Archive for সেপ্টেম্বর, 2012


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

জন্ম যদি হতো ঘোর আফ্রিকাতে

ওখানে তো কেউ সাদা নয় শরীরের রঙ সবারই কালো

অথবা যদি ঠাসবর্ণিল ইউরোপে

আমার গায়ের চামড়া নিশ্চয় রঙধনু সাতরঙের সমাহার হতো!

সাদাকালোর রঙ্গিন দেশে জন্ম

শক্তঅন্ধকার হয়েহয়েছি অসুন্দরের সমার্থক কালো। (বিস্তারিত…)

Advertisements

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

১৩/০৯/২০১২

আজ পরিবেশ বীক্ষণ, কুড়িগ্রামএর আয়োজনে কুড়িগ্রাম পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে সকাল ১০ টায় জলবায়ু বিপর্যয় বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা মোকলেছুর রহমান, ছাত্রনেতা মারুফ, ছাত্রনেতা নয়ন সরখেল প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাহ ফরিদ, প্রবন্ধটি পাঠ করেন নিরঞ্জন চন্দ্র রায়। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ‌“অতীতের শিল্পোন্নত দেশগুলির বাজার কাড়াকাড়ি, যুদ্ধ, প্রকৃতি বিনষ্ট এইগুলির ফলাফল আজকের জলবায়ু বিপর্যয়। যে বিজ্ঞান রপ্ত করে মানুষ কাজে লাগিয়েছে প্রকৃতির বিরুদ্ধে, সেই প্রকৃতি বিচারের রায় লিখিত হইতেছে বিজ্ঞানীদের হাতেই। তারা বলতেছে, অপরাধী মানুষ ও তাদের সভ্যতা। এইটুকু বলেই খালাস! কোন মানুষ? কাদের সভ্যতা?” প্রবন্ধে আরো বলা হয়, “১৯৯২ খিস্টাব্দে জাতিসংঘ ব্রাজিলে আয়োজন করলো ধরিত্রী সম্মেলন। সেখানে শিল্পোন্নত দেশগুলি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জন্য ফান্ড গঠনের অঙ্গীকার করলো। অধিক মাত্রায় গ্রীণ হাউজ গ্যাস নির্গমণকারী শিল্পগুলি বর্জন না করে তারা ফান্ড গঠন করবে এতে করে তারা ঐ শিল্পগুলির মাধ্যমে নিয়মিত দূষণের অধিকার পাবে।” প্রবন্ধের শেষে বলা হয়, “পরিবেশ অপরাধীরা সভাসমিতি করে ফান্ড গঠন করতেই থাকিবে আর ক্ষতিগ্রস্ত দেশের সরকারগুলি মেরুদন্ডহীন ভিক্ষুকের মতো দাঁড়িয়ে নজর দিবে ঝুলির দিকেই। এদিকে জলবায়ু বিপর্যয়রোধ দীর্ঘায়িত হতেই থাকিবে। চাই ব্যবস্থার পরিবর্তন। ব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া জলবায়ু বিপর্যয় রোধ সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জনগণের গণঐক্য ও গণপ্রতিরোধ।”

উল্লেখ্য সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পরীবেশ বীক্ষণ, কুড়িগ্রামএর সাধারণ সম্পাদক সাম্য রাইয়ান।

 

 

বার্তাপ্রেরক,

সাম্য রাইয়ান

০১১৯০২৯৫৬২১


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

ঘননীল-মৃত্যুশয়তানের মদ্য মুঠো মুঠো পান করে ভাবছো

নদীর কোমল গন্ধ মাখবে দূষিত বগলে!

যে ক্ষয়িষ্ণু সূর্য জ্বলে আজ ধূসর আকাশে,

তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নেমে আসে গাঢ় অন্ধকার।

সাতটি আকাশকে অনেক দূর টেনে জলে নামিয়ে

ডোবাতে চেয়েছিলে জানি বুকের এক খন্ড শ্যামলা জমি।

অনেক কুকুর মরে গিয়ে আজও

মাছি হয়ে তোমার দগদগে ঘা চাটে ভরন্ত উল্লাসে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জাকারিয়া হোসাইন অনিমেষ

 

সর্বহারার প্রতীক...কোন এক প্রতীক্ষিত দিন যেদিন, জানালায় জানালায় ভাঙনের সুর,

দরজায় দরজায় উচ্চ স্বরে কষাঘাত;

বিছানারা তার স্বরে চিৎকার করে বলবে

আমরা আর ঘুমুতে চাই না”।

.

যেদিন

দীর্ঘশ্বাসে শেষ হবে রাত প্রচন্ড আশায়।

পাখিরা গান ছেড়ে দেবে বিক্ষুব্ধ চিৎকার মানুষের গলায়।

পিচঢালা পথে উঁকি দেবে তরুণ ঘাস নতুন সূর্যের ছোঁয়ায়।

কারখানার মেশিন থমকে দাড়াবে সশব্দ বিপ্লবের আশংকায়।

…………….. (বিস্তারিত…)