Posts Tagged ‘হেফাজতে ইসলাম’


লিখেছেন:মাসুদ রানা

পরিচয়

farhad-mazhar-6অজ্ঞতা আমার! পড়া হয়নি। তবে, পড়ুয়া বন্ধুদের কাছে শুনেছি, ইসলামী জিহাদই আজকের যুগে শোষিতের শ্রেণী সংগ্রাম বলে তত্ত্বায়ন করেছেন বাংলাদেশী বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার। শুনেছি, তত্ত্ব চ্যালেইঞ্জ করার মতো ক্ষমতা নাকি মার্ক্সবাদী শ্রেণীসংগ্রামীরাও দেখাতে পারেননি।

আরও শুনেছি, তাঁর বিরুদ্ধে বুদ্ধিতে ও যুক্তিতে না পেরে, কেউকেউ নাকি ইতর ভাষায় গালাগাল করেন তাঁকে। তবে একথা শুনে চমৎকৃত হয়েছি যে, গালাগালের উত্তর দেন না মজহার। শ্রদ্ধাবনত আমি বলি, এটি মহত্ত্বের পরিচয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রশান্ত মাহমুদ

savar-disaster-12আবারো লাশের মিছিল। গত ২৪ নভেম্বর তাজরীন গার্মেন্টসে শত শত শ্রমিক পুড়ে অঙ্গার হওয়ার ঠিক ৫ মাসের মাথায় গত ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের ইতিহাসে ভয়াবহতম ঘটনায় ভবন ধ্বসে পড়ে জীবন্ত কবর হলেন সাভারের রানা প্লাজার পাঁচটি গার্মেন্টেসের হাজারো শ্রমিক। এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা লাশের সংখ্যা ৩৯৮। অবিরাম, অবিশ্রান্ত উঠে আসছে লাশ। জানিনা, এই লেখা শেষ করতে করতে এই লাশের সংখ্যা কততে গিয়ে ঠেকবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:আবিদুল ইসলাম

ধর্মভিত্তিক রাজনীতির স্বরূপ

বাংলাদেশের ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো থেকে দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ডাক দেয়া হয় মাঝে মধ্যেই। হেফাজতে ইসলাম নিজেদের অরাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করলেও তাদের কর্মসূচির রাজনৈতিক চরিত্রও চোখে পড়ার মতো। শতকরা ৯৫ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে আজ “ইসলাম বিপন্ন” এমন শ্লোগান হেফাজতে ইসলামের লোকজনের পক্ষ থেকে উত্থিত হচ্ছে, যদিও এই ভূখণ্ডে এ আওয়াজ নতুন কিছু নয়। পাকিস্তান আমল থেকেই জনগণের যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনসংগ্রামের সময় শাসক গোষ্ঠীর পক্ষ হতে এ আওয়াজ তোলা হতো। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন সহ অধিকাংশ সময়েই গণতান্ত্রিক দাবিদাওয়া আদায়ের সংগ্রামে জনগণ সংগঠিত হলেই পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষ হতে ‘ইসলাম গেল’ চিৎকার ওঠানো হতো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:আবিদুল ইসলাম

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গ ও শাহবাগের আন্দোলন

বর্তমানে যে ইস্যুটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তাহলো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনীর সহযোগী তথা রাজাকার, আলবদর, আলশামসের সদস্য হিসেবে যারা বিভিন্ন প্রকার অপরাধে লিপ্ত ছিল তাদের বিচার প্রসঙ্গ। বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটসরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে কতিপয় যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিষয়ক এক ট্রাইবুনাল গঠন করে। এই ট্রাইবুনাল থেকে প্রথম রায় দেয়া হয় গত ২১ জানুয়ারি বাচ্চু রাজাকার ওরফে আবুল কালাম আজাদের। পলাতক এই যুদ্ধাপরাধীকে প্রদান করা হয় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। (বিস্তারিত…)