Posts Tagged ‘হত্যাযজ্ঞ’


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

shahbagh-1গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে অনেক কথা, অনেক বিশ্লেষণ করেছি সাথে এও বলেছিলাম মঞ্চের আন্দোলনের সারসংকলন টানার সময় এখনো আসেনি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই সময় চলে আসছে এবং সারসংকলন টানার সময়টি আরও বেশী ঘনীভূত রূপ পাচ্ছে এবং আরো পাবে; বিশেষ করে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক পরিবেশে। না মঞ্চের বিষয়ে আগাম কিছু বা পুরনো বিশ্লেষণ তুলে ধরে কিছু বলব না। কিন্তু আজ গণজাগরণ মঞ্চ, প্রজন্ম ও সুশীল সমাজের কাছে একটি প্রশ্নই করব এবং এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। (বিস্তারিত…)

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মৃত্যু – নানা কথা নানা ব্যথা

Posted: নভেম্বর 29, 2012 in আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

নিঃসন্দেহে শ্রমিক কর্মচারীদের ঐক্য পরিষদের বানারে স্কপ’ ছিল স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তি। বিভিন্ন ইস্যুতে স্কপে ও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নে বামপন্থীরা নীতি নির্ধারকের ভূমিকায় ছিল। কিন্তু তাঁদের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলে পর্যায়ক্রমে ভোগ করেছিল বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির দলগুলো। লীগ ও বিএনপি, জামাত এমনকি স্বৈরাচার এরশাদও আছে এই ভোগের তালিকায়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর এভাবেই বামপন্থীরা বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির ক্ষমতায়ণ , এবং তাঁদের ক্ষমতা সুসংহত ও সুসঙ্গত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাঁদের অর্জন যেমন শূন্য, তেমনি শ্রমিকদের অর্জনও শূন্য।

৯০ এর পর বামপন্থীরা আর কোন শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। যদিও স্বৈরাচারের ঢালাও বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো আরও পূর্ণমাত্রায় চালু রেখেছিল। মিল কারখানা বন্ধ করে পানির দামে বিক্রি করা হলো। ঢালাও বেসরকারিকরণ এজেন্ডার সাথে বরাবরেরে মত অন্যান্য এজেন্ডা যেমন, শ্রম আইনের সংস্কার, বিভিন্ন খাতের শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, গার্মেন্টসে ট্রেড ইউনিয়ন চালু সহ নানা এজেন্ডা ছিল এবং কিছু এদিকওদিক বাদে এখনো সেই এজেন্ডা সমূহের বাস্তব অবস্থা বিরাজমান। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

বাংলাদেশে গার্মেন্ট ‘শিল্পে’র গোড়াপত্তন প্রায় বত্রিশ বছর আগে। এই বত্রিশ বছরে গার্মেন্ট কারখানার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার। প্রায় কুড়ি থেকে ত্রিশ লাখ শ্রমিক এই বিশাল সেক্টরে শ্রম দিচ্ছে। সব সরকারই বেশ ফুলিয়েফাঁপিয়ে এই সেক্টরের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খতিয়ান দিয়ে কৃতিত্ব জাহির করেছে এবং করছে। পরিসংখ্যান দিয়ে বিশ্বের অন্য কোনো দেশ চললেও বাংলাদেশ চলে না। এই পোশাক শিল্পের আয় দেশের জাতীয় বাজেটের ‘কত অংশ, দেশের কী কী উপকার করছে, দেশের অর্থনীতিতে কতো পার্সেন্ট অবদান রাখছে ব্যাপারগুলো অর্থহীন। ওটা বানরের পিঠা ভাগ করার মতো চালাকি বিশেষ। এতো বড়ো একটা সেক্টরে শ্রমিক অসন্তোষ থাকবে, মারামারিকাটাকাটি থাকবে, চুরিচামারি থাকবে, ধাপ্পাবাজিফেরেপবাজি থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। এই গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে কী হয়নি? শ্রমিকের রক্ত চুষে নেওয়া, নারী শ্রমিককে ভোগ করা, ধর্ষণ করা, খুন করা, পুড়িয়ে মারা, পায়ে দলে মারা, পিষে মারা, ছাঁটাই করে মারা, জেলে ভরা, হাতপা গুঁড়ো করে দেওয়া, এসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়া, ধর্ষণ করতে করতে মেরে ফেলা কী হয়নি? এবং এসবই হয়েছে ওই তথাকথিত বৈদেশিক মুদ্রা আর তথাকথিত অর্থনীতির চাকা চরার ধাপ্পা দিয়ে। (বিস্তারিত…)

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার প্রশ্নে রাষ্ট্রের ভূমিকা ও আধিপত্যের ভাষা

Posted: অক্টোবর 6, 2012 in অর্থনীতি, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আহমদ জসিম

সেনা শাসনে পর্যুদস্ত পাহাড়ের মাটি ও জনগণ...আমরা বিষয়টা শুরু করতে পারি গত ২০১০এর ১৯ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় ঘটে যাওয়া সংঘাত থেকে। সেই ঘটনায় হত্যাযজ্ঞ, লুটপাট অগ্নিসংযোগসহ মানবতার চরম লঙ্ঘন হয়েছিল এটা পাহাড়ি জনগণের উপর চলমান রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ছোট্ট একটা অধ্যায় মাত্র। মোটামুটিভাবে আমরা বিষয়টাকে এভাবে দেখতে পারি; রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিপীড়নের শুরু ১৯৫৬ থেকে আর সেই নিপীড়নের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে ’৮০ দশক থেকে। তবে ১৯ ফেব্রুয়ারির এই ঘটনা বিশেষ রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে, এই কারণেই যে ক্ষমতাসীন আ’লীগ সরকার শান্তি চুক্তির মধ্যদিয়ে জনগণের কাছে অঙ্গীকার করেছে পাহাড়ে একটা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে, আবার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শাসক আ’লীগ এর দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিদের মন্তব্যগুলোতেও রাষ্ট্রের রাজনীতি সচেতন সকল নাগরিকেরই উদ্বিগ্ন হবার যথেষ্ট কারণ আছে। ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পাহাড়ে সেনা বৃদ্ধির কথা (অথচ পাহাড় থেকে সেনা প্রত্যাহার হচ্ছে শান্তি চুক্তির অন্যতম এজেন্ডা), ঘটনায় দাতাদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংসদ উপনেতা বলেছেন, ‘তারা শুধু পাহাড় নিয়ে ভাবে বাংলাদেশ নিয়ে ভাবে না’ (!) স্বাভাবিক নিয়মেই প্রশ্ন জাগে শাসকশ্রেণী কি তবে পাহাড় কিংবা পাহাড়ি জনগণকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে রাজি না! শাসক দলের দুই দায়িত্বশীল ব্যক্তির মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় শান্তিচুক্তি নামক কাগজটা আসলে পাহাড়ি জনগণের সাথে আরেকটা প্রতারণা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

 

সাম্প্রদায়িক হামলায় বিধ্বস্ত বৌদ্ধ বিহারএকটা বিষয় লক্ষণীয়, যারা মাত্র কিছুদিন আগে মিয়ানমারের আরাকান জনগোষ্ঠী কর্তৃক রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে অনেক কথাবার্তা বলেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে ছবি ও সংবাদ শেয়ার করে বিভিন্ন প্রচারণা চালিয়েছিলেন, কান্নাকাটি এবং প্রতিবাদমূলক বাক্যের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন, তারা এখন বাংলাদেশে মুসলিম সাম্প্রদায়িক জনগণ এবং তাদের নিরব পৃষ্ঠপোষক কর্তৃক কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর মানুষজনের জীবন, উপাসনালয় এবং সম্পদের ওপর ফ্যাসিবাদী আক্রমণের বিষয়ে নিশ্চুপ রয়েছেন। আবার সেদিন যারা জামায়াতের ভোটব্যাংক বৃদ্ধি পাওয়া সহ আরো কিছু অজুহাতে মানবেতর পরিস্থিতিতে বাস করা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয়দানের বিরোধিতা করেছিলেন তারা এখন কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন আজকের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। এ বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলছে। এর কোনো আচরণই সমর্থন অথবা প্রশংসাযোগ্য নয়। এ থেকে বোঝা যায় যে কোনো মানবিক অথবা অসাম্প্রদায়িক চিন্তার দ্বারা তাড়িত হয়ে তারা এসব কাজ করেন না। একটা নির্দিষ্ট স্বার্থচালিত আইডিওলজি তাদের ভেতর কংক্রিটের শীতলতায় গাঁথা থাকেতারা কোন ঘটনায় কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাবেন সেটা নির্ভর করে ঘটনাটা তাদের পক্ষে অথবা বিপক্ষে কীভাবে যায়। সুতরাং কক্সবাজারের রামুতে উদ্ভূত সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের ভূমিকাও অনেকটা সেই রকম। (বিস্তারিত…)