Posts Tagged ‘সংস্কৃতি’


মূল: অ্যালান এডগার

অনুবাদ: কামরুল ইসলাম ঝড়ো

আমি সেই সময়টায় জনবসতি থেকে বহুদূর স্কটিশ হাইল্যান্ডের কেয়ার্নগর্ম পাহাড়ী এলাকার মাঝামাঝি স্থানে ঘোরাঘুরি করছিলাম। দেখলাম একদল মানুষরূপী প্রাণী আমার দিকে এগিয়ে আসছে। বুঝতে পারলাম ওরা ভিন গ্রহের। ওদের প্রত্যেকেরই কান স্টার ট্রেকের মি. স্পকের মতো খাড়া খাড়া। ওরা যখন আমার সামনে এসে পড়ল, তখন তাদের একজন বলে উঠল, “শুভেচ্ছা, আর্থলিং!” পৃথিবীর বাসিন্দাদেরকে ওরা ‘আর্থলিং’ বলে। আরেকটা বিষয় হলো, কোনো সাধারণ মানুষ তাদের মতো করে কথা বলে না। “আমরা মহাকাশ থেকে তোমাদের জন্য অভিবাদন নিয়ে এসেছি!’’ সৌভাগ্যবশত আমি প্রতিটি কথাই বুঝতে পারলাম, কারণ পৃথবীতে যে ছয় হাজার ভাষায় কথা বলা হয়, তারা তার একটা ভাষাই শিখেছে আর সেটাই আমি জানি। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

একেকজন কমরেড শহীদ হওয়ার খবর আসে

কেঁদে উঠে মন

তবু চোখ কাঁদে না

শ্রেণীসংগ্রামে জীবন বিসর্জন

এটাই তো তাঁরা চেয়েছিলো (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

অন্ধমূকবধির নাকি?

অথর্ব বোধহয়

লোকে তাই ভেবেছিল;

লাথি মেরে ফেলেছিল।

কিন্তু তার যে সাড় আছে!

মৃত তো নয়, কাটলে যে

তারও রক্ত বেরোয়! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: এম.এম. হাওলাদার

.

মায়ের কোলে রাখলে মাথা

কার ইশারায় খবরদারি?

মায়ের ভাষায় বলতে মানা

কোন নিয়মে হুকুম জারি?

.

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি,

শহীদ মিনার কাঁদছে কেন?

রফিকসালামবরকতেরা

প্রাণ দিয়েছেন বৃথাই যেন! (বিস্তারিত…)


মূল: হেদার বল

অনুবাদ: কামরুল ইসলাম ঝড়ো

[হেদার বল একজন অত্যন্ত সমাজসচেতন লেখিকা। তিনি ১৯৩৩ সালে লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বড় হন। প্রায় ১৭ বছর আগে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এটি তাঁর বিখ্যাত ‘ম্যাডনেস’ গল্পের অনুবাদ]

—————————————

সম্প্রতি আমার এক ডাক্তারকে দেখাতে গিয়েছিলাম। তিনি তার অভ্যর্থনা ডেস্কেই বসলেন। তার পাশে রাখা চেয়ারটায় আমি বসলাম। আমার আগেকার স্বাস্থ্যসম্পর্কিত পরীক্ষার রিপোর্ট ও ব্যবস্থাপত্রগুলো তাঁর সামনেই ছিল। ডাক্তারের এক চোখ আমার দিকে এবং অন্যটি ওই কাগজপত্রের ওপর।

আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তা বলুন, এখন কী সমস্যা?”

বললাম, “আমি মনে হয় পাগল হয়ে যাচ্ছি।”

তিনি একটা পাতা উল্টালেন। বোধ হলো তিনি খুঁজছেন আমার আগে কখনও পাগল হবার ইতিহাস আছে কিনা। “তাই,” তিনি তাঁর আসনটার পেছন দিকে সরে বসলেন। জানতে চাইলেন, “কী কারণে আপনার এরকম মনে হচ্ছে? পৃথিবীর কোন জিনিসটা আপনাকে পাগল বানাচ্ছে?” আমি তাকে বললাম যে, পৃথিবীর সব কিছুর জন্যই আমার এরকম মনে হচ্ছে। তিনি অস্বস্তিবোধ নিয়ে ডেস্ক থেকে উঠে তার চেয়ারে গিয়ে বসলেন। “একটু নির্দিষ্ট করে বলবেন কি?”

হ্যাঁ,” আমি বললাম, “মানুষ মানুষকে মারছে, একভাবে না হয় অন্যভাবে, দূষণ, অপুষ্টি…” (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

সহযোগিতায়: আবিদুল ইসলাম

কোনো সমাজের উৎপাদনব্যবস্থার সঙ্গে তার শিক্ষাব্যবস্থা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তা সমাজের মেরুদণ্ড স্বরূপ। সমাজ বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সেই সমাজের শিক্ষাব্যবস্থাও বিকশিত হয়। উৎপাদনব্যবস্থা যদি গণমুখী হয়, তবে শিক্ষাব্যবস্থাও হবে গণমুখী। অপরদিকে, যদি এই উৎপাদনব্যবস্থা গণমুখী না হয়, তবে শিক্ষাব্যবস্থাও হবে তার অনুরূপ। কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদপীড়িত বাংলাদেশের উৎপাদনব্যবস্থা নয়াঔপনিবেশিক হওয়ায়, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাও ক্রমেই কর্পোরেট পুঁজি ও সাম্রাজ্যবাদের কাছে নতি স্বীকার করেছে ও করছে। যার মূল উদ্দেশ্য কেবলই মুনাফা অর্জন, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ আর কর্পোরেট দাস উৎপাদন। এই ব্যবস্থা ক্রমেই মানুষকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক করে তোলে, যা শাসকশ্রেণী এবং কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করে। এর সঙ্গে মিশেছে কর্পোরেট সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিকৃতি। এই শিক্ষাব্যবস্থার ফলে দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। এই শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় পাশ করতেই শেখাচ্ছে, নৈতিক গুণাবলী বৃদ্ধিতে যার ভূমিকা প্রায় শূন্যের কোঠায়। ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে দিনদিন আত্মকেন্দ্রিকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাদের মামাটিমানুষ নিয়ে ভাবনার চেতনাটুকুও অবশিষ্ট থাকে খুব সামান্যই। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি নয়া কর্পোরেট মোড়কে গ্রাস করেছে ও করছে আমাদের সংস্কৃতিকে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অর্ক দীপ

তোর জিভ এখনো ঠাণ্ডা মাংস হয়ে যায়নি

তোর গলা এখনো তলিয়ে যায়নি কাফনের অন্ধকারে।

অজস্র লাথি তোর শরীরে কামড় বসিয়ে গেছে,

তবু তুই বুকে হাঁটিস না,

আগাছার ময়দানে তুই এক টুকরো ঘাস জমি।

শেষ কয়েকটা কয়লা এখনও নিঃশ্বাস ফেলছে

যে কটা হাতুড়ি আছে,

তৈরি

প্রত্যাঘাত নিয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অর্ক দীপ

ভোরের আকাশ জোড়া একগাদা অন্ধকার,

গোটা শরীরে রাত্রির দগদগে

ক্ষত।

এতদিন যার অপেক্ষায় রাত্রিযাপন

সেই সকাল আসেনি,

সেই সকাল এখনো অধরা

যার খোঁজে

অজস্র শরীর

কাফন মুড়েছিল।

হারিয়ে গিয়েছিল

পৃথিবীর রক্তাক্ত মরূদ্যান জুড়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: রক্তিম ঘোষ

কাল পাহাড়ি আগুন শিখা রামধনু যার চোখের কোণে

খুনসুটি আর চিতার দহন, স্মৃতির হিসেব বিজ্ঞাপনে

চোখের জলের কোনটা হিসাব কাল কুয়াশার আবছায়াতে

শুকনো মরুর কোন প্যাপিরাস নক্সা সাজায় নীলের খাতে?

ধূসর বিকেল সন্ধ্যেবেলা সন্ধ্যা তারার অংক বদল (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সাঞ্জু কেয়া

কতো পাগল তুমি, কতো প্রাণচঞ্চল,

কতো স্বপ্ন তোমার

কতো বাসনা, কতো হতাশা, কতো উচ্ছ্ব্বাস,

কতো বেদনা তোমার।

তুমি গান ভালবাসো

ভালবাসো বিপ্লব

এই ভালবাসার দৌরাত্ম্যে আমি অনেক অনেক পিছিয়ে। (বিস্তারিত…)