Posts Tagged ‘শ্রেণী’


লিখেছেন: আনু মুহাম্মদ

[এই লেখাটি ১৯৮৬ সালে ‘সংস্কৃতি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। লেখাটির গুরুত্ব অনুধাবন করে তা পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে মঙ্গলধ্বনি’তে প্রকাশ করা হলো। লেখাটি মঙ্গলধ্বনি’র কাছে পাঠাতে সহযোগিতা করেছেন মাসুদ রানা ও আসাদুজ্জামান আল মুন্না।সম্পাদক]

পুঁজিবাদের উদ্ভব এবং বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকশ্রেণীর উদ্ভব এবং বিকাশ ঘটে। আবার তা থেকে জন্ম নেয় শ্রমিকশ্রেণীর রাজনৈতিক মতাদর্শ, জন্ম হয় তার হাতিয়ার শ্রমিকশ্রেণীর পার্টির। ১৮৪৮ সালে যখন ইউরোপে পুঁজিবাদ দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত; শ্রমিকশ্রেণীও একইভাবে যখন একটি শক্তি হিসেবে উদ্ভূত সেই সময়ই কার্ল মার্কস এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্টি ইশতেহারের মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে, শুধুমাত্র অর্থনৈতিক আন্দোলন করে মজুরী বৃদ্ধি করাই শ্রমিকশ্রেণীর ঐতিহাসিক দায়িত্ব নয়, তার মুক্তির পথ নয়। সমাজ বিকাশের ধারায় অগ্রসর মতাদর্শ ধারণ করে তাকে শোষণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থাই উৎখাত করতে হবে নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার পত্তন ঘটানোর দায়িত্ব তাঁদেরই। তাঁদের এবং মানব জাতির এটাই হচ্ছে মুক্তির পথ। এ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সমাজ বিপ্লব ঘটাতে প্রয়োজন হবে তাঁদেরই একটি সুসংগঠিত পার্টির। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অশোকবিজয়

eliminate-the-state-2লেখার জন্য ভাবনার প্রয়োজন পড়ে, আবার ভাবনা ব্যক্তিক বোধ দ্বারা তাড়িত হয়, যে কারণে সকল তাড়না লেখা হয়ে ওঠে না এবং সিংহক্ষেত্রে, বেপর্দা তাড়নায় হওয়া লিখাগুলো সুঠাম শক্তিমান না থেকে হয়ে পড়ে অক্ষর স‍‍র্বস্ব এই অক্ষরসর্বস্বতা সকল দশকেই কালের শরীরে রঙিন জরির মতো, ভীষণ চমকানো সত্য কিছু তাড়না অনেক ক্ষেত্রেই বোধের সুকুমার অবস্থা তথা শিল্পের বলয় ভেদ করতে না পারায় ভাবনাকে প্রভাবিত করে না ভাবনাহীন লিখায় তাড়নার যে স্বরূপ, তাকে বলে আবেগ। আবেগ হচ্ছে এমন একটি গুণ, যা মানুষকে মানবিক, অমানবিক এবং অতিমানবিক এই ত্রিবিধকল্পে পৃথক করে রেখেছে যেকোনো যন্ত্রসত্তা, জন্তুসত্তা এবং অদৃশ্য কল্পনাতুর নালৌকিক সত্তা থেকে ব্যক্তিক ভাব হচ্ছে সেই গূঢ় আদিগুরু, যা থেকে সমস্ত ভাবনার প্রকাশ ও বিকাশ এবং আবেগ হচ্ছে সেই ভাবসঞ্জাত দূরাতিক্রম্য গুণ। আবেগের স্বরূপ একই নয়; পাত্রভেদে এর বিভিন্নতায় স্থানিক প্রভাব থাকে, সময়সঞ্জাত কালিক অভিজ্ঞতার পরিমিতিবোধ থাকে এবং নি‍‍র্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ে আবেগের প্রকাশ সময়ের তারতম্যে বিভিন্ন হয়ে থাকে। ভাবনার ক্ষেত্রে ভাবসঞ্জাত তাড়িত আবেগকে ডিমাউন্ট করতেই প্রাথমিক কথাগুচ্ছের অবতারণা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

naxal-movement-321আজকের পৃথিবীতে সকল সংস্কৃতি, সকল সাহিত্য ও সকল শিল্পই বিশেষ শ্রেণীর সম্পত্তি এবং বিশেষ রাজনৈতিক লাইন প্রচার করাই তার কাজ। শিল্পের জন্য শিল্প, শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে অবস্থিত বা রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন ও স্বাধীন শিল্প বলে আসলে কিছুই নেই। প্রলেতারীয় সাহিত্য ও শিল্প হচ্ছে সমগ্র প্রলেতারীয় বিপ্লবী লক্ষ্যেরই একটি অংশ; লেনিনের ভাষায় তা হচ্ছে বিপ্লবী যন্ত্রেরই দাঁত এবং চাকা। (শিল্প ও সাহিত্য প্রসঙ্গে মাওয়ের ইয়েনানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে গৃহিত) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:মাসুদ রানা

পরিচয়

farhad-mazhar-6অজ্ঞতা আমার! পড়া হয়নি। তবে, পড়ুয়া বন্ধুদের কাছে শুনেছি, ইসলামী জিহাদই আজকের যুগে শোষিতের শ্রেণী সংগ্রাম বলে তত্ত্বায়ন করেছেন বাংলাদেশী বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার। শুনেছি, তত্ত্ব চ্যালেইঞ্জ করার মতো ক্ষমতা নাকি মার্ক্সবাদী শ্রেণীসংগ্রামীরাও দেখাতে পারেননি।

আরও শুনেছি, তাঁর বিরুদ্ধে বুদ্ধিতে ও যুক্তিতে না পেরে, কেউকেউ নাকি ইতর ভাষায় গালাগাল করেন তাঁকে। তবে একথা শুনে চমৎকৃত হয়েছি যে, গালাগালের উত্তর দেন না মজহার। শ্রদ্ধাবনত আমি বলি, এটি মহত্ত্বের পরিচয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

garments-10সম্রাট অশোকের সময়কার একটি প্রচলিত মিথ ছিলো এমনসম্রাট একদিন বিশাল আকৃতির একটা ষণ্ডকে চিকন দড়ির চিকন ছোটখাটো একটা খুঁটির সাথে বাঁধা দেখে জিজ্ঞেস করলেন ‘তুমি এই সামান্য দড়ি ছিড়ে সামান্য খুঁটি উপড়ে মুক্ত হতে পারোনা?’ ষন্ডের উত্তরবিলক্ষণ পারি। এরচে ১০ গুণ শক্ত হলেও পারি, কিন্তু পারবোনা, কারণ এটাই নিয়ম।’ এই নিয়মকে একবিংশ শতাব্দীতে টেকনোলজিকাল এডভান্সমেন্টের যুগে, আরবানাইজড প্রগরেসমেন্টের জমানায় ‘সিস্টেম’ বলে। এই সিস্টেমে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে পাড়ার মুচি পর্যন্ত পাঁড় ধান্দাবাজ। অনেক ছয় কে নয় করে দেওয়া যায়। চিটেগুড়ের দোকানদার হয় এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীর মালিক, ভূষিমালের আড়ৎদার হয় আইটি এক্সপার্ট। এই সিস্টেমে ইয়া বিশাল সব অট্টালিকা হয়, আলিশান দালান হয় সাথে সাথে মেট্রোপলিটন সিটির বীভৎসতাও চোখের সামনে চলে আসে। এই বৈপরীত্য দেখে কুখ্যাত দেং জিয়াও পিং এর ‘কালো বিড়াল’ তত্ত্বের কথা মনে পড়ে। তিনি বলতেন, ‘বিড়াল সাদা না কালো তা দেখার দরকার নেই, শিকার করতে পারলেই হলো।’ তারই ছোঁয়া আজ বাংলাদেশে দেখি। নানাবিধ বৈদেশিক বাপেদের বদান্যতায়, টাকার গন্ধে নিমেষের মাঝে বাংলাদেশ বিশেষত ঢাকা বনে গেছে সম্পদ বানাবার ওয়ান্ডারল্যান্ড। কুৎসিত, কদাকার সব চিত্র সামনে প্রায়শই চলে আসলেও কোন অসুবিধা হচ্ছেনা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আর কতই বা সংকুচিত মননে অশ্রু বিসর্জন?

আর কতই বা নত মস্তকে আত্মসমর্পণ?

হ্যাঁ তাই, যা শুধু মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আলগা করে,

ক্ষণিক নয়, বরং প্রতিমুহুর্তেই …..

মুহুর্তগুলোও এখন অনেক বড় ঠেকে,

নৈশব্দের প্রতিধ্বনিতে ক্ষতবিক্ষত হয় আপনমন্দির!

সশব্দের তীব্র আস্ফালনে বেদীতে মাথা ঠোঁকাই টিকে আছে আজ অবধি!

ঠিক সেই সময়েই,

যখন একে অপরের স্রষ্টা’র মহিমায় রক্তগঙ্গা বয়,

যখন ঘটা করে ‘শ্রমিক দিবস’ হয় উদযাপিত

যখন রামরহিমের গলা কাটা পড়লেও কিছু যায় আসে না,

যায় আসে শুধু উঁচু উঁচু পদ ও ক্ষমতার ধারালো তীক্ষ্ণ অপব্যবহার! (বিস্তারিত…)


নকশাল দ্রোহে নারী

পুরো বইটি পড়ুন এখান থেকে

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/intro.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-01.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-02.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-03.pdf

(বিস্তারিত…)

মার্কসবাদী জ্ঞানতত্ত্ব :: মাও সে-তুঙ’এর “প্রয়োগ সম্পর্কে”

Posted: এপ্রিল 10, 2012 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

মার্কসবাদী জ্ঞানতত্ত্ব :: মাও সেতুঙএর “প্রয়োগ সম্পর্কে”, জ্ঞান ও প্রয়োগের মধ্যে, জানা ও করার মধ্যে সম্পর্ক প্রসঙ্গে (জুলাই, ১৯৩৭) হতে

সংকলন: থট রিডার

১। মানুষের সামাজিক অনুশীলন উৎপাদন কর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর বাইরেরও অনেক রূপ থাকতে পারে। শ্রেণী সংগ্রাম, রাজনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, শিল্পকলা ইত্যাদি।

২। শ্রেণী বিভক্ত সমাজে প্রত্যেকে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর সদস্য হিসেবে বাস করে, তাই ব্যতিক্রমহীনভাবে ব্যক্তির সব রকমের চিন্তাধারার উপরেই শ্রেণীর প্রভাব বিদ্যমান থাকে।

৩। মানুষের জ্ঞান ধাপে ধাপে নিন্মতর স্তর থেকে উচ্চতর স্তরে বিকাশ লাভ করে।

৪। মানুষের সামাজিক প্রয়োগই বহির্জগৎ সম্পর্কে মানুষের জ্ঞানের সঠিকতা যাচাইয়ের একমাত্র মাপকাঠি। সামাজিক প্রয়োগ হলোবৈষয়িক উৎপাদন, শ্রেণী সংগ্রাম, অথবা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষার প্রক্রিয়া ইত্যাদি।

৫। প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েই মানুষ তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং নিজের চিন্তাকে সংশোধন করে বহির্জগতের নিয়মের সাথে সংগতিপূর্ণ করে তোলে। “বিফলতাই সফলতার জননী।”

৬। লেনিন তাঁর ‘হেগেলের “যুক্তিশাস্ত্রের বিজ্ঞান”এর সংক্ষিপ্ত সার’ লেখায় বলেছেন, “প্রয়োগ (তত্ত্বগত) জ্ঞানের চেয়ে অনেক বড়, কারণ তার যে শুধু সার্বজনীনতার গুণ আছে তাই নয়, তাতে আছে আশু বাস্তবতার গুণও।” (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দেবাশীষ ধর

ভুল করেছি আমি তোমাকে খুঁজতে যেয়ে

বিমর্ষ গোলাপের গর্ভে আমাকে ফুটিয়ে

বহু দূর, বহু দূর হেঁটেছি ওই মেঘে ঢাকা

দুপুরের পথে পথে, বিরল নিশীথে

চুরূটের টানে অঘুম কেটেছে।

ভূল আমি করেছি তোমাকে জাগাতে যেয়ে

নিদ্রার বসন কেটে ভোরের সূর্য পেরিয়ে

ঘাসফুলের বুক জুড়ে অপেক্ষায় অন্ধকার

সেই সব স্বপ্নরা বৃষ্টিতে ভাসছে, তোমার

নির্বাক ঠোঁট দুটি অবুঝ বিকারগ্রস্থ

চোখ জোড়া সাদা ধুপের ঘন জটা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

আমি দুঃখিত নই, স্বাধীনতা দিবসের

শুভেচ্ছা আপনাদের জানাবোনা বলে,

আমি দেখি আমার ঘরের জানালার পাশে

এক চিলতে জায়গা নেই, আকাশ নেই।

আমি আকাশ দেখতে চেয়েছিলাম, পারিনি

ডেভেলপড সোসাইটিতে আকাশ থাকেনা

থাকে সুউচ্চ বিল্ডিং, আকাশ তাই নেই।

আমি ব্যাথিত নই, স্বাধীনতার শুভেচ্ছা

আপনাদের জানাতে আগ্রহী না বলে,

এই রাষ্ট্র কেবল মুসলমানদের বলে স্বীকৃত

সংবিধান আর কারো জন্য কিছু রাখেনি।

এই কবিতাটি যখন পড়ছেন জানবেন,

হিন্দু বলে বিসিএসে কেউ আটকে যাচ্ছে

আদিবাসী কিশোরী ধর্ষিত হচ্ছে, দিনের আলোতে। (বিস্তারিত…)