Posts Tagged ‘AFSPA’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

Irom_Chanu_Sharmilaইরোম শর্মিলা চানু, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী নন, তথাপি তিনি মণিপুরের জনগণের আন্দোলনসংগ্রামের অনস্বীকার্য প্রতিনিধিতে পরিণত হয়েছেন। অথচ কর্পোরেট মিডিয়ার প্রচারণায় না থাকায় তার অব্যাহত নীরব আন্দোলন থেকে গেছে অনেকাংশেই পর্দার আড়ালে, অনেকের কাছেই এই ইতিহাস এখনো অজানা। একটি গণবিরোধী আইন বন্ধের দাবী, তথা রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ বছর ধরে চলমান অনশনের ইতিহাস মানব সভ্যতায় বিরল। অথচ, তাকে নিয়ে লেখালেখিও যে খুব হয়েছে এমনটি নয়। উল্লেখ করার মতো গুটিকয়েক প্রকাশনা আর গ্রেপ্তারকৃত অবস্থায় কর্পোরেট মিডিয়ার কয়েক সেকেন্ডের খবরই কেবল তার জন্য বরাদ্দ ছিল। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সঞ্জীব আচার্য

সংগ্রহ: নেসার আহমেদ

manipur-rape-protest-3(এই গল্পটি প্রকাশ হয়েছিল ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরঅক্টোবর মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত অনীক পত্রিকায়। ফেসবুকে বন্ধুদের উদ্দেশ্যে তার একটি অংশ তুলে দেয়া হল। গল্পের প্রেক্ষাপট হলো২১শে মার্চ ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক নারী বর্ষ উপলক্ষ্যে দিল্লিতে UNOর একটি সেমিনার। সেমিনার হলে উপস্থিত আছেন নানান দেশের হাজারের উপরে নারী আন্দোলনের সাথে যুক্ত নারী নেতৃত্ব। আর মঞ্চে রয়েছেন UNOর সভাপতি, আন্তর্জাতিক নারী সমিতির সভানেত্রী, ভারতের নারী সমিতির সভানেত্রী এবং আয়োজকদের তরফে সুমনা থাপার। যারা সারা পৃথিবীতে নারীর প্রতি বৈষম্য এবং উন্নয়নের নীতি নির্ধারণ নিয়ে নানামুখী আলোচনা করেছেন। সভার শেষ বক্তা ইনিতা। দিল্লি নেহেরু কলেজের ছাত্রী। যার আলোচনা দিয়ে এই গল্পের শেষ। চলুন আমরাও মুল গল্পে ঢুকে পড়ি… – নেসার আহমেদ) (বিস্তারিত…)


manipur-rape-protest-3মনিপুরের শান্তস্নিগ্ধ এক গ্রাম। বাড়ির দরজায় এক নারী বসে আছেন তার চারটি সন্তান আর এক ছোট নাতিকে নিয়ে। তাকে বা তার পেছনের লড়াইয়ের ইতিহাস না বলে দিলে জানা যাবে না যে এই নম্র, সুখী শান্ত মহিলাটিই মনিপুর রাজ্যে সরকারবিরোধী সবথেকে শক্তিশালী এক লড়াইয়ে শামিল হয়েছিলেন।

৬২ বছর বয়সের এই নারীর নাম ইমা নুঙবি বা নাঙঅবা। তিনি মনিপুরের এক সাহসী নারীর প্রতিরূপ। ২০০৪ সালে মনিপুরে আসাম রাইফেলস্ থাঙজাম মনোরমাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে। তার বিরুদ্ধে নারীরা বিবস্ত্র হয়ে যে অভিনব প্রতিবাদ করেছিলো তিনি তাতে সম্মুখসারিতে অংশ নিয়েছিলেন।

শুধু এই জন্যই তার ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি মাত্র ৪০ টাকা/রূপী আয় করেও তার ৪ সন্তানের ভরনপোষনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এবং যা আয় করতেন তার এক অংশ তিনি সংগঠনের কাজে ব্যয় করেছিলেন। তার বান্ধবীরা তাকে মদ বিক্রি করে সংসার চালাতে বললে তিনি বলেছিলেন, তিনি বরং না খেয়ে মরবেন তবু্ও তিনি মদ চোলাই করবেন না।

টেহেলকা ডট কম ওয়েবসাইটের রেবতি রাউল (Revati Laul) তার একটি ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন যা ইংরেজী ভাষায় প্রকাশ করা হয়। উক্ত ইন্টারভিউয়ের বাংলা অনুবাদ এখানে তুলে দেয়া হলো।। (বিস্তারিত…)