Archive for জুলাই, 2014


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

gaza-35আরব বিশ্ব বহুদিন ধরে পশ্চিমাবিশ্বের জ্বালানির স্থায়ী জোগানদার। তেলের খনির ওপর ভাসমান আরববিশ্ব তাই পশ্চিমাদের জন্য অপরিহার্য। মাঝখানে লাতিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলাসহ আরো কিছু দেশের তেলের জোগান তারা হাত করতে পেরেছিল। কিন্তু লাতিন আমেরিকায় ফিদেল কাস্ত্রো ও হুগো চাভেজের নেতৃত্বে দখলদার বিরোধী চেতনা জোরদার হলে পশ্চিমাবিশ্ব সেখান থেকে একপ্রকার পাত্তাড়ি গোটায়। যদিও হুগো চাভেজের মৃত্যুর পর আবার ভেনেজুয়েলা দখলের পাঁয়তারা শুরু করেছে। অস্থির করে তুলেছে চাভেজপরবর্তী মাদুরো সরকারকে। বলা হয়ে থাকে, ভেনেজুয়েলায় সৌদি আরবের চেয়ে বহুগুণ তেলের মজুদ আছে। তবে আরববিশ্বকে তারা হাতে রেখেছে বিভিন্ন কৌশলে। আরববিশ্ব একসময় ব্রিটেন, ফ্রান্সের যৌথ উপনিবেশ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ধীরে ধীরে আরবে পশ্চিমা উপনিবেশের অবসান হয়ে নতুন নতুন রাষ্ট্র স্বাধীনতা অর্জন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জোরেশোরে শুরু হয় বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদে মার্কিন নেতৃত্ব। (বিস্তারিত…)

Advertisements

Maithon_dam_india-1[*এটাকে ঠিক লেখা হিসাবে না ধরে একটা লেখার আংশিক খসড়া পাঠ হিসাবে বিবেচনা করলে ভাল করবেন, প্রিয় পাঠক নেসার আহমেদ]

নদীকেন্দ্রিক ভারতের তৎপরতা

ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে পানি এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। বাংলাদেশে ক্ষমতা চর্চাকারী সরকারিবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এ বিষয়ে নির্বিকার। কিন্তু ভারতের অবস্থান একদম বিপরীত। ওই রাষ্ট্রের কোনো কোনো প্রদেশে নির্বাচনের ইস্যু হিসাবে ‘জল ঘোলার’ রাজনীতি এখন প্রকট। বিশেষত প্রতি গ্রীষ্মেই দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ২৮ কোটি মানুষ তীব্র খরার কবলে আক্রান্ত হন। তাদের কাছে তখন খাদ্যবস্ত্রের চেয়ে তৃষ্ণা নিবারণের প্রশ্নটা প্রধান হয়ে ওঠে। যাকে ভিত্তি করে ১৯৯০ সালের পর থেকে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের ভোটের রাজনীতিতে পানি ইস্যুটি ভোটব্যাংক হিসাবে কাজ করে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্বপন মাঝি

artworks-034সমতাকে (সাম্যবাদী আন্দোলনের সংগঠক সত্যেন্দ্রনাথ রায়ের মেয়ে) পড়াতাম। ওর কাছেই খবর পাই উন্মেষের। সমতা বলছিল, ওখানে গিয়ে, আমি আমার লেখা পাঠ করতে পারব। লেখার চেষ্টা সক্রিয় ছিল, প্রকাশ ছিল না। লেখা হচ্ছে কিনা, যাচাই করিনি, ভয়ে। সমতার কথায় একদিন তার বাবাকে বললাম, উন্মেষে নিয়ে যাবার জন্য। তিনি নিয়ে গেলেন। একে একে পরিচয় হল, মহসিন শস্ত্রপাণি, (সমতার মুখে শুনে শুনে একটা ভয় আগে থেকেই তৈরী হয়ে ছিল।) মতিন বৈরাগী, মুনীর সিরাজ, সমুদ্র গুপ্ত, সৈয়দ তারিক, মঞ্জুর সামস, কাজী মনজুর, কফিল আহমেদ, আমিন (হায়, পুরো নাম মনে নেই, উনি মারা গেছেন; সেকারণে হয়তবা।) আশরার মাসুদ, সুনীল শীলের সাথে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

Holding_Handsআমাদের চঞ্চল পদচারনায়

বিষণ্ন ফুটপাথ জেগে উঠেছিল!

যদিও আগামী কাল

আমাদের কারখানায়

অবহেলায় কেউ টাঙিয়ে দিয়ে যাবে (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

Gaza-1গাজায় মুসলমান মরছে বললে সমস্যা কি?’ শিরোনামে বন্ধু যিশু মহমমদের একটি লেখা অনলাইন পত্রিকা ‘মঙ্গলধ্বনি’তে প্রকাশিত হয়েছে। লেখাটিতে তিনি যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন সে বিষয়ে পরে এসে প্রথমেই শিরোনামে প্রশ্নটিকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে সে বিষয়ে মূল আলোচনা সেরে নেয়া জরুরি। তার প্রশ্ন তোলার ধরন থেকে অনিবার্যরূপে যে সিদ্ধান্তটি বেরিয়ে আসছে তাহলো: গাজায় ‘মুসলমান মরছে’ এ কথা বললে কোনো সমস্যা নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: যিশু মহমমদ

israeli-attack-on-gazaগাজায় মুসলমান মরছে বলার চেয়ে মানুষ মরছে বলাটা অধিক নিরাপদ। কেউ চালাকি করে, কেউ বোকামি ও আবেগি হয়ে এমনটা করছে। আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন, বাংলাদেশে বসে গাজায় হামলার প্রতিবাদের তুলনায় মুসলমান ও মানুষ কোন পরিচয়টাকে উর্ধ্বে তুলে ধরা হবে সেই নিয়ে এক জাতের প্রগতিশীলরা বিস্তর বাক্য আলাপ করছে। তারা ধর্ম বর্ণ ছাপিয়ে মানুষ পরিচয়কে মহীয়ান করতে চাইছে। যেন তারা বাক্য খর্চা না করলে দুনিয়ার মানুষ ভীষণ খাটো হয়ে যাবে। (বিস্তারিত…)


bonduk(আমরা সাধারণত “ক্রসফায়ার”এর একমুখী প্রচারপ্রচারণাটাই শুনে থাকি, এমনকি একেই সত্য বলে ধরে নিই, কিন্তু তার অপরদিকের সত্যটা আমাদের সামনে উন্মোচিত হয় না, বা হতে দেওয়া হয় না। এই “ক্রসফায়ার”এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং এর সাথে রাষ্ট্রের রাজনৈতিকতার সম্পর্কটাও তুলে ধরা হয়েছে নেসার আহমেদ সম্পাদিত ক্রসফায়ার’ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বইটিতে। বইটি হয়তো অনেকেই পড়েছেন, আবার অনেকেরই হয়তো তা এখনো পড়া হয়নি। আর এ জন্যই এই বইয়ের প্রতিবেদনসমূহ এখানে পর্যায়ক্রমিকভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সম্পাদক) (বিস্তারিত…)


 

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

private-prisons-for-profitদুনিয়ার দিকে দিকে গণতন্ত্রের ঠিকাদার হয়ে বসে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ঘেষা প্রচারমাধ্যমগুলোও মার্কিনি গণতন্ত্রের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, অথচ মার্কিন জেলগুলোর দিকে তাকালেই বোঝা যাবে যে সেখানে কি ব্যপক পরিমানে মানবাধিকারকে পদদলিত করা হয়। এ এমনই এক দেশ, যেখানে কারান্তরালে রয়েছেন প্রায় ২৫ লক্ষ সেই দেশেরই সহনাগরিক। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ। প্যারোল এবং প্রবিশন ধরলে সংখ্যাটা আরো বেশি। জনসংখ্যার শতকরা ৩.২ শতাংশ। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বলা যায়, প্রতি ৩১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের মধ্যে অন্ততঃ একজন জেলে আছেন! পৃথিবীর বন্দী সংখ্যার ২৫ শতাংশই মার্কিনি বন্দী। ক্যালিফোর্ণিয়ার প্রিজন ফোকাসের মতে “মানব সমাজের ইতিহাসে আর কোন সমাজে এত বেশি সংখ্যক সহনাগরিককে বন্দী করে রাখা হয়নি”। ইন্টার ন্যাশানাল সেন্টার ফর প্রিজন স্টাডিজের পরিসংখ্যান জানাচ্ছে প্রতি এক লক্ষ জনসংখ্যা অনুপাতে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ বন্দী আছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রতি লাখে ৭১৬ জন। এই অনুপাতে দ্বিতীয় স্থানে আছে রাশিয়া। প্রতি লাখে ১২১ জন (ভারতও অবশ্য পিছিয়ে নেই সারা বিশ্বে বন্দী সংখ্যার নিরিখে ভারতের স্থান পঞ্চম!)। কালো চামড়ার মানুষরা আমেরিকায় জনসংখ্যার ১৩ শতাংশ, অথচ মোট বন্দীদের ৬০ শতাংশই হলো কালো চামড়ার মানুষ। ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী আফ্রোআমেরিকান পুরুষদের প্রতি তিনজনে একজন, কোন না কোন ক্রিমিনাল জাস্টিস সুপারভিশনের আওতায় আছেন। ৩০ বছর বয়সী কৃষাঙ্গ পুরুষদের প্রতি ১০ জনে ১ জন জেলে আছেন। বন্দিদের অনুপাত দেখলেই তথাকথিত ‘সভ্য’দের বর্ণবিদ্বেষ চোখে পড়বে। পরিসংখ্যান বলছে ১ কোটি ৪০ লক্ষ শ্বেতাঙ্গ এবং ২৬ লক্ষ কৃষ্ণাঙ্গ মাদকাসক্ত, অর্থাৎ মাদকাসক্তের অনুপাতে শ্বেতাঙ্গরাই অনেক বেশি। প্রায় ৫ গুণ বেশী। অথচ মাদক সংক্রান্ত মামলায় শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় ১০গুন বেশি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ জেলে বন্দী! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:সৌম্য মণ্ডল

sex-educationঅন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে যৌনতা খুবই স্পর্শকাতর বিষয়, যৌনতা বিষয়ে প্রকাশ্যে স্বাভাবিক স্বরে কথা বলা ‘অসভ্যতা’ সামিল। অথচ এই দেশেই কোনো নতুন সংবাদপত্র বাজারে এলে তাকে সেলিব্রেটিদের কেচ্ছা, কেলেঙ্কারী, যৌনতা সংক্রান্ত রগরগে কিছু পাতা রাখতেই হয়, নতুন বাজার ধরার স্বার্থে। আমের রস থেকে ছেলেদের সেভিং ক্রিম (যার সাথে মেয়েদের কোনো সম্পর্ক নেই!) সবেতেই নারী দেহ, যৌনতার উপস্থিতি। আর গাধার নাকের ডগায় মূলো ঝুলানোর মতো,নাকের ডগায় নারী দেহ ঝুলিয়ে ভোগবাদের ভূবনে ক্রেতাকে ছুটিয়ে বেড়ানোর যে বানিজ্যিক প্রথা, তাকে জনতা মনেহয় খুব স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নিয়েছে। তাই কথিত মূল স্রোতের রাজনৈতিক দলগুলো এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ প্রতিরোধের প্রয়োজন মনে করেনি কখনো। ফেলো করি মাখো তেল। সরষে হোক বা জাপানি। পুঁজিবাদ সব কিছুকে বাজারের কেনাবেচার সামগ্রীতে পরিণত করেজল থেকে যৌনতা, সব কিছু টাকার বিনিময়ে কেনা। লুকিয়ে যৌনতা কেনা। স্বাভাবিক মানবিক সম্পর্ক যখন পন্যের রূপ ধারণ করে, তখন তা আর মানবিক থাকেনা। অমানবিক হয়ে ওঠে, হয়ে ওঠে বিকৃত। প্রকাশ্য বাজার থেকে লুকিয়ে চুরিয়ে বিকৃত যৌনতা কেনা যাবে। কিন্তু যৌনতা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করা মহা পাপ! (বিস্তারিত…)