Posts Tagged ‘সমাজ’


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

matin-bairagi-10কবিতা এমনই এক বিষয় যে নিজেকে প্রস্তুত করে প্রকাশে এবং সেই প্রকাশের মধ্যদিয়ে পাঠক কবিকে চিনে নিতে পারেন একজন মানুষকেও যার সামাজিক অস্তিত্ব আছে, এবং অস্তিত্বমান সমাজে সে কোনো ধ্যানধারণাকে বহন করে তার মুখ খুলে দেয়। প্রত্যেক শিল্পই রাজনৈতিক দর্শন ভূক্ত এবং কোনো না কোনো শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করে। সে যদি নিজকে গোপন ও করতে চায় তা হলেও সে প্রকাশ্য হয়ে পড়ে এবং তার প্রকাশরীতি সব সময়ই তার ধ্যানজ্ঞান পছন্দ ও ভাবনায় বাহিত হয়ে রূপলাভ করে শিল্পের মাধ্যমে, যাকে শিল্পী কোনো ভাবেই আড়াল করতে পারে না। আর কবিতাতে তো সম্ভবই নয়, দুরূহ বা দুর্ভেদ্য যাই হোক সে চিনিয়ে দেয় কবিকে, আখেরে সে কোন সামাজিক চেতনা ধারণ করছে এবং কাদের পক্ষের মানুষ হয়ে তার সৃষ্টিকে নিবেদিত করতে চাইছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

mongoldhonyমঙ্গলধ্বনি ছোট কাগজ মানবজীবনের কল্যাণের পক্ষের কথা বলবার জন্য এবং শোনানোর জন্য কয়েক তরুণ চেষ্টার এই ছোট কাগজ। সে কল্যাণ সার্বিক সামাজিক রাজনৈতিক প্রাণপ্রকৃতিপরিবেশের পক্ষের। নিয়মিত নয় এই ছোটকাগজ, তবে তাদের চেষ্টা দেখে বুঝে নেয়া যায় যে একটুখানি সহযোগিতা পেলে তারা নিয়মিত হয়ে উঠতে পারে এবং নিরন্তর নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তাদের শ্রমমেধাযোগ্যতাকে ব্যবহার করতে পারে। জগজীবনে কোনো কাজই যা বৃহক্ষ্য অর্জনে নিবদ্ধ, তা একক চেষ্টায় পূর্ণতা পায় না সাহসী, উদ্যমী, সমাজ সচেতন মানুষের অংশগ্রহণ তাই জরুরী। তবু এই গীত তারা গাইতে চাইছে এবং এর জন্য অসুখ চিহ্নিত করে ইস্যুভিত্তিক লেখা তারা ছাপছে তাদের এই ছোট কাগজে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দোলা আহমেদ

pain-art-2প্রাচীন এক মফস্বল শহর। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে উত্তাল পদ্মা। শহরের বুক চিরে চলে গেছে ইছামতি নদী। আজ অবশ্য কোন নদীই আর তেমন উত্তাল নয়। ইছামতিকে তো এখন আর খালও বলা যাবে না। বদ্ধ জলাশয় ছাড়া আর কিছু না। পোড়া বাড়ি যেমন শ্রীহীন হয়ে পড়ে ঠিক তেমনই। পদ্মা সারা বছর থাকে এক রাশ বালু বুকে নিয়ে শুধু আষাঢ়শ্রাবণ মাসে ফিরে পায় তার ফেলে আসা হারানো যৌবনের কিছুটা ছোঁয়া। প্রাচীন শহরের আর সেই প্রাচীন রূপ নাই। নাই কোন খেলার মাঠ। নাই কোন ফলের বাগান। কৃষি জমিও এখন আর তেমন নাই। এখন শুধু চারিদিকে বড় বড় বিল্ডিং আর শপিং মল, বড় বড় দোকানপাট। সব কিছু যেন অনেক দ্রুত পাল্টে গেছে। মানুষরাও তার সাথে পাল্লা দিয়ে পাল্টাচ্ছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অশোকবিজয়

eliminate-the-state-2লেখার জন্য ভাবনার প্রয়োজন পড়ে, আবার ভাবনা ব্যক্তিক বোধ দ্বারা তাড়িত হয়, যে কারণে সকল তাড়না লেখা হয়ে ওঠে না এবং সিংহক্ষেত্রে, বেপর্দা তাড়নায় হওয়া লিখাগুলো সুঠাম শক্তিমান না থেকে হয়ে পড়ে অক্ষর স‍‍র্বস্ব এই অক্ষরসর্বস্বতা সকল দশকেই কালের শরীরে রঙিন জরির মতো, ভীষণ চমকানো সত্য কিছু তাড়না অনেক ক্ষেত্রেই বোধের সুকুমার অবস্থা তথা শিল্পের বলয় ভেদ করতে না পারায় ভাবনাকে প্রভাবিত করে না ভাবনাহীন লিখায় তাড়নার যে স্বরূপ, তাকে বলে আবেগ। আবেগ হচ্ছে এমন একটি গুণ, যা মানুষকে মানবিক, অমানবিক এবং অতিমানবিক এই ত্রিবিধকল্পে পৃথক করে রেখেছে যেকোনো যন্ত্রসত্তা, জন্তুসত্তা এবং অদৃশ্য কল্পনাতুর নালৌকিক সত্তা থেকে ব্যক্তিক ভাব হচ্ছে সেই গূঢ় আদিগুরু, যা থেকে সমস্ত ভাবনার প্রকাশ ও বিকাশ এবং আবেগ হচ্ছে সেই ভাবসঞ্জাত দূরাতিক্রম্য গুণ। আবেগের স্বরূপ একই নয়; পাত্রভেদে এর বিভিন্নতায় স্থানিক প্রভাব থাকে, সময়সঞ্জাত কালিক অভিজ্ঞতার পরিমিতিবোধ থাকে এবং নি‍‍র্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ে আবেগের প্রকাশ সময়ের তারতম্যে বিভিন্ন হয়ে থাকে। ভাবনার ক্ষেত্রে ভাবসঞ্জাত তাড়িত আবেগকে ডিমাউন্ট করতেই প্রাথমিক কথাগুচ্ছের অবতারণা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাসুদ রানা

Prochod -vabbudbudস্বাধীনতা অর্জনের কয়েক দশক পেরিয়ে গেল না পেলাম অর্থনৈতিক মুক্তি, না পেলাম রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি। যেখানে দিন দিন এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, সেখানে প্রতিনিয়ত অবনতির কড়াল গ্রাসের মতো পিছনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। দেশ, সমাজটা যেন জৌলসে অনেক উন্নতি করেছে। আগের চেয়ে রাস্তাঘাট, অফিসআদালত, দালানকোঠা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু মানুষের হাহাকার কমেনি, বরঞ্চ তা বেড়েছে বৈকি! এসবের পাশাপাশি আমাদের দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক সঙ্কট আরো বেশি ঘনীভূত হয়েছে এবং হচ্ছে। এসব সঙ্কটের রূপ আরো গভীরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া কোনো উপায় খুঁজে পাওয়ার সুযোগ নেই। আপাত অর্থে আমাদের দেশ পরিচালনাকারী রাজনৈতিক দল, রাজনীতিবিদরা এ সঙ্কটের জন্য মূলগতভাবে দায়ী। কিন্তু এসবের পাশাপাশি রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিকভাবে সাহায্যসহযোগিতা করেছে আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা। বুদ্ধিজীবীরাই মূলত সাংস্কৃতিক সঙ্কটের জন্য এককভাবে দায়ী। এরাই আমাদের সাহিত্যসংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করেছেন। প্রগতিশীল ভেকধারী তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরাই এ সঙ্কটের তৈরি করেছেন, বললে অত্যুক্তি হবে না। এসব বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে আহমদ ছফা বলেছেন

যাঁরা মৌলবাদী তারা শতকরা একশো ভাগ মৌলবাদী। কিন্তু যাঁরা প্রগতিশীল বলে দাবী করে থাকেন তাঁদের কেউ কেউ দশভাগ প্রগতিশীল, পঞ্চাশ ভাগ সুবিধাবাদী, পনেরো ভাগ কাপুরুষ, পাঁচ ভাগ একেবারে জড়বুদ্ধিসম্পন্ন। (সাম্প্রতিক বিবেচনা বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

rajan-murder-2015রাজন নামের শিশুটিকে খুচিয়ে খুচিয়ে মারা হলো সেটা আবার ভিডিও করা হলো ভিডিওটি আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হল। এই পুরা কর্মপ্রক্রিয়ার পেছনে যাদের কারো না কারো বুদ্ধি শ্রম পরিকল্পনা কাজ করেছে। তিনি একটা ঘটনা নির্মাণ করে চলেছেন, তিনি নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন। এই সব ঘটনা পরম্পরায় পরিকল্পনাবিদের পরিকল্পনা দ্রুত কাজ করে চলেছে। সাম্প্রতিক অপরাধ বিজ্ঞানের ভাষায় অপরাধ ঘটানোর ক্ষেত্রে নবীন অপরাধী তার নিকটতম প্রবীন অপরাধকে ফলো করে ভেবে দেখে তার স্থান কোথায়। যখন হরহামেশা একই ধরণের অপরাধ ঘটতে থাকে। তখন নবীন অপরাধী নিজেকে আর একা ভাবেনা সে বৃহৎ এক অপরাধী সমাজের সভ্য বলে মনে করে তখন নিজেকে। (বিস্তারিত…)


atheism-1লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

নিজের মতবাদ বা স্বোপার্জিত সত্যের জন্য জীবন বরবাদ করে ফেলা জ্ঞানীগুণীদের মধ্যে সক্রাতেসের নাম সর্বাগ্রে। এদের মধ্যে যিশু জেনো গ্যালেলিও হাইপেশিয়াসহ আরো অনেকেই আছেন। আমাদের দেশে সম্প্রতি জ্ঞানবিজ্ঞানের চর্চা বেড়েছে বা বাড়ছে এরই প্রমাণ একে একে হুমায়ুন আজাদ, ব্লগার রাজিব বা হালে অভিজিত রায়ের হত্যা। সক্রাতেস প্রথাগত সমাজের সঙ্গে তর্ক করে বুঝতে চেয়েছিলেন যে, সমাজ কতটুকু পিছিয়ে আছে। আসলে সক্রাতেসের সব তর্কের পেছনেই আছে মানুষের মঙ্গল চিন্তা। প্লাতনের মাধ্যমে যেই সক্রাতেসকে আমরা বুঝি, তিনি আগাগোড়াই একজন ইন্টেলেকচুয়াল বা বিদ্বজ্জন। সব বিষয়আশয় নিয়েই তিনি চিন্তাভাবনা করেছেন। কিন্তু গতানুগতিকতার স্রোত থেকে এরপর আলাদা করেছেন নিজেকে। কিন্তু অন্যসব মানুষ সক্রাতেসের মতো চিন্তায় এগিয়ে যেতে পারেননি। ফলে সক্রাতেস ক্রমাগত তাদের কাছে আলাদা হতে হতে তাদের অপরে পরিণত হন। তিনি একা হয়ে যান। তার চিন্তাজগতের আশপাশে সাধারণ মানুষ নেই। যদিও তিনি সাধারণের জন্যই চিন্তা করেছেন। এমনকি আমজনতার অধিকারের কথা ভেবে সারাজনম ব্যয় করা কার্ল মার্কসের প্রলেতারিয়েতরাও মার্কসবাদী নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্টেফানি ম্যাকমিলান

অনুবাদ: মো. সুলতান মাহমুদ

hammer and sickleএকটি সমাজের সংগঠনে (উৎপাদন প্রক্রিয়ায়) পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে উত্তরণ ঘটতে পারে কেবলমাত্র তখনই যখন শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে সাধারণ মানুষ পুঁজিবাদীদের অপসারণ করে সমাজের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নেবেরাজনৈতিক ক্ষমতা এবং উৎপাদনের উপায় (ফ্যাক্টরি, সম্পদ ইত্যাদির) এ দুয়ের দখলদারিত্বই এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। সমাজ কিভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন খাদ্য, কাপড়, বাসস্থান, জ্বালানী, পরিবহণ ইত্যাদি উৎপাদন ও বণ্টন করে এবং কারা এই প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, এর দ্বারা উৎপাদন প্রক্রিয়াসমূহ ও তাদের মধ্যকার পার্থক্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ওমর শামস

protest-poetry-1মানুষের ন্যায়সততা যতো পুরোনো, অন্যায়ও ততো পুরোনো। এবং ইতিহাসে তা ঘুরেঘুরে চলেছে। স্বাভাবিকভাবে, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার অনুভূতিকে মানুষ প্রকাশ করে এসেছে আগেও, এখনো। ব্যাক্তিগত অন্যায় এক জিনিশ, আর দলগত, সমাজগত, রাষ্ট্রগত অনৈতিকতা আরেক মাত্রার ব্যাপার যাতে আমরা সমষ্টি হিশেবে আক্রান্ত হই। কবিতা যেহেতু অনুভূতি প্রকাশের ক্রিয়াশীল মাধ্যম, অন্যায়ের প্রতিবাদে, রাজনৈতিকসাংগঠনিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ধর্মাচ্ছদনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কবি ও কবিতার প্রতিবাদ তো হবেই। ইতিহাস ও অর্থনীতির বিশ্লেষণে মার্ক্সবাদের ভিত্তিভূমি তৈরী হওয়ায়, পৃথিবীর রাজনীতি বিশ শতকে এসে কাপিটালনীতিতে তাড়িত হওয়ায়, কম্যুনিজমে পার্টি স্বৈরতন্ত্র হওয়ায়, গণতন্ত্রর বিফলতায়, উন্নত ও অনুন্নত দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বিভাজন থাকায়, দেশজনতা ভেদে ক্ষমতার স্তরীকরণ থাকায় প্রায় অরাজনৈতিক কবির পক্ষেও অন্যায়বিরোধী উচ্চারণ একেবারে এড়িয়ে যাওয়া মুশকিল। নিরঙ্কুশ বিশুদ্ধতাবাদী রসিকরা সব কালেই ছিলেন, আছেন যাঁরা কবিতার প্রদেশ থেকে সামাজিক উচ্চারণকে নির্বাসন দিলেই স্বস্তি বোধ করেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দোলা আহমেদ

art-22আমি কে! আমি নিজেই আজ জানি না

কি যে নাম!আমি আজ জানি না

বিভিন্ন রাতে আমার নিত্য নতুন নাম হয়

বিভিন্ন মানুষের কাছে…….

যে সমাজের মানুষের কাছে যে নামে আমায় চায় তারা

আমি সে রাতে তাই….. (বিস্তারিত…)