Posts Tagged ‘রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’


(নেসার আহমেদের সাক্ষাৎকারভিত্তিক গ্রন্থ ক্রসফায়ার রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড থেকে)

জামিলা আক্তার

নেসার : আপনার নামটা আগে বলুন।

জামিলা : জামিলা আক্তার। আমার বড় ভাই ছিলেন। আমরা দাদা বলতাম। উনি আমাদের পরিবারের সবাইকে ভীষণ আদর করতেন।

নেসার : আপনার বড় ভাইয়ের নামটা বলুন?

জামিলা : উনার আসল নাম আমি ঠিক বলতে পারব না। সমিরদা নামে ডাকতাম। একদিন উনি আমার বাসায় বাচ্চাদের জন্য কিছু খাবারদাবার আনছেন। তখন আমি বলছি যে, দাদা এগুলার দরকার কী? উনি বলছেন যে, এগুলা তোমার জন্য না। এগুলা আমার ভাতিজিভাতিজার জন্য। তিনি আমাদের পরিবারের লগে এমন আপন ছিলেন যে। তাছাড়া, খুব তাড়াতাড়ি আপন করে নিতে পারতেন তিনি। তার মধ্যে আন্তরিকতা ছিল খুব বেশি।

নেসার : আপনার সাথে রাজনীতি নিয়ে কথা হতো কি তার?

জামিলা : না। আমি সময়ও পাইতাম না। ব্যস্ত থাকতাম সব সময়। (বিস্তারিত…)

Advertisements

Mofakhaffer Ul Chowdhury-1

মোফাখ্খার চৌধুরী

(আমরা সাধারণত “ক্রসফায়ার”এর একমুখী প্রচারপ্রচারণাটাই শুনে থাকি, এমনকি একেই সত্য বলে ধরে নিই, কিন্তু তার অপরদিকের সত্যটা আমাদের সামনে উন্মোচিত হয় না, বা হতে দেওয়া হয় না। এই “ক্রসফায়ার”এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং এর সাথে রাষ্ট্রের রাজনৈতিকতার সম্পর্কটাও তুলে ধরা হয়েছে নেসার আহমেদ সম্পাদিত ক্রসফায়ার’ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বইটিতে। বইটি হয়তো অনেকেই পড়েছেন, আবার অনেকেরই হয়তো তা এখনো পড়া হয়নি। আর এ জন্যই এই বইয়ের প্রতিবেদনসমূহ এখানে পর্যায়ক্রমিকভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সম্পাদক)

প্রতিনিধি পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল)

নেসার: আপনার নাম, দলের নাম এবং পার্টিতে আপনার সাংগঠনিক অবস্থান উল্লেখ করে আলোচনা শুরু করা যেতে পারে।

তুষার: আমার নাম তুষার। আমি পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) এর একজন প্রতিনিধি। (বিস্তারিত…)

এলিট বাহিনীর শ্বেত সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রের নীরব সমর্থন

Posted: ডিসেম্বর 16, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

Rab-1এই বিজয়ের মাসে এমন একটা লেখা হয়তো অনেকেই আশা করবেন না, কিন্তু লিখছি নিজের তাগিদেই। বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড, আর হয়রানি, গ্রেফতার বাণিজ্য, গুপ্তহত্যা, অপহরণে শঙ্কিত হয়েই লিখছি। হয়তো এই লেখার অপরাধেও হয়রানি বা গ্রেফতারের শিকার আমরা হতে পারি, কিন্তু তবুও বলতে হবে, তবুও লিখতে হবে! রাষ্ট্রীয় এলিট বাহিনীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার যে কোনো বিকল্প নাই!

.

২১ শে জুন, ২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ২৪ শে জুন, ২০০৪ সালে প্রথম র‌্যাবের হাতে ক্রসফায়ারের ঘটনায় একজন মারা পড়ে। তারপর থেকে ক্রসফায়ার প্রতিনিয়ত ঘটমান একটি বিষয়। যেমন ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৪ সালে দেশের ৬৪ টি জেলায় র‌্যাব একযোগে অপারেশনে নামে। ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের বৈধতা নিয়ে আদালতে একটা মামলা দায়ের হয়। কিন্তু তার ফলাফল শূণ্য। কারণ তার পরপর শুধু র‌্যাবই নয়, দেশের পুলিশ বাহিনীও প্রতিযোগিতামূলকভাবে ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটাতে থাকে এবং সংখ্যাগতভাবে ক্রসফায়ারের ঘটনা বাড়তে থাকে। তা গঠিত হয়েছিল মূলত পুলিশ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে। (বিস্তারিত…)