Archive for জুন, 2014


(উৎসর্গ: কমরেড সুশীল রায়কে)

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

resist_oppressionতিনি আঁকতে চেয়েছিলেন একটা মুক্ত আকাশ,

আর

লাল টুকটুকে ভোর।

তাই,

রাষ্ট্র তাঁর জন্য বরাদ্দ করেছিল একটা লোহার খাঁচা,

আর

অন্ধকার কুঠুরি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

venezuela-crisis-21ভেনেজুয়েলায় নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে বিরোধীপক্ষ গত ফেব্রুয়ারি থেকেই ব্যাপক হিংসা ছড়াচ্ছে। যাতে ইতিমধ্যে ৪২ জন নিহত ও ৯০০ জন আহত হয়েছেন।[] যাদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশ আধিকারিক, বিরোধীপক্ষের কর্মী এবং সরকারের সমর্থকরাও। তবে এই “বিক্ষোভ চলছে প্রধানত ধনী ও উচ্চমধ্যবিত্তঅধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

Modi-4এমনিতে আপনাদের সংবাদপত্রটা দৈনিকই পড়ি মাষ্টারমশাই। টিভি চ্যনেলটাও দেখি। কেননা ‘পিছিয়ে পড়ার’ ইচ্ছে আমার নেই। ভেতো বাঙালী তো, তাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে হুজুগেও মাতি। এই যেমন সারা দেশ জুড়ে এখন মোদী জ্বর। ফলতঃ প্রতিদিন মোদি কি বলছেন, কি করছেন, তা নিয়ে কিঞ্চিত আগ্রহ তৈরি হচ্ছে বইকি! মোদি যখন ভোটের আগে কলকাতায় এসে লাড্ডুর খাওয়ানোর ‘গল্পো’ শুনিয়ে গেলেন, মনে বেশ পুলক জেগে ছিল, চোখে ঘনিয়ে ছিল ঘোর, শত হলেও ভোজন রসিক বাঙালী কিনা! কিন্তু এক বন্ধু তখন বলল, ‘ওরে! এ লাড্ডু সে লাড্ডু নয়, এ একেবারে দিল্লীকা লাড্ডু। তুই খেতে চাস তো খা, তবে জেনে রাখ এ লাড্ডু খেলেও পস্তাতে হয়, না খেলেও।’ তো, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম ‘খেলে পস্তাতে হয় না হয় তবু বোঝা গেল। পেট টেট খারাপ হওয়ার ইঙ্গিত, কিন্তু না খেলে পস্তানোর ব্যাপারটা তো ঠিক বোঝা গেল না!’ সে তখন বলল, ‘এটা সব থেকে ভাল বুঝেছে গুজরাটের মুসলমানরা, তাই তারা আগেভাগেই গিয়ে দলে দলে মোদীজিকে ভোট দিয়ে ওর হাতে লাড্ডু খেয়ে নিচ্ছে।’ (বিস্তারিত…)


জোনাহ রাস্কিন

অনুবাদ: মেহেদী হাসান

প্রথম পর্বের পর

death-of-a-red-heroineরেড হিরোইন” প্রসঙ্গে বলতে গেলে, যে ডেথ অফ এ রেড হিরোইন উপন্যাসের শিরোনামে যে নির্দেশিত হয়েছে, প্রথম হতেই সে রহস্যময়, যতক্ষণ পর্যন্ত না একেবারে শেষের দিকে পাঠক তার সমন্ধে সত্যটি জানতে পারে। কোন সময়ই সে উপন্যাসে জীবন্ত অবস্থায় আবির্ভূত হয় নাযদিও তাকে ফ্লাশব্যাকে দেখানো হয়এমনকি তার মৃত্যুর পর পুলিশ তার নামের সাহায্যেও তাকে শনাক্ত করতে পারে নি। তার ময়না তদন্তে বের হয়ে আসে যে, নিহত হওয়ার অল্পকিছুক্ষণ পূর্বে সে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিল। উপন্যাসটির প্রথম উত্তেজনাকর লাইনটিতে, জিয়ালং বলে, লাশটি পাওয়া যায় ১৯৯০ সালের ১১ মে বিকেল ৪৪০ মিনিটে, পশ্চিম সাংহাই থেকে প্রায় বিশ মাইল দূরবর্তী বেইলী ক্যানেলের বহির্মুখে। পরবর্তী বাক্যে সে পুলিশ বাহিনীর সদস্য গাও জিলিং নামের চেনের একজন সহকর্মী এবং পুরাতন বন্ধুর সাথে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেয়। তৎপরবর্তীতে একটা লম্বা অনুচ্ছেদে, জিয়ালং একের পর এক উল্লেখ করতে থাকে, “একটি পারমানবিক পরীক্ষা কেন্দ্র”, “সাংস্কৃতিক বিপ্লব” এবং “সাংহাইতে একটি আমেরিকান কোম্পানী” এর কথা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Budget-2014-15বাজেট ঘোষনার আগে এবং পরে কিছু মানুষের মুখে কতকগুলো শব্দ উচ্চারিত হয়ে বাতাসে ভেসে বেড়ায়। প্রবৃদ্ধি, জিডিপি, উচ্চাভিলাষী, বরাদ্দ, উন্নয়ন ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথে সাধারণ মানুষের এক অর্থহীন পরিচয় ঘটে। এসব নিয়ে অর্থনীতিবীদ, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক নীতি নিধারকগণ বিচার বিশ্লষণ করেন, কাগজের পর কাগজ খরচ করেন, কথার পর কথা বলেন। খুবই প্রয়োজনীয় কাজ, সন্দেহ নেই। দেশ, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য এসব অপরিহার্য্য বটে। যে কোন কিছু করতে গেলেই হিসাবের প্রয়োজন আছে। যারা এই বাজেটের কেন্দ্রে তাদের নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারার জন্য হলেও একটা হিসাব আবশ্যই থাকতে হয়। সেদিক দিয়ে তাঁদের দিক থেকে বিচার করলে বাজেট নিয়ে এসব তৎপরতা কোন গুরুত্বহীন ব্যাপার নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দোলা আহমেদ

art-22আমি কে! আমি নিজেই আজ জানি না

কি যে নাম!আমি আজ জানি না

বিভিন্ন রাতে আমার নিত্য নতুন নাম হয়

বিভিন্ন মানুষের কাছে…….

যে সমাজের মানুষের কাছে যে নামে আমায় চায় তারা

আমি সে রাতে তাই….. (বিস্তারিত…)


জোনাহ রাস্কিন

অনুবাদ: মেহেদী হাসান

qiu_xiaolongকিউ জিয়ালং অতিপ্রজ এই চীনা উপন্যাসিক ১৯৫৩ সালে সাংহাইতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৮ সাল হতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে আসছেন তিনি লাল শব্দটির এবং লাল রঙটির প্রতি বিশেষ রকম মোহ সৃষ্টি করেছেন, তবে তা হঠাৎ করে নয়, যখন থেকে তিনি লাল চীন সমন্ধে লেখা শুরু করেছেন। শিরোনামে লাল অন্তর্ভূক্ত তার নব্য ধারার তিনটি উপন্যাসঃ ডেথ অফ এ রেড হিরোইন (২০০০), হোয়েন রেড ইজ ব্ল্যাক (২০০৪), এবং রেড মান্দারীন ড্রেস (২০০৭)। এই তিনটি বইয়ের সবকটাতেই, মূল চরিত্রটি হচ্ছে একজন সংবেদনশীল, কবিতা প্রেমিক, তৎসত্ত্বেও কঠিন মানসিকতার পুলিশ ইনস্পেক্টর যে সাংহাই পুলিশ ব্যুরোতে কাজ করে; মাসিক বেতনভোগী হিসেবে এবং ফ্রীল্যান্স ব্যক্তিগত গোয়েন্দা হিসেবে ভাড়ায় নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

০১.

art-23রাত্রির ভিতরে যেই চিৎকার যেমন আমরা শুনতে পাই সে ছিলো কারো মরণের পরোয়ানা

একমাত্র অন্ধকার নিরাপত্তা হয়ে সতর্ক করছে আমাদের

এবং বলে এই চিৎকার আর শেষ আর্তধ্বনি মানুষের, বলে দেয় পৃথিবীতে খুন আরো বাড়লো (বিস্তারিত…)