Archive for জুন, 2012

এরশাদের স্বৈরতান্ত্রিক সুসমাচার এবং বর্তমান ‘গণতান্ত্রিক’ রাজনৈতিক দলের অবস্থা

Posted: জুন 30, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

গণতান্ত্রিক সামরিক স্বৈরতন্ত্র...বাংলাদেশের মহান ‘গণতন্ত্রী’,বহু চমকপ্রদ কর্মের অপনায়ক, পীরবাদের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের রূপকার, রাষ্ট্রধর্ম নামক অভিনব ধারণার প্রবর্তক সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ গত ২৬ জুন জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তাকে আর ‘স্বৈরাচারী’ না বলার জন্য সবাইকে ‘অনুরোধ’ জানিয়েছেন। তার এই অনুরোধের বিশেষত্ব এই যে, সরকারি ক্ষমতার রক্ষণব্যূহের অভ্যন্তরে বসেই তিনি তার এই ‘সবিনয়’ বক্তব্য পেশ করেছেন। ১৯৯০ সালের পর দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় এই জাতীয় ‘অনুরোধ’ করার মতো অবস্থা তার ছিল না। কারাবন্দী অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে দর কষাকষি, মাথার ওপর ঝুলে থাকা মামলার খড়গ অপসারণ, রাষ্ট্রপতি কিংবা ক্ষমতাসীন দলের শরিক হওয়ার জন্য উপর্যুপরি আলোচনা চালানোপর্যায়ক্রমিক ধাপগুলো পেরিয়ে আসবার পর নিজের এতো সাফল্যে মোহিত হয়েই এখন তার মনে হচ্ছে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শরীরে লেগে থাকা কলঙ্কের শেষ পঙ্কিল ছাপটুকু মুছে ফেলা দরকার। এই কারণেই সংসদে বাজেট আলোচনার ওপর বক্তব্য প্রদান করতে গিয়ে তার এই স্বৈরাচারী প্রসঙ্গের অবতারণা। এই বক্তব্য প্রদানের সময় তিনি আরো বলেছেন, তাকে স্বৈরাচারী বলা হলে তিনি নাকি ‘মনে ব্যথা’ অনুভব করেন! সরকার দলীয় অন্যান্য সংসদ সদস্যও তার এই বক্তব্যকে এই সময় সমর্থন জানান (সূত্র: bdnews24.com)

এরশাদের এই কথার সূত্র ধরে বলতে হয়, এখন যদি রাজাকারকুল শিরোমণি গোলাম আজম কারাগারের প্রকোষ্ঠে বসে বলেন যে তাকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলে আখ্যায়িত করলে তার বুকের বাম দিকে বিদ্যুৎ চলকের মতো কিঞ্চিৎ বেদনার উদ্ভব হয় এবং এ কারণে তাকে আর যুদ্ধাপরাধী না বলাই উচিত, তখন কী করা যাবে? সরকারি দলের লোকজন কি তার এই কথা মেনে নেবেন? নাকি গোলাম আজম এবং তার দল এখন ক্ষমতায় নেই বলে তাদের বক্তব্য এক্ষেত্রে উপেক্ষিত হবে এবং মহান ‘গণতন্ত্রী’ এরশাদ বর্তমান সরকারের শরিক হওয়ার কারণে তিনি সংসদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘেরাটোপে দাঁড়িয়ে এ জাতীয় বক্তব্য দিতে পারেন এবং সংসদে উপস্থিত সরকারের সংসদ সদস্যরা এ কথা মেনে নেন? (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

যখন যা খুশি তাই করছি,

তাই কিনছি। তাই বেঁচছি।

দোকানপাট ঘুরে ঘুরে নিজেকে বিঁকিয়ে

তুষ্টির মোমবাতি জ্বালাচ্ছি।

শীর্ণকায় অস্তিত্বের দিকে ইচ্ছে হলে তাকাবো

নতুবা পা মাড়িয়ে এগিয়ে যাবো।

কেউ নেই আটকানোর; খুশি মনে উড়ছি, গাইছি।

কখনো নিজে,

কখনো বন্ধুর সাথে, (বিস্তারিত…)

সাক্ষাৎকারে কমরেড কিরণ :: পরিবর্তনের জন্য আমদের সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে

Posted: জুন 28, 2012 in আন্তর্জাতিক, মতাদর্শ, সাক্ষাৎকার
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

ডয়চে ভেলে (জার্মান প্রেস) কর্তৃক গৃহীত কমরেড মোহন বৈদ্যকিরণ’এর সাক্ষাত্কার :: নেপাল দাঁড়িয়ে আছে অন্য এক গণযুদ্ধএর দাড়প্রান্তে

অনুবাদ: শাহেরীন আরাফাত

নেপালের প্রধান পার্টি, ইউনিফায়েড কমিউনিষ্ট পার্টি অফ নেপাল (মাওবাদী)-এর ভাঙনের মধ্য দিয়ে সেখানকার রাজনৈতিক টালমাটাল অবস্থা অব্যাহত রয়েছে। এই সামগ্রিক বিষয় ও রাজনৈতিক পরিকল্পনা সম্পর্কে ডয়চে ভেলেএর সাথে কথা বলেন পুরনো পার্টির (ইউসিপিএন – মাওবাদী) প্রাক্তন জৈষ্ঠ্য সহসভাপতি (সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান)

মোহন বৈদ্য “কিরণ” হলেন নেপালের প্রধান পার্টি, ইউনিফায়েড কমিউনিষ্ট পার্টি অব নেপাল (মাওবাদী)র প্রাক্তন জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং সম্প্রতি বিভক্তকমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (মাওবাদী)এর প্রতিষ্ঠাতা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: খোন্দকার সোহেল

চান্দু'রা একদিন জেগে উঠবেই...সন্ধ্যায় বাণিজ্যের তল্পি গুছিয়ে বাসায় ফিরব। রিকশা উঠে শুরু হল গৃহ প্রত্যাবর্তন। বিধিবাম, শুরু হয়ে হল বৃষ্টি আর সাথে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া। তবুও বাসায় ফিরতেই হবে। কিন্তু দমকা হাওয়ায় রিকশা এগোচ্ছিল না এক কদম। চালকের মুখের দিকে তাকিয়ে লক্ষ্য করলাম বিতৃষ্ণা ভাব। শঙ্কা জাগল মনে, এই বুঝি সে বলে বসে-“পারছি না স্যার, আপনি অন্যচেষ্টা করেন।তাহলে আমাকে যে এই ঝড়েই আটকে থাকতে হবে। তাই মন যোগাবার বৃথা চেষ্টায় একটু বাচাল হলাম। উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যস্ত রাখা; যাতে সে নাবলার ফুসরত না পায়। জিজ্ঞেস করলাম

তোর নাম কি?

চান্দু মেলকার।

খুব সুন্দর নাম। বউ, বাচ্চা কয়টা?

মূহুর্তের মধ্যেই রিকশায় ব্রেক চাপল চান্দু। সীট থেকে নেমে খুব উচ্চ গলায় বলল

ফাইজলামির আর জায়গা পান না? আমার নামডা আবার সুন্দার অইল ক্যামনে? নামেন আমার রিকশাত্তোন নামেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

মাসুদের দৃষ্টি আটকে থাকে বাসের দুই সারি সিটের মাঝে কায়ক্লেশে দাঁড়িয়ে থাকা ঈষৎ দোদুল্যমান এক জোড়া নিতম্বের দিকে।

আর কয়েক দিন পর কোরবানীর ঈদ। গ্রীষ্মের দাবদাহে প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ বাসের যাত্রীদের মধ্যে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য কয়েক আজলা জলের হাপিত্যেশ। টিকেট চেকারের হাঁকডাঁক। কতিপয় যাত্রীর খিস্তিখেউড় উড়ে বেড়াচ্ছে বাসের অভ্যন্তরে, বাতাসে। কয়েকটা সেলফোন মাঝে মধ্যেই বেজে উঠছে কর্কশ শব্দে। কেউ কেউ সেটা কানের কাছে ধরে ততোধিক কর্কশ স্বরে চেঁচিয়ে যাচ্ছে প্রাণপণে, বাসের ভেতরে চিৎকারচেঁচামেচি ভেদ করে শ্রবণতন্ত্রীতে বোধগম্য শব্দমালা সৃষ্টিতে ব্যর্থ হচ্ছে শব্দতরঙ্গের অপর পার্শ্ববর্তী/বর্তিনীর কণ্ঠস্বর। বঙ্গভবনের সামনে দিয়ে কিছুদূর এগিয়ে সচিবালয়ের সামনের রাস্তায় পড়ার ঠিক আগে বাস দাঁড়িয়ে গেছে অসহ্য যানজটে। এরপর তোপখানা পেরোতে আধা ঘণ্টা। বাসের মধ্যে প্রায় গুমোট আবহে নিতম্বিনীর কোমর অবধি নেমে আসা চুল সামান্য বাতাসে মৃদু কাঁপছে। মাসুদের মনের তৃষ্ণা বাড়ায় তার মুখাবয়ব দেখবার অনিঃশেষ আকুলতা। পাশে বসে থাকা আধবুড়ো লোকটা খক্খক্ করে কাশে। মাসুদ প্রচণ্ড বিরক্তি নিয়ে তার দিকে তাকায়। আধা কাঁচাপাকা খোঁচাখোঁচা দাঁড়ি, ঠোঁট দুটো পানের রসে জারিত, নোংরা নীল শার্ট আর সস্তা লুঙ্গিপরিহিত আধবুড়োটা অশিক্ষিত শ্রেণীভুক্ত এক পলকেই বলে দেয়া যায়। নিমীলিত নেত্রে সে তাকায় মাসুদের মুখপানেসেখানে ফুটে ওঠা বিরক্তির শীতল দৃষ্টি তাকে বিচলিত করে বলে মনে হয় না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

চোখের জলে রাস্তা কদাকার।

ঘর্মাক্ত ইটে নেই একটু স্বস্তির বৃষ্টি;

তবু সেই বর্ষার রূপে অবিরাম মুগ্ধতা !

প্রতিনিয়ত খেলে চলা অন্তহীন …….(বিস্তারিত…)


অনুবাদ: আরিফ ইসলাম

কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালমাওইস্ট (নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টিমাওবাদী) [Communist Party of Nepal-Maoist (CPN-Maoist)] নামে আমাদের একটি নতুন বিপ্লবী পার্টির ভিত তৈরি হয়েছে।

একুশ শতকের সংশোধনবাদীদের সাথে চিরকালের বিচ্ছেদের সূচনা হয়েছিল এই পার্টি গঠনের মাধ্যমেই। জাতীয় সমাবেশে প্রচণ্ডবাবুরাম গং’কে নেপালী বিপ্লব পরিপন্থি বিশ্বাসঘাতক শ্রেণীশত্রু বলে খারিজ করে দেয়া হয়। এরাই একুশ শতকের সংশোধনবাদকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো। সমাবেশে আরও বলা হয় যে, UCPN (Maoist) [Unified Communist Party of Nepal-Maoist] পুষ্প কমল দহল প্রচণ্ডের নেতৃত্বে একটি ডানপন্থি ও নয়াসংশোধনবাদী গ্রুপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে মাওবাদের সাথে মাও চিন্তাধারা নামক (মাওবাদ/মাও চিন্তাধারা) কোন প্রকার ট্যাগ থাকবে না। মার্কসবাদলেনিনবাদমাওবাদ হবে পার্টির নীতি নির্ধারক ও পথ প্রদর্শক আদর্শ। গণ-অভ্যুত্থান’ই হবে রণনীতির ভিত্তি। সেখানে ‘৪টি প্রস্তুতিমূলক রণ কৌশল’ থাকবে এবং ‘সুরক্ষিত গণযুদ্ধ’ সংঘটনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার দিনমজুর

চোরের বড় গলা। গতকাল ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের টক শো তে এক দর্শকের প্রশ্নের জবাবে গার্মেন্টস মালিক কাম রেন্টাল বিদ্যুৎ ব্যাবসায়ী আনিসুল হক গলা উঁচু করে বলেছেন তার বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নাকি নিয়মিত ৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, গতকালও (২৫জুন ২০১২) নাকি ৯৬ মেগাওয়াট উৎপাদিত হয়েছে। আজকে পিডিবি’র ওয়েবসাইটে দেশ এনার্জির বিদ্যুৎ উৎপাদনের হিসাব দেখে তো টাস্কি খেলাম, গত ২৫জুন দেশ এনার্জির Siddirgonj (Desh) 96 MW(HSD) নামের রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে শূন্য () মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে! শুধু ২৫শে জুনই না, গোটা জুন মাসের বেশির ভাগ দিনেই শূন্য () মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে!! শুধু জুন মাসই না, এর আগের এপ্রিলমে মাসেও বেশির ভাগ দিন শুণ্য মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। এখানে ২৫জুন ও ১ জুন এর স্ক্রীন শট এবং গোটা জুন মাসে আনিসুল হকের দেশ রেন্টাল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চিত্র তুলে দেয়া হলো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার দিনমজুর

সম্প্রতি গার্মেন্টস মালিক কাম কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ ব্যাবসায়ী,”দেশ এনার্জি”র মালিক আনিসুল হক দাবী করেছেন কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপিত না হলে “দেশে প্রতিদিন ১০ রিখটার স্কেলে অর্থনৈতিক ভূমিকম্প হতো”।কুইক রেন্টালের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের আমলে ৩১০০ মেগাওয়াট (!) বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হয়েছে দাবী করে তিনি বলেছেন ভাড়া ভিত্তিক বিদ্যুৎ স্থাপন না করলে আমাদের জিডিপির আকার “১৪১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কম হতো।” আমরা এখানে কুইক রেন্টালের অপরিহার্যতার সম্পর্কে জনাব আনিসুল হকের বক্তব্যের যথার্থতা বিচার করবো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার দিনমজুর

বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে। পিডিবি’র জেনারেশন রিপোর্ট অনুসারে সে সময় গ্রীষ্মকালে পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছিল ৩,৬০০ থেকে ৩,৮০০ মেগাওয়াট এবং সরকারি হিসেবে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৪,৫০০ মেগাওয়াট। উদাহরণস্বরুপ, ২০০৯ সালের জুন মাসের ১৪ তারিখের জেনারেশান রিপোর্ট থেকে দেখা যায়, এই দিন ৩৮০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপরীতে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ, সরকারি হিসেবে ঘাটতি প্রায় ৭০০ মেগাওয়াটের মতো। একই রিপোর্ট থেকে দেখা যায়, ঐ দিন গ্যাসের সংকটের কারণে বিদ্যুৎ কম উৎপাদিত হয় ৩৪২ মেগাওয়াট এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন ধরণের ত্রুটি ও মেরামত কর্মের কারণে কম উৎপাদিত হয় ৭০৭ মেগাওয়াট। দেখা যাচ্ছে, ত্রুটিপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা হলে সেসময়ই আরো ৭০৭ মেগাওয়াটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেত, ফলে কোন বিদ্যুৎ ঘাটতি বা লোডশেডিং থাকার কথা না। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কথা আমাদেরকে জানতে দেয়া হলো না, আমরা বারবার শুনতে থাকলাম কেবল গ্যাস সংকটের কথা।

আমাদেরকে বলা হলো, গ্যাস সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়, ফলে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তেলভিত্তিক কুইকরেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট বসানো ছাড়া কোন উপায় নেই। বলা হলো, কুইকরেন্টাল প্ল্যান্ট যেহেতু ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে চালু করা যাবে তাই বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানও কুইক হবে। ৩ থেকে ৬ মাসের কথা বলা হলেও কোন কুইক রেন্টালই সময় মতো চালু হয়নি এবং পরে যাও চালু হয়েছে, নষ্ট ও পুরাতন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার কারণে ঘোষিত উৎপাদন ক্ষমতার চেয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সবসময়ই কম হয়েছে। এভাবে বেশি দামে কুইক রেন্টাল থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ অনিয়মিতভাবে পাওয়া যাচ্ছে তার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ নষ্ট ও পুরাতন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো মেরামত করলেই পাওয়া সম্ভব হতো। (বিস্তারিত…)