Posts Tagged ‘শিল্প’


লিখেছেন: রক্তিম ঘোষ

কাল পাহাড়ি আগুন শিখা রামধনু যার চোখের কোণে

খুনসুটি আর চিতার দহন, স্মৃতির হিসেব বিজ্ঞাপনে

চোখের জলের কোনটা হিসাব কাল কুয়াশার আবছায়াতে

শুকনো মরুর কোন প্যাপিরাস নক্সা সাজায় নীলের খাতে?

ধূসর বিকেল সন্ধ্যেবেলা সন্ধ্যা তারার অংক বদল (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সাঞ্জু কেয়া

কতো পাগল তুমি, কতো প্রাণচঞ্চল,

কতো স্বপ্ন তোমার

কতো বাসনা, কতো হতাশা, কতো উচ্ছ্ব্বাস,

কতো বেদনা তোমার।

তুমি গান ভালবাসো

ভালবাসো বিপ্লব

এই ভালবাসার দৌরাত্ম্যে আমি অনেক অনেক পিছিয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: এম.এম. হাওলাদার

সভ্যতার আগ্রাসন –

গ্রাস করে নেয়

সংস্কৃতিসাহিত্য।

ক্রমশ ধ্বংস করে

ইতিহাসঐতিহ্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: এম.এম. হাওলাদার

.

একটি প্রতিবাদী কণ্ঠকে

চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।

.

কিছু বুঝে ওঠার আগেই

চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে

জলপাইসবুজ হায়েনার দল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

এক.

তার আসল নাম ছিল ‘বিপদ তাড়ন’। সকলে কিন্তু তাকে ‘বিপদ’ বলে ডাকতো। কেউ কেউ আবার পিছনে তাকে ‘আপদ’ বলেও ব্যঙ্গ করতোসে যেদিন জন্মায়, সেদিনই তার বাবার কোম্পানির লকআউট উঠে যায়। লকআউটের সাত মাস বড় কঠিন দিন গেছে। কোম্পানির গেটের তালা আবার খুলে যাওয়ায় সবার মনে একটু স্বস্তি হয়েছিল কেন না, তখন তিনিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। জোড়া খুশির খবরে আনন্দিত হয়ে ঠাকুমাই নাতির নাম রেখেছিল ‘বিপদ তাড়ন’। (বিস্তারিত…)


abstract-oil-painting-1

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

জল কি কখনো মুছে দিতে পারে জন্মের দাগ?

আগুন কি পারে ছাই করে দিতে সব অনুরাগ?

.

কাগজ কি পারে বুকে লিখে নিতে বেদনার স্বর?

কলম কখনো খোঁজে কি বুকের চাপা অক্ষর?

.

আবেগ কি পারে জানাতে সকল গোপন কথা?

যুক্তি কি পারে ঘোঁচাতে মনের আদিখ্যেতা? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দোলা আহমেদ

pain-art-2প্রাচীন এক মফস্বল শহর। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে উত্তাল পদ্মা। শহরের বুক চিরে চলে গেছে ইছামতি নদী। আজ অবশ্য কোন নদীই আর তেমন উত্তাল নয়। ইছামতিকে তো এখন আর খালও বলা যাবে না। বদ্ধ জলাশয় ছাড়া আর কিছু না। পোড়া বাড়ি যেমন শ্রীহীন হয়ে পড়ে ঠিক তেমনই। পদ্মা সারা বছর থাকে এক রাশ বালু বুকে নিয়ে শুধু আষাঢ়শ্রাবণ মাসে ফিরে পায় তার ফেলে আসা হারানো যৌবনের কিছুটা ছোঁয়া। প্রাচীন শহরের আর সেই প্রাচীন রূপ নাই। নাই কোন খেলার মাঠ। নাই কোন ফলের বাগান। কৃষি জমিও এখন আর তেমন নাই। এখন শুধু চারিদিকে বড় বড় বিল্ডিং আর শপিং মল, বড় বড় দোকানপাট। সব কিছু যেন অনেক দ্রুত পাল্টে গেছে। মানুষরাও তার সাথে পাল্লা দিয়ে পাল্টাচ্ছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাসুদ রানা

Prochod -vabbudbudস্বাধীনতা অর্জনের কয়েক দশক পেরিয়ে গেল না পেলাম অর্থনৈতিক মুক্তি, না পেলাম রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি। যেখানে দিন দিন এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, সেখানে প্রতিনিয়ত অবনতির কড়াল গ্রাসের মতো পিছনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। দেশ, সমাজটা যেন জৌলসে অনেক উন্নতি করেছে। আগের চেয়ে রাস্তাঘাট, অফিসআদালত, দালানকোঠা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু মানুষের হাহাকার কমেনি, বরঞ্চ তা বেড়েছে বৈকি! এসবের পাশাপাশি আমাদের দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক সঙ্কট আরো বেশি ঘনীভূত হয়েছে এবং হচ্ছে। এসব সঙ্কটের রূপ আরো গভীরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া কোনো উপায় খুঁজে পাওয়ার সুযোগ নেই। আপাত অর্থে আমাদের দেশ পরিচালনাকারী রাজনৈতিক দল, রাজনীতিবিদরা এ সঙ্কটের জন্য মূলগতভাবে দায়ী। কিন্তু এসবের পাশাপাশি রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিকভাবে সাহায্যসহযোগিতা করেছে আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা। বুদ্ধিজীবীরাই মূলত সাংস্কৃতিক সঙ্কটের জন্য এককভাবে দায়ী। এরাই আমাদের সাহিত্যসংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করেছেন। প্রগতিশীল ভেকধারী তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরাই এ সঙ্কটের তৈরি করেছেন, বললে অত্যুক্তি হবে না। এসব বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে আহমদ ছফা বলেছেন

যাঁরা মৌলবাদী তারা শতকরা একশো ভাগ মৌলবাদী। কিন্তু যাঁরা প্রগতিশীল বলে দাবী করে থাকেন তাঁদের কেউ কেউ দশভাগ প্রগতিশীল, পঞ্চাশ ভাগ সুবিধাবাদী, পনেরো ভাগ কাপুরুষ, পাঁচ ভাগ একেবারে জড়বুদ্ধিসম্পন্ন। (সাম্প্রতিক বিবেচনা বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

naxal-movement-321আজকের পৃথিবীতে সকল সংস্কৃতি, সকল সাহিত্য ও সকল শিল্পই বিশেষ শ্রেণীর সম্পত্তি এবং বিশেষ রাজনৈতিক লাইন প্রচার করাই তার কাজ। শিল্পের জন্য শিল্প, শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে অবস্থিত বা রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন ও স্বাধীন শিল্প বলে আসলে কিছুই নেই। প্রলেতারীয় সাহিত্য ও শিল্প হচ্ছে সমগ্র প্রলেতারীয় বিপ্লবী লক্ষ্যেরই একটি অংশ; লেনিনের ভাষায় তা হচ্ছে বিপ্লবী যন্ত্রেরই দাঁত এবং চাকা। (শিল্প ও সাহিত্য প্রসঙ্গে মাওয়ের ইয়েনানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে গৃহিত) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

sindabader-galicha-1বন্ধুবর আহমদ জসিমের ‘সিন্দাবাদের গালিচা’ নামক গল্পগ্রন্থটি বেরিয়েছে এ বছরের একুশে বইমেলায়, অগ্রদূত পাবলিকেশন্স লিমিটেড থেকে। আমার জানামতে এটি তার দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ, এর আগে ‘যেভাবে তৈরি হল একটি মিথ’ নামে প্রথম বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১০ সালে তেপান্তর থেকে। বইয়ের প্রচ্ছদ সুদৃশ্য, ভেতরের ফ্ল্যাপে বইটি সম্পর্কে অকালপ্রয়াত সাহিত্যিক কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীরের দুয়েকটি কথা লেখা দেখে মনে বেদনাবোধ জাগ্রত হয়। জাহাঙ্গীর হঠাৎই গত ৭ মার্চ আমাদের ছেড়ে গেছেন না ফেরার দেশে।

বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারায় শিল্পীরা যা রপ্ত করেছেন তাহলো নৈর্ব্যক্তিকতার কৌশল। এখানে বলে নেয়া ভালো যে সাহিত্য সম্পর্কে আমার নিজের জ্ঞান অতি অল্প, আর সাম্প্রতিক লেখকদের গল্পকবিতাও আমি পড়েছি খুবই কম। আধুনিক লেখক বলতে এখানে যেটা বোঝাচ্ছি তার শুরু সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর হাত ধরে। ওয়ালীউল্লাহ থেকে শওকত ওসমান, হাসান আজিজুল হক, শওকত আলী, সৈয়দ শামসুল হক, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, শহীদুল জহির, মঈনুল আহসান সাবের, শাহাদুজ্জামান এদের কথাই বোঝাতে চাইছি কেননা তাদের সাহিত্যকৃতির সাথেই আমি কমবেশি পরিচিত। সাহিত্যের বিভিন্ন শৃঙ্খলার মধ্যে ছোট গল্প নির্মাণ আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন কাজ বলে মনে হয়। কেননা একটি সীমিত পরিসরে নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জীবনকে দেখা, মূল বক্তব্য সরাসরি প্রকাশ না করেও পাঠকের মধ্যে তার অন্তর্বস্তুটুকুকে চারিয়ে দেয়া এটা কোনো সহজ কথা নয়। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে গল্পের সারকথা বক্তব্য আকারে সামনে আনতে গেলে শুধু যে তা শিল্পগুণ হারায় তাই নয়, পাঠকের বোধজ্ঞানের ওপরও বলতে গেলে অবিচার করা হয়। (বিস্তারিত…)