Archive for জানুয়ারি, 2015


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

art-345623শিরস্ত্রাণে প্রত্যেকে দেখি আজ ধারণ করে রাখে সভ্যতাকে

সমরসজ্জার মনস্তত্ত্ব অধিকৃত রেখেছে বিশ্বচরাচর,

রাষ্ট্রনায়ক, অগ্রগণ্য সেনাপতি অথবা প্রাজ্ঞপ্রবর নির্বিশেষ

শিরস্ত্রাণে নির্বিঘ্ন প্রত্যয় রাখতে দেখা যায় প্রত্যেককে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

mittha-1জাস্ট একটা ন্যানো মিথ্যা, “অশ্বত্থামা হত, ইতি গজ”, তাতেই নাকি যুধিষ্ঠিরকে একবার নরকে ঢুঁ মেরে যেতে হয়েছিল। তাহলে হে পাঠক, আপনি তো অবধারিতভাবেই ভাজা ভাজা হতে চলেছেন!

নরকের ফুটন্ত কড়াই আর এক বিরাট কাঁটা চামচ হাতে সিং এবং লেজওয়ালা লোকটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। শুধু কি আপনি? দুনিয়া শুদ্ধু লোক নরকে ঢুকতে চলেছে। বিছানায় হিসু করে বাবা বা দাদার ঘাড়ে দোষ চাপানো লজ্জিত শিশু হোক; হল কালেকশান করে নিতান্ত পাস; বা হাতেগোনা কযেকটি প্রশ্ন মুখস্ত করে ফাস্ট ক্লাস বাগানো স্বঘোষিত সবজান্তা হোক; তেলচিটে প্রেমিক বা ঘ্যানঘ্যানে প্রেমিকাকে এড়াতে অহেতুক busy busy হাব ভাব করনেওয়ালারা হোক; ব্রিগেড বা মহামিছিলে লোক সংখ্যা বাড়িয়ে বলা নেতা হোক; বন্যারেল দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা কমিয়ে বলা সরকারি আমলা হোক; যাবতীয় ধরনের মিথ্যাবাদীগণ; বলা ভালো সমস্ত জনগণ নরকে ভাজা ভাজা হবে অবধারিত। যদি না নরক ব্যাপারটা বাস্তবিকই মিথ্যা না হয়ে থাকে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

lalon-1111এখনও পর্যন্ত সমাজ বাস্তবতা হলো এই যে, অভিজাতের আঙ্গিনায় ঘুরাঘুরি না করলে শিক্ষিত পদবাচ্যে ভূষিত হওয়া যায় না। গ্রামের কৃষিজীবীপেশাজীবী মানুষ, অভিজাতেরা যাঁদেরকে “লোক” বলে অভিহিত করে থাকেন তাঁদের মধ্য থেকে কারো শিক্ষিতের স্বীকৃতি পেতে চাইলে তাঁকে অবশ্যই অভিজাতের আঙ্গিনায় আসতে হবে। এখনও পর্যন্ত শিক্ষিত পদবাচ্যের স্বীকৃতি দানের মালিক অভিজাতেরা। “লোক” মানুষ যত জ্ঞান চর্চাই করুণ না কেন, হোক সেটা দর্শন কিংবা হোক সেটা বিজ্ঞান অথবা হোক সেটা সমাজ ভাবনা –সেই মানুষ যদি অভিজাতের আঙ্গিনায় না আসেন তবে তিনি আর যাই হোক শিক্ষিতের স্বীকৃতি পাবেন না। এখনও পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সবচেয়ে বিবর্ণ রূপটারও তত্ত্বাবধায়ক অভিজাত শ্রেণি। ধর্ম শিক্ষার নামে মানব মস্তিষ্কের ওপর যে নির্মম পেষণ তা বরাবরই অভিজাতের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাতো বটেই এর বাইরে যাঁরা স্বশিক্ষিত রূপে পরিচয় পেয়েছেন তাঁদেরকেও সে পরিচয়টুকু অভিজাতের আঙ্গিনা থেকেই সংগ্রহ করতে হয়েছে। তাঁদের আঙ্গিনার বাইরে কোন শিক্ষা থাকতে পারে তা অভিজাতরা কখনোই মানতে পারেন না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নেসার আহমেদ

Fukushima-nuclear-disaster২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাশিয়া সফর করেন। ওই সফরে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৮ হাজার কোটি টাকার অস্ত্র ক্রয়সংক্রান্ত একটা ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়। যা আমরা কমবেশি সবাই জানি।

ওই একই সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে রাশিয়ার আরেকটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। যাকে পরমাণুশক্তি নির্ভর বিদ্যুৎ প্রকল্প চুক্তি বলা হচ্ছে। যা ঈশ্বরদীর রূপপুরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয় যে, রূপপুরে একটি নয় দুই দুইটি পরমাণুশক্তি নির্ভর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হবে। যার এক একটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১০০০ মেগাওয়াট করে। তার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ৪,০০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি করা হয়েছে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। যার ৯০ ভাগ বহন করবে রাশিয়া। আর ১০ ভাগ বহন করতে হবে বাংলাদেশকে। এবং এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এখানে যে রিঅ্যাক্টর ব্যবহার করা হবে তার নাম VVER-1000। যা নাকি সর্বোচ্চ ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের মধ্যে টিকে থাকতে সক্ষম। এ ভাষ্যটি অবশ্য রাশিয়ানদের। (বিস্তারিত…)


solidarity-maoism-gonzalo-2(মার্কসবাদলেনিনবাদ নিয়ে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে কোন বিতর্ক না থাকলেও মাওবাদ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কমিউনিজমের জ্ঞান ভাণ্ডারে মাও সেতুঙএর অবদানকে মতাদর্শের পর্যায়ে নেয়া যায় কিনা, বিতর্কটা সেই বিষয়ে। অনেকেই মাওএর অবদানকে স্বীকার করেন, কিন্তু “মাওবাদ” হিসেবে তাকে স্বীকার করেন না। তাদের বক্তব্য এটা চীনের বাস্তবতায় মার্ক্সবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। অপরদিকে, মাওবাদএর সমর্থকদের মতে, মাও সেতুঙএর অবদান মার্কসবাদ, লেনিনবাদের মতোই মাওবাদে উন্নীত হয়েছে এবং এর বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাওবাদ সাম্যবাদী মতাদর্শকে বিকাশের এক তৃতীয় এবং নতুন স্তরে উন্নীত করেছে। এই আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটি মানদণ্ডের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। সেটা হলো কখন একটি অবদান মতবাদে উন্নীত হয়? মাওবাদীদের বক্তব্য হলো দর্শনঅর্থনীতিরাজনীতিতে মৌলিক অবদান হলেই সেটা মতবাদ হতে পারে। নিম্নলিখিত আলোচনাতে সেটাই দেখানো হয়েছে।

এই বিতর্ক যে শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়, সারা দুনিয়াজুড়ে এই বিতর্ক চলমান রয়েছে। এই বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনটি লেখা আগ্রহী পাঠকদের জন্য দেয়া হলো। প্রথমটি পেরুর কমিউনিষ্ট পার্টি (শাইনিং পাথ)র চেয়ারম্যান অ্যাবিমেল গুজমান গনজালো লেখা; যা দলীয় দলিল হিসেবে প্রকাশিত। এটাই হলো সেই দলিল যেখানে পেরুর পার্টি সর্বপ্রথম মাও সেতুঙএর অবদান, যা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা হিসেবে চর্চিত ছিল, তাকে মাওবাদ হিসেবে সূত্রায়ন করেন। দ্বিতীয় লেখাটি নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি সভাপতি প্রচণ্ডএর লেখা। নেপালে মাও বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনি এই লেখাটি লিখেছিলেন। আর তৃতীয় এবং শেষ লেখাটি বাঙলাদেশের একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি রায়হান আকবরএর লেখা। এই তিনটি লেখার বিষয়বস্তু একই। মতবাদ হিসেবে মাওবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা। আর বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই এটি মঙ্গলধ্বনিতে প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকাশিত হচ্ছে প্রথম লেখাটি। উক্ত তিনটি লেখা আমাদের সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন নূরুর রহমান। মঙ্গলধ্বনি) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

Communist_International-098একশো পঞ্চাশ বছর পূর্তী হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কিং মেনস অ্যাসোসিয়েশনের (আইডব্লিউএমএ), যা প্রথম আন্তর্জাতিক হিসাবেও পরিচিত। ১৮৬৪ সালে লন্ডনে কার্ল মার্কসের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রমিক শ্রেণীর এই সংগঠন।[] যা ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘটিত শ্রমিক আন্দোলনগুলির সমন্বয় সাধন করে। শ্রমিকধর্মঘটে সমর্থন যোগায় এবং ফ্রান্সপ্রুশিয়া যুদ্ধের সময়ে যুদ্ধবিরোধী প্রচার চালায়। আর শ্রমিক শ্রেণীর আন্তর্জাতিক সংহতি ও সমাজবাদের আদর্শের প্রসারে ভূমিকা নেয়। এর মধ্যেই ১৮৭১ সালে প্যারি কমিউনের মাধ্যমে সর্বহারার প্রথম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়। (বিস্তারিত…)