Posts Tagged ‘স্বৈরাচার’


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

election-2013নবম সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামীলীগ যে নির্বাচনী ইশতেহার জনগণের সামনে হাজির করেছিল সরাসরি অন্যায় সুবিধা প্রাপ্তরা ছাড়া দেশের ব্যাপক অধিকাংশ মানুষ পরবর্তীতে উপলব্ধি করেছেন, তা ছিল একটি রাজনৈতিক দলের প্রতারণার দলিল। সারা দেশে শহর, বন্দর, গ্রাম, গঞ্জের সর্বত্র জনগণের শ্রমার্জিত কোটি কোটি টাকায় নির্মিত বিলবোর্ডগুলো প্রতারণার সেই সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। বিলবোর্ডের মিথ্যা সাজানো গল্প মানুষ বিশ্বাস করতে পারে না, কারণ মানুষ ভুক্তভোগী। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

.

Shaheed_Minarভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের শ্রেণী অবস্থান, রাজনৈতিক দর্শন, অংশগ্রহণের অনুপ্রেরণা ইত্যাদি সম্পর্কে ১৯৮৫৮৬ সালে ১২৩ জন ভাষা সংগ্রামীর মধ্যে একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। উর্দু একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হলে বাঙালির আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ বাধার সম্মুখীন হবে বলে ভাষা আন্দোলনকারীদের মধ্যে একটা আশংকা ছিল। উর্দু একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হলে তাদের ব্যাক্তিগত ক্ষতি কি ধরণের হবে বলে তারা ভেবেছিলেনএ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তাদের অনেকেই (১২৩ জনের মধ্যে ৪৪ জন) বলেছিলেন যে, ব্যাক্তিগত ক্ষতির কথা তখন তাদের ভাবনায় ছিল না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্বপন মাঝি

shok21আমরা খুব অভিভূত প্রবণ। আমরা আনন্দে অভিভূত হয়ে পড়ি। আমরা শোকেও আভিভূত হয়ে পড়ি। এই যে অভিভূতি, তার সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটে বাঙালির জীবনে ২১ শে ফেব্রুয়ারি। এদিন আমরা এতটাই শোকাভিভূত হয়ে পড়ি যে কালো কাপড়ে নিজেদের ঢেকে ফেলি। রাষ্ট্রীয় সঙ্গীতালয়গুলো থেকে ভেসে আসতে থাকে, বেহালার করুণ সুর। মধ্যবিত্ত বাতাসে তখন ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ হয়ে উঠে, খালি পায়ে হেঁটে চলা শোক মিছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

21_Feb_1953_Dhaka_University_female_students_processionমনের ভাব প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভাষা। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ভৌগোলিক অবস্থান ও কাল ভেদে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে ভাষার গঠন, প্রকৃতি, ছন্দের পার্থক্য ও সাদৃশ্য উভয়ই বিদ্যমান। ভাষা যেমনটা আমরা আজ প্রত্যক্ষ করছি, তা হাজার বছর ধরে এমনটিই ছিল না। আবার বহু বছর পর তা এমনটা নাও থাকতে পারে। তা পরিবর্তনশীল। মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে তার স্বরূপ পরিবর্তিত হয়। ভাষা সাহিত্যসংস্কৃতির অপরিহার্য অঙ্গ, তাই ভাষার পরিবর্তনের সাথে সাথে সাথে পরিবর্তন আসে সাহিত্যসংস্কৃতি, জীবন আচারেও। আবার সংস্কৃতি বা জীবনাচারের পরিবর্তনেও ভাষার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শশি আলিওশা

একুশ, জাতীয় মুক্তির পথে এক অনন্য ধাপ

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার আদায়ে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আয়োজিত মিছিল

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার আদায়ে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আয়োজিত মিছিল

আবার এলো একুশে ফেব্রুয়ারি, পলাশের রঙে রাঙা ৮ই ফাল্গুন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ দেশের মানুষের স্বাধীনতা আর জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের পথে প্রথম পদটি পড়ে বায়ান্নর এই দিনে। এর সাথে জড়িয়ে ছিল যেমন একদল গণতন্ত্রকামী মানুষের নিজ ভাষাকে পাকিস্তান রাষ্ট্রের অন্যতম ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি ঠিক তেমনি সাধারন শ্রমজীবী মানুষের দীর্ঘদিন ধরে বয়ে বেড়ানো অর্থনৈতিক দাসত্বের হাত থেকে মুক্তির সুতীব্র আকাঙ্ক্ষাও। পাকিস্থান রাষ্ট্র উর্দুকে “রাষ্ট্রভাষা” হিসেবে ঘোষণা করলে এই জনপদের মানুষ ভাষার দাবিতে নেমে আসে রাস্তায়, প্রতিবাদ প্রতিরোধে গর্জে উঠে রাজপথে; প্রাণের ভাষার মর্যাদা রক্ষায় ঢেলে দেয় বুকের তাজা রক্ত, শহীদ হন সালাম রফিক বরকতসহ নাম না জানা আরও অনেকে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

14 february-1১৪ ফেব্রুয়ারী, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসার রঙ দেখে আমরা অবাক হই। কত ধরনের হতে পারে ভালোবাসা! সন্তানের প্রতি পিতামাতার, পিতামাতার প্রতি সন্তানের, প্রেমিকপ্রেমিকার, বন্ধুত্বের, ভাইবোনের, আত্মীয়তার, মানুষের প্রতি মানুষের । ভালোবাসা কি? উত্তর নেই, আবার আছে। সেই উত্তর অবশ্যই বিভিন্ন! কেননা, ভালোবাসা এমন এক অনুভূতি যা সংজ্ঞায়িত করার ক্ষমতা হয়তো মানবমস্তিষ্কের নেই; শুধু অনুভবের ক্ষমতা আছে, শুধু হৃদয়ে নিজের মতো করে ধারণ করার ক্ষমতা আছে! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

একটি গোলাপ ফুল নিবো।

টকটকে লাল, রক্তরাঙা গোলাপ।

কি হবে?

অন্তরের তীব্র ক্ষরণে ভালোবাসার বহি:প্রকাশ হবে।

পাপড়িতে রবে কোমলতার পরশ।

বেদনার গাঢ় নীলাভ ছায়া পড়বে আমার আকাশে,

আর মেঘে মেঘে বাজ খেলে যাবে সেই ভালোবাসা

যা আমাকে দিয়েছ।

শুধু আমায়?

না। আমাদের দিয়েছো। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেট কালো থাবায় স্বকীয় বাঙলা ভাষার নাভীশ্বাস

Posted: ফেব্রুয়ারি 20, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

কর্পোরেট কালো থাবায় স্বকীয় বাঙলা ভাষার নাভীশ্বাস এবং ভাষার আধুনিক টার্মোলজি :: রাষ্ট্রের উগ্র জাতীয়তাবাদ

লিখেছেন: মালবিকা টুডু

মনের ভাব প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভাষা; তবে ভৌগোলিক অবস্থান, কাল ভেদে তা পরিবর্তনশীল। হাজার বছর আগেও ভাষার উন্মেষ ঘটেছিল, আবার হাজার বছর পরেও ভাষা থাকবে; তবে মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে তার স্বরূপ পরিবর্তিত হয়, সেই সাথে পরিবর্তন আসে সাহিত্যসংস্কৃতি, জীবন আচারেও। ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, যেখানেই মানুষ আছে, সেখানেই ভাষা আছে; আদিম ভাষা বলে কিছু নেই, সব মনুষ্য ভাষাই সমান জটিল এবং মহাবিশ্বের যেকোন ধারণা প্রকাশে সমভাবে সক্ষম; যেকোন ভাষার শব্দভাণ্ডারকে নতুন ধারণা প্রকাশের সুবিধার্থে যৌক্তিক উপায়ে নতুন শব্দ গ্রহণ করিয়ে সমৃদ্ধ করা সম্ভব; সব ভাষাই সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয; মানুষের ভাষায় ভাষায় যে পার্থক্য, তার কোন জৈবিক কারণ নেই; যেকোন সুস্থ স্বাভাবিক মানব সন্তান পৃথিবীর যেকোন ভৌগলিক, সামাজিক, জাতিগত বা অর্থনৈতিক পরিবেশে যেকোন ভাষা শিখতে সক্ষম।

ভাষার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল তার সৃষ্টিশীলতা; ভাষাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে জাতি, এমনকি জাতিরাষ্ট্র; উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশ রাষ্ট্র’র কথাই বলা চলে। ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্র ভাষাকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন শুরু হয়, তা সর্বাত্মক আন্দোলনের রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে; পরবর্তীতে এরই ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালে জাতিরাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ। তবে এই আন্দোলনের বীজ বোনা হয় ১৯৪৭ সালে, যখন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড: জিয়াউদ্দীন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশ করেন। ড: মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানান “পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সমস্যা” প্রবন্ধে, সেখানে তিনি লেখেন– “কংগ্রেসের নির্দিষ্ট হিন্দীর অনুকরণে উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা রূপে গণ্য হইলে তাহা শুধু পাশ্চাদগমনই হইবে।…….. বাংলাদেশের কোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার পরিবর্তে উর্দু বা হিন্দী ভাষা গ্রহণ করা হইলে, ইহা রাজনৈতিক পরাধীনতারই নামান্তর হইবে।” দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়, কিন্তু পাকিস্তানের দুটি অংশ পূর্ব পাকিস্তান (পূর্ব বাংলা, বর্তমান বাংলাদেশ) ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও ভাষাগত দিক থেকে যে বিশাল পার্থক্য ছিল, সেই পার্থক্যকে শাসকশ্রেণী কখনোই লঘু করার চেষ্টাটুকুও করেনি তাদের শ্রেণী চরিত্রের কারণেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

শহীদ আসাদ

কোন কোন মৃত্যু ইতিহাস হয়ে যায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে জনস্রোতের উদ্বেল জোয়ার আনে। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদ, যিনি আসাদ নামেই সর্বাধিক পরিচিত, তাঁর মৃত্যু এমনি এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থানে। আসাদ এবং ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থান এক অখন্ড সত্বা।

এই বিপ্লবী ১৯৪২ সালের ১০ জানুয়ারী নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার ধুনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মাওলানা আবু তাহের। তিনি ছিলেন হাতিরদিয়া সাদত আলী হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা হেডমাষ্টার। আসাদের মাতার নাম মতি জাহান খাদিজা খাতুন। ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আসাদ ছিলেন চতুর্থ। ১৯৬০ সালে আসাদ শিবপুর হাই স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে সিলেটের এম.সি কলেজে (মুরারী চাঁদ কলেজ) ভর্তি হন। ১৯৬৩ সালে ওই কলেজ থেকে আই.এ পাশ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে অনার্সসহ বি.এ ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৬৬ সালে বি.(অনার্স) এবং ১৯৬৭ সালে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন।

ছোট বেলা থেকেই প্রতিবাদী আসাদ স্কুল ও কলেজ জীবনে পুরোপুরি রাজনৈতিক অঙ্গনে জড়িত না থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়েই রাজনীতিতে আসাদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পায়। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন এবং জননেতা আঃ হামিদ খান ভাসানীর অনুসারী হন। এরপর রুশচীন আন্তর্জাতিক মহাবিতর্কের প্রক্রিয়ায় আসাদ বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হন। ধারণা করা যায়, এ সময়েই তিনি ইপিসিপি (এমএল)-এ যোগদান করেন। অত্যন্ত মেধাবী এই ছাত্রনেতার অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ছাত্র সংগঠনে যুক্ত থাকা অবস্থায় অল্প দিনের মধ্যেই ঢাকা হলের সভাপতিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। (বিস্তারিত…)