Posts Tagged ‘সেজ’


কৃষি জমিতে আগ্রাসন রুখে দাও, চা শ্রমিকদের বাঁচতে দাও

বন্ধুগণ,

“‌কৃষি জমিতে আগ্রাসন রুখে দাও, চা শ্রমিকদের বাঁচতে দাওএই শ্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের চান্দপুরের চা শ্রমিকদের কৃষি জমি স্পেশাল ইকোনমিক জোনের নামে কেড়ে নেবার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে আমরা মঙ্গলধ্বনি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনএই চারটি সংগঠনের ঝিনাইদহ শাখার আয়োজনে ঝিনাইদহের পায়রা চত্বরে আজ শনিবার, ০৯ জানুয়ারি ২০১৬ সকাল ১১.৩০টায় একটি মানব বন্ধন ও সংহতি সমাবেশের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীএর যুগ্ম আহ্বায়ক প্রসেনজিত বিশ্বাস বক্তব্য প্রদানকালে পুলিশের বিশেষ শাখা (স্পেশাল ব্র্যাঞ্চ)-এর কর্মকর্তারা এসে মাইক বন্ধ করে দেন আমাদের লিফলেটে সরকারবিরোধী বক্তব্য থাকা এবং সমাবেশে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রদানের অজুহাতে। এরপর তারা আর মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হতে দেন নি। স্বাধীন বাংলাদেশে সভাসমাবেশের উপর পুলিশী নিষেধাজ্ঞা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর অগণতান্ত্রিক হস্তক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়, এ ধরনের ঘটনা এই দেশকে ক্রমাগত একটি পুলিশী রাষ্ট্রে পরিণত করছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

Maithon_dam_india-1[*এটাকে ঠিক লেখা হিসাবে না ধরে একটা লেখার আংশিক খসড়া পাঠ হিসাবে বিবেচনা করলে ভাল করবেন, প্রিয় পাঠক নেসার আহমেদ]

নদীকেন্দ্রিক ভারতের তৎপরতা

ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে পানি এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। বাংলাদেশে ক্ষমতা চর্চাকারী সরকারিবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এ বিষয়ে নির্বিকার। কিন্তু ভারতের অবস্থান একদম বিপরীত। ওই রাষ্ট্রের কোনো কোনো প্রদেশে নির্বাচনের ইস্যু হিসাবে ‘জল ঘোলার’ রাজনীতি এখন প্রকট। বিশেষত প্রতি গ্রীষ্মেই দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ২৮ কোটি মানুষ তীব্র খরার কবলে আক্রান্ত হন। তাদের কাছে তখন খাদ্যবস্ত্রের চেয়ে তৃষ্ণা নিবারণের প্রশ্নটা প্রধান হয়ে ওঠে। যাকে ভিত্তি করে ১৯৯০ সালের পর থেকে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের ভোটের রাজনীতিতে পানি ইস্যুটি ভোটব্যাংক হিসাবে কাজ করে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

এক.

prothom-alo-logo-2-বিশ্বব্যাংকের সংবাদ সম্মেলনের বরাতে প্রথম আলো লিড নিউজ করেছে “দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দ্রুত কমছেখবরের শিরোনামেই তার মূলভাব নিহিত থাকে, যেমনটা নিহিত রয়েছে এই খবরেও। দেশের ব্যাপক নিপীড়িত শ্রমজীবী জনগণ (শ্রমিককৃষক) আধপেটা খেয়ে না খেয়ে কোনো ক্রমে বেঁচে আছে, শ্রেণী বৈষম্য যেখানে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেখানে আমার বোন সোনাবরুরা না খেতে পেয়ে নিজেকে মেরে ফেলতে উদ্ধত হয়, গ্রামীন ব্যাংকের করাল গ্রাসে যেখানে দেনাগ্রস্থ কৃষক আত্মহনন করতে বাধ্য হয়, যা মূলত সামাজিক হত্যাকাণ্ডের বাইরে কিছু নয়, সেখানে যদি বলা হয় – “দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দ্রুত কমছে”, তাহলে বুঝতে হবে এতে নিশ্চয় কোনো দুরভিসন্ধি আছে। (বিস্তারিত…)