Archive for নভেম্বর, 2014


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

universe-humanityস্বামী বিবেকানন্দ মানব অস্তিত্বের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে চিদাত্মা এবং আত্মার কথা বলেছেনএবং এদুটিকে তুলনা করেছেন সাগর এবং তার উত্তোলিত ঢেউয়ের সাথে। সাগর আর তার ঢেউ যদিও দুটি আলাদা অস্তিত্ব, তবুও ঢেউ যখন সাগরের সাথে মিশে গিয়ে একাকার হয়ে উঠে, তখন তাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়, মানুষ একবার পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হলে যেমন তাকে আর একক অস্তিত্বের আওতার মধ্যে ফেলা যায় না। বিবেকানন্দ চিদাত্মাকে ঈশ্বর এবং মানব চেতনাকে আত্মা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার বক্তব্যের সারমর্মটা অনেকটা এরকম, মানুষ যখন বেঁচে থাকে তখন সে আত্মা এবং যখন সে মারা যায় তখন আত্মার সকল বৈশিষ্ট্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চিদাত্মার সাথে একীভূত হয়; ঢেউ যেমন তার সকল নিজস্ব ধর্ম মুছে ফেলে সাগরের সাথে মিশে নিজেও সাগরে রুপান্তর লাভ করে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অজয় রায়

ebola-6543শিশু কোলে নিয়েই ফুটপাথে বসে পড়েছেন ইবোলা আক্রান্ত মায়েরা। রাস্তায় পড়ে রয়েছে বহু মৃতদেহ। আর শেষ বারের মতো প্রিয়জনদেরকে একবার ছুঁয়ে দেখার জন্য স্বাস্থ্য কর্মীদের কাছে অনুনয় করছেন মানুষজন। ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। বর্তমানে পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলের এটাই বাস্তব চিত্র। ইবোলা রোগ দ্রুত ছড়াচ্ছে, যাতে ইতিমধ্যেই অন্তত ৫১৭৭ জন মারা গেছেন। আটটি দেশে আক্রান্তের মোট সংখ্যা চোদ্দ হাজার ছাড়িয়েছে।[] গত ডিসেম্বরে গিনিতে প্রথম এই রোগের উপসর্গ দেখা যায়। আর তারপর ক্রমশ এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবেশী দেশ লাইবেরিয়া, সিয়েরালিওন ও নাইজেরিয়ায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

Bang Jeong Hwanকোরিয়ায় শিশু দিবস পালন করা হয় প্রতি বছরের মে মাসের ৫ তারিখ। এই শিশুদিবস পালনের ইতিহাসে রয়েছে শিশুপ্রিয় এক ব্যক্তির নাম। তার নাম বাঙ চোঙহোন ইংরেজিতে Bang Jeong-hwan। কোরিয়ার এই শিশুদিবস পালনের পেছনে রয়েছে লড়াইয়ের ইতিহাস, অধিকার পাবার জন্য হাঁসফাঁসের ইতিহাস।

কোরিয়া জাপানের কাছ থেকে পদানত হয় ১৯১০ সালে। তখন কোরিয়ায় দুর্যোগের কাল যাচ্ছে। কোরিয়ার স্বাধীনতাকামীরা চেষ্টা করছে কোরিয়াকে জাপানের নাগপাশ থেকে বেরিয়ে আনতে।

বাঙ চোঙ হোন

বাঙ চোঙহোনের বয়স তখন ১১ অথবা ১২ বছর। ১৮৯৯ সালে তিনি জন্মেছিলেন। তাদের পরিবার চার প্রজন্ম ধরে সুখে শান্তিতে একই স্থানে বসবাস করছিলো। তারা ছিলেন বনেদি ব্যবসায়ী। কিন্তু কোরিয়া জাপানের পদানত হবারপর থেকে তাদের পারিবারিক ব্যবসা লাটে উঠতে থাকে। একসময় তারা সর্বশান্ত হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে বাঙ হোনচোঙকে চাকুরি নিতে হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মৃণাল বসু চৌধুরী

matin-bairagi-book-4[আগামী ১৬ নভেম্বর, ২০১৪ কবি মতিন বৈরাগীর ৬৮ তম জন্মবার্ষিকী। কবি মতিন বৈরাগী ৭০ দশক থেকে আমাদের কাব্যাঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। বর্তমান সময় কাল পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত কাব্যের মধ্যে ১. বিষণ্ন প্রহরে দ্বিধাহীন, . কাছের মানুষ পাশের বাড়ি, . খরায় পীড়িত স্বদেশ, .আশা অনন্ত হে, . বেদনার বনভূমি, . অন্তিমের আনন্দ ধ্বনি. .অন্ধকারে চন্দ্রালোকে, . দূর অরণ্যের ডাক শুনেছি, . স্বপ্ন এবং স্বাধীনতার গল্প, ১০. অনেক কিছু অন্যরকম, ১১. খণ্ডে খণ্ডে ভেঙে গেছি, ১২. দুঃখ জোয়ারের জলস্রোত, ১৩. নির্বাচিত, ১৪. সিলেক্টেড পোয়েমস [ইংরেজী অনুবাদ] কাব্যসমগ্র এবং আরো অনেক অগ্রন্থিত কবিতা। অসংখ্য কবিতা তাঁর ছাপা হয়েছে দেশেবিদেশে বিভিন্ন সাময়িকী, পত্রপত্রিকায়। ইদানিং তিনি কবিতা বিষয়ে প্রবন্ধ, দেশের খ্যতিমান কবিদের কাব্যআলোচনাও করছেন। তিনি নিয়মিত লিখছেন মঙ্গলধ্বনিতে। মঙ্গলধ্বনির পক্ষ হতে কবিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।।] (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বিনয় বর্মন

matin-bairagi-book-7মতিন বৈরাগী আমাদের সেই বয়োজ্যেষ্ঠ কবিদের একজন যিনি প্রায় চার দশক ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কবিতাচর্চা করে চলেছেন। তার কলম এখনও দুর্দান্তরকমে সচল সক্রিয়। গত চল্লিশ বছরে তিনি বাঙালি পাঠকদের অনেকগুলো কবিতার বই উপহার দিয়েছেন। এগুলোর মধ্যে আছেঃ বিষণ্ন প্রহরে দ্বিধাহীন (১৯৭৭), কাছের মানুষ পাশের বাড়ি (১৯৮০), খরায় পীড়িত স্বদেশ (১৯৮৬), আশা অনন্ত হে (১৯৯২), বেদনার বনভূমি (১৯৯৪), অন্তিমের আনন্দধ্বনি (১৯৯৮), অন্ধকারে চন্দ্রালোকে (২০০০), দূর অরণ্যের ডাক শুনেছি (২০০৫), স্বপ্ন এবং স্বাধীনতার গল্প (২০০৭), অন্য রকম অনেক কিছু (২০০৮), খণ্ডে খণ্ডে ভেঙে গেছি (২০১২)। ফেব্রুয়ারি ২০০৮, দুঃখ জোয়ারের জলস্রোত, বেরিয়েছে তাঁর নির্বাচিত’ কবিতা সমগ্র রয়েছে অজস্র অগ্রন্থিত কবিতা। সব মিলিয়ে তার সৃষ্টিসম্ভার ব্যাপক বিচিত্র। ভাবব্যঞ্জনার সাবলীল প্রকাশ বিদ্যুৎদ্যুতিতে মনকে আলোকিত আলোড়িত করে। তার কবিতা থেকে (কেবলমাত্র তাঁর কবিতা সমগ্রের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন কাব্যগ্রšথেকে) আমার ভালোলাগা কিছু পংক্তির কথা এখানে চয়িত। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সুরাজ চৌধুরী

matin-bairagi-book-2কবি মতিন বৈরাগী চার দশকের বেশী সময় ধরে কাব্যচর্চা অব্যাহত রেখেছেন এবং বর্তমানের খণ্ডে খণ্ডে ভেঙে গেছি’ কবিতা গ্রন্থের মোট ছত্রিশটি কবিতায় কবির অন্তক্ষরণের বেদনা অনুভব করা যায় এখানে তাঁর আশা. স্বপ্ন, ক্ষোভ, প্রেম, বিরহ বেদনা এবং নৈরাশ্য প্রতি পঙক্তিতে উন্মোচিত হয়ে পাঠককে তাপিত করে ওয়াল্টার ডেলা মেয়ার এর অমোঘ পঙক্তি ক্ষেত্রে স্মরণযোগ্য হোয়াট লাভলী থিংস/দাই হ্যান্ড হ্যাথ মেড’ স্ক্রাইব কবিতা‘।

মতিন বৈরাগী তার সৃজনকর্মে স্বদেশ, স্বসমাজ তথা বিশ্বজনীন কল্যাণ কামনায় তাঁর স্বপ্ন এবং স্বপ্ন ভঙ্গের স্বরূপকে ক্রিয়া পদের ঘটমান ন্ঞর্থক শব্দ প্রয়োগে বাক্সময় করেছেন। কবির মাত্রাবৃত্ত উচ্চারণ ‘‘আর ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাওয়াখণ্ডগুলো/তুলে নেবে কেউ কোনো বিশ্বাসী হাত/তুমুল করতালির নতুন অভিষেকে/মানুষ অমৃতপুত্র. কখনো মানেনি পরাভব’। কবি চাঁদ, সূর্য, তারকা জোছনার মতো রোমান্টিক অনুসঙ্গ তাঁর কাব্যে একেবারে বাদ দিয়ে এগোননি ফুল, পাখি, অরণ্য.নদী, সমুদ্র কংক্রিট এর মধ্যেও কবির লাবন্যদর্শন যা একজন কবির ভাবনায় বৈদগ্ধতারই প্রকাশ এসব অনুসংগের অন্তরালে তার স্বপ্ন, আশা নৈরাশ্য মোহভঙ্গ চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে এর পরও মেহনতী জনতার কিষাণ হাতের কাস্তে’ আনুষঙ্গটি যথানিয়মে কবির ভাবনায় উঠে এসেছে অরণ্যে ছিলো আলোকানন্দ নাচ/ভিতরে ভাঙছে অ্স্থিরতার কাচ’ কিংবা কখনো সুখের অমেয় আলোকে তুলেছো লেনিন হাত/কখনো চেখের জলের ধারায় হয়েছো নিশীথ রাত’ বিপ্লবের প্রতি গভীর মমত্বের প্রকাশ, কবি প্রধান্য দিয়েছেন মানুষের স্বাধীনতা কে। কবি কালিদাসের কাছে যেমন সবার উপরে মানুষ সত্য /তাহার উপরে নাই’ রঙ্গলালও সমাজ বাস্তবতার অভিজ্ঞতা থেকে বলেছিলেন স্বাধীনতা হীনতায় / কে বাঁচিতে চায় হে/কে বঁচিতে চায়’, মতিন বৈরাগী দেশ এবং বিশ্বে মানুষ স্বাধীন ভাবে বাঁচবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মানুষ হাঁটবে আবার এই পথে /যাবে সে স্বাধীনতার স্নিগ্ধ সড়কে বাঁজিয়ে ভৈরবী’ (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: হামিদ রায়হান

matin-bairagi-3স্মৃতির ভেতরে কখনো কখনো আচমকাই জ্বলে

ওঠে নকশাল বাড়ি

কালের উল্টোরথ ঠেলে এগোয় ইতিহাসে কান

পাতলেই শুনি

মানুষের প্রস্তুতি

মানুষ কি আসছে?

[স্মৃতির ভেতরে : বেদনার বনভূমি] (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফরিদুজ্জামান

matin-bairagi-2নব্বই দশকের শুরুর দিকে ঊন্মেষ সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের সভায় আমার প্রথম পরিচয় সেই থেকে তাঁর সংগে আমার সম্পর্ক প্রায় ব্যক্তিক পর্যায়ের। তাঁর কবিতা আমাদের মুগ্ধ করত। তাঁর আলোচনা বিশেষ করে কাব্য প্রসংগে আলোচনা মনোযোগ দিয়ে শুনেছি, শুনি। কারণ কবিতা লেখা, কবিতার সৌন্দর্য, শিল্প সত্তা, কবিতার কাঠামো, কবিতার বসতি, আধার আধেয় নিয়ে সময় সুযোগ পেলে কথা তোলেন এবং বলতে চেষ্টা করেন।

সে সম্ভবত ১৯৯৪ সালের কথা উন্মেষ সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের এক আসরে প্রায়ত কবি সমুদ্র গুপ্ত পরিচয় করিয়ে ছিলেন কবি মতিন বৈরাগীর সাথে। সে আসরের সভাপতি ছিলেন কথাশিল্পী মহসিন শস্ত্রপাণি। সেই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেনকবি কাজী মনজুর, কবি মুনীর সিরাজ আর আমার বন্ধু ভজন সরকার। সেই থেকে আজ অবধি মতিন ভাইয়ের সাথে আমার সাপ্তাহিক যোগাযোগ অনিবার্য। তাঁর অনেক কবিতারই প্রথম শ্রোতা হবার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। তাঁর অনেক কবিতার আলোচনা শুনে উজ্জিবিত হয়েছি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক

matin-bairagi-book-6দীর্ঘদিন ধরে লিখছেন কবি মতিন বৈরাগী, কি লিখছেন, কেন লিখছেন, এসব প্রশ্ন প্রাসঙ্গিক হয়ে যায়। সরল উত্তর হলো তিনি কবিতা লিখছেন সচেতন মানুষ হিসেবে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে। আজকের প্রজন্মে যখন কবিতা নিয়ে অনেক ভাংচুর চলছে, বর্ণনাত্বক ছন্দবদ্ধোতার অধ্যায় পেরিয়ে, আধুনিকতার খোলস ভেঙে কবিতা যখন তার ডানা মেলে দিয়েছে ঠিকানাহীন আকাশের দিকে, সিম্বলিজম, সুরিয়ালিজম, দাদাইজম এমনকি হাংরি মুভমেন্টঅলাদের পেছনে ফেলে কবিতা যখন এগিয়ে চলছে অনাগত আগামীর পথে তখনো তিনি তাঁর মতো করে লিখে চলছেন। উত্তাল তরঙ্গ পেরিয়ে কবিতার স্টিমারে আসীন হয়ে ছুটছেন কাক্সিক্ষত গন্তব্য সন্ধানে। বস্তুত কবিতার বিষয়ে কিছু লিখতে হলে বা বলতে হলে, কবিতা বলতে আমার কি বুঝি সে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। রবীন্দ্রনাথ কবিতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন, কবিতা কিছু বলে না, বেজে ওঠে’। ফরাসি কবি লুই আরাগাঁ বলেছেন, কবিতার ইতিহাস তার টেকনিকের ইতিহাস’। আবার দান্তে বলেছেন, সুরে বসানো কথাই হলো কবিতা’। কোলরিজ মনে করেন, শ্রেষ্ঠতম বিন্যাস, শ্রেষ্ঠতম শব্দসমূহের প্রকাশই কবিতা’। কথাগুলো পুরনো এবং বহুল ব্যবহৃত তবে এখনো শ্বাশত, এখনো সবের সারবত্তা উপেক্ষা করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি, এখনো উড়িয়ে দেয়া যায় না এসব কথা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফরিদ আহমদ দুলাল

matin-bairagi-book-3. আহমদ শরীফ লিখেছেনকবি মতিন বৈরাগী নিজের গুণের দানের জন্যেই বাংলাদেশের কবিতাঙ্গনে সুখ্যাত সুপ্রতিষ্ঠিত। কাজেই তিনি তাঁর নতুন কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা মুহূর্তে কারুর মতের, মন্তব্যের কিংবা তদ্বীরের তোয়াক্কা রাখেন না। তবে আমি যে মলাটমন্তব্য লিখছি, সেকেবল কবি কবিতা সম্বন্ধে আমার মুগ্ধতার অভিব্যক্তি দানের জন্যেই। এ কবি গণমানবের দাসত্বশোষণবঞ্চনাজাত বেদনার কথা বলে, বলে পৃথিবীর হালচাল বদলানোর কথা, বাতলায় মুক্তির পন্থা, দিশা দেয় বিপ্লবের বিদ্রোহের, সন্ধান করে সাহসী সংগ্রমী বীরের, আশা আশ্বাস দেয় মুক্তির; আনন্দের সুন্দরের। কবি মতিন বৈরাগী তাঁর কাব্য সংবেদনশীল মানববাদী মাত্রেরই প্রিয়। আমি এবং অগণ্য অনেকে তাই বৈরাগীর তাঁর কাব্যের শংসায় মুখর। ’ (মতিন বৈরাগীর চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ আশা অনন্ত হে’এর ফ্ল্যাপে মলাটমন্তব্য)। সত্তরের দশকের কবিক্রম বিবেচনায় কবি মতিন বৈরাগীর জন্ম হয়তোবা সবার আগে। আদর্শভিত্তিক রাজনীতির কর্মী হিসেবেই রাজনৈতিক দলেরই সাহিত্যসংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রের সাথে যুক্ত হতে গিয়ে নিজেকে কবি গোত্রে সামিল করে ফেলেন মতিন বৈরাগী। যে কারণে তাঁর কাব্যজীবন কাব্যচর্চার সাথে উন্মেষ সাহিত্যসংস্কৃতি সংসদের নাম বারেবারে উচ্চারিত হয়। মতিন বৈরাগীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা বারোটি। প্রকাশের ক্রমানুসারে সেগুলো হলোবিষণ্ন প্রহরে দ্বিধাহীন’ (১৯৭৭), কাছের মানুষ পাশের বাড়ি’ (১৯৮০), খরা পীড়িত স্বদেশ’ (১৯৮৬), আশা অনন্ত হে’ (১৯৯২), বেদনার বনভূমি’ (১৯৯৪), অন্তিমের আনন্দ ধ্বনি’ (১৯৯৮), অন্ধকারে চন্দ্রালোকে’ (২০০০), দূর অরণ্যের ডাক শুনেছি’ (২০০৫), স্বপ্ন এবং স্বাধীনতার গল্প’ (২০০৭), অন্য রকম অনেক কিছু’ (২০০৮), খণ্ডে খণ্ডে ভেঙে গেছি’ (২০১২) এবং দুঃখ জোয়ারের জলস্রোত’ (২০১৪)। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে নির্বাচিত’ (২০০১), সিলেক্টেড পয়েমস’ (২০০৫) এবং কবিতা সমগ্র’ (২০০৮)। এসব তথ্য ছাড়াও আমাদের হাতে আছে হামিদ রায়হান সম্পাদিত কবিতা বিষয়ক ছোট কাগজ উত্তরপুরুষকবি মতিন বৈরাগী সংখ্যা’। (বিস্তারিত…)