Posts Tagged ‘শাহেরীন আরাফাত’


লিখেছেন : শাহেরীন আরাফাত

সংগ্রামী সহযোদ্ধাগণ,

আজ আমরা এমন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এখানে সমবেত হয়েছি, যার ফলে বিশ্বে মানবিকতার ইতিহাস এক নতুন পথে পরিচালিত হয়েছে। আর তাই এ আয়োজনের কারণটা ব্যাখ্যা করা খুব জরুরি। আর তা পেছনে থাকা ব্যানারের তিনটি স্লোগানেই প্রকাশিত। আমি আমার লিখিত বক্তব্যে ইতিহাস বিচারে এ স্লোগানগুলোর তাৎপর্য তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

আন্তর্জাতিক’শুধু একটা শব্দ নয়। এটি আমাদের দেখায় যে, মানুষ ও মানবিকতা জাতি, ধর্ম, বর্ণে আবদ্ধ থাকার বিষয় নয়। এসব আবদ্ধ চিন্তা কার্যত শ্রেণীর ভিত্তিতেই বিভক্ত। ‘আন্তর্জাতিক’আমাদের শেখায়, শ্রেণী সংগ্রামের মধ্য দিয়েই শ্রেণীর বিলোপ সম্ভব, যা জাতীয় গণ্ডিতে আবদ্ধ হয়। সর্বহারাশ্রেণীর আন্তর্জাতিকতাবাদই এর ভিত্তি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন : শাহেরীন আরাফাত

১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মণিপুরের মহারাজা বোধ চন্দ্র আর ইংরেজ সরকারের গভর্নর জেনারেল লুই মাউন্টব্যাটনের মধ্যে এক চুক্তির মধ্য দিয়ে মণিপুর রাজ্যকে ডোমিনিয়ান বা স্বায়ত্বশাসনের মর্যাদা দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট মণিপুর একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষিত হয়। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা ভারতপাকিস্তানের শাসক শ্রেণীর হাতে ক্ষমতা তুলে দিলেও কোনো কোনো ভূখণ্ড তখনো ভারতপাকিস্তানের সঙ্গে না গিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের একটি মণিপুর। ১৯৪৮ সালে গণভোটের মাধ্যমে মণিপুরের জনগণ রাজাকে সাংবিধানিক প্রধান নির্বাচিত করে, রাজার অধীনে একটি সরকার শপথ গ্রহণও করে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করাকে কেউ কেউ ‘প্রশংসনীয় উদ্যোগ’ বলে মূল্যায়ন টানছেন। সেটা কেউ বলতেই পারেন, এটা হতে পারে কারও ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক মূল্যায়ন। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে ওই ব্যক্তি বা সংগঠনের শ্রেণী চরিত্রটাও প্রকাশ পায়।

প্রথমেই আসা যাক, মিডিয়ার দায়বদ্ধতার প্রশ্নেঅভিভাবকদের অনেকেই সন্তান বা আপনজনের জীবন ও ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত হয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিতে পারেন। কারণ তার সামনে যে রাজনীতিটা সামনে আসে, সেটা হলোফ্যাসিবাদের গণবিরোধী সন্ত্রাসের রাজনীতি। এর বিপরীতে শক্তিশালী গণমুখী রাজনীতির অনুপস্থিতিই এমন অবস্থানের কারণ। কিন্তু যখন কথিত মূলধারার কোনো প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা এমন অবস্থান নেয়, তখন বুঝতে হবেএখানে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ লুকিয়ে আছে। এটাই ‘বিরাজনীতিকরণের রাজনীতি’। দেশের অন্যান্য পত্রিকাও বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের খবরটি শিরোনাম করেছে। কিন্তু প্রথম আলো এ শিরোনামের নিচে একটি প্রতিক্রিয়া ‘ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা উচিত’ শিরোনামে ছেপেছে। সেখানে বিশেষজ্ঞ বলতে যাদের মন্তব্য দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যেকেই এনজিওবাদী শিক্ষক। তাদের কাছে প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলন একটা মাথাব্যাথার কারণ, যা বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসক্রিপশনে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ করতে বড় বাধা। আর ফ্যাসিবাদকে রাজনীতির একমাত্র ধরন হিসেবে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে কর্পোরেট স্বার্থে প্রথম আলো পাঠকের সামনে ওই বিরাজনীতিকরণের সাফাই গাইতে উপস্থিত হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

গত ১৪ জুন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক বুদ্ধিজীবী সংঘ পুনর্গঠিত হয়। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে আহবায়ক করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয়। এছাড়াও যারা কমিটি গঠনের সভায় উপস্থিত ছিলেন তাদেরকেও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সংঘের বাইরের সমাজতন্ত্রে আস্থাশীল অন্যান্য প্রগতিশীল লেখকশিল্পীসাহিত্যিকবুদ্ধিজীবীগণ সমালোচনাপর্যালোচনা করে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু এসব সমালোচনায় সাম্রাজ্যবাদবিরোধী বুদ্ধিজীবীদের একটি একক সংগঠনে সংগঠিত হওয়ার প্রক্রিয়াপদ্ধতি কি হওয়া উচিত, তার ব্যাখ্যা নেই। তাই সমাজতন্ত্রের একজন সমর্থক হিসেবে এ প্রশ্নে আমার অবস্থান ব্যক্ত করা দায়িত্ব মনে করছি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

সম্প্রতি কামালউদ্দিন নীলুর নির্দেশনায় একটি নাটক শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হয়। নামের কারণেই নাটকটি দেখতে সমাজতন্ত্রকমিউনিজমে আস্থাশীল অনেকে আগ্রহ বোধ করেন। কিন্তু ‘স্তালিন’ নামের এ নাটকে কমিউনিস্ট আন্দোলনের মহান শিক্ষক কমরেড যোসেফ স্তালিনকে বিতর্কিত ও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। এ নিয়ে নাটকটি দেখতে আসা দর্শকরা মঞ্চস্থলেই প্রতিবাদ জানান। উপস্থিত একাধিক দর্শক জানান, তারা আগেই ভেবেছিলেন ‘স্তালিন’ নাটকটিতে হয়তো স্তালিনকে দ্বান্দ্বিকভাবে উপস্থাপন করা হবে। অর্থাৎ, এতে স্তালিনের সমালোচনাও থাকতে পারে, এটা তারা জানতেন। তবে যেভাবে ইতিহাস বিকৃতি ঘটানো হয়েছেস্তালিনের সমসাময়িক যে ঐতিহাসিক বাস্তবতা সাম্রাজ্যবাদীরাও প্রকাশ্য ও গোপন দলিলে মেনে নিতে বাধ্য হয়, সেটাকেও ওই নাটকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। আর এ নিয়েই দর্শকরা কামালউদ্দিন নীলুকে তাদের আপত্তির কথা জানান। এতে নীলু দর্শকদের সঙ্গে অসৌজন্য আচরণ করেন। ঘটনার পরদিন, ১২ জুন উপস্থিত দর্শক, বিভিন্ন বামপন্থী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগঠন বিক্ষোভ সমাবেশ করে শিল্পকলা একাডেমির সামনে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের বিভিন্ন মতামত ও অবস্থান দেখা যায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

কাশ্মীরে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী জইশমোহাম্মদ হামলা চালিয়ে অন্তত ৪৪ জন আধা সামরিক বাহিনীর (সিআরপিএফ) সদস্যকে হত্যা করেছে। এ নিয়ে কয়েকজন বন্ধুর বিক্ষিপ্ত মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই নিজের অবস্থান জানান দেওয়াটা জরুরি মনে করছি।

শত্রুর শত্রু মিত্রএমন চিন্তা যেমন সঠিক নয়; তেমনি শত্রুর উপর হামলা হলেই সেটা ন্যায্যতা পেতে পারে না। বরং কে, কোন উদ্দেশ্যে, কার উপর হামলা চালালোসেটাই বিষয়টির দৃষ্টিভঙ্গীর মোদ্দা কথা। কোনো সন্ত্রাসীগোষ্ঠী সাম্রাজ্যবাদসম্প্রসারণবাদের বুকে ছুরি চালালেও ওই সংগঠন সন্ত্রাসীই থাকে। আবার জনগণের মধ্যকার কোনো বিপ্লবী শক্তির যদি সেই মাপের সশস্ত্র আক্রমণ করার শক্তি নাও থাকে, তবুও সেটি অবশ্যই বিপ্লবী শক্তি। কারণপার্থক্যটা গড়ে দেয় সেই চিন্তা কাঠামোযা নির্ধারণ করে কে কার পক্ষেকে গণমুখী, আর কে গণবিরোধী। আর এ কারণেই যখন সাধারণ কাশ্মীরী, বা তাদের স্বাধীনতার পক্ষে কোনো সংগঠন এমন হামলা চালালে, তার এক ভিন্ন ন্যায্যতা প্রাপ্য। আবার পার্শ্ববর্তী দেশের সেনাসমর্থিত সন্ত্রাসীরা ওই হামলা চালালে তা ন্যায্যতা পেতে পারে না। সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্য স্বাধীনতা নয়, কাশ্মীরের পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তি! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

প্রচলিত সাংবিধানিক নিয়মে পাঁচ বছর ঘুরে আবারও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হলো। চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। সেই সঙ্গে জনমনে আবারও শঙ্কামৃত্যুর মিছিল এবং নির্বাচনী সহিংসতারও। সরকার, সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল, অথবা নির্বাচনপন্থী কথিত বাম দলগুলোর প্রচারণায় মনে হতে পারে, যেন নির্বাচন মানেই গণতন্ত্র! পাঁচ বছর পর পর ভোটগ্রহণ আর তাতে শাসক নির্ধারণের মানেই জনগণের গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র শ্রেণীনিরপেক্ষও নয়। নির্বাচন প্রশ্নে কেন্দ্রীয় বিষয়টি হলোআমরা কোন ব্যবস্থায় নির্বাচনের কথা বলছি! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

সম্প্রতি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ঔপনিবেশিক আমলের একটি সামন্তীয় চেতনার আইনকে অসাংবিধানিক বলে খারিজ করেছেন। ওই আইনে নারীকে পুরুষের সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছিল। ব্যক্তির স্বাভাবিক যৌন সম্পর্ককে ফৌজদারি আইনের অধীনস্ত করা হয়েছিল। তা বুর্জোয়া গণতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আর এ কারণেই ওই আইনটি বাতিল করা হয়।

দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় ‘ব্যভিচারের’ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তাতে বলা হয়, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো নারীর সঙ্গে তার স্বামীর সম্মতি ব্যতীত যৌনসঙ্গম করেন এবং অনুরূপ যৌনসঙ্গম যদি ধর্ষণের অপরাধ না হয়, তাহলে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের দায়ে দায়ী হবেন, যার শাস্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড।

ব্যভিচার’ কি? প্রচলিত সংজ্ঞানুসারে, সমাজআইনের বিধিভুক্ত যে যৌন সম্পর্কের নির্দেশনা, তার বাইরে যাওয়ার মানেই হলো ‘ব্যভিচার’। একটা শব্দ যে পুরো ব্যবস্থাকে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ এ শব্দটিযা প্রচণ্ডভাবে নারীবিদ্বেষী, পুরুষতান্ত্রিক এবং সামন্তীয় চেতনাধীন। এর দ্বারা কার্যত নারীর যৌন স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করা হয়। বিয়ের পর নারী তার স্বামীর বাইরে কিছু চিন্তা করতে পারবে না, এমন বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। কার্যত ওই ‘ব্যভিচারের’ জুজু দেখিয়ে নারীকে পুরুষের ‘যৌনদাসীতে’ পরিণত করা হয়। ওই ‘ব্যভিচার’এর শাস্তি দিতে যে আইন করা হয়েছে, তা কমিউনিস্ট কেন, কোনো বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক ব্যক্তিও মেনে নেবেন না নিশ্চয়! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: লাবণী মণ্ডল

শিল্প ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সমালোচনা হলো সংগ্রাম ও বিকাশের অন্যতম প্রধান পদ্ধতি। এর গুরুত্ব উপলব্ধি করেই বস্তার বইটি নিয়ে দুচার কথা লিখতে বসলাম। এই আলোচনা বা সমালোচনা কতটুকু সাহিত্যমানসম্পন্ন হবে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত নই। সেক্ষেত্রে এটিকে আমার উপলব্ধির বিকাশ ধরে নেয়াটাই শ্রেয়। রাজনৈতিক দর্শনে নিজের সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই লিখছি। শাহেরীন আরাফাতের লেখা বইটির পুরো নামবস্তার রাষ্ট্রকর্পোরেটহিন্দুত্ববাদের যৌথ সন্ত্রাস। এটি ২০১৭ সালের মে মাসে উৎস পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত হয়। প্রচ্ছদ করেছেন শিশির মল্লিক।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশসহ তামাম দুনিয়ায় সাম্রাজ্যবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিগুলো শ্রমিকশ্রেণী এবং জনগণের মুক্তি ও অগ্রগতির পথে নানা উপায়ে বাধা সৃষ্টি করার জন্য সংহত হচ্ছে। শিল্পসাহিত্যকেও তারা কাজে লাগাচ্ছে ব্যাপকভাবে। এমন সময়ে বস্তার বইটি নিয়ে আলোচনার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। তবে উৎকৃষ্ট সাহিত্য সমালোচনা করাটা নিতান্ত সহজ কাজ নয়। বরং এমন বইযেখানে সমাহার ঘটেছে ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, আগ্রাসন, সংগ্রাম ও প্রতিরোধের বিপুল তথ্যতা নিয়ে আলোচনা করাটা বেশ কঠিন ও জটিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: লাবণী মণ্ডল

শিল্পসাহিত্যে আলোচনাসমালোচনাপর্যালোচনা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। এ নিয়ে সন্দেহ করার কোনো অবকাশ নেই। কোনো শিল্পকর্ম, রচনা বা বইয়ের রিভিউ বা সমালোচনা পত্রিকায় ছাপা হলে সংশ্লিষ্ট শিল্পকর্মটি সম্পর্কে পাঠক আগে থেকেই সে সম্পর্কে জানতে পারেন, তাতে আগ্রহ জন্মায়। আর একজন পাঠকের মতামতের উপর ভিত্তি করে লেখকের লেখনীর গুরুত্ব।

আমি সাধারণত কবিতার বই পড়ি না, কবিতা খুব একটা বুঝিও না! সমর সেন, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা আমায় বেশ টানে তাঁদের কবিতায় আমি ‘আমাকে’ খুঁজে বেড়াই। সেই খুঁজে বেড়ানোকে কেন্দ্র করেই এবং ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্যই শাহেরীন আরাফাত লিখিত ‘আত্মের অন্বেষণ’ শীর্ষক কবিতার বইটি পড়া শুরু করিঅনেকটা দু’টানা মনোভাব নিয়ে। কেননা এ সময়ের কবিদের ‘কবিতা’ কি আমায় টানবে, বা তাঁদের কবিতাকে কি আমি টানতে পারবো! (বিস্তারিত…)