Posts Tagged ‘স্বাধীনতা’


লিখেছেন : শাহেরীন আরাফাত

১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মণিপুরের মহারাজা বোধ চন্দ্র আর ইংরেজ সরকারের গভর্নর জেনারেল লুই মাউন্টব্যাটনের মধ্যে এক চুক্তির মধ্য দিয়ে মণিপুর রাজ্যকে ডোমিনিয়ান বা স্বায়ত্বশাসনের মর্যাদা দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট মণিপুর একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষিত হয়। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা ভারতপাকিস্তানের শাসক শ্রেণীর হাতে ক্ষমতা তুলে দিলেও কোনো কোনো ভূখণ্ড তখনো ভারতপাকিস্তানের সঙ্গে না গিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের একটি মণিপুর। ১৯৪৮ সালে গণভোটের মাধ্যমে মণিপুরের জনগণ রাজাকে সাংবিধানিক প্রধান নির্বাচিত করে, রাজার অধীনে একটি সরকার শপথ গ্রহণও করে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

আজাদি বনাম দেশপ্রেম

umar khalid-1দেশপ্রেমীদের হাতে পড়ে আজাদি শব্দটাকে লাঞ্ছিত হতে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। দিল্লির (জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) জেএনইউ থেকে কলকাতার যাদবপুর, সর্বত্র এই লাঞ্ছনা লক্ষ্যনীয়। সাধারণভাবে ইতিহাস বইয়ে স্বাধীনতাগণতন্ত্র শব্দ দুটোকে আমরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু এদেশের প্রধান শাসকদলের লম্ফঝম্ফ দেখে মনে হচ্ছে কেউ যদি স্বাধীনতা চায় তাহলে তার গণতন্ত্র হরণ করাটাই যেন আজ এদেশে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে! সম্প্রতি জেএনইউএর ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সভাপতি কানহাইয়া কুমারের গ্রেপ্তার; অপর তিন ছাত্র উমর খালিদ, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও অশ্বত্থীকে জঙ্গী বলে দেগে দিয়ে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র; একাধিক ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে সিডিশান আইনে মামলা দায়ের করা, অধ্যাপক এস আর গিলানিকে গ্রেপ্তার, এসব তো আছেই। এমনকি ন্যায়ালয়ে আইনের রক্ষকদের সামনে অভিযুক্তকে মারধর করা এবং এ হেন বেআইনী কাজ করার পরেও প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেরানো, এক চরম ত্রাসের রাজত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঘটনার ঘনঘটায় বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে চলে আসছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমএর লেখার প্রতিক্রিয়া

mujahidul-islam-selim-cpbআগষ্ট২০১৪ এর শুরু দিকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় “জনতার মৃত্যু নেই, তাই মৃত্যু নেই বঙ্গবন্ধুরও” এবং “দেশকালজনতা ও বঙ্গবন্ধু” দুটি লেখা প্রকাশিত হয়। লেখক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের প্রখ্যাত ছাত্রনেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। লেখা দুটি পড়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে। কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে প্রশ্নসমূহ উত্থাপন ও তার ব্যাখ্যা জানা জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রথমেই আমার জিজ্ঞাসা একজন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা কিভাবে ‘জাতির জনক’ অভিধার প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন? তাও আবার “বঙ্গবন্ধু” আর এই বঙ্গবন্ধু” উপাধি ঘোষণা করেছিলেন কারা? নিশ্চয়ই সেলিম ভাই তা জানেন। ছাত্রলীগের একটি সমাবেশ থেকে তারা তাদের নেতাকে যে কোন ভূষণে ভূষিত করতে পারে। কোন মাপকাঠিতে এই অভীধা সমগ্র জনগোষ্ঠীর অলঙ্কার হিসেবে সম্পৃক্ত হয়? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

scottland-freedomস্কটল্যান্ডের স্বাধীনতাকামী নেতা পদত্যাগের ঘোষনা দিয়েছেন। স্কটল্যান্ড সংক্রান্ত রেফারেন্ডমের ফলাফল প্রকাশের পর স্বাধীনতার পক্ষের স্কটল্যান্ড ন্যাশনাল পার্টির নেতা আলেক্স স্যামন্ড পরাজয় মেনে নিয়েছেন। তিনি স্কটল্যান্ডের সকল নাগরিকদের এই ফলাফল মেনে নিতে বলেছেন।

১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডে স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। স্কটল্যান্ডের মোট ৪২ লাখ ৮৫ হাজার ভোটারের প্রায় অনেকেই ভোট দেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে ফলাফল প্রকাশ হতে থাকে। মোট ৩২টি কাউন্সিলের মধ্যে ৩১টি কাউন্সিলের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় না ভোট পড়েছে ১৯ লাখ ১৪ হাজার আর হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯২০টি। শতাংশ হিসাব করে দেখা যায় মোট ভোটের ৫৫.৩ শতাংশ পড়েছে না ভোটের পক্ষে, আর ৪৪.৭ শতাং ভোট পড়েছে হ্যা এর পক্ষে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

21-august-2007-procession২০০৭ এর আগস্টে সেনাকর্পোরেট জরুরিক্ষমতার সরকারের কালে সংঘটিত ছাত্র বিক্ষোভের পর এইবার দিয়ে চতুর্থবারের মতো ২০২১২২ তারিখ উদযাপিত হচ্ছে। কিন্তু যে প্রশ্নকে সামনে রেখে আমরা কিছু শিক্ষকশিক্ষার্থী সেনাকর্পোরেট কর্তৃত্বের মহাজরুরি ক্ষমতার সেই সরকারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলাম; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতার সেই প্রশ্নটিকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনাসদস্য কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনাকে আমরা নিছক একটি নির্যাতনের ঘটনা হিসেবে দেখিনি। একে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতায় রাষ্ট্রীয় জরুরি ক্ষমতার অন্যায্য হস্তক্ষেপ বিবেচনা করেছি। সুমহান জনযুদ্ধের ৭১’এর প্রেরণায় স্বাধীন বাংলাদেশে যে জনমত ছিল;সেই জনমত বঙ্গবন্ধুর সরকারের কাছে থেকে আদায় করে নেয় ৭৩’এর অধ্যাদেশ; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের দলিল। সেই অধ্যাদেশের প্রেরণাটুকুকে উপজীব্য করে আমরা ক’জন মাত্র শিক্ষকশিক্ষার্থী (পরে আরও ক’জন যুক্ত হয়েছিল। সবমিলে মোটামোটি ৮০ জন ছিলাম) মৌন মিছিলে দাঁড়িয়েছিলাম। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

bhagat-singh-2সন্ত্রাসবাদ” খুবই খারাপ ব্যাপার, সন্ত্রাসবাদীরা খারাপ মানুষ, সন্ত্রাসবাদীরা বোমা ফাটিয়ে খুন করে বেড়ায় এই তথ্য হলিউডি, বলিউডি অ্যাকশন সিনেমা আর কম্পিউটার গেম এর কল্যাণে শিশুরাও এ কথা জেনে গেছে। সম্প্রতি বর্তমান শিক্ষাবর্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্লাস ৮ এর ইতিহাস বইয়ে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সশস্ত্র বিপ্লবীদের ইতিহাস সংক্রান্ত চ্যাপ্টার এর নাম “বিপ্লবী সন্ত্রাসবাদ” হওয়ায় চারিদিকে নিন্দার ঝ উঠেছে, গত ১১ অগাস্ট ক্ষুদিরাম বসুর শহীদ দিবসে বিক্ষোভ দেখিয়েছে কেন্দ্রে শাসক দল বিজেপি, প্রতিবাদ জানিয়েছে ডানবাম নির্বিশেষে রাজনৈতিক দল, সাধারণ মানুষ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

revolutionary-force-2বড় অসময়ে আমার আগমণ এখানে

শোষণের বেড়াজালে বন্দী জীবনে

বিষিয়ে উঠা মন হঠাৎ হয়ে উঠে বিদ্রোহী

 

তবু এটাই বাস্তবতা

ঔপনিবেশিক গণতন্ত্র আর তার ধ্বজাধারী

সাম্রাজ্যবাদী কর্পোরেট আর শোষক শ্রেণী (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরগী

art works-14-সময়ের গতির মুখে মানুষের পরিবর্তন ঘটে শারীরিক না হলেও চিন্তায়, অভ্যাসে, ব্যবহারিক রীতিতে। গতকালের মানুষটি তাই হুবহু আজকের মানুষ আর নয়। তাঁর পরিবর্তন ঘটেছে, ভাঙচূর হয়েছে, হয়ে চলেছে। এই পরিবর্তন সামাজিক তথা রাজনৈতিক, দৈশিক এবং আন্তর্দেশীয়। দর্শনের নতুন ভাবনা, বিজ্ঞানের নতুন আবিষ্কার, পুঁজির নানা স্তরিক বিকাশবিস্তৃতি মনুষ্য জীবনে যে পরিবর্তন এনেছে তা প্রতিদিনই বদলে দিচ্ছে সমাজের অবস্থা ও অবস্থান। তবে তার অর্থ এই নয় যে এই বদলানোর মধ্য দিয়ে মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা করায়ত্ব করতে পেরেছে বা শোষণমুক্ত সমাজে প্রবেশ করে মূক্ত চিন্তায় নিজেকে বদলে নিতে পারছে। সত্য এই যে শোষণকৌশল বদল হচ্ছে, নতুন কৌশল আরোপিত হচ্ছে। (বিস্তারিত…)


. মন্ত্রগ্রস্তের পুনর্জন্ম

art-42আমি মন্ত্রগ্রস্ত সাঁইত্রিশ অব্দি হেঁটেছি আর আমার সাথে নমিতার ছায়া হেঁটেছে।

 

মন্ত্র আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলতো মিছিলে নিয়ে যেতো দামোদর দেখাতো

মন্ত্র আমাকে নিয়ে খেলতে খেলতে রক্তনৃত্য খেলাতো

এবং তেত্রিশ ঘুরানি খাইয়ে ছেড়ে দিতো প্রত্যক্ষ নমিতার সামনে!

আমি নমিতাকে চিনতে পারতাম না (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ভর্তি হলাম তখন মা টেনশান করতো। শিবিরের আখড়াগোলাগুলিতে না মেয়ে মরে টরে যায়!! আমারও একটু কেমন কেমন করতো। ইশবাবামা কেনো পাঁচ বছর আগে বিয়ে করলেন না! তাহলে কত ভালো হতোবিপদে পড়লে লীগের ভাইরা আমাদের দেখতো!

মাসকয়েক পর চাকসু ক্যাফেটেরিয়ায় এক বড় আপু বললেন, ‘তোমরা অনেক ভাগ্যবান! লীগের পিরিয়ড তোমরা দেখোনি!’

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে কেন কি হয়েছিল সে সময়? জবাবে যা শোনালেন তাতে আমি থ! এ কি করে সম্ভব? শুধু একটা উদাহরণই যথেষ্ট সে সময়কার পরিস্থিতি বোঝার জন্য। (বিস্তারিত…)