Archive for সেপ্টেম্বর, 2015


লিখেছেন: নীলিম বোস

gajendra-chauhan-1শুরুটা আজ হয় নি, খুব ধীরে ধীরেই শুরু হয়েছিল এবং এগিয়েছে খুব পরিকল্পনামাফিক। পুনেতে ফিল্ম আন্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান পদে গজেন্দ্র চৌহানের মতো এক চতুর্থ শ্রেণীর অভিনেতা তথা সংঘ পরিবারের অনুগত একজনকে বসানো আসলে বৃত্ত সম্পূর্ণ করার চেষ্টা মাত্র। রূপোলী পর্দার হিন্দুত্বকরণের চেষ্টা। এটি আসলে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ কায়েম করার চেষ্টা, যার উদ্দ্যোগ শুরু হয়েছিল গত শতকের নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকেই। যদিও তার আগেও হিন্দি সিনেমায় হিন্দুত্ববাদের সুড়সুড়ি ছিলই। ছিল দেশাত্মবোধক ফিল্মগুলির মধ্যে দিয়ে। কিন্তু বাবরি মসজিদ ধ্বংস ও সংঘ পরিবারের রাজনৈতিক ফ্রন্ট বিজেপি সর্বভারতীয় রাজনীতিতে প্রভাব বাড়াতে শুরু করার পর থেকেই সর্বগ্রাসী চরিত্র নিয়ে হিন্দি সিনেমায় হিন্দুত্ববাদের পরিকল্পনামাফিক যাত্রা শুরু মোটামুটি ১৯৯৪৯৫ সাল থেকে। তখনো তা ছিল বিষবৃক্ষের চারা, আজ যা বোটানিক্যাল গার্ডেনের বিখ্যাত বটগাছের মতোই বৃহৎ হয়ে উঠেছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

()

anti-vat-protest-2আওয়ামী মন্ত্রিসভা শিক্ষাব্যয়ের ওপর ৭.% ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। এই বিজয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের, যারা সরকারের গুণ্ডাবাহিনীর হুমকি, পুলিশের চোখরাঙানি, মিডিয়ার অপপ্রচার উপেক্ষা করে এই আন্দোলনে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলেন এবং নগণ্য কিছু ঘটনা ছাড়া মোটামুটি সুশৃঙ্খলভাবেই আন্দোলনকে পরিচালিত করেছেন। অভিনন্দন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের কর্মীবৃন্দকে, যারা শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের সাহস ও প্রেরণা যুগিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এই আন্দোলনে এক অর্থে বিজয় হলেও একে পরিপূর্ণ বিজয় মনে করার কারণ নেই। সরকার ভ্যাট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাধ্য হয়ে। ভ্যাট আরোপে সরকারের পূর্ব সিদ্ধান্ত ছিল বাংলাদেশে শিক্ষা সঙ্কোচনের অপরাজনীতি, শিক্ষাক্ষেত্রে নয়াউদারতাবাদী নীতি বাস্তবায়ন এবং মধ্যবিত্ত জনগণের ঘাড় ভেঙে নিজেদের দুর্নীতির সুযোগ বৃদ্ধির প্রচেষ্টার অংশ। সেই অর্থে ভ্যাটের বিষয়টি হিমবাহের দৃশ্যমান শৃঙ্গ মাত্র। আরো অনেকভাবে ও বিচিত্র পথে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের চক্রান্ত করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

anti-vat-protestসরকার বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যয়ের ওপর ৭.% ভ্যাট বসিয়েছে। সঙ্গত কারণেই শিক্ষার্থীরা এই ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের ন্যায্যতা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এ কারণেই এরই মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতারণামূলকভাবে বলতে বাধ্য হয়েছে যে, এই ভ্যাট শিক্ষার্থীদের ওপর বর্তাবে না, এ ভ্যাট দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেছেন এ ভ্যাট বিশ্ববিদ্যালয়কেই দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর কথার সুরে মনে হয়েছে, তিনি জোরালোভাবে শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন! অপরদিকে অর্থমন্ত্রী বলে চলেছেন, ভ্যাট প্রত্যাহারের কোন কারণ নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সাথে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের অপাত অমিল থাকলেও লক্ষ্যের দিক থেকে তাদের বক্তব্যের মধ্যে মিল আছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

mongoldhonyমঙ্গলধ্বনি ছোট কাগজ মানবজীবনের কল্যাণের পক্ষের কথা বলবার জন্য এবং শোনানোর জন্য কয়েক তরুণ চেষ্টার এই ছোট কাগজ। সে কল্যাণ সার্বিক সামাজিক রাজনৈতিক প্রাণপ্রকৃতিপরিবেশের পক্ষের। নিয়মিত নয় এই ছোটকাগজ, তবে তাদের চেষ্টা দেখে বুঝে নেয়া যায় যে একটুখানি সহযোগিতা পেলে তারা নিয়মিত হয়ে উঠতে পারে এবং নিরন্তর নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তাদের শ্রমমেধাযোগ্যতাকে ব্যবহার করতে পারে। জগজীবনে কোনো কাজই যা বৃহক্ষ্য অর্জনে নিবদ্ধ, তা একক চেষ্টায় পূর্ণতা পায় না সাহসী, উদ্যমী, সমাজ সচেতন মানুষের অংশগ্রহণ তাই জরুরী। তবু এই গীত তারা গাইতে চাইছে এবং এর জন্য অসুখ চিহ্নিত করে ইস্যুভিত্তিক লেখা তারা ছাপছে তাদের এই ছোট কাগজে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

censorshipসাম্প্রতিক সময়ে শিশুকিশোর হত্যা, কিশোরীনারী নির্যাতন ও ধর্ষণ, ডাকাত বা ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনীতে মানুষ হত্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এই হত্যানির্যাতনের সংখ্যা এবং মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই বিভৎসতা, নৃশংসতা ভাষায় বর্ণনা করার নয়। যা দেখে কোন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক থাকা সম্ভব নয়। কেন ঘটছে এই ধরনের হত্যানির্যাতনবিভৎসতা? এর প্রতিকার কি সম্ভব নয়? নাকি এসব ঘটতেই থাকবে আর সাধারণ মানুষ নির্বিকারভাবে দেখে যাবে, সামান্য আহাউহু তারপর যথারীতি দৈনন্দিন জীবনযাপন। সাধারণের মধ্যে, সংঘবদ্ধ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে দেখা যাচ্ছে না কেন? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

খাদ্য ও ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে গ্রিসে। ঘনাচ্ছে মানবিক সঙ্কট। দেশটিতে আত্মহত্যার হারও বেড়ে গেছে ৩৫ শতাংশ।[] আর বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশ। তরুণসম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে কর্মহীনতা ৫০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।[] এর মধ্যেই গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সিপরাস গত ২০শে আগস্ট পদত্যাগ করে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা করেছেন। স্পষ্টতই আরও কঠোর ব্যয়সঙ্কোচনের পদক্ষেপ রূপায়ণের লক্ষ্যে এক নতুন রাজনৈতিক কাঠামো খাড়া করার এটা একটা কৌশলী চাল। সিপরাসের পিছনে ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও মদত রয়েছে বলে খবর। তবে যেটা লক্ষণীয়, এর পরেই সিরিজা পার্টি বিভক্ত হয়ে পড়েছে। আর গঠিত হয়েছে পপুলার ইউনিটি পার্টি। যাতে যোগ দিয়েছেন সিরিজা পার্টির বিদ্রোহী ২৫ জন সাংসদ। আসনসংখ্যার নিরিখে বর্তমান সংসদে নতুন দল পপুলার ইউনিটি পার্টির অবস্থান তৃতীয়। এদিকে সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, গ্রিসে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন হতে পারে। (বিস্তারিত…)