Archive for জুন, 2018


স্পর্ধা

——–

ঘাতক, তোমার প্রতিবন্ধক,

মারণযজ্ঞ, আইনি খড়্গ,

শাসন খেয়াল, নিষেধ দেয়াল,

যুদ্ধবিকার, সবুজ শিকার,

হাতের শেকল – করতে বিকল

যুদ্ধরত, সমুদ্যত

কাস্তে ধরা সংগ্রামী হাত

তরতাজা প্রাণ। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: হাসিবুর রহমান

[এখানে ৫ বাম দল নামক যে রাজনৈতিক জোটটির কর্মসূচি পর্যালোচনা করা হয়েছে সেই জোটটি আর নেই, আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সাথে মিলে তারা গঠন করেছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা। তবে বাস্তব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিক থেকে ৫ বাম দল ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। বলা চলে, এ হলো নতুন বোতলে পুরনো মদ। পর্যালোচনাটি ২০০৬ সালে তৈরী করা হলেও এর প্রয়োজন তাই ফুরিয়ে যায়নি। কিছুটা পরিমার্জন করে হাজির করা হলো।লেখক]

৩ এপ্রিল ২০০৬ তারিখে একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ৫ বাম দল তাদের ৭ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। জাতীয় গণফ্রন্ট, বিপ্লবী ঐক্য ফ্রন্ট, গণসংহতি আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি- এই চারটি দল মিলে ২০০২ সালে ৪ বাম দল নামে একটি জোট গঠন করে। অন্তর্ভুক্ত দলগুলির সংখ্যা গুণে রাজনৈতিক জোটের নামকরণ অবশ্য নতুন নয়। আশীর দশকে বুর্জোয়া নেতৃত্বাধীন ১৫ দল ও ৭ দল এই দুটি জোটে বামপন্থীদের প্রধান প্রধান সবকটি দলই অন্তর্ভুক্ত ছিল। সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, বাসদ (খালেকুজ্জামান), বাসদ (মাহবুব), শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল এরা ছিল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৫ দলে। ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ (এখনকার জাতীয় গণফ্রন্টের পূর্বসূরী) ছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৭ দলে। ১৯৮৬র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৫ দল ভেঙে গিয়ে জাসদ, দুই বাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল ৫ দল নামে বামপন্থীদের ‘নিজস্ব’ রাজনৈতিক জোট গঠন করে। ৫ দল বামপন্থীদের জোট হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করে। ৯০ দশকের শেষার্ধে বামগণতান্ত্রিক ফ্রন্ট এর উদ্যোগে গণফোরাম, গণতন্ত্রী পার্টি ইত্যাদি মিলে গঠন করা হয় ১১ দল। আর ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ এই ১১ দলকে হজম করে নিয়ে গঠন করে ১৪ দলীয় জোট। সুতরাং দল গুণে জোটের নামকরণের এই অদ্ভূত কায়দাটা এদেশে বুর্জোয়াদেরই আবিষ্কার। এতে করে বুর্জোয়া রাজনৈতিক দলের সাথে ‘কমিউনিস্ট’ ‘সমাজতন্ত্রী’ বা ‘শ্রমিক’ পার্টিসমূহের ঐক্যে মস্ত সুবিধাই হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: হাসিবুর রহমান

…“উঠিয়ে দাও শ্রেণী সংগ্রাম, তাহলে বুর্জোয়া ও ‘সমস্ত স্বাধীন লোক’ ‘প্রলেতারিয়েতের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যেতে আর ভয় পাবে না’। তবে ঠকবে ঠিক ঐ প্রলেতারিয়েত।”

বেবেল, লিবক্লেখত, ব্রাকে প্রমুখের প্রতি মার্কস ও এঙ্গেলস (‘সার্কুলার পত্র’) ১৭১৮ই সেপ্টেম্বর, ১৮৭৯

এ বছরের (২০০৩) ৬ থেকে ৯ই মে ৪ দিন ধরে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-র ৮ম কংগ্রেসে উপস্থাপনের জন্য প্রণীত রাজনৈতিক প্রস্তাবের খসড়া এবং কংগ্রেসে সংশোধনের পর গৃহীত চূড়ান্ত প্রস্তাবের ছাপানো কপি আমাদের হাতে এসেছে।

খসড়া প্রস্তাবে নাম্বার যুক্ত মোট ৪৫টি প্রস্তাব আছে, যা ২০০২ সালের ১৯ ও ২০শে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে অনুমোদিত হয়। কংগ্রেসে সংশোধনের পর প্রস্তাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: লাবণী মণ্ডল

শিল্প ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সমালোচনা হলো সংগ্রাম ও বিকাশের অন্যতম প্রধান পদ্ধতি। এর গুরুত্ব উপলব্ধি করেই বস্তার বইটি নিয়ে দুচার কথা লিখতে বসলাম। এই আলোচনা বা সমালোচনা কতটুকু সাহিত্যমানসম্পন্ন হবে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত নই। সেক্ষেত্রে এটিকে আমার উপলব্ধির বিকাশ ধরে নেয়াটাই শ্রেয়। রাজনৈতিক দর্শনে নিজের সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই লিখছি। শাহেরীন আরাফাতের লেখা বইটির পুরো নামবস্তার রাষ্ট্রকর্পোরেটহিন্দুত্ববাদের যৌথ সন্ত্রাস। এটি ২০১৭ সালের মে মাসে উৎস পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত হয়। প্রচ্ছদ করেছেন শিশির মল্লিক।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশসহ তামাম দুনিয়ায় সাম্রাজ্যবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিগুলো শ্রমিকশ্রেণী এবং জনগণের মুক্তি ও অগ্রগতির পথে নানা উপায়ে বাধা সৃষ্টি করার জন্য সংহত হচ্ছে। শিল্পসাহিত্যকেও তারা কাজে লাগাচ্ছে ব্যাপকভাবে। এমন সময়ে বস্তার বইটি নিয়ে আলোচনার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। তবে উৎকৃষ্ট সাহিত্য সমালোচনা করাটা নিতান্ত সহজ কাজ নয়। বরং এমন বইযেখানে সমাহার ঘটেছে ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, আগ্রাসন, সংগ্রাম ও প্রতিরোধের বিপুল তথ্যতা নিয়ে আলোচনা করাটা বেশ কঠিন ও জটিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সেলিম রেজা নিউটন

[আদি প্রকাশের হদিস: বর্তমান রচনাটি আদিতে ছাপা হয়েছিল ‘গণমাধ্যম পরিবীক্ষণের সহজ পুস্তক’ নামের একটি বইয়ের অংশ হিসেবে (সেলিম রেজা নিউটন, ২০০৮)। বইটা রচিত হয়েছিল ২০০৫ সালে এবং প্রকাশিত হয়েছিল ঢাকার বাংলা একাডেমি থেকে ২০০৮ সালে। সেই বইয়ের “ভূমিকা ও সামগ্রিক ধারণা / মিডিয়ার ক্ষমতা ও মিডিয়াপরিবীক্ষণ” নামক প্রথম অধ্যায়ের ভেতরকার “মিডিয়ার সামাজিক তত্ত্ব: মিডিয়াপরিবীক্ষণের সামাজিক পরিসর” নামক দ্বিতীয় ভাগের (.২ চিহ্নিত অংশের) খানিকটা জায়গা হুবহু তুলে নিয়ে বর্তমান রচনাটি গঠিত হয়েছে। এখানে তার একটা জায়গায় দুটো শব্দ আগেপরে করা হয়েছে, কয়েকটা জায়গায় তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যে দুয়েকটা শব্দ/তথ্য যোগ করা হয়েছে, এবং বইপত্রের হদিসের অনলাইন লিঙ্কগুলো নতুন করে পরীক্ষা করে আপডেট করা হয়েছে। এছাড়া কোথাও কোনো কিছু পরিবর্তন করা হয় নি। শিরোনাম পরে দেওয়া হয়েছে। লেখক]

মোট কথা হলো, ‘মিডিয়াপরিবীক্ষণ’ সামাজিক ক্ষমতা চর্চার পরিপ্রেক্ষিতবিহীন এবং তত্ত্বমতাদর্শনিরপেক্ষ কোনো প্রসঙ্গ নয়। এর সাথে সরকারী ক্ষমতা, বৃহৎ ব্যবসা ও বৃহৎ পুঁজি তথা মিডিয়ার মালিকপক্ষ, রাষ্ট্রীয় আইনকানুন ইত্যাদি ইত্যাদির ঘনিষ্ট সম্বন্ধ আছে। কথাটা ভালো করে বুঝে নেওয়ার জন্যে এখানে আমরা একটা সাম্প্রতিক উদাহরণ বা কেস একটুখানি বিশ্লেষণ করে দেখাবো। উদাহরণ হিসাবে আমরা নেবো মাদকাসক্তি আর ধূমপানের প্রসঙ্গ। এসব প্রসঙ্গ কেমন করে তুলে ধরে মিডিয়া? প্রথম আলোর কথা বলা যায়। এই পত্রিকাটা যখন মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে সোচ্চার, ঠিক সেই সময়েই ধূমপানের কুফল সম্পর্কে নীরব বরঞ্চ সিগারেটের বড় বড় বিজ্ঞাপন মহাসমারোহে প্রচারের ক্ষেত্রে একনিষ্ঠ। সিগারেট কি মাদকদ্রব্য না? বিজ্ঞাপনের আতিশয্যে সিগারেটকে অনেকেই মাদকদ্রব্য বলে মনেই করেন না। কিন্তু ঘটনা হলো, সিগারেট খুবই মারাত্মক একটা মাদক। মাদক হিসাবে সিগারেটের ভয়াবহতা সম্পর্কে কয়েকটা তথ্য পেশ করা যাক। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আনু মুহাম্মদ

[এই লেখাটি ১৯৮৬ সালে ‘সংস্কৃতি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। লেখাটির গুরুত্ব অনুধাবন করে তা পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে মঙ্গলধ্বনি’তে প্রকাশ করা হলো। লেখাটি মঙ্গলধ্বনি’র কাছে পাঠাতে সহযোগিতা করেছেন মাসুদ রানা ও আসাদুজ্জামান আল মুন্না।সম্পাদক]

পুঁজিবাদের উদ্ভব এবং বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকশ্রেণীর উদ্ভব এবং বিকাশ ঘটে। আবার তা থেকে জন্ম নেয় শ্রমিকশ্রেণীর রাজনৈতিক মতাদর্শ, জন্ম হয় তার হাতিয়ার শ্রমিকশ্রেণীর পার্টির। ১৮৪৮ সালে যখন ইউরোপে পুঁজিবাদ দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত; শ্রমিকশ্রেণীও একইভাবে যখন একটি শক্তি হিসেবে উদ্ভূত সেই সময়ই কার্ল মার্কস এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্টি ইশতেহারের মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে, শুধুমাত্র অর্থনৈতিক আন্দোলন করে মজুরী বৃদ্ধি করাই শ্রমিকশ্রেণীর ঐতিহাসিক দায়িত্ব নয়, তার মুক্তির পথ নয়। সমাজ বিকাশের ধারায় অগ্রসর মতাদর্শ ধারণ করে তাকে শোষণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থাই উৎখাত করতে হবে নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার পত্তন ঘটানোর দায়িত্ব তাঁদেরই। তাঁদের এবং মানব জাতির এটাই হচ্ছে মুক্তির পথ। এ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সমাজ বিপ্লব ঘটাতে প্রয়োজন হবে তাঁদেরই একটি সুসংগঠিত পার্টির। (বিস্তারিত…)


আইনের দেবীকে

—————–

হাতে আলু মাপার পাল্লা নিয়া

কই চললা আইনের দেবী?

এক হাঁটু ভাইঙ্গা সামনের দিকে যায়।

দৌড়ের উপর যে রইছ

বোঝাচ্ছে ভঙ্গিমায়।

চোখে আবার পট্টি দিছো, আছাড় খাবা নাতো?

ঈদগাহ হতে এনেক্স ভবনের পথ যে

প্রায় এক মাইলের মতো? (বিস্তারিত…)