ব্যবসায় এবং প্রতিনিয়ত নিজের এসব কর্মকান্ডের জন্য কীভাবে এবং কত রকমে সে অনুশোচনায় কাতর হয় কিংবা কাতর হতে হতে কীভাবে সে হঠাৎ আত্মসচেতন হয়ে উঠে এবং নিজের ধর্মব্যবসাকেই আরো শক্ত করে আঁকড়ে ধরে আবারএ সবকিছুই পন্ডিতেরা আলোচনা করেছেন ও করছেন। সাহিত্যের বাজারে ব্রাত্যজন হওয়ার পরও আমরা উপন্যাসটি নিয়ে আরেকবার আলোচনা করতে ইচ্ছুক। দেখতে ইচ্ছুক, উপন্যাসটিতে ইতরবিশেষ কিছু আছে কিনা। দেখতে চাই যারা মজিদকে প্রতারক ও ঠগবাজ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন, তারা কোন চেয়ারে বসে আছেন। (বিস্তারিত…)

Advertisements

সাম্রাজ্যবাদী বাসনার অদৃশ্য কালিতে অঙ্কিত নাফিসের মুখাবয়ব :: একটি পর্যালোচনা

Posted: অক্টোবর 26, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

 

মার্কিন গোয়েন্দাবৃত্তির শিকার নাফিস

নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে হামলা পরিকল্পনার জন্য এফবিআই দ্বারা প্ররোচিত হওয়ার পর গত ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশী নাগরিক রেজওয়ানুল আহসান নাফিসকে নিয়ে এদেশে আলোচনাজল্পনাকল্পনার অভাব নেই। বিভিন্ন মহল নিজস্ব অবস্থান অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টিকে অবলোকন ও পর্যালোচনা করার প্রচেষ্টায় তৎপর রয়েছেন। যারা নিজেদেরকে সেকুলার মুক্তমনা বলে প্রকাশ করতে সর্বদা আগ্রহশীল থাকেন তারা এই মুহূর্তে মেতে উঠেছেন ইসলামী মৌলবাদ কতোটা খারাপ জিনিস, ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ সমাজসভ্যতাসংস্কৃতির জন্য কতোটা ভয়াবহ ও বিনাশী ব্যাপারএটা প্রমাণের জন্য। তাদের ভাষ্যমতে এই ধরনের মৌলবাদী কর্মকাণ্ড ও তৎপরতা হচ্ছে নিতান্তই স্বাধীন অভিব্যক্তি। অথবা সমাজের অভ্যন্তরে পশ্চাৎপদ চিন্তাভাবনা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ইত্যাদি বিরাজমান থাকলে তার অনিবার্য প্রতিফল হিসেবে মৌলবাদী সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের ভিত্তি সেখানে গড়ে ওঠে। কথাটা একেবারে মিথ্যে নয়; বরং এটা মোটামুটি সর্বাংশে সত্য ও স্বীকৃত বিষয়। কিন্তু মুক্তমনাদের বিশ্লেষণে সন্ত্রাসবাদী তৎপরতার ভিত্তি হিসেবে ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং সাংস্কৃতিক অন্ধত্বের উল্লেখ থাকলেও এর থেকে আরেকটু পেছনে গিয়ে বিষয়টিকে আরো বিস্তৃতভাবে দেখার সুযোগ কিংবা আগ্রহ কোনোটাই তাদের নেই।

(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: রাশেদুল হক

মুক্তির প্রতীক্ষায়...

আমি কলম ছেড়ে তুলেছি বল্লম

নিয়েছি ধনুক তীর

কে আমার স্বদেশ লুটে

বুকেতে ধরায় চির!

.

আমার মাটিতে রোপে কারা আজ

স্বার্থের বিষ চারা

হিম্মত যদি থাকে একবার

সম্মুখে এসে দাড়া! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

সাহিত্য চর্চা করার আগ্রহ ছোটবেলা থেকে থাকলেও, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তক বাদে গল্পকবিতার বই পড়ার সুযোগ আমার কোন দিন তেমনভাবে হয়ে উঠেনি। আর আগ্রহটাও হয়তো তেমন জোড়ালো ছিল না, থাকলে হয়তো সুযোগ তৈরী করে নেয়া যেত। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে আবাসিক হলে উঠে যাবার পর বই পড়ার সুযোগ আসে আর ধীরে ধীরে আগ্রহটাও যেন পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। বই পড়া শুরু হয় মূলত উপন্যাস দিয়ে, তারপর ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, এবং সবশেষে কবিতায় ছড়িয়ে যাই। অন্য কোন কারন নেই পড়ি শুধু ভাল লাগে বলে, পড়ে আনন্দ পাওয়া যায় তাইপড়তে পড়তে অদ্ভুত এক ভালো লাগায় মনপ্রাণ ছেয়ে যায়। আর পড়িও গ্রামের বাড়ীতে গেলে রুমে দরজায় খিল এঁটে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকাকালীন বিছানায় দেয়ালের সাথে ঠেস দেয়া বালিশে হেলান দিয়ে, হলের পাঠকক্ষে, পাবলিক লাইব্রেরীতে, বিদ্যুৎ চলে গেলে মোবাইল ফোনে আলো জ্বালিয়ে পর্যন্ত; ক্ষিপ্র উন্মাদের মত পাতার পর পাতা উল্টিয়ে চলি, অন্য কোন দিকে কোনধরনের খেয়াল থাকেনা, খাওয়ানাওয়া সব ভুলে যাই, গরমে ঘেমে নেয়ে উঠি, শীতে ঠক ঠক করে কাঁপি আমার পড়ার বেগ থামতে চায় না। নিত্য সঙ্গী হিসেবে থাকে শুধু সিগারেট। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: যিশু মহমমদ

মার্কিন গোয়েন্দাবৃত্তির শিকার নাফিসষড়যন্ত্র তত্ত্বের নকশায় মালালা তালিবান বিরোধী হলেও নাফিস তালিবান পুষ্ট। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বাম হাতের পাঞ্জা মালালা হলে, ডান হাতের খেলায় নাফিস টেক্কা। এদিকে দুনিয়ার মানুষ হিসেব কষছে নাফিস ও মালালা দুয়ে দুয়ে যোগফল হলো পাঁচ। রাফ খাতায় কাটাকাটি হচ্ছে কম। অংক মিলে যাচ্ছে সহজে। এই অংক বলছে, নাফিস বিষয়ে এফবিআই সত্য। অন্যদিকে, যোগ বিয়োগ করে দেখানো হচ্ছে, মালালার আর যুক্তরাষ্ট্রের মতের মিল ষোলআনাই এক। ফলাফল পাকিস্তানি তরুনী এখন ‘সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ’র নায়িকা। খলনায়ক বাংলাদেশী যুবক নাফিস। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

আফগানিস্তান যখন সোভিয়েত সাম্রাজ্যবাদের দখলে ছিল, বিশ্বের আরেক সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা এটাকে প্রতিহত করতে গিয়ে আফগানিস্তানে উগ্র ধর্মান্ধ মোল্লা ওমর ও তালিবানি শক্তির উত্থান ঘটায়; এটা আফগানদের দুর্ভাগ্য বটে যেসেখানে মন্দের ভাল রূপে সত্যিকার কোন বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী শক্তি বা অন্য কোন সংঘবদ্ধ বিপ্লবী শক্তির বিকাশ হয়নি! আমেরিকা তালিবানি শক্তির উত্থান পর্বে, টিকে থাকতে পাকিস্তানকে ব্যবহার করে। পাকিস্তানের পেশোয়ার শহর অস্ত্র, অর্থ, ট্রেনিং ও অন্যান্য রসদ সরবারহের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হতো। আমেরিকার তালিবানি সাহায্য থেকে চুরিচামারি করে কিছু কামানো ও পাকিস্তানের প্রতি আমেরিকার সামরিক সাহায্য অব্যাহত রাখা এবং সর্বোপরি আমেরিকার দালালি করতে গিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্র, তার শোষক, স্বার্থান্বেষী দালাল বুর্জোয়া শ্রেণী ধর্মান্ধতার রাজনীতির চাষাবাদ করে, আর নার্সিং করে তালিবানকে দুধকলা দিয়ে কেউটে সাপ পোষার মত বড় করে তুলে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রেমাংশু মজুমদার

 

স্বপ্ন,

আজ অনেকদিন পর তোর সাথে দেখা হল। তাও সেকেন্ড ত্রিশেকের জন্য। ইচ্ছে করেই আমি কথা বাড়াইনি। বিষন্ন তোর মুখটা দেখতে ইচ্ছে করল না। ফেসবুকে তোকে ব্লক করে দিয়েছি অনেক আগেই, জানি তুই এই লেখার কথাটা জানতে পারবিনা। তাই লিখছি। কেমন আছিস তুই? কোঁকড়ানো চুলে তোকে বেশ কবি কবি লাগছিল। কাঁধে নেটবুকআর সেই আগের এলোমেলো তুই। শুনলাম ইদানিং বেশ ব্যবসায়ী হয়ে যাচ্ছিস। কেমন চলছে দিনকাল? (বিস্তারিত…)


চেসুগন্ধী

 

মানুষের মাজা বাজারে ঘুরেচরে, চলেফিরে

দেখেছি অনেক পন্য; কতরকমে সাজানোসার বেঁধে মগ্ন

বাজার আজকে সয়লাব, খোলা মুদ্রানীতির বিশ্ব।

সাবান, শ্যাম্পু, ফেসওয়াস, রোলঅন ডিওডোরেন্টস্প্রেফূৎকারচুরুটের ধোঁয়া

হরেক রকম গেঞ্জী, সার্ট, ফতুয়া, টুপি, অন্তর্বাসকাচুলী, জাঙ্গিয়া, পাদুকা। (বিস্তারিত…)

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার প্রশ্নে রাষ্ট্রের ভূমিকা ও আধিপত্যের ভাষা

Posted: অক্টোবর 6, 2012 in অর্থনীতি, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আহমদ জসিম

সেনা শাসনে পর্যুদস্ত পাহাড়ের মাটি ও জনগণ...আমরা বিষয়টা শুরু করতে পারি গত ২০১০এর ১৯ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় ঘটে যাওয়া সংঘাত থেকে। সেই ঘটনায় হত্যাযজ্ঞ, লুটপাট অগ্নিসংযোগসহ মানবতার চরম লঙ্ঘন হয়েছিল এটা পাহাড়ি জনগণের উপর চলমান রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ছোট্ট একটা অধ্যায় মাত্র। মোটামুটিভাবে আমরা বিষয়টাকে এভাবে দেখতে পারি; রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিপীড়নের শুরু ১৯৫৬ থেকে আর সেই নিপীড়নের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে ’৮০ দশক থেকে। তবে ১৯ ফেব্রুয়ারির এই ঘটনা বিশেষ রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে, এই কারণেই যে ক্ষমতাসীন আ’লীগ সরকার শান্তি চুক্তির মধ্যদিয়ে জনগণের কাছে অঙ্গীকার করেছে পাহাড়ে একটা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে, আবার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শাসক আ’লীগ এর দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিদের মন্তব্যগুলোতেও রাষ্ট্রের রাজনীতি সচেতন সকল নাগরিকেরই উদ্বিগ্ন হবার যথেষ্ট কারণ আছে। ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পাহাড়ে সেনা বৃদ্ধির কথা (অথচ পাহাড় থেকে সেনা প্রত্যাহার হচ্ছে শান্তি চুক্তির অন্যতম এজেন্ডা), ঘটনায় দাতাদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংসদ উপনেতা বলেছেন, ‘তারা শুধু পাহাড় নিয়ে ভাবে বাংলাদেশ নিয়ে ভাবে না’ (!) স্বাভাবিক নিয়মেই প্রশ্ন জাগে শাসকশ্রেণী কি তবে পাহাড় কিংবা পাহাড়ি জনগণকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে রাজি না! শাসক দলের দুই দায়িত্বশীল ব্যক্তির মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় শান্তিচুক্তি নামক কাগজটা আসলে পাহাড়ি জনগণের সাথে আরেকটা প্রতারণা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

পুড়ে যাওয়া বৌদ্ধ বিহার যেন রাষ্ট্রের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধ্বজা ধরে আছে...টেকনোলজির উল্লম্ফনের এই হাইটেক যুগে দু’দন্ড কোথাও বসে বা থেমে আমরা কেউ কিছু চিন্তা করবো তার বিশেষ কোন উপায় নেই। বর্তমানে উদাসীনতার, নিস্পৃহতার উদাহরণ খুঁজতে আলবেয়ার কামুর উপন্যাসের নায়ক পর্যন্ত যেতে হয়না। সো কল্ড হাইলি ইম্প্রেসিভ, কনজিউমার সোসাইটির সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য আত্মকেন্দ্রিকতার হাইহিল পরিধান করে সর্বত্র চলতে হয়, এই সত্যটি আরবানাইজড সিটিতে বেড়ে উঠা সিভিলাইজড তষ্কর, তার ছেলেপেলেরা থেকে শুরু করে গ্রাম্য যেসব চাষাড়েরা শহরে আসে টাকার গন্ধে সবাই জানে। পুঁই শাক নায্য দামে বিক্রি করতে না পারা চাষার বউও তাই মিনি প্যাক শ্যাম্পুর নাগাল পাচ্ছে। তাছাড়া ‘কিছুতেই কিছু যায় আসেনা’ অ্যাটিটিউডটাই যেহেতু হাল ফ্যাশনের ‘স্মার্টনেসের’ সর্বোচ্চ স্তর সেহেতু ম্যানিপুলেটিভ চরিত্রের উচ্চতর বিকাশের জন্য প্রয়োজনবোধে চারপাশের অবস্থা ইচ্ছামত চিত্রায়িত করবার বাসনায় সুবিধামত জুম ইন, জুম আউট করাটা পূর্বের থেকেও অপেক্ষাকৃত সহজ। তাই বুঝি রাত বারোটা থেকে সার্টিফাইড বুদ্ধিচোরেরা টকশো নামক আর্বানাইজড সার্কাসে এসে দেঁতো হাসিতে, মাখামাখা গলায় গণতন্ত্র, সেকুলারিজম, সুশাসনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ইত্যাদি কপচে শরীর, মন উভয়ই গরম করা কচকচে টাকার নোটের গন্ধ শুঁকে শুঁকে মদ্যপ, অসভ্যের মত বারবার ইন্টেলেকচুয়ালদের শুঁড়িখানায় প্রবেশ করেন। (বিস্তারিত…)