Posts Tagged ‘সাম্রাজ্যবাদী পুঁজি’


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

us-aggressionএকটি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রাম কিংবা আগ্রাসনবিরোধী লড়াইয়ে আরেকটি রাষ্ট্রের সহযোগিতা গ্রহণ বিরল কোনো দৃষ্টান্ত নয়, বরং ইতিহাসে এর উদাহরণ ভুরি ভুরি। চিয়াং কাইশেকের সরকারের বিরুদ্ধে চীনা বিপ্লবে যেমন সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহায্য নেয়া হয়েছিল তেমনি ভিয়েতনামে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ভিয়েতকংয়ের নেতৃত্বে গেরিলা লড়াইয়ে পাওয়া গিয়েছিল গণচীনের সহযোগিতা। এছাড়া সারা বিশ্বেই বিপ্লব ও রাজনৈতিক সংগ্রাম পরিচালিত হয়ে থাকে সে দেশের আপন ভূমিতে বসেই। (বিস্তারিত…)

Advertisements

সিপিবি-বাসদের দাবিনামা এবং শেয়ালের কাছে মুরগী গচ্ছিত রাখার উপাখ্যান!

Posted: অগাষ্ট 9, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

সর্বহারার প্রতীক...সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিপিবি (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) ও বাসদ (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল) ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলদুটির নীতিনির্ধারণী নেতারা, সেখানে তারা ১৫ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। এই ১৫ দফায় মূলতঃ তারা কী বলতে চেয়েছেন, আর বর্তমান সমাজ বাস্তবতায় তা কতোটুকু প্রাসঙ্গিক, এ বিষয়ে মঙ্গলধ্বনি’র মূল্যায়ণ নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ

(সকলের বুঝার সুবিধার্থে ক্রমান্বয়ে সিপিবিবাসদ এর ১৫ দফা ও আমাদের মূল্যায়ণ তুলে ধরা হলো) (বিস্তারিত…)

বাংলাদেশ :: কর্পো-মিলিটোক্রেসির সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, নয়া ঔপনিবেশিক অভয়ারণ্য

Posted: জুলাই 5, 2012 in অর্থনীতি, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

বিদ্রোহএক.

বাপদাদার আমলে, নিজের ছোটবেলায় ভালো ছেলের সংজ্ঞা ছিলো : তারা সিগারেট, মদ, বিড়ি কিছু খায়না, বাবামা, মাস্টারমশাই, গুরুজনদের কথা মান্য করে চলে, কোনকিছুর প্রতিবাদ করেনা, কখনো ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবার কথা ভাবেনা। এখন তা কিছুটা বদলে হয়েছে অনেকটা এমন : তারা কখনো দু’দন্ড বসে কিছু চিন্তা করেনা, কোন কিছুতেই প্রশ্ন করেনা, বনের মোষ তাড়ানো তো দূরের কথা ঘরে মোষ ঢুকলেও তাড়ায়না, বিনা বাক্যব্যয়ে বুদ্ধিবৃত্তির খাসীকরণ গ্রহণ করে, একপাল শুয়োরের সাথে নরককূন্ডে বসবাস, সহাবস্থানে দ্ব্যর্থহীনভাবে তাকে শুয়োরের খোয়াড় না বলে কাঁপা কাঁপা গলায় আবেগগ্রস্ত কবির ভাষায় বলে, ‘আমি এই দেশকে নিয়ে অনেক গর্বিত’, ‘আমি অনেক আশাবাদী আমার সুজলাসুফলা দেশকে নিয়ে’, ‘এই দেশ একদিন সারা বিশ্বে মাথা তুলে দাঁড়াবেই’ব্লা ব্লা ব্লা। বলাই বাহুল্য এসব কথা কর্পোরেট দস্যুদের শিখিয়ে পড়িয়ে নেওয়া কিছু প্রলাপ বিশেষ ব্যতীত আর কিছু নয়। নাহলে যখনই সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত মূর্খ বাঙ্গালী মধ্যবিত্ত ফুটবলের বাংলা করেছে– ‘চর্মনির্মিত গোলাকার বস্তুবিশেষ যা পদাঘাতে স্থানান্তরিত হয়’, তখনই তার জাতি গঠনের পথ পিছিয়েছে সহস্রাব্দী বছর। আমাদের ভাবনাচিন্তার আভিজাত্যে এর ফলে যতই ঘা লাগুক না কেন বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে এ এক তর্কাতীত সত্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

ক্রাচের কর্নেলইতিহাসকে উপজীব্য করে উপন্যাস নির্মাণ বাংলাসাহিত্যে নতুন কিছু নয়। আমরা বরং বলতে পারি বঙ্কিমীয় কালপর্বের ধারাবাহিকতায় ক্রাচের কর্নেলএর পর্বে আসলাম মাত্র। তবে ইতিহাসনির্ভর উপন্যাস পাঠ করতে গিয়ে পাঠক হিসেবে আমাদের সামনে কিছু দাবি থাকে, যেমনইতিহাসের দায়ের সাথে শিল্পের দায় ষোলআনা পূরণ হওয়া চাই। ক্রাচের কর্নেল পাঠপূর্বে উল্টেপাল্টে দেখতে গিয়ে আমাদের দৃষ্টি আটকে পড়ে দীর্ঘ রেফারেন্সএর তালিকায়। ছোট্ট ভূমিকাটা দেখি: ‘নানা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য এবং ভাবনাকে সৃজনশীল সংশ্লেষের মাধ্যমে উপন্যাসে উপস্থিত করেছি মাত্র।’ যদি তাই হয়, তবে ইতিহাসের দায়টা কোথায়, কোথায় রইলো শিল্পের দায়। প্রাপ্তসূত্র দিয়ে তো রিপোটিং হয়, সাহিত্য নয়। আবার শোনাকে ইতিহাসে রূপান্তর করারও নানা পদ্ধতি আছে, ক্রাচের কর্নেলে কোন পদ্ধতি প্রয়োগ হয়েছে। লেখক এইসব প্রশ্নে নির্বিকার হলেও পাঠের মধ্য দিয়ে আমরা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে নেবার চেষ্টা করবো।

উপন্যাসে আমরা প্রবেশ করলাম মিশুকের হাত ধরে, মিশুক এক আত্মহত্যাপ্রবণ তরুণ। যার কবিতার পঙ্ক্তিতে স্পষ্ট আত্মহত্যার ইঙ্গিত। এই মিশুক আর কেউ নয়, কর্নেল তাহেরে কনিষ্টপুত্র। এই মিশুক যার কাছে পিতার স্মৃতি মানেই ধূসর অন্ধকার। মিশুক ও তার প্রজন্মের আমরা এই উপন্যাসের ভিতর দিয়ে মিশুক তার পিতাকে আর পাঠক এক বিপ্লবের স্বপ্নচারি সৎ আর্মি অফিসারে জীবন চরিত্র উন্মোচন করতে যাচ্ছে। এই উন্মোচনের সূচনা হয় ইডেন কলেজের ছাত্রী লুতফার সাথে কর্নেল তাহেরের বিয়ের মধ্য দিয়ে। তাহের সদ্যবিবাহিত স্ত্রী নিয়ে ট্রেনে করে ঢাকা ফিরছে, পথে কাকতালিয়ভাবে দেখা মোজাফফর আহমদ আর মতিয়া চৌধুরীর সাথে। এই সাক্ষাতের মধ্যদিয়ে আমরা জানতে পারি লুতফাও একদা রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। মোজাফফর মতিয়ার সাথে আলাপচারিতার ভিতর দিয়ে তাহেরের রাজনৈতিক চিন্তার সাথে পাঠকের কিছুটা পরিচয় ঘটলো। কিন্তু এই ট্রেনের কামরা থেকে আমাদের এক উল্লম্ফন দিতে হলো, ইতিহাসের নাতিদীর্ঘ বর্ণনা। ৪৭ থেকে ৬৯। লেখক যেন তার পাঠকের সামনে বাল্যশিক্ষাধারাপাত নিয়ে বসেছেন ইতিহাসের অখ শিখানোর জন্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্র এখন পুঁজির খাঁচায় আবদ্ধ, সবকিছুই মাপা হয় পুঁজির বাটখারায়; প্রেমভালবাসা, লেখাপড়া বা খেলাধুলা, কোনটিই এর বাইরে নয়। আর ক্রিকেট যেহেতু এই অঞ্চলে অধিক জনপ্রিয়, তাই পুঁজির দালালেরা একে টেনে আনবে এটাই স্বাভাবিক। ক্রিকেট নিয়ে এই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে পড়ে যে এটি নিপীড়িতনিষ্পেশিত, অর্ধাহারেঅনাহারে ভোগা জ্বরাগ্রস্তদের দেশ, বাংলাদেশ

আর এই সাম্রাজ্যবাদী পুঁজি লগ্নির ক্ষেত্রে ওই ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রগুলো জনগণের দেশপ্রেমের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে তাকে গড়ে তোলে উগ্র জাতিয়তাবাদী রূপে; যা তারা বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন অবস্থায় নিজেদের তথা ভঙ্গুর রাষ্ট্রগুলোকে টিকিয়ে রাখতে ব্যবহার করে।

যে ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে জনগণের মৌলিক অধিকার সংবিধান সর্বস্ব, যেখানে ফেসবুকের স্ট্যাটাসে সাজা হয়, যেখানে গণমুক্তির কথা বললে আসে ক্রসফায়ারের ছোবল, যেখানে সাম্রাজ্যবাদসম্প্রসারণবাদের দালালী হয় রাষ্ট্রীয় কর্তব্য, যেখানে আছে তথাকথিত গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র, যেখানে আছে বিশ্ববিদ্যালয় রূপী দালাল তৈরীর কারখানা, যেখানে মিডিয়া তোষামোদে ভরপুর; সেখানে যারা মনে করেন ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেই দেশে জাতীয় পুঁজির বিকাশ ঘটবে, দেশ তরতর করে উন্নতির জোয়ারে ভেসে যাবে, দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান বেড়ে গিয়ে তালগাছের আগায় ওঠবে; তারা মূলতঃ অন্ধকারে পথ হাতরাচ্ছেন, যে পথের ঠিকানা তাদের অজানা

গ্লোবালাইজেশন নামক শোষণের ফলে এখনকার কোন পুঁজিই একক পুঁজি নয়, সকল পুঁজিই এখন সাম্রাজ্যবাদী পুঁজি, তা ভূমিদস্যু শাহ আলমের বসুন্ধরাই হোক, ঋণ খেলাপী সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো বা লতিফুরের এসেম্বলিং কারখানা। এই পুঁজিকে কেউ কেউ জাতীয় পুঁজির অগ্রপথিক রূপে স্বীকৃত করতে চাইলেও তা যে কেবলই রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজী, তা কারো অজানা নয়। তারা জাতীয় পুঁজির চরিত্রের সাথে এই ফরিয়া আর সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির মিল কোথায় পেলেন? কোন পুঁজি, নির্দিষ্ট কোন দেশে নিজের জানান দিলেই কি তাকে সে দেশের জাতীয় পুঁজি বলতে হবে? আর যদি তারা এটাই বলতে চাইছেন, তাহলে তারা কেবলই জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছেন, পরোক্ষভাবে দালালী করছেন সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদের(বিস্তারিত…)