Posts Tagged ‘সুবিধাবাদ’


লিখেছেন: অরবিন্দ অনন্য

art-22রাশিয়ান ভদকার ঘোর কেটেছে!

চাইনিজ রাইফেলের দূরত্ব কমেছে!

তবুও

অমানবের মতো মানববন্ধন,

মনের বাইরে মৌন মিছিল, ভারসাম্য নামের পাঠচক্র

দু’ একটা বক্তৃতা, আধাখানি সেমিনার,

আজ বিপ্লবীর হুঙ্কার ! (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

communist-signবাংলাদেশের বামপন্থী, এমনকি কমিউনিস্ট নামে পরিচিত অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের অবস্থানগত দেউলিয়াত্ব এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তা নিয়ে কথাবার্তা বলাটাও খুব যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার। এই অবস্থানগত দেউলিয়াত্ব তাদের তাত্ত্বিক দেউলিয়াপনা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে। বর্তমানে এই চরম দেউলিয়াত্বপ্রাপ্ত রাজনীতির পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনের দায়িত্ব নিয়েছে সিপিবিবাসদ ঐক্যজোট। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

shahbagh-1গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে অনেক কথা, অনেক বিশ্লেষণ করেছি সাথে এও বলেছিলাম মঞ্চের আন্দোলনের সারসংকলন টানার সময় এখনো আসেনি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই সময় চলে আসছে এবং সারসংকলন টানার সময়টি আরও বেশী ঘনীভূত রূপ পাচ্ছে এবং আরো পাবে; বিশেষ করে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক পরিবেশে। না মঞ্চের বিষয়ে আগাম কিছু বা পুরনো বিশ্লেষণ তুলে ধরে কিছু বলব না। কিন্তু আজ গণজাগরণ মঞ্চ, প্রজন্ম ও সুশীল সমাজের কাছে একটি প্রশ্নই করব এবং এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। (বিস্তারিত…)

তাহের হত্যা, ৭ নভেম্বর :: অসমাপ্ত বিপ্লব

Posted: নভেম্বর 6, 2012 in দেশ, মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

কর্নেল আবু তাহের

কর্নেল আবু তাহের

৭ নভেম্বর, বাংলার ইতিহাসের এক অনন্য দিন। কারো মতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়ের সূচনা, আবার কারো মতে তা বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বিএনপি’র পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়, এই দিনে সিপাহিজনতার উত্থানের মধ্য দিয়ে একটি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল, ফলে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে আসে এবং সার্বভৌমত্বস্বাধীনতা রক্ষা পায়। ৭ নভেম্বর বিএনপি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করলেও এই বিপ্লব সংঘটনের অপরাধেই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম ও তাঁর রাজনৈতিক দল জাসদের নেতৃবৃন্দকে এক প্রহসনের বিচারের মুখোমুখি করা হয়, কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়।

কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, ঐ দিনের ঘটনাক্রম ছিল পাকিস্তান আমল বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া বুর্জোয়া রাজনৈতিক টানাপোড়েন থেকে একদমই ভিন্ন। সেদিন সমাজতন্ত্রের আদর্শে উদ্বুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত সেনা সদস্যরা একটি ভিন্ন লক্ষ্যে এগিয়ে আসে। আর সেক্ষেত্রে রাশিয়ায় কমরেড ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক বিপ্লবের দিনটিকেই (৭ নভেম্বর) বেছে নেয়া হয় বাংলাদেশে বিপ্লবের জন্য। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের পর সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ, চাটুকার ঘেরা তৎকালীন সরকার, রাষ্ট্রদ্রোহীতার দায়ে জাসদের (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) নিষিদ্ধকরণ ও দমন নিপীড়ণের স্বার্থে দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীসমর্থকদের হত্যা এবং মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে কতগুলো অভ্যুত্থান আর রক্তপাতের বিরুদ্ধে ছিল তাদের তীব্র ঘৃণা; আর এরই ফলশ্রুতিতে জাতীয় জীবনে পরিপূর্ণ মুক্তির লক্ষ্যে তাদের এই প্রচেষ্টা। এখানে বলে রাখা ভালো যে, এখনকার শোষকের ভাগীদার জাসদ আর তৎকালীন জাসদকে এক করাটা পুরোদস্তুর বোকামী হবে। তবে কর্নেল তাহেরের কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা করার ক্ষেত্রে দলটির মূল্যায়ণ অতীব জরুরী, যা আমরা আলোচনার পরের অংশে করব। (বিস্তারিত…)

নেপাল :: বিপ্লবের বীজ ধ্বংসে এনজিও’র ভূমিকা

Posted: অগাষ্ট 21, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

নেপাল বিপ্লবের দুর্বলতা :: এনজিও সৃষ্ট ফল

লিখেছেন: সাবা নাভালান

অনুবাদ: বন্ধুবাংলা

সাম্রাজ্যবাদের শান্তির ডাক...আজকাল বৈশ্বিক পরিপেক্ষিতে যা সহজে দৃশ্যমান তা হলোদেশে দেশে নিবদ্ধ থাকা বহুজাতিক কোম্পানির লোভী দৃষ্টি; সেই সব দেশের মধ্যে অন্যতম, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, তেমনি এক দেশনেপাল। ভারতের পশ্চাতে অবস্থিত নেপাল যুগ যুগ ধরে ভারতের দাসরাজ্য রূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। নেপালের গরীব কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণী এখানে বিশ্বের ‘নয়া দাস’ রূপে চিন্হিত। অধিকাংশ গ্রামে রাষ্ট্রের কোন কর্তৃত্ব ও প্রশাসনের উপস্থিতি নেই। এসব গ্রাম্য মানুষেরা কখনোই সরকারী চিকিৎসা পরিষেবা পায় না। বিগত শতাব্দীর সামন্ততান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভয়াবহ দাসত্বের ফাঁদ বর্তমানের মোড়কে এখনো ভয়ঙ্কর রূপে বর্তমান।

দীর্ঘকাল যাবৎ ভারতের উপনিবেশিকতার মাঝে থাকার ফলে নেপালে দাসত্ব ও পরাধীনতার পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। মাওবাদী আন্দোলনের আগে বিকল্প রাজনীতি তথা ভারতের সম্প্রসারনবাদী উপনিবেশিক নীতি ও সামন্ততান্ত্রিক দাস পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিপ্লবী পথের প্রস্তাবনা কেহই প্রবর্তন করতে পারেনি। এই পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ইউনিফাইড কম্যুনিস্ট পার্টি, যা মাওবাদী চিন্তা ও চেতনা দ্বারা চালিত, জনগণকে বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করেছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

 

“ইহারা কাহারা?” - “ইহারা অতিশয় বদমাইশ লোক!”গত ১৪ ই আগস্ট বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ভাইয়ের “বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড : প্রতিরোধের প্রথম দিনগুলো” শিরোনামের লেখাটি একটি জাতীয় দৈনিকে পেলাম। ঐ নিবন্ধের কিছু চুম্বক অংশ আছে যা সত্যি আমাদের সেই সময়ের কোন আলতুফালতু ধারণা নয়, মানসপটে যেন সত্যিকার জীবন্ত ছবি হয়ে ধরা দেয়।

সূত্রএখানে ক্লিক করুন

কমরেড সেলিম ভাইয়ের ভাষ্য মতে, সেপ্টেম্বর মাসের শেষে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে একটি ছোট লিফলেট ছাপাইকমিউনিস্ট পার্টির নেতা মনজুরুল আহসান খানের চামেলীবাগের বাসা থেকে কয়েকটি টিম লিফলেট বিলির এই কাজ চালায়”
নিবন্ধে সেলিম ভাই আরও যা বলেছেনআমাদের পরিকল্পনা অনুসারে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস শুরু হওয়ার প্রথমদিনে ‘মুজিব হত্যার বিচার চাই’, ‘এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ মুজিব জন্ম নেবে’, – এই ধরনের শ্লোগান দিতে দিতে ক্যাম্পাসের কলাভবনের করিডোরে ‘জঙ্গি ঝটিকা মিছিল’ করি। এই মিছিলের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি হয়। কর্মীরা সাহস পায়। কিন্তু জাসদপন্থি ছাত্ররা মরিয়া হয়ে ভয়ভীতিহুমকি দেয়া শুরু করে। হলে হলে হামলা শুরু হয়। ‘মুজিবের দালালরা হুঁশিয়ার’ শ্লোগান দিয়ে ও আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা ক্যাম্পাসে পাল্টা মিছিল করে”(বিস্তারিত…)

সিপিবি-বাসদের দাবিনামা এবং শেয়ালের কাছে মুরগী গচ্ছিত রাখার উপাখ্যান!

Posted: অগাষ্ট 9, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

সর্বহারার প্রতীক...সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিপিবি (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) ও বাসদ (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল) ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলদুটির নীতিনির্ধারণী নেতারা, সেখানে তারা ১৫ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। এই ১৫ দফায় মূলতঃ তারা কী বলতে চেয়েছেন, আর বর্তমান সমাজ বাস্তবতায় তা কতোটুকু প্রাসঙ্গিক, এ বিষয়ে মঙ্গলধ্বনি’র মূল্যায়ণ নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ

(সকলের বুঝার সুবিধার্থে ক্রমান্বয়ে সিপিবিবাসদ এর ১৫ দফা ও আমাদের মূল্যায়ণ তুলে ধরা হলো) (বিস্তারিত…)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি

২৮ জুলাই, ২০১২

২৮ জুলাই শনিবার বিকাল ৩.৩০ মিনিটে ছবির হাট চারুকলা ইনষ্টিটিউটের বিপরীতে ‘গণমুক্তির গানের দল’এর উদ্যোগে উদযাপিত হয়েছে মহান শিক্ষক কমরেড চারু মজুমদার’র ৪১তম শহীদ দিবস। এ উপলক্ষ্যে “জনগণের বলিষ্ঠ প্রতিরোধ শক্রর মনোবল চূর্ণবিচূর্ণ করে দিতে পারবে”, এই শ্লোগানের আলোকে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও গণসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এ্যাডভোকেট যাহেদ করিম।

কমরেড চারু মজুমদার ভারতবর্ষ তথা দক্ষিণ এশিয়ায় আদর্শের উত্তরাধিকার হিসেবে মাওবাদকে সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মস্থ করেন, রক্ষা করেন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমিকশ্রেণীর বৈজ্ঞানিক মতবাদ মার্কসবাদলেনিনবাদের সর্বোচ্চ বিকশিত রূপ হিসাবে মাওবাদকে প্রয়োগ করে আধাউপনিবেশিকআধাসামন্ততান্ত্রিক ভারতবর্ষের কমিউনিস্ট পার্টির মানদণ্ড, রূপপ্রকৃতি, কর্মসূচী নির্ধারণের দৃষ্টিভঙ্গী ও বিচারবোধের গুণগত পরিবর্তন সাধন করেন এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সংশোধনবাদী নয়া সংশোধনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি ও আন্দোলনের বিপরীতে নতুন মতাদর্শের উপযুক্ত নতুন ধরনের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি ও আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন।

সভায় বক্তরা বলেন, আমাদের দেশ একটি নয়াউপনিবেশিক দেশ। আমাদের সমাজের চরিত্র আধাউপনিবেশিক আধাসামন্ততান্ত্রিক এবং বিপ্লবের স্তর নয়াগণতান্ত্রিক। মার্কসবাদলেনিনবাদমাওবাদ ও চারু মজুমদারের শিক্ষাসম্মত সর্বহারা শ্রেণীর নেতৃত্বই শ্রমিককৃষকের মৈত্রীর উপর আধারিত এই বিপ্লব সম্পন্ন করতে পারেন। আসুন মহান শিক্ষক কমরেড চারু মজুমদারের ৪১ তম শহীদ দিবস পালন করার মধ্য দিয়ে গণমানুষের নয়াগণতান্ত্রিক গণমুক্তির লক্ষ্যে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ, সামন্তবাদ ও আমলা মুৎসুদ্দী পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী গণসাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলি।

আলোচনা সভায় অংগ্রহণ করেন

* এডভোকেট যাহেদ করিম (সভাপতি)

* কমরেড হাসান ফকরী

* আশিষ কোড়ায়া (সাধারণ সম্পাদক, গণমুক্তির গানের দল)

* আফরোজা (সদস্য, ল্যম্পপোষ্ট)

* মিথুন চাকমা (সংগঠক, ইউ পি ডি এফ)

* তমিজ উদ্দীন (সদস্য, নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা)

* শামসুজ্জামান মিলন, প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ

* . নূরুন্নবী, বামবুদ্ধিজীবী

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে

* সমগীত

* গণমুক্তির গানের দল

* মুক্তির মঞ্চ

বিপ্লবী শুভেচ্ছান্তে,

আফরোজা খাতুন

সদস্য

গণমুক্তির গানের দল


বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ

তারিখঃ ২৮০৭২০১২

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সিপিআই (এমএল) নেতা, উপমহাদেশে মাওবাদী আন্দোলনের পথিকৃৎ, বিপ্লবী কমরেড চারু মজু্মদার এর ৪০ তম হত্যাবার্ষিকী পালিত।

২৮০৭২০১২ তারিখ, শনিবার, দুপু্র ২টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘরোয়াভাবে এক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি শিপন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম ইফতেখারুল ইসলাম শিপলু, সাংগঠনিক সম্পাদক আয়াতুল্লাহ খোমেনি, দপ্তর সম্পাদক আবু সুফিয়ান বক্‌সী, শিক্ষাগবেষণা ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শিহাব ইশতিয়াক সৈকত প্রমুখ। বক্তারা বলেনকমরেড চারু মজুমদার ছিলেন মুক্তিকামী যোদ্ধা। তাঁর নেতৃত্বে নকশালবাড়ীর নিপীড়িত কৃষকজনতা রুখে দিয়েছিল অন্যায়কে। সংশোধনবাদ, মধ্যপন্থা, আপোষকামীতা, সুবিধাবাদের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন লড়েছেন। সেই সাথে বিপ্লবী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন মানুষকে। তাঁর ডাকে হাজার হাজার তরুন ছাত্র সশস্ত্র সংগ্রামে নেমেছিলেন। ১৯৭২ এর ১৬ জুলাই তিনি রাষ্ট্রের হাতে ধরা পড়েন তিনি। মৃত্যুর পূর্বে আটকাবস্থায় তাঁর উপর নির্যাতন চালিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়। জীবনরক্ষাকারী ওষুধের সরবরাহ বন্ধ করে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয় তাঁকে। সেই সাথে বক্তারাবিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ছাত্রজনসাধারণকে স্বোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

বার্তা প্রেরক

শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক

বাংলাদেশ :: কর্পো-মিলিটোক্রেসির সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, নয়া ঔপনিবেশিক অভয়ারণ্য

Posted: জুলাই 5, 2012 in অর্থনীতি, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

বিদ্রোহএক.

বাপদাদার আমলে, নিজের ছোটবেলায় ভালো ছেলের সংজ্ঞা ছিলো : তারা সিগারেট, মদ, বিড়ি কিছু খায়না, বাবামা, মাস্টারমশাই, গুরুজনদের কথা মান্য করে চলে, কোনকিছুর প্রতিবাদ করেনা, কখনো ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবার কথা ভাবেনা। এখন তা কিছুটা বদলে হয়েছে অনেকটা এমন : তারা কখনো দু’দন্ড বসে কিছু চিন্তা করেনা, কোন কিছুতেই প্রশ্ন করেনা, বনের মোষ তাড়ানো তো দূরের কথা ঘরে মোষ ঢুকলেও তাড়ায়না, বিনা বাক্যব্যয়ে বুদ্ধিবৃত্তির খাসীকরণ গ্রহণ করে, একপাল শুয়োরের সাথে নরককূন্ডে বসবাস, সহাবস্থানে দ্ব্যর্থহীনভাবে তাকে শুয়োরের খোয়াড় না বলে কাঁপা কাঁপা গলায় আবেগগ্রস্ত কবির ভাষায় বলে, ‘আমি এই দেশকে নিয়ে অনেক গর্বিত’, ‘আমি অনেক আশাবাদী আমার সুজলাসুফলা দেশকে নিয়ে’, ‘এই দেশ একদিন সারা বিশ্বে মাথা তুলে দাঁড়াবেই’ব্লা ব্লা ব্লা। বলাই বাহুল্য এসব কথা কর্পোরেট দস্যুদের শিখিয়ে পড়িয়ে নেওয়া কিছু প্রলাপ বিশেষ ব্যতীত আর কিছু নয়। নাহলে যখনই সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত মূর্খ বাঙ্গালী মধ্যবিত্ত ফুটবলের বাংলা করেছে– ‘চর্মনির্মিত গোলাকার বস্তুবিশেষ যা পদাঘাতে স্থানান্তরিত হয়’, তখনই তার জাতি গঠনের পথ পিছিয়েছে সহস্রাব্দী বছর। আমাদের ভাবনাচিন্তার আভিজাত্যে এর ফলে যতই ঘা লাগুক না কেন বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে এ এক তর্কাতীত সত্য। (বিস্তারিত…)