Posts Tagged ‘সাম্যবাদ’


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

The philosophers have always interpreted the world in various ways; the point, however, is to change it. (Marx, Theses On Feuerbach: Thesis 11, 1845) 

এক.

যে কোনো মতাদর্শ কিংবা দার্শনিক তত্ত্বেরই একটা বস্তুগত ভিত্তি থাকে। যে কোনো নির্দিষ্ট দেশকালের নিরিখে, নির্দিষ্ট আর্থসামাজিক ব্যবস্থার মধ্য থেকেই একেকটা মতাদর্শ জন্ম নেয়। সমাজে নতুন বস্তুগত পরিস্থিতি নতুন ধারণা এবং তত্ত্বের জন্ম দেয়। এটাই মার্ক্সবাদের শিক্ষা। মার্ক্সবাদের নিজের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। (বিস্তারিত…)


3heads26432(মার্কসবাদলেনিনবাদ নিয়ে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে কোন বিতর্ক না থাকলেও মাওবাদ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কমিউনিজমের জ্ঞান ভাণ্ডারে মাও সেতুঙএর অবদানকে মতাদর্শের পর্যায়ে নেয়া যায় কিনা, বিতর্কটা সেই বিষয়ে। অনেকেই মাওএর অবদানকে স্বীকার করেন, কিন্তু “মাওবাদ” হিসেবে তাকে স্বীকার করেন না। তাদের বক্তব্য এটা চীনের বাস্তবতায় মার্ক্সবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। অপরদিকে, মাওবাদএর সমর্থকদের মতে, মাও সেতুঙএর অবদান মার্কসবাদ, লেনিনবাদের মতোই মাওবাদে উন্নীত হয়েছে এবং এর বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাওবাদ সাম্যবাদী মতাদর্শকে বিকাশের এক তৃতীয় এবং নতুন স্তরে উন্নীত করেছে। এই আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটি মানদণ্ডের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। সেটা হলো কখন একটি অবদান মতবাদে উন্নীত হয়? মাওবাদীদের বক্তব্য হলো দর্শনঅর্থনীতিরাজনীতিতে মৌলিক অবদান হলেই সেটা মতবাদ হতে পারে। নিম্নলিখিত আলোচনাতে সেটাই দেখানো হয়েছে।

এই বিতর্ক যে শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়, সারা দুনিয়াজুড়ে এই বিতর্ক চলমান রয়েছে। এই বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনটি লেখা আগ্রহী পাঠকদের জন্য দেয়া হলো। প্রথমটি পেরুর কমিউনিষ্ট পার্টি (শাইনিং পাথ)র চেয়ারম্যান অ্যাবিমেল গুজমান গনজালো লেখা; যা দলীয় দলিল হিসেবে প্রকাশিত। এটাই হলো সেই দলিল যেখানে পেরুর পার্টি সর্বপ্রথম মাও সেতুঙএর অবদান, যা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা হিসেবে চর্চিত ছিল, তাকে মাওবাদ হিসেবে সূত্রায়ন করেন। দ্বিতীয় লেখাটি নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি সভাপতি প্রচণ্ডএর লেখা। নেপালে মাও বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনি এই লেখাটি লিখেছিলেন। আর তৃতীয় এবং শেষ লেখাটি বাঙলাদেশের একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি রায়হান আকবরএর লেখা। এই তিনটি লেখার বিষয়বস্তু একই। মতবাদ হিসেবে মাওবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা। আর বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই এটি মঙ্গলধ্বনিতে প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকাশিত হচ্ছে তৃতীয় লেখাটি। উক্ত তিনটি লেখা আমাদের সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন নূরুর রহমান। মঙ্গলধ্বনি) (বিস্তারিত…)


prachanda-nepal-121(মার্কসবাদলেনিনবাদ নিয়ে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে কোন বিতর্ক না থাকলেও মাওবাদ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কমিউনিজমের জ্ঞান ভাণ্ডারে মাও সেতুঙএর অবদানকে মতাদর্শের পর্যায়ে নেয়া যায় কিনা, বিতর্কটা সেই বিষয়ে। অনেকেই মাওএর অবদানকে স্বীকার করেন, কিন্তু “মাওবাদ” হিসেবে তাকে স্বীকার করেন না। তাদের বক্তব্য এটা চীনের বাস্তবতায় মার্ক্সবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। অপরদিকে, মাওবাদএর সমর্থকদের মতে, মাও সেতুঙএর অবদান মার্কসবাদ, লেনিনবাদের মতোই মাওবাদে উন্নীত হয়েছে এবং এর বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাওবাদ সাম্যবাদী মতাদর্শকে বিকাশের এক তৃতীয় এবং নতুন স্তরে উন্নীত করেছে। এই আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটি মানদণ্ডের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। সেটা হলো কখন একটি অবদান মতবাদে উন্নীত হয়? মাওবাদীদের বক্তব্য হলো দর্শনঅর্থনীতিরাজনীতিতে মৌলিক অবদান হলেই সেটা মতবাদ হতে পারে। নিম্নলিখিত আলোচনাতে সেটাই দেখানো হয়েছে।

এই বিতর্ক যে শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়, সারা দুনিয়াজুড়ে এই বিতর্ক চলমান রয়েছে। এই বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনটি লেখা আগ্রহী পাঠকদের জন্য দেয়া হলো। প্রথমটি পেরুর কমিউনিষ্ট পার্টি (শাইনিং পাথ)র চেয়ারম্যান অ্যাবিমেল গুজমান গনজালো লেখা; যা দলীয় দলিল হিসেবে প্রকাশিত। এটাই হলো সেই দলিল যেখানে পেরুর পার্টি সর্বপ্রথম মাও সেতুঙএর অবদান, যা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা হিসেবে চর্চিত ছিল, তাকে মাওবাদ হিসেবে সূত্রায়ন করেন। দ্বিতীয় লেখাটি নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি সভাপতি প্রচণ্ডএর লেখা। নেপালে মাও বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনি এই লেখাটি লিখেছিলেন। আর তৃতীয় এবং শেষ লেখাটি বাঙলাদেশের একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি রায়হান আকবরএর লেখা। এই তিনটি লেখার বিষয়বস্তু একই। মতবাদ হিসেবে মাওবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা। আর বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই এটি মঙ্গলধ্বনিতে প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকাশিত হচ্ছে দ্বিতীয় লেখাটি। উক্ত তিনটি লেখা আমাদের সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন নূরুর রহমান। মঙ্গলধ্বনি) (বিস্তারিত…)


solidarity-maoism-gonzalo-2(মার্কসবাদলেনিনবাদ নিয়ে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে কোন বিতর্ক না থাকলেও মাওবাদ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কমিউনিজমের জ্ঞান ভাণ্ডারে মাও সেতুঙএর অবদানকে মতাদর্শের পর্যায়ে নেয়া যায় কিনা, বিতর্কটা সেই বিষয়ে। অনেকেই মাওএর অবদানকে স্বীকার করেন, কিন্তু “মাওবাদ” হিসেবে তাকে স্বীকার করেন না। তাদের বক্তব্য এটা চীনের বাস্তবতায় মার্ক্সবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। অপরদিকে, মাওবাদএর সমর্থকদের মতে, মাও সেতুঙএর অবদান মার্কসবাদ, লেনিনবাদের মতোই মাওবাদে উন্নীত হয়েছে এবং এর বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাওবাদ সাম্যবাদী মতাদর্শকে বিকাশের এক তৃতীয় এবং নতুন স্তরে উন্নীত করেছে। এই আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটি মানদণ্ডের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। সেটা হলো কখন একটি অবদান মতবাদে উন্নীত হয়? মাওবাদীদের বক্তব্য হলো দর্শনঅর্থনীতিরাজনীতিতে মৌলিক অবদান হলেই সেটা মতবাদ হতে পারে। নিম্নলিখিত আলোচনাতে সেটাই দেখানো হয়েছে।

এই বিতর্ক যে শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়, সারা দুনিয়াজুড়ে এই বিতর্ক চলমান রয়েছে। এই বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনটি লেখা আগ্রহী পাঠকদের জন্য দেয়া হলো। প্রথমটি পেরুর কমিউনিষ্ট পার্টি (শাইনিং পাথ)র চেয়ারম্যান অ্যাবিমেল গুজমান গনজালো লেখা; যা দলীয় দলিল হিসেবে প্রকাশিত। এটাই হলো সেই দলিল যেখানে পেরুর পার্টি সর্বপ্রথম মাও সেতুঙএর অবদান, যা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা হিসেবে চর্চিত ছিল, তাকে মাওবাদ হিসেবে সূত্রায়ন করেন। দ্বিতীয় লেখাটি নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি সভাপতি প্রচণ্ডএর লেখা। নেপালে মাও বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনি এই লেখাটি লিখেছিলেন। আর তৃতীয় এবং শেষ লেখাটি বাঙলাদেশের একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি রায়হান আকবরএর লেখা। এই তিনটি লেখার বিষয়বস্তু একই। মতবাদ হিসেবে মাওবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা। আর বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই এটি মঙ্গলধ্বনিতে প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকাশিত হচ্ছে প্রথম লেখাটি। উক্ত তিনটি লেখা আমাদের সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন নূরুর রহমান। মঙ্গলধ্বনি) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্ট্যাফেনী ম্যাকমিলান

অনুবাদ: মোঃ সুলতান মাহমুদ

hammer and sickleএকটি সমাজের সংগঠনে (উৎপাদন প্রক্রিয়ায়) পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে উত্তরণ ঘটতে পারে কেবলমাত্র তখনই যখন শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে সাধারণ মানুষ পুঁজিবাদীদের অপসারণ করে সমাজের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নেবেরাজনৈতিক ক্ষমতা এবং উৎপাদনের উপায় (ফ্যাক্টরি, সম্পদ ইত্যাদির) এ দুয়ের দখলদারিত্বই এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। সমাজ কিভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন খাদ্য, কাপড়, বাসস্থান, জ্বালানী, পরিবহণ ইত্যাদি উৎপাদন ও বণ্টন করে এবং কারা এই প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, এর দ্বারা উৎপাদন প্রক্রিয়াসমূহ ও তাদের মধ্যকার পার্থক্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

window-6নদী নয়

নীলাকাশ নেমেছে সমূদ্রে

চাঁদ নয়

সূর্যের আগুন জেগেছে

দুর সৈকতে (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

hugo-chavez-1ভেনেজুয়েলার জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ গত ৫ মার্চ দেশটির রাজধানী কারাকাস শহরের সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি দু’বছর যাবৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। গত এপ্রিল মাসে ভেনেজুয়েলার ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র কিউবায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরেন শ্যাভেজ। হুগো শ্যাভেজ তাঁর দেশের জনগণের কাছে যেমন ছিলেন প্রবাদতুল্য প্রেসিডেন্ট তেমনি গোটা ল্যাতিন আমেরিকা, এশিয়া, আফ্রিকার পশ্চাৎপদ দেশগুলির মানুষের নিকট মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ছিলেন বেশ রসিকজন। সমাজতন্ত্রের প্রতিশ্রুতিও তিনি দেশবাসিকে দিয়েছিলেন। (বিস্তারিত…)


মূলঃ জন বেল্লামী ফস্টার

ভাষান্তরঃ মেহেদী হাসান

joan-acker-1

জোয়ান আস্কার

এটা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ যে আস্কারের গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বীয় কর্ম “শ্রেণী জটিলতাঃ অতঃপর নারীবাদী সমাধান” অর্থনৈতিক ধ্বস শুরু হওয়ার একবছর পূর্বে ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটা অবশ্যই নিছক কোন দৈব ঘটনা ছিল না। বিশেষভাবে অধিকাংশ নারীবাদী তাত্ত্বিকদের আলোচনায় শ্রেণী বিশ্লেষণের নাজুক অবস্থার বিষয়ে আস্কার খুব গভীর ভাবে শঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। একই সময়ে সে এটাও বুঝতে পেরেছিল যে, শ্রেণী বিষয়টা আগেকার অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে অনেকবেশী গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, শুধুমাত্র মানুষের সাথে মানুষের বৈষম্য বেড়ে যাওয়ার কারনেই নয় বরঞ্চ পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে ভারসাম্যহীনতা বেড়ে উঠার ফলেও। এজন্যেই তার বইয়ের প্রথমেই সে “নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে অর্থনৈতিক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির” শরণ নেয়। (বিস্তারিত…)

রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মতাদর্শ

Posted: জানুয়ারি 17, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

প্রথম ভাগ ভূমিকা:

আজকাল নতুন প্রজন্মের কাউকে রাজনৈতিক আদর্শের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে; প্রচলিত অন্তঃসারশূন্য রাজনৈতিক অবস্থার উদহারণ টেনে গর্বের সঙ্গে বলে, ‘আমি কোন দল করি না। আমার কোন মতাদর্শ নাই’। ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের সাইট, ফুসবুকে অনেকের প্রোফাইল স্ট্যাটাসে দেখা যায়; দেয়া থাকে No political view”। অনেকে আবার এ জাতীয় উত্তরকে আরও বেশি উচ্চ ডিগ্রীতে নিয়ে বলে, I hate politics। অনেকে উদাররূপে নিজেকে উদারনৈতিক জাহির করে, যা বস্তুত মতাদর্শহীন দেউলিয়াত্ব। এরূপ মতাদর্শহীন রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে তারা যে সব ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ প্রদান করেন, সেটা অন্তঃসারশূন্য স্থূল চিন্তার পরিচায়ক। ব্যক্তির মতাদর্শহীন রাজনৈতিক অবস্থানকে রাজনৈতিক সচেতনতার অংশ ভাবা যায় না, অচেতন চিন্তাই তাকে মতাদর্শহীন বা রাজনৈতিকভাবে অসচেতনতার দিকে ধাবিত করে। এটা কোন রূপেই রাজনৈতিক সচেতনতার অংশ নয় বরং চূড়ান্ত বিচারে রাজনৈতিকভাবে অসচেতনতারই অংশ। (বিস্তারিত…)


খবর বিজ্ঞপ্তি

 ‘ল্যাম্পপোস্ট’ - একটি গণতান্ত্রিক প্রয়াস

০৪ জুলাই, ২০১২

২০০৯ সালের ৫ জুলাই ভারত রাষ্ট্রের বৃহৎ রাষ্ট্রসূলভ দাম্ভিক আস্ফালনের ও তার অনুসৃত সম্প্রসারণবাদী নীতির বিরুদ্ধে ৭ টি সুনির্দিষ্ট ইস্যুতে ‘ল্যাম্পপোস্ট’ ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে। এই কর্মসূচী পালনকালে ভারতীয় দূতাবাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ নির্দেশে দূতাবাসের নিজস্ব ভারতীয় পুলিশ ও বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী যৌথভাবে বিক্ষোভকারীদের উপর বর্বোরোচিত তাণ্ডব চালিয়েছিল। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামক বিদ্যমান রাষ্ট্রটির নতজানু ও সেবাদাসমূলক অবস্থান ও ভারত রাষ্ট্রের সম্প্রসারণবাদী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়ে পড়ে এবং তার বিরুদ্ধে গণসচেতনতা ও গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার নৈতিক প্রত্যয়ে ল্যাম্পপোস্ট ৫ জুলাইকে “ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ প্রতিরোধ দিবস” হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। উগ্র জাতীয়তাবাদ যা মূলত ইসলামী মৌলবাদীদের স্বার্থের অনুকূলে ক্রিয়াশীল পশ্চাৎপদ গণবিরোধী সাম্প্রদায়িক রাজনীতিএর আড়ালে ভারত বিরোধীতা নয় বরং এক্ষেত্রে ল্যাম্পপোস্টের শ্রমিকশ্রেণির আন্তর্জাতিকতাবাদী অবস্থান সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট।

ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ প্রতিরোধ দিবস” উপলক্ষ্যে ল্যাম্পপোস্ট আগামী ৫ জুলাই কমরেড হাসান ফকরী’র সভাপতিত্বে একটি আলোচনা সভা ও গণসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করছে।

তারিখঃ ০৫ জুলাই, ২০১২

স্থানঃ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে

সময়ঃ বিকাল ৪.৩০ মিনিট

ধন্যবাদান্তে,

আফরোজা খাতুন

ল্যাম্পপোস্ট