Posts Tagged ‘সেক্যুলারিজম’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

comando-operation-1গুলশানের হলি আর্টিজান ক্যাফেতে সন্ত্রাসী হামলার বিষয়টি আরো বেশ কিছুদিন বড় ইস্যু হিসেবেই সামনে থাকবে বলে মনে হচ্ছে। অন্তত এই মাপের বড় কোনো ইস্যু সামনে না আসা পর্যন্ত তা টিকে থাকবে। সেই সঙ্গে এটি এখানকার ভূরাজনীতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলকও বটে। সবাই যার যার হিসেব কষছে। ওই সন্ত্রাসী হামলার পর কেউ বিদেশি শক্তির দ্বারস্থ হতে উপদেশ দিচ্ছেন, কেউ আবার নিরাপদ দূরত্বে থেকে দেখে যাচ্ছেন। সরকার এতে ‘দেশীয় জঙ্গি’ খুঁজে পাচ্ছে, ক্ষমতাসীনদের কেউ কেউ জামায়াতবিএনপি, বা আইএসআই খুঁজে যাচ্ছে। আর অতিউৎসাহীরা সবকিছুতেই লাফাচ্ছেন! (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

আজাদি বনাম দেশপ্রেম

umar khalid-1দেশপ্রেমীদের হাতে পড়ে আজাদি শব্দটাকে লাঞ্ছিত হতে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। দিল্লির (জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) জেএনইউ থেকে কলকাতার যাদবপুর, সর্বত্র এই লাঞ্ছনা লক্ষ্যনীয়। সাধারণভাবে ইতিহাস বইয়ে স্বাধীনতাগণতন্ত্র শব্দ দুটোকে আমরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু এদেশের প্রধান শাসকদলের লম্ফঝম্ফ দেখে মনে হচ্ছে কেউ যদি স্বাধীনতা চায় তাহলে তার গণতন্ত্র হরণ করাটাই যেন আজ এদেশে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে! সম্প্রতি জেএনইউএর ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সভাপতি কানহাইয়া কুমারের গ্রেপ্তার; অপর তিন ছাত্র উমর খালিদ, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও অশ্বত্থীকে জঙ্গী বলে দেগে দিয়ে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র; একাধিক ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে সিডিশান আইনে মামলা দায়ের করা, অধ্যাপক এস আর গিলানিকে গ্রেপ্তার, এসব তো আছেই। এমনকি ন্যায়ালয়ে আইনের রক্ষকদের সামনে অভিযুক্তকে মারধর করা এবং এ হেন বেআইনী কাজ করার পরেও প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেরানো, এক চরম ত্রাসের রাজত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঘটনার ঘনঘটায় বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে চলে আসছে। (বিস্তারিত…)

এরশাদের স্বৈরতান্ত্রিক সুসমাচার এবং বর্তমান ‘গণতান্ত্রিক’ রাজনৈতিক দলের অবস্থা

Posted: জুন 30, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

গণতান্ত্রিক সামরিক স্বৈরতন্ত্র...বাংলাদেশের মহান ‘গণতন্ত্রী’,বহু চমকপ্রদ কর্মের অপনায়ক, পীরবাদের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের রূপকার, রাষ্ট্রধর্ম নামক অভিনব ধারণার প্রবর্তক সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ গত ২৬ জুন জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তাকে আর ‘স্বৈরাচারী’ না বলার জন্য সবাইকে ‘অনুরোধ’ জানিয়েছেন। তার এই অনুরোধের বিশেষত্ব এই যে, সরকারি ক্ষমতার রক্ষণব্যূহের অভ্যন্তরে বসেই তিনি তার এই ‘সবিনয়’ বক্তব্য পেশ করেছেন। ১৯৯০ সালের পর দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় এই জাতীয় ‘অনুরোধ’ করার মতো অবস্থা তার ছিল না। কারাবন্দী অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে দর কষাকষি, মাথার ওপর ঝুলে থাকা মামলার খড়গ অপসারণ, রাষ্ট্রপতি কিংবা ক্ষমতাসীন দলের শরিক হওয়ার জন্য উপর্যুপরি আলোচনা চালানোপর্যায়ক্রমিক ধাপগুলো পেরিয়ে আসবার পর নিজের এতো সাফল্যে মোহিত হয়েই এখন তার মনে হচ্ছে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শরীরে লেগে থাকা কলঙ্কের শেষ পঙ্কিল ছাপটুকু মুছে ফেলা দরকার। এই কারণেই সংসদে বাজেট আলোচনার ওপর বক্তব্য প্রদান করতে গিয়ে তার এই স্বৈরাচারী প্রসঙ্গের অবতারণা। এই বক্তব্য প্রদানের সময় তিনি আরো বলেছেন, তাকে স্বৈরাচারী বলা হলে তিনি নাকি ‘মনে ব্যথা’ অনুভব করেন! সরকার দলীয় অন্যান্য সংসদ সদস্যও তার এই বক্তব্যকে এই সময় সমর্থন জানান (সূত্র: bdnews24.com)

এরশাদের এই কথার সূত্র ধরে বলতে হয়, এখন যদি রাজাকারকুল শিরোমণি গোলাম আজম কারাগারের প্রকোষ্ঠে বসে বলেন যে তাকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলে আখ্যায়িত করলে তার বুকের বাম দিকে বিদ্যুৎ চলকের মতো কিঞ্চিৎ বেদনার উদ্ভব হয় এবং এ কারণে তাকে আর যুদ্ধাপরাধী না বলাই উচিত, তখন কী করা যাবে? সরকারি দলের লোকজন কি তার এই কথা মেনে নেবেন? নাকি গোলাম আজম এবং তার দল এখন ক্ষমতায় নেই বলে তাদের বক্তব্য এক্ষেত্রে উপেক্ষিত হবে এবং মহান ‘গণতন্ত্রী’ এরশাদ বর্তমান সরকারের শরিক হওয়ার কারণে তিনি সংসদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘেরাটোপে দাঁড়িয়ে এ জাতীয় বক্তব্য দিতে পারেন এবং সংসদে উপস্থিত সরকারের সংসদ সদস্যরা এ কথা মেনে নেন? (বিস্তারিত…)