Posts Tagged ‘সংগ্রাম’


লিখেছেন: নীলিম বসু

ambedkar-marxএই উপমহাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে বর্ণব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাসটাও অনেক পুরনো। চার্বাকদের ধ্বংস করেছিল ব্রাহ্মণ্যবাদীরা, চৈতণ্যের আন্দোলন, গৌতম বুদ্ধের ভাবধারাকে অঙ্গীভূত করে নেয় এই ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থা। ফুলে দম্পতি ও পেরিয়ারের সংগ্রাম এই ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। মূলত পেরিয়ারের আন্দোলন দক্ষিণ ভারতে এক গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে যায় ও ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দ্রাবিড় আত্মমর্যাদার আত্মপ্রকাশে পেরিয়ারের সংগ্রাম ও ভাবধারার গুরুত্ব অস্বীকার করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ড. বাবাসাহেব আম্বেদকরের ভাবধারায় গড়ে ওঠা সংগ্রাম এই সমস্ত সংগ্রামগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দলিত আন্দোলনের পরিসরে একটি মোড়। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অজয় রায়

খাদ্য ও ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে গ্রিসে। ঘনাচ্ছে মানবিক সঙ্কট। দেশটিতে আত্মহত্যার হারও বেড়ে গেছে ৩৫ শতাংশ।[] আর বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশ। তরুণসম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে কর্মহীনতা ৫০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।[] এর মধ্যেই গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সিপরাস গত ২০শে আগস্ট পদত্যাগ করে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা করেছেন। স্পষ্টতই আরও কঠোর ব্যয়সঙ্কোচনের পদক্ষেপ রূপায়ণের লক্ষ্যে এক নতুন রাজনৈতিক কাঠামো খাড়া করার এটা একটা কৌশলী চাল। সিপরাসের পিছনে ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও মদত রয়েছে বলে খবর। তবে যেটা লক্ষণীয়, এর পরেই সিরিজা পার্টি বিভক্ত হয়ে পড়েছে। আর গঠিত হয়েছে পপুলার ইউনিটি পার্টি। যাতে যোগ দিয়েছেন সিরিজা পার্টির বিদ্রোহী ২৫ জন সাংসদ। আসনসংখ্যার নিরিখে বর্তমান সংসদে নতুন দল পপুলার ইউনিটি পার্টির অবস্থান তৃতীয়। এদিকে সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, গ্রিসে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন হতে পারে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

[কম. নির্মলদা (অজিতদা)-কে মনে রেখে]

.

world-to-winজেগে থাকে রুগ্ন গাছ, ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদ

উপদ্রুত অঞ্চল, ত্রস্ত জনপদ

স্মৃতির এলবাম জুড়ে বিষণ্ন বিকেল

রাতঘুমে অনিবার্য ছন্দপতন। (বিস্তারিত…)


chotrodhor-1

(উৎসর্গ: ছত্রধর মাহাতো, সুখশান্তি বাস্কে, সাগর মুর্মু, শম্ভু সোরেন, রাজা সরখেল, প্রসূন চ্যাটার্জী)

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

এখনও তোরা ওদের বুকে কাঁপন ধরাস

তোদের জন্য বরাদ্দ তাই লোহার খাঁচা

এখনও মানুষ শপথ নিলো তোদেরই নামে

স্বপ্ন দেখার স্পর্দ্ধা নিয়ে প্রবল বাঁচার (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

kabir-suman-3শব্দগুলো আসলে বোমা কিম্বা বুলেট নয়, তারা বরং ছোট ছোট পুরস্কার, আর সেই পুরস্কারের একটা অর্থ ও তাৎপর্য থাকে। কথাগুলো ফিলিপ রথএর। শাসক যখন কাউকে কোনও পুরস্কার দেন, তখন তা নিছক সম্মান জানানোর জন্যে নয়, এর বাইরেও তার আর একটা নিগূঢ় অর্থ থেকে যায়। উনিশ শতকে ঔপনিবেশিক বাংলায় যখন ব্রিটিশ সরকার কাউকে রায়বাহাদুর, সিআইই, কেসিআইই প্রভৃতি খেতাব দিতেন তখন তা কি নিছক সম্মানজ্ঞাপক ছিল? কোনওনাকোনোভাবে রাজস্বার্থের সেবাপরায়নতার পুরস্কার ছিল এগুলি। যার জন্যে দেখা যায় পুরস্কার বা সম্মাননা সকলেই পাননা, কেউ কেউ পান। অনেক লেখক সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, অনেকে যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও পাননি। এই কেন পাননি প্রশ্নের উত্তর নিহিত থাকে একটি নির্দিষ্ট রাজনীতির মধ্যে। (বিস্তারিত…)


abstract-art-soul-wave-2

লিখেছেন: স্বপন মাঝি

ভেবনা, তোমরা একা;

অন্ধকারে।

মিথ্যের মায়াজালে তোমাদের আটকে

শাসকগোষ্ঠীর এ খেলা

নূতন কিছু নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্বপন মাঝি

abstract-art-painting-51রাষ্ট্রদ্রোহীরা সক্রিয় ছিল, আছে বলেই এখনো বাগানে ফুল ফোটে;

এখনো পাখীরা গান গাইবার পারে।

রাষ্ট্রদ্রোহী হয়েছিল বলেই,

মানুষ আদিম শিকল ছিড়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছিল।

দ্রোহী হতে পেরেছিল বলেই,

দ্রোহের আগুনে এখনো রাজপথ মাতিয়ে রাখে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নীলিম বসু

narendra-modiএই লেখা যে সময় লিখছি তখন ছত্তিশগড়ে সালয়া জুড়ুমের নবপর্যায় ঘোষিত, মুম্বাইতে এক বহুজাতিক হীরে রপ্তানী সংস্থায় চাকরির আবেদন করে এক মুসলমান প্রার্থী জবাব পেয়েছেন যে, ঐ কোম্পানী শুধু অমুসলমান নাগরিকদের চাকরি দেয় (যদিও এই নিয়ে সংবিধান অবমাননা, এফআইআর, কোম্পানীটির মধ্যে দায় এড়ানোর নাটক চলছে), দেশের দুটি রাজ্যে গোরু হত্যা নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে একটা বড় অংশের নাগরিকের রুটিরুজি ও খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করা হয়ে গেছে, নিহত হয়েছেন কুসংস্কারবিরোধী আন্দোলনের কর্মী, গত ১ বছরে ঘটে গেছে কমবেশি ৫০০টি ছোটো বড় সাম্প্রদায়িক হিংসা (পড়ুন সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমন), সংখ্যালঘু নিধনে অভিযুক্তরা বেকসুর খালাস পেয়েছেন কোর্ট থেকে, ‘ঘর ওয়াপসী’ নামক এক বিশাল ধর্মান্তকরণ কর্মসূচী দেশজুড়ে চলমান ইত্যাদি। এর সাথে ভারতের লোক দেখানো সংসদকেও এড়িয়ে গিয়ে অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে শাসক দলের ইচ্ছা অনুযায়ী আইন তৈরির এক ধারাবাহিকতা দেখা যাচ্ছে, বিপ্লবী আন্দোলন দমনে সেনা নামানোর হুঙ্কার শোনা যাচ্ছে, গুজরাটে জারী হয়েছে ঘৃণ্য কালা কানুন (যা আজ বা কাল আমরা কেন্দ্রীয় স্তরেও দেখতে পাবো)। কর্পোরেট ও রাষ্ট্রের হাত মেলানোর প্রমান কেন্দ্রীয় বাজেট (কৃষিতে ব্যয় বরাদ্দ কমানো, ১০০ দিনের কাজের মতো সামাজিক প্রকল্পগুলিতে যেটুকু ব্যয় বরাদ্দ ছিল, তাও কমিয়ে একই সাথে কর্পোরেট বেল আউটে বরাদ্দবৃদ্ধি ও গ্রামীন সামন্তশ্রেণীর বহুদিনের দাবী মেটানোর মাধ্যমে রাষ্ট্রের আধাসামন্ততান্ত্রিক আধাঔপনিবেশিক চরিত্রকে শক্তিশালী করার বাজেট) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নীলিম বসু

Modi-1ক্ষোভ, যন্ত্রণা, হতাশা,রাগ অনেক জমে আছে এই দেশটায়। হিন্দু ফ্যাসিবাদী শক্তি সেগুলো গড়ে ওঠার জন্য দায়ী নয় কোনোভাবেই। আসাম্যমূলক শোষক সমাজে সেগুলো থাকবেই। সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে তার স্বাভাবিক গতিপথকে পালটে দিয়ে অসাধারণ ধৈর্য্য, কৌশল, চাতুর্য্য ও নৈপূণ্যের সাথে হিন্দু ফ্যাসিবাদীরা নিয়ে যাচ্ছে এক বিকৃত ও মিথ্যা অহংকারের দিকে দেশটাকে। যে দেশের জনগণের ৮০% দিনে ২০ টাকার চেয়ে বেশি খরচ করতে পারে না, যে দেশের জনগণ ক্রমাগত উচ্ছেদ হচ্ছেন বা হওয়ার জন্য দিন গুনছেন তাঁদের বাসভূমিসংস্কৃতিভাষাজীবিকা থেকে তাঁকে একটা কিছুর গর্বে তো গর্বিত করে তুলতে হবে, না হলে কিভাবে জুটবে সস্তা শ্রম, বিশাল বাজার, অনিয়ন্ত্রিত মুনাফা! তাই সেই গর্ব হোক এমন কিছুর, যা সে ব্যক্তিগত বা সমবেত প্রচেষ্ঠায় কোনোভাবেই অর্জন করতে পারবে না; এমন কিছু, যা কাল্পনিকধূলোমাটির থেকে বহু দূরের, অলিক। এই অবাস্তব গর্বের খুড়োর কল এই দেশে গড়ে তুলছে এক রণক্ষেত্র। যে রণক্ষেত্রে শ্রেণীবন্ধুরাই অস্ত্র ধরেন শ্রেণীবন্ধুদের বিরুদ্ধে। মনে পড়ে ২০০২ গুজরাট? যেখানে দেশের তৃতীয় দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিলেন দেশের দরিদ্রতম দুই জনগোষ্ঠী দলিত ও আদিবাসীরা? যে গুজরাটে হাজার বছর ধরে উচ্চবর্ণ, তথা হিন্দু ব্রাহ্মণ্যবাদীদের হাতে শোষিত, অবহেলিত, বঞ্চিত দলিতআদিবাসীরা তাঁদেরই শোষকদের নির্দেশে নেমে পড়েছিল মুসলিম নিধনে। দায় কার? এ তো আমরা ১৯৩০এর জার্মানি থেকে দেখে আসছি যে, কমিউনিস্টরা বাস ধরতে না পারলে, সেই বাসে উঠে নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছতে চায় ফ্যাসিবাদিরা। কোথাও রাইখস্ট্যাগ পোড়ে, তো কোথাও সবরমতি এক্সপ্রেস কোথাও আর্য শ্রেষ্ঠত্বের শ্লোগান, তো কোথাও হিন্দুরাষ্ট্রের আওয়াজ, এই তো পার্থক্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: টিপু সুলতান

naxal-3একদিন তরাইর গান যখন

গর্জন হল মালভূমিতে দণ্ডকারণ্যে

তখন আমার শৈশব।

কিভাবে এই গর্জনের তালে তাল

মেলাতে হয় জানি না তখনও, (বিস্তারিত…)