Archive for এপ্রিল, 2012


মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে ‘গণমুক্তির গানের দল’ এর খবর বিজ্ঞপ্তি

৩০ এপ্রিল ২০১২

সহযোদ্ধা,

দুনিয়ার মজদুর এক হও।

মার্কসবাদলেনিনবাদমাওবাদ

শ্রমিককৃষকমেহনতী জনতার মুক্তির একমাত্র মতবাদ।

এই স্লোগানকে ধারণ করে ‘গণমুক্তির গানের দলকেরানীগঞ্জ শাখা’ এর উদ্যোগে আগামী ১লা মে ২০১২ ইং মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় বেরীবাঁধ আলম মার্কেটের সামনে, পূর্ব আগানগর, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, প্রিন্স আহাম্মাদ এর সভাপতিত্বে মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও গণসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এ্যাডভোকেট যাহেদ করিম।

সকলের আন্তরিক সহযোগিতার প্রত্যাশা করছি।

প্রচারে,

আমিনুল ইসলাম সুমন (০১৯৩৩৪৮১৬৯৬)

অনুষ্ঠান সমন্বয়কারী

গণমুক্তির গানের দল’

কেরানীগঞ্জ শাখা।

‘মে দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটি’র প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Posted: এপ্রিল 30, 2012 in দেশ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

মে দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটি’র প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দুনিয়ার মজদুর এক হও

মহান মে দিবসের ডাক

মার্কিন নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতের শাসকগোষ্ঠীর দালাল শাসকশ্রণীর শাসন উচ্ছেদ করুন

শ্রমিকশ্রেণীর নেতৃত্বে সমাজতন্ত্রসাম্যবাদের লক্ষ্যে জনগণের ক্ষমতা দখলের বিপ্লবী সংগ্রাম গড়ে তুলুন!

বন্ধুগণ,

প্রতি বছরের মতো এ বছরও ১লা মে মহান মে দিবস পালিত হবে সারা দুনিয়ার শ্রমিক শ্রেণীর আন্তর্জাতিক ঐক্য ও সংগ্রামের দিন হিসেবে।এ বছর মে দিবসে অধিকতর তীব্রতার সঙ্গে পুঁজিবাদের মজুরি দাসত্বের বিরুদ্ধে,সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ব ব্যবস্থা ধ্বংসের ডাক দিয়ে দেশে দেশে মিছিলে যোগ দেবে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক। ‘পুঁজিবাদ নয়, সমাজতন্ত্রসাম্যবাদী ব্যবস্থাই মানবজাতির মুক্তির পথ’ এই শ্লোগান উঠবে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন পুঁজিবাদীসাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রে, জাগরণ উঠবে আরব বিশ্বে, ল্যাতিন আমেরিকা জুড়ে, এশিয়ায়, অস্ট্রেলিয়ায়।

লোহার শেকল পায়ে পরিয়ে যারা শ্রমিকদের কাজ করতে বাধ্য করে,প্রতি মহুর্তে মৃত্যুর ঝুঁকির মধ্যে রেখে যারা শ্রমিকদের খাটায়, নিয়োগপত্রহীনমনুষ্যোচিত বাঁচার মতো মজুরি ব্যতীত ১৪ থেকে ১৬ ঘন্টা বাধ্যতামূলক ওভারটাইম করতে বাধ্য করেসেই শোষক পুঁজিপতি বড়লোক শ্রেণীর শাসন উচ্ছেদ ছাড়া শ্রমিকশ্রেণীর মুক্তি সম্ভব নয়। জেলখানায় আটক বন্দিরাও নিজেদের ভেতর কথা বলতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানাসহ ব্যক্তিমালিকানাধীন কারখানায় শ্রমিকদের নিজেদের ভেতর কথা বলারও কোনো অধিকার নেই। (বিস্তারিত…)


নব্বইয়ের কবিতার চিত্রকল্প

মাতিয়ার রাফায়েলের ‘অমর, মর…’ এবং আমার নিজস্ব বিশ্লেষণ

লিখেছেন: আহমদ জসিম

জেনগল্প হৈতে প্রবাহিত

বহুদিন আগে একবার তাহার ছেলেসন্তান কী মরুভূতে নরবাণিজ্য

উদ্দেশে গিয়ো ফিরিয়া আসে নাই আর। তাহার কথাই মনে টানিয়া

বারঙবার গ্রামবৃদ্ধাটি কী গানসহিত মিতদীর্ঘশ্বাস প্রবাহে যায়

সেদিনও লামা পাহাড়ের পাদদেশের বাঁশঝাড়মধ্য হৈয়া রামদা হাতে আঁকিয়া বাঁকিয়া সরিতেছিলেন টীলাবাসিনী পোঁদশ্রেণীস্থা সেই গ্রাম বৃদ্ধাটি।

ছেলেটির জন্ম প্রাক্কালে যেতুরীয়সঙ্গম জঙ্গমতায় ধ্বনিত হৈত কণ্ঠ হৈতে তাহার, ওঁ, এই ওঙ্কার বিশেষ, তামাদি হৈয়া যাওয়া কোন অন্দর যেভগ স্ফূর্তিতে ছিল বান্, সেই পুরুষ শায়ক,

তাহার ভগবানপুরুষ, মরিয়া হাজিয়া পগার পার সেই কবে, সেই বাঙলা তেরশ’ কত যেন বন্যার পূর্বে

গ্রামবৃদ্ধার স্মৃতি প্রবাহে তাহেই কী দীর্ঘশ্বাসে মৃদু মৃদু ধাক্কা খাইতে খাইতে আবার সরিয়া সরিয়া পড়িয়া যায়।

তখনই মাত্র লুটিয়া প’ড়ে স্মৃতিতে আবার কী যে মিহি টানে সেই ওঁ, ওঙ্কার ধ্বনিপর : ‘ওঁমর, মর’

তাহারই ধারাবাহিকতায় এক বর্ষাদিবস চোখে চষিয়া গেল চকিতে আমার, এক পঞ্চাশীতিপরায়ণা প্রায় ধনুকায় ধনুকায় গ্রামবৃদ্ধাবাছিয়া বাছিয়া কচু কাটিতেছে।

আর ধ্বনিত হৈতেছে কণ্ঠ হৈতে, তাহারই যেন কোন অর্ধস্বর ভাঙিয়া, ‘ওঁকচু। অঁমর, ওঁমর’

আচম্বিতে কী জাদুগ্রস্তের মতো তদীয় পার্শ্বস্থিত হৈয়া কৈলাম : কী হে গ’ পোঁদে, কী শোধে কাহাকে তুমি ওমন অভিসম্পাৎ করিতেছ, ওঁকচু, অঁমর, ওঁমর

পোঁদবৃদ্ধাটি যারপরনাই লজ্জাপর কৈল, বিদেশী বাবু, মুই ত কেউরে কোন শোধে এইসা অভিসম্পাৎ করিচ্চি না!

ছেলে আমার অমর, বহুদিন আগে নরবাণিজ্যে গিয়া ধর্মান্তরিত হৈয়া গিয়া ফিরিয়া আসে নাই আর এ মাতৃকোলে কোনদিন!

কী নতুন নাম না কি হৈয়াছিল তাহার, অমর হৈতে ওমর, বাবুজি গা’, মুই ত তাহাই ধৈরা ডাকিচ্চি,

অঁমর, ওঁমর’

  (বিস্তারিত…)


সামগ্রী

কাব্যগ্রন্থ দিয়ে পূজোপাঠ করো

ওতে আমার বিশ্বাস নেই

ও আমার হবে না।

———————————————–

কম্পন

চুলায় আগুন জ্বলছে

ধক, ধক, ধক……

চুলায় আগুন কাঁপে।

———————————————— (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠু ঘোষাল

নয় ও চাতক, চোখ বিছিয়ে মরু কিশোরী

খাঁটি সোনা মনটা যে তার, স্বর্ণবর্ণা নব্যনারী।

আকূল ষে তার কর্ণকূহর

আকূল দেহ,মন কন্দর।

আকাশ ডাকে গুরুগুরু

বৃষ্টি তবে হোকনা শুরু।

মনের ব্যাথা মরু কিশোরী বলতে পেলোনা সে

মেঘরাজকে কোথায় পাবে, সুদূর প্রবাসে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

এক

কতদিন নারী মাংশের স্বাদ পাই না, কতদিন যৌনপল্লীতে যাইনি; দীর্ঘ একমাস পূর্বে একবার গিয়ে শরীরের ক্ষুধা মিটিয়ে এসেছিলাম। মেয়েগুলো কত সস্তায় যে তাদের দেহ বিক্রি করে! পঞ্চাশ টাকা, একশ টাকা, দুইশ টাকা, তিনশ টাকাএত কম দামে এমন ভাল জিনিস পৃথিবীর আর কোথায় পাওয়া যায় কিনা সন্দেহ! আর আমি অভাগা এমন সুযোগ নাকের ডগায় পেয়েও সামান্য কটি টাকার অভাবে, দেহের লালসা নিয়মিত নিবৃত্ত করতে পারিনা।

মেয়েগুলো কত যে ভালো! কোন আবদার নেই, বিশেষ বাহানা নেই, চটুলতা নেই, ছেনালীপনার ছিটেফোটা নেই, কত সহজ,কেমন সুন্দর সরল! আর যা কিছু করে, সকল তাদের ব্যাবসার খাতিরে, খদ্দেরদের সামনে কাঁচা মাংশের পসরা সাজিয়ে বসে থাকে, বিভিন্ন ভঙ্গিমায় দেখায়, গুনাগুন বর্ণনা করে; মানিব্যাগ খুলে কয়েকটা কড়কড়ে নোট বের করে দিলেই, সুবোধ বালিকাদের মত; নিম্নাঙ্গ উন্মুক্ত করে বিছানায় শুয়ে পড়ে।

আর ভদ্র ঘরের সামাজিক মেয়েরা,যারা সমাজ সংসার থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে ছেলেদের সাথে প্রেম প্রেম খেলে; তাদের কত যে তাল বাহানা, ছেবলামো, ছেনালীপনা, ধূর্ততা তা বলে শেষ করা যাবে না! ওদের মনের মধ্যে যেন গুবরে পোকা সবসময় কিলবিল করে; কুকুরের মত, জিহ্বা দিয়ে সবসময় লালা টপটপ করে পড়তে থাকে; থ্রিপিছ, শাড়ী, চুড়ি, কানের দুল, সাবান,শ্যাম্পু,সুগন্ধি তেল, পারফিউম কিনে দাও, ফোনে ব্যালান্স ভরে দাও, মিসড কল মারলে ফোনে ভালাবাসার চটুল কথাবার্তা বলতে বলতে; নাকি কান্না শুনতে শুনতে সমস্ত রাত্রি কাবার, মানি ব্যাগের সব টাকা শেষ। তার পরেও রেহাই নেই, টাকা ধার করে হলেও সপ্তাহে একদিন চাইনিজে; দুই দিন পার্লারে নিয়ে যাও। আগের দিনে দুই টাকার বাদাম কিনে পার্কে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা প্রেম করা যেত, এখন সেই দিন শেষ; নতুন যুগ এসেছে, তার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে,নইলে আর প্রেমিকার মুখ দেখতে হবেনা। (বিস্তারিত…)


নকশাল দ্রোহে নারী

পুরো বইটি পড়ুন এখান থেকে

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/intro.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-01.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-02.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-03.pdf

(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

বুঝতে পারি আমাদের চোখ অন্ধ

যখন সেই চোখগুলো খুলে কিছু দেখে,

এই মৃত্যু উপত্যকায় মৃত্যু নিয়ে মাতম

আমাদের মধ্যবিত্তীয় মৃত্যুবিলাসের প্রহসন।

একের পর এক অপঘাতে যেই জাতি নিশ্চুপ

তাদের কন্ঠই হরতালের মৃত্যুগুলোতে সোচ্চার

তখন যে বজ্রকন্ঠের উদাত্ত ডাক নিরাপদ, তাই।

অন্ধের দেশে আয়না ফেরি করা তখনই নিরাপদ, (বিস্তারিত…)


বিপ্লব

জেগে ওঠ তুই সুপ্ত তন্দ্রা ছেড়ে,

চেয়ে দেখ চারিদিকে বইছে রক্তগঙ্গা।

জল্লাদের হাতে চকমকে তরবারি,

জীবন্ত মানুষের রক্ত চুষছে হায়েনা।

বর্গিরা আবার ফিরে এসেছে,

শুনছি নীলকরদেরও পদধ্বনি।

স্বাধীনতা আবার বিলীন হতে বসেছে,

প্রেতাত্মারা হয়ে উঠেছে নয়নের মনি।

রক্তের ছাপে ছেয়ে যাচ্ছে আজ,

তোর শ্যামল বাংলার মাটি।

তোর মাংস ছিঁড়েই কাবাব বানিয়ে,

আয়েশে খাচ্ছে দুই কুটনি বুড়ি।

ঢাকা পড়ে গেছে মানবতা,

থেমে গেছে কানুনের জয়রথ।

এ বাংলায় এখন শোষণ চালাচ্ছে,

ডাইনীরূপি ষাটোর্ধ দুই বজ্জাত।

ঘুমের ঘোরে আর কাটবে তোর কত কাল?

এবার নিদ্রা ভেঙে বিপ্লবকে বুকে টেনে নে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

২০১০এর আগস্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেতনফি বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে লাঞ্চিত হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আর পুলিশের হাতে। ঠিক তার এক বছর পর, অর্থাৎ, গত বছরের আগস্টের তিন তারিখ দেশের প্রধান জাতীয় দৈনিকের শিরোনাম, ছাত্রলীগের দুর্ব্যবহার, প্রক্টরসহ চার শিক্ষকের পদত্যাগপত্র জমা।’ এই যেন কিউবান বিপ্লবের জীবন্ত কিংবদন্তি ফিদেল কাস্ত্রো’র সেই উক্তিটাই আমাদের স্মরণ করিয়ে দিল, ইতিহাস আমাদের কাউকে ক্ষমা করবে না।’ ব্যাপারটা এমন নয় যে শিক্ষার্থীরা এই চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিল। আন্দোলন ছিল মূলত শিক্ষার বাণিজ্যিকায়ন, বেতনফি’র নামে শিক্ষার্থীর উপর নানাভাবে করের বোঝা আরোপ সর্বোপরি সাম্রাজ্যবাদী মহাজনি সংস্থা বিশ্বব্যাংকএর শিক্ষাকর্মসূচি বাস্তবায়নএর বিরুদ্ধে।

আন্দোলরত শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে আচরণ করেছে এই আচরণকে শাসকদল আওয়ামলীগের নেতা মাহামুদু রহমান মান্না তুলনা করেছিলেন উগাণ্ডার স্বৈরাশাসক ইদ আমিনের আচরণের সাথে। সেই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আচরণ আর ছাত্রছাত্রীর উপর পুলিশি নির্যাতন মিলিয়ে ন্যুনতম বিবেকসম্পন্ন কোন মানুষের পক্ষেই নিরপেক্ষ থাকা ছিল অসম্ভব। কিন্তু জাতির বিবেক বলে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহভাগ শিক্ষকই ছিলেন নিরপেক্ষ। না, সকলে নয়! সেই আন্দোলনে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দু’টা ভাগে ভাগ করতে পারি, যাদের বৃহৎ অংশ ছিল তথাকথিত নিরপেক্ষ গ্রু, আর দ্বিতীয় গ্রুপটা ছিল কতিপয় আন্দোলনবিরোধী গ্রুপ। (বিস্তারিত…)