Posts Tagged ‘হত্যাকাণ্ড’


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

rajan-murder-2015রাজন নামের শিশুটিকে খুচিয়ে খুচিয়ে মারা হলো সেটা আবার ভিডিও করা হলো ভিডিওটি আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হল। এই পুরা কর্মপ্রক্রিয়ার পেছনে যাদের কারো না কারো বুদ্ধি শ্রম পরিকল্পনা কাজ করেছে। তিনি একটা ঘটনা নির্মাণ করে চলেছেন, তিনি নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন। এই সব ঘটনা পরম্পরায় পরিকল্পনাবিদের পরিকল্পনা দ্রুত কাজ করে চলেছে। সাম্প্রতিক অপরাধ বিজ্ঞানের ভাষায় অপরাধ ঘটানোর ক্ষেত্রে নবীন অপরাধী তার নিকটতম প্রবীন অপরাধকে ফলো করে ভেবে দেখে তার স্থান কোথায়। যখন হরহামেশা একই ধরণের অপরাধ ঘটতে থাকে। তখন নবীন অপরাধী নিজেকে আর একা ভাবেনা সে বৃহৎ এক অপরাধী সমাজের সভ্য বলে মনে করে তখন নিজেকে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

বাংলাদেশ পরিস্থিতি নয়া উদারবাদী যুগে শাসনপ্রনালী ও কথকতা” নামের প্রকাশিতব্য সংকলনের প্রবন্ধ

লিখেছেন: বখতিয়ার আহমেদ

book-cover-1[সংকলকের ভূমিকা: আমাদের সমাজে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নানান অভিঘাতকে নির্মোহ দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করে থাকেন বখতিয়ার আহমেদ। রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষক যে গরীব কৃষকশ্রমিকের টাকায় যে জ্ঞানচর্চা করেন; তা একটিবারের জন্যও ভুলে যান না। সমাজে ক্ষমতাশালী কোনো অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন না তিনি। করেন না বলেই রাষ্ট্রআইনকানুননিও লিবারাল বাজারের আধিপত্যকে নৃবৈজ্ঞানিক অবস্থান থেকে নির্মোহ বিশ্লেষণ করতে পারেন তিনি।

বখতিয়ার আহমেদের কাছে প্রথমে লেখা চেয়েছিলাম এই সঙ্কলনের জন্য। পরে সময় বিবেচনায় নিয়ে এবং কাজের ব্যাপারে তার পারফেকশান আর ধীর গতির (দুটোই আমার কাছে ইতিবাচক। সেকারণেই তিনি যা বলেন/লেখেন তা জরুরি হয়ে ওঠে। হুটহাট বলেন না বলেই।) কথা মাথায় রেখে ফন্দি আঁটি কোনোভাবে একটি বক্তৃতা করিয়ে নেয়া যায় কিনা তাঁকে দিয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল কর্মকার

আমি লিখতে চাইনি। কারণ আজকাল লেখা আর কারও মনে আঘাত কিংবা প্রতিঘাত করে না। মানুষের মন আজ কর্পোরেট কোম্পানির বাগানে লাগানো প্লাস্টিকের ফুল। তবুও আজ সকালে ঘুম থকে উঠে কলম ধরতে হলো নিজের কাছে নিজের দায় থেকে। সকালে একদিনের বাসি পত্রিকায় একটা নিউজ দেখে নিজেকে সামলে রাখা কষ্টকর হলো। লেখাটা ছিল আমি সর্বহারাশিরোনামে সাংবাদিক মিনার মাহমুদের লেখা একটা চিঠি। আত্মহত্যা করবার আগে স্ত্রী লাজুককে লেখা তার এই শেষ চিঠিতে তিনি লিখে গেছেন তার যন্ত্রনা ও এই সমাজের কুৎসিত ক্ষতগুলোর কথা।

মিনার মাহমুদ

মিনার মাহমুদ যখন সকাল বেলা বাসা থেকে বের হন তখনও তিনি জানতেন যে তিনি আর ফিরে আসবেন না বাসায় নিজের স্ত্রীর কাছে। কতটা স্বপ্নভঙ্গ হলে একজন মানুষ এতটা পরিকল্পিতভাবে নিজেকে সর্বহারা ঘোষণা করে আত্মহত্যা করতে পারে। তার এই আত্মহত্যার জন্য দায়ী এই রাষ্ট্র, এই ব্যবস্থা এবং এই রাষ্ট্রের মিডিয়ার কুৎসিত সম্পাদকরা।

মিনার মাহমুদের চিঠির বয়ানে আত্মহত্যা প্রসঙ্গে: মোটেও না, আসলে নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ আছে আমার বাংলাদেশের সার্বিক সমাজ ব্যবস্থায় ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পরবর্তী সময় থেকে এযাবৎকাল এদেশের মিডিয়ার উপর এসেছে একের পর এক আঘাত। কখনও মিডিয়াকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়নি। একটা সময় মিডিয়া দাসত্ব করেছে কোনো দলের আর এখন দাসত্ব করছে কর্পোরেট কোম্পানির। (বিস্তারিত…)