Posts Tagged ‘শিক্ষক’


লিখেছেন: সুস্মিতা চক্রবর্তী

ru-movement-13সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক সূত্রে আমরা অনেকেই রাবির মাস্টার্সে অধ্যয়নরত মোঃ মনিরুজ্জামানকে জানি। দীর্ঘ বছর ধরে তিনি রিক্সা চালিয়ে তার পড়াশোনার ব্যয়ভার বহন করে চলেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি আরও একজন শিক্ষার্থীকে চিনি যিনি মনিরুজ্জামানের মতোই কষ্টার্জিত অর্থে বিশ্ববিদ্যালয়স্তরে তার লেখাপড়ার খরচ চালাচ্ছেন। এছাড়া, অসংখ্য শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও রয়েছেন যারা নিজের পড়াশোনার বাইরে দু’তিন ঘণ্টা করে টিউশনি করে তাদের মাসিক খরচ চালান। বিভাগীয় একজন সহকর্মী সেদিন কথাপ্রসঙ্গে জানালেন যে, তার গ্রামের একজন কলেজপিয়নের চারটি মেয়ে রাবিতে বিভিন্ন বিভাগে কষ্ট করে পড়াশোনা করছেন এবং ফলাফলও তারা যথেষ্ট ভালো করছেন। নিজেরা পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন আয়মূলক ছোটোখাটো কাজকর্ম করে লেখাপড়া চালাচ্ছেন। (বিস্তারিত…)


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০১৪

ru-movement-21গতকালের (৬ই ফেব্রুয়ারি ২০১৪) দৈনিক সমকাল পত্রিকায় “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: উস্কানিদাতা ৮ শিক্ষক চিহ্নিত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতি সারা দেশের সচেতন মানুষের, রাবিকমিউনিটির এবং বিশেষত আমাদের উদ্বিগ্ন দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। মুখেমুখে, সেলফোনে, সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে এবং আরও নানা মাধ্যমে আজ সারা দিন এ নিয়ে আলোচনা চলেছে, চলছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

২০১০এর আগস্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেতনফি বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে লাঞ্চিত হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আর পুলিশের হাতে। ঠিক তার এক বছর পর, অর্থাৎ, গত বছরের আগস্টের তিন তারিখ দেশের প্রধান জাতীয় দৈনিকের শিরোনাম, ছাত্রলীগের দুর্ব্যবহার, প্রক্টরসহ চার শিক্ষকের পদত্যাগপত্র জমা।’ এই যেন কিউবান বিপ্লবের জীবন্ত কিংবদন্তি ফিদেল কাস্ত্রো’র সেই উক্তিটাই আমাদের স্মরণ করিয়ে দিল, ইতিহাস আমাদের কাউকে ক্ষমা করবে না।’ ব্যাপারটা এমন নয় যে শিক্ষার্থীরা এই চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিল। আন্দোলন ছিল মূলত শিক্ষার বাণিজ্যিকায়ন, বেতনফি’র নামে শিক্ষার্থীর উপর নানাভাবে করের বোঝা আরোপ সর্বোপরি সাম্রাজ্যবাদী মহাজনি সংস্থা বিশ্বব্যাংকএর শিক্ষাকর্মসূচি বাস্তবায়নএর বিরুদ্ধে।

আন্দোলরত শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে আচরণ করেছে এই আচরণকে শাসকদল আওয়ামলীগের নেতা মাহামুদু রহমান মান্না তুলনা করেছিলেন উগাণ্ডার স্বৈরাশাসক ইদ আমিনের আচরণের সাথে। সেই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আচরণ আর ছাত্রছাত্রীর উপর পুলিশি নির্যাতন মিলিয়ে ন্যুনতম বিবেকসম্পন্ন কোন মানুষের পক্ষেই নিরপেক্ষ থাকা ছিল অসম্ভব। কিন্তু জাতির বিবেক বলে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহভাগ শিক্ষকই ছিলেন নিরপেক্ষ। না, সকলে নয়! সেই আন্দোলনে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দু’টা ভাগে ভাগ করতে পারি, যাদের বৃহৎ অংশ ছিল তথাকথিত নিরপেক্ষ গ্রু, আর দ্বিতীয় গ্রুপটা ছিল কতিপয় আন্দোলনবিরোধী গ্রুপ। (বিস্তারিত…)