Posts Tagged ‘সরকার’


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Education-38সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পাশের হার ৪% থেকে সর্বোচ্চ ২১%। এই পাশের হার পাবলিক পরীক্ষায় পাশের হারের সাথে তুলনীয় নয়। এখানে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্যই পাবলিক পরীক্ষায় একটি ন্যূনতম রেজাল্ট থাকতে হয়। সেদিক থেকে এ পরীক্ষায় যারা অংশ গ্রহন করে তাদের প্রায় সবাই পাবলিক পরীক্ষা থেকে সর্বোচ্চ রেজাল্ট জিপিএ৫ অর্জনকারী। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। এ পরীক্ষার আয়োজনই করা হয় বহু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বল্প সংখ্যক আসনের জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করার করে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে ‍‌‌‌বৈধ উপায়ে বাদ দেওয়ার জন্য। তার পরও এখানে পাশ নম্বর বলে একটি নম্বর নির্ধারণ করা হয়। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

education-business-1২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর সরকার যে বাগাড়ম্বর এবং ঢাকঢোল পিটিয়েছিল তা যে ফাঁপা এবং জনগণের সাথে মস্তবড় প্রতারণা ছিল তা এখন জনগণের কাছে সাধারণভাবেই উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। যদিও শিক্ষার পরিকল্পনা এবং শিক্ষা সংক্রান্ত কোন নীতি শুরু থেকেই জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ ছিল না। শিক্ষার সমস্ত পশ্চাদপদ, বৈষম্যমূলক ধারা এবং পদ্ধতি অক্ষুন্ন রেখে তার মধ্যে শুধুমাত্র পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েই কথা বলা হয়েছে বিস্তর। কাজেই এ নীতিকে একটি পরীক্ষানীতি ছাড়া আর কিছুই বলা চলে না। যদিও সেই পরীক্ষা নিয়েও কোন সুচিন্তিত মত বা গবেষণার ছাপ সেখানে নেই। সেখানে ফাঁকা বুলির মত করে শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য ভিত্তিহীন বাক্য বিস্তার করা হয়েছে। শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য কি কি পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে সে নিয়ে কোন দিক নির্দেশনা বা সুপারিশ শিক্ষানীতির মধ্যে নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

পুলিশি এ্যাকশনের রিভার্স

attack-on-police-1-বাংলাদেশের পুলিশ সম্পর্কে সবচেয়ে প্রচলিত প্রবাদ ‘বাঘে ছুঁলে এক ঘাপুলিশে ছুঁলে আঠারো ঘা’। প্রবাদটি এমনি এমনি রচিত হয়নি। সেই প্রাচীন কাল থেকেই অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলের হাফপ্যান্ট পুলিশ থেকে আজ অবধি সাধারণ মানুষের প্রতি পুলিশের নৃশংস এবং প্রতিহিংসাপরায়ন আচরণের জন্যই এমন প্রবাদ চালু রয়েছে। আঠারো ঘা হবে যে পুলিশ ছুঁলে সেই পুলিশই যখন নিজেদের শরীরে আঠারো দুগুণে ছত্রিশ ঘা নিয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরায় তখন সাধারণ মানুষকে একশ আশি ডিগ্রী ঘুরে ভাবতে বসতে হয় কেন এই কন্ট্রাস্ট? কন্ট্রাস্ট বলার কারণ কি? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:বন্ধুবাংলা

চুকচুক পদলেহনের শব্দ শোনার কথা, কিন্তু শুনছি কই? এমএলএমকোম্পানির মত রাজনীতিবিদরা প্রতারণার ফাঁদ পেতে বছরের পর বছর জোঁকের ন্যায় জাতির রক্ত নিঃশব্দে চুষে খাচ্ছে তাও দেখছি না। কানে তুলা নয়, তালা দেয়া আছে! দুর্বল দৃষ্টিশক্তি ভাল দেখে না! তথাপি একটা ছবি দেখে চমকে উঠলাম!! তবে ছবির কথায় পরে আসি। আগে কিছু প্যাঁচাল পারি!

আমার পূর্বের লেখায় কৃষকের সাথে সরকারের প্রতারণার কথা উল্লেখ করেছিলাম। সেই সূত্র ধরেই আগামী কৃষি বাজেটের উপর সরকারের ভাবনা কি জানার আগ্রহ ছিল। পত্রিকার মারফতে পেয়েও গেলাম মন্ত্রী মতিয়াকে ও মন্ত্রী মুহিত মাল সাহেবকে; অর্থাৎ, তাদের মন্ত্রণালয়ের হাড়ির খবর। অর্থ ও কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষির সাফল্যের ধরে রাখতে আগামী অর্থবছরের বাজেটেও সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃষি খাতকে। কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আসন্ন ২০১২১৩ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বয়ান করেছেন “প্রধানমন্ত্রী কৃষি ও কৃষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন। তার নির্দেশ পালন করেছি। কৃষকদের সঙ্গে চলতে চলতে তাদের সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।”( হঠাৎ যেন মুখে তেঁতো স্বাদ পেলাম )। সুত্র:

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=14&action=main&option=single&news_id=257301&pub_no=1045

যাই হোক, আবার তেঁতো স্বাদ পেলাম অন্য একটি খবরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্দর মহলের কথায়।

অন্য একটি জাতীয় দৈনিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল বলেছেন, আগামী ২০১২১৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার তত বাড়ছে না। অর্থসংকটে সরকারকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেছেন, অনুন্নয়নউন্নয়ন মিলিয়ে বাজেটের মোট আকার হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে বার্ষিক ()উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) বাজেট হবে ৫৪ হাজার কোটি টাকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

কৃষকের সাথে চলছে এমনই প্রহসনঅবশেষে সরকার ধানচালের দাম নির্ধারণ করেছে। চলতি বোরো মৌসুমে ২৮ টাকা কেজি দরে চাল এবং ১৮ টাকায় ধান কিনবে সরকার। ২০১১ সালেও সরকার সংগ্রহ মূল্য ঘোষণা করেছিল ধান ১৮ টাকা ও চাল প্রতি কেজি ২৯ টাকা। অর্থাৎ, দুই ডিজিটের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ও কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি বিবেচনায় সরকার কর্তৃক ঘোষিত এই দাম গত বছরের চেয়ে তুলনামূলক কম।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় সোমবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে কমিটির সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সুত্র: http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=192739&cid=4

সরকারি সংস্থা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, গত বছরের তুলনায় বোরোতে উৎপাদন খরচ প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। অপর সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, গত এক বছরে বেশির ভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ১০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ মতে সার্বিক মুল্যস্ফিতি এখন দুই ডিজিটের ঘরে।

পাঠকের কাছে প্রশ্ন হল সরকার কি কৃষক বান্ধব? সরকার কাকে ঠকাচ্ছে আর কাকে লাভবান করছে, সোয়া কোটি প্রান্তিক কৃষক পরিবারের ৬ কোটি মানুষকে, নাকি মুষ্টিমেয় কিছু মধ্যসত্বভোগী ফড়িয়াকে?

এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, এ দেশের কৃষক হচ্ছে সবচাইতে বেশি শোষিতশ্রেণী। হরতালের রাজনীতি, হত্যা, গুম নাটকের ডামাডোলে আমরা কৃষকের আর্তনাদ শুনতে পাই না। অথচ কৃষি এখনও আমাদের মূল অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি। আমি যে কথাটা বরাবরই বলে আসছিযে স্বাধীনতা লাভের এই ৪০ বছরে কোন সরকারই কৃষক বান্ধব ছিল না। মুজিবের সবুজ বিপ্লব, জিয়ার ১৯ দফা, এরশাদের ১৮ দফা কর্মসূচী সবই ছিল রাজনৈতিক ভাঁওতাবাজি, যা আজও অব্যাহত। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

এ লেখার শুরুতে আমাকে যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে তা হল কি লেখা উচিৎ আর কি লেখা উচিৎ নয়! কি বলা উচিৎ আর কি বলা উচিৎ নয়। কবিতার সেই পঙক্তির মতধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, বলা যায় না কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার এ কোন স্বাধীনতা”। কলাপ্সিবল দরজায় তালা ঝুলিয়ে বন্ধ ঘরে আকাশ সংস্কৃতিতে ভাসছি আর ভাবছি বড্ড স্বাধীন। খাচ্ছি, ধাচ্ছি, ঘুমোচ্ছি, রমণী রমণে রাত পার করে এই যে মূক ও বধীর জীবনযাপন করছি, হয়তো এটাই সুস্থতা কিংবা হয়তো চরম অসুস্থতা।

ক্রসফায়ার...তবুও কোথায় কিসের যেন এক তাড়না অনুভবে এ লেখা লিখছি। এবার যে কথার অবতারণায় এত কথা বললাম সে প্রসঙ্গে আসি। ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুম, লুটপাট, চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, দুর্ঘটনা, প্রতারণা প্রভৃতি আইনশৃঙ্খলার স্বাভাবিক উন্নতিঅবনতির সূচক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুম এখন যেন আমাদের সংস্কৃতির অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। আমরা এমন এক অভাগা জাতি যে, এই জাতীয় ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুমের ঘটনাকে আমরা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা রূপে দেখার অভ্যস্ততায় একসময় নিজেই হয়ত এর শিকারে পরিণত হচ্ছি। কেউ খুন, গুম করে খুন বা গুম হয়, আবার কেউ কিছু না করেও খুন, গুম হয়। অনেক সময় খুনি/গুমকারী লাভ করে সামাজিকরাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা। হত্যা মামলা না থাকলে জননেতা হওয়া যায় না। রাজনৈতিক কারণে হত্যা ও ক্ষমতায় থাকলে হত্যা মামলা প্রত্যাহার, ফাঁসির দণ্ড মওকুফ কিসের নির্দেশক? আমাদের বসবাস কি খুনে সংস্কৃতির মাঝে? এটা কি একটা জাতির জাতীয় মনোবৈকল্য?

রাজনৈতিক কারণে ক্রসফায়ার, হত্যা, গুমের ইতিহাস কি? শুরু,সমাপ্তি, কারণ ও এর সমাধান কি? যে কোন সচেতন মানুষকেই তা ভাবিয়ে তুলতে বাধ্য। (বিস্তারিত…)