Posts Tagged ‘সেনাবাহিনী’


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

21-august-2007-procession২০০৭ এর আগস্টে সেনাকর্পোরেট জরুরিক্ষমতার সরকারের কালে সংঘটিত ছাত্র বিক্ষোভের পর এইবার দিয়ে চতুর্থবারের মতো ২০২১২২ তারিখ উদযাপিত হচ্ছে। কিন্তু যে প্রশ্নকে সামনে রেখে আমরা কিছু শিক্ষকশিক্ষার্থী সেনাকর্পোরেট কর্তৃত্বের মহাজরুরি ক্ষমতার সেই সরকারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলাম; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতার সেই প্রশ্নটিকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনাসদস্য কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনাকে আমরা নিছক একটি নির্যাতনের ঘটনা হিসেবে দেখিনি। একে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতায় রাষ্ট্রীয় জরুরি ক্ষমতার অন্যায্য হস্তক্ষেপ বিবেচনা করেছি। সুমহান জনযুদ্ধের ৭১’এর প্রেরণায় স্বাধীন বাংলাদেশে যে জনমত ছিল;সেই জনমত বঙ্গবন্ধুর সরকারের কাছে থেকে আদায় করে নেয় ৭৩’এর অধ্যাদেশ; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের দলিল। সেই অধ্যাদেশের প্রেরণাটুকুকে উপজীব্য করে আমরা ক’জন মাত্র শিক্ষকশিক্ষার্থী (পরে আরও ক’জন যুক্ত হয়েছিল। সবমিলে মোটামোটি ৮০ জন ছিলাম) মৌন মিছিলে দাঁড়িয়েছিলাম। (বিস্তারিত…)

Advertisements

অনুবাদ: জোবাইদা ও আহসান

বল প্রয়োগ ও বিশ্ববিদ্যালয়

ডেভিড গ্রেবার

ডেভিড গ্রেবার

কাউকে লাঠি পেটার হুমকি চরম বুদ্ধিবৃত্তিবিরোধী আচরণ। এ ব্যাপারে কোনো দ্বিধা রাখবেন না। আর গত কয়েক মাসে একটা ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, যখনই বর্তমান সরকারের উচ্চশিক্ষা বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে তখন তাদের প্রথম ও একমাত্র ঝোঁক হলো বলপ্রয়োগ। পুলিশি অনুপ্রবেশ, নজরদারি, নির্বাচিত ছাত্রনেতৃত্বের ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা, ফুটপাতে শ্লোগান লিখে মতপ্রকাশের মতো সাধারণ কাজের দায়ে ছাত্র গ্রেফতারের মতো ঘটনা একটি স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দেয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

CHT-8-মনে করুন আপনি কোথাও বাসে চলেছেন। কানে হেডফোন গুঁজে প্রিয় একটা গান চালাতেই আপনার পাশে বসা সহযাত্রী হর হর করে বমি করে দিলো আপনার কোলের উপর। আপনার গান শোনা আর জানলা দিয়ে প্রকৃতি দেখা বমির টক গন্ধে, বিবমিষায় ভরে গেলো। এরপর সেই পার্শ্ববর্তী যাত্রী আপনার সামনে, আপনার পাশে বারবার বমি করলো। আপনার গোটা যাত্রাপথটাই সে নোংরা করে দিলো। কানে গুঁজে দেওয়া মিষ্টি মিষ্টি প্রেমের গানগুলো সে বমির গন্ধে টক বানিয়ে দিলো। কেমন লাগবে? (বিস্তারিত…)


অনুবাদ: মেহেদী হাসান

patricio-guzman-1প্যাট্রেসিয়া গাজমেন ১৯৪১ সালের ১১ আগষ্ট চিলির সান্তিয়াগোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একই সাথে তথ্যচিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, চিত্রগ্রাহক এবং একজন অভিনেতা। তিনি মাদ্রিদের সরকারী চলচ্চিত্র বিজ্ঞান স্কুলে তথ্যচিত্রের উপর অধ্যয়ন করেন। তার নির্মিত তথ্যচিত্রগুলো আন্তর্জাতিক ফেস্টিভ্যালে নিয়মিতভাবে নির্বাচিত ও পুরস্কৃত হয়ে আসছে। আলেন্দে সরকারের পতনের উপর ভিত্তি করে ১৯৭৩ সালে তিনি নির্মাণ করেন পাঁচ ঘন্টা দীর্ঘ “ব্যাটল অফ চিলি”। সিনেস্টে ম্যাগাজিন এই তথ্যচিত্রটিকে “বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দশটি রাজনৈতিক চলচ্চিত্রের একটি” হিসেবে মনোনীত করে। সামরিক অভ্যুত্থানের পর গাজমেনকে নির্বাসনে পাঠানোর হুমকি প্রদান করা হয় এবং তিনি গ্রেফতার হয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামের অভ্যন্তরে দুই সপ্তাহ কাটান, সেসময় কাউকে তার অবস্থান সম্বন্ধে জানাতে পারেন নি। তিনি দেশ ত্যাগ করেন ১৯৭৩ সালের নভেম্বর মাসে। কিউবা, স্পেনে থাকার পর শেষে চলে যান ফ্রান্সে, যেখানে তিনি নির্মান করেন “ইন দ্যা নেম অফ গড” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল অফ পপলি, ১৯৮৭), “দ্যা সাউদার্ন ক্রস” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল ভু সুর লেস ডকস, মারসিলি, ১৯৯২) “চিলি, অবস্টিনেট মেমরি” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল অফ তেল আবিব, ১৯৯৯), “দ্যা পিনোশে কেস” (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিটিকস উইক, ক্যানাস, ২০০২), এবং “সালভাদর আলেন্দে” (অফিসিয়াল সিলেকশন, ক্যানাস, ২০০৪)। ২০০৫ সালে তিনি নির্মাণ করেন “মাই জুলভার্ন”। ইউরোপ এবং ল্যাটিন আমেরিকাতে তিনি তথ্যচিত্রের উপর অধ্যাপনা করেন। তিনি “ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারী ফেস্টিভ্যাল অফ সান্তিয়াগো” প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। তিনি এখন ফ্রান্সে বসবাস করছেন।

চিলির নির্মাতা প্যাট্রেসিয়া গাজমেনের সাথে তার সাম্প্রতিক তথ্যচিত্র, নস্টালজিয়া ফর দ্যা লাইট, সমন্ধে কথা বলেছেন রব হোয়াইট। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্বপন মাঝি

world-to-winছাত্রছাত্রীরা চলে যাবার পর ছাপড়ার ঘরটার মধ্যে সে একা হয়ে যায়। ভাঙ্গা বেড়া, ভাঙ্গা জানালা। এ ঘরের মালিক একজন কোটিপতি। কোটিপতিদের কেউ এখানে থাকেন না। লজিং মাস্টারদের জন্য নির্মিত এ ঘরটা তার কাছে বেশ লাগে। জানালার কাছে বসলে পশ্চিমের আকাশ দেখা যায়। বুড়িগঙ্গার ওপর দিয়ে যখন বড় কোন জাহাজ যায়, তার মাস্তুল পর্যন্ত দেখা যায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

CHT-7পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের রুইলুই এলাকায়। গত ০৬ নভেম্বর এ কথা ঘোষণা দিয়ে এসেছেন দেশের সামরিক বাহিনীর চট্টগ্রাম ডিভিশনের প্রধান মেজর জেনারেল সাব্বির আহম্মেদ। (সূত্র: সিএইচটি২৪.কম)

না, তিনি পর্যটনমন্ত্রী নন এবং সম্ভবত পর্যটন সমৃদ্ধি বা উন্নয়নের দায়িত্বও তিনি পাননি। দেশে সেনাশাসন বা সামরিক শাসনও চলছে না। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেটোক্রেসি, সাম্রাজ্যবাদের নয়া চেহারা ও বাংলাদেশ (শেষ পর্ব)

Posted: অগাষ্ট 18, 2013 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

প্রথম পর্বের পর

Corporatocracy-2কর্পোরেটোক্রেসির প্রতিটি কাজের পেছনে রয়েছে গোপনীয়তা। তাদের কর্মকাণ্ড সাধারণের আয়ত্তের বাইরে। ভিতরে কি হচ্ছে তা বাইরে থেকে বুঝার কোনো উপায় থাকে না। কারণ দুনিয়ার অধিকাংশ মিডিয়া কর্পোরেটোক্রেসির অংশ। ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এনবিসি) মালিক হচ্ছে জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি। আমেরিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) মালিক হচ্ছে ডিজনি। ভায়াকম হচ্ছে কলম্বিয়া ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের (সিবিএস) মালিক। ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্ক (সিএনএন) হচ্ছে আমেরিকা অন লাইন টাইম ওয়ার্নার গ্রপের অংশ। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেটোক্রেসি, সাম্রাজ্যবাদের নয়া চেহারা ও বাংলাদেশ (পর্ব – ১)

Posted: অগাষ্ট 14, 2013 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

Corporatocracy-2গোটা দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ ও শোষণের আওতাভুক্ত করতে উন্নত দেশসমূহের বহুজাতিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্বব্যাংক, বহুজাতিক দাতাসংস্থা, আইএমএফ ও উন্নত দেশগুলির সরকারসমূহ অলিখিতভাবে যে লুটেরা বাণিজ্যিক সংস্কৃতির চর্চ্চা করে থাকেন তাকে বলা হয় কর্পোরেটোক্রেসি। নিজেরা বুঝার জন্য আমরা যার অর্থ করতে পারি ‘সম্মিলিত শোষণাগার’। যা সাম্রাজ্যবাদেরই আরেকটি ধাপ, নয়া চেহারা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রশান্ত মাহমুদ

savar-disaster-12আবারো লাশের মিছিল। গত ২৪ নভেম্বর তাজরীন গার্মেন্টসে শত শত শ্রমিক পুড়ে অঙ্গার হওয়ার ঠিক ৫ মাসের মাথায় গত ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের ইতিহাসে ভয়াবহতম ঘটনায় ভবন ধ্বসে পড়ে জীবন্ত কবর হলেন সাভারের রানা প্লাজার পাঁচটি গার্মেন্টেসের হাজারো শ্রমিক। এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা লাশের সংখ্যা ৩৯৮। অবিরাম, অবিশ্রান্ত উঠে আসছে লাশ। জানিনা, এই লেখা শেষ করতে করতে এই লাশের সংখ্যা কততে গিয়ে ঠেকবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

shahbagh-5-শাহবাগের গণজাগরণের বয়স আজ ১৬ দিন। বাংলাদেশে অতীতে এতদিন ধরে আর কোনো গণজমায়েত বা গণআন্দোলন এভাবে এক জায়গায় সন্নিবেশিত থাকেনি। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের গণজোয়ারের পর মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল বহুমাত্রিক। বহুকেন্দ্রে বিভক্ত এবং বহু অঞ্চলব্যাপী। এবারকার এই শাহবাগের গণজাগরণের মত এক সঙ্গে এত মানুষ টানা এতদিন ধরে আর কোনো আন্দোলনে একাট্টা থাকেনি। সে দিক দিয়ে তো বটেই আরও একটি কারণে এই আন্দোলন অভূতপূর্ব। স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বাধীকারের লড়াই এবং স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রাম ছিল প্রায় সমগ্র জনগণের। এবং সেই আন্দোলনগুলি কোনো না কোনো ভাবে ছিল বিদেশি শাসক বা দেশি শাসকদের বিরুদ্ধে মুক্তির লড়াই, কিন্তু এই আন্দোলনটি একেবারেই ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদ্ভব। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে না, অথচ চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্রেরই বিরুদ্ধে। সরকারের বিরুদ্ধে না, অথচ শেষ পর্যন্ত সরকারের আপোষকামীতার বিরুদ্ধে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে না, অথচ সেই ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত স্টাবলিশমেন্টেরই বিরুদ্ধে এই গণজাগরণ। কিন্তু শাসক দলের ‘নেক নজর’ সম্বল করে চেতনেঅবচেতনে তাদের এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের ‘গুরু দায়িত্ব’ নিয়ে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব একে ‘স্টপ ওয়াচ’ আন্দোলনে রূপ দিয়েছে। (বিস্তারিত…)