Posts Tagged ‘রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড’


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

censorshipসাম্প্রতিক সময়ে শিশুকিশোর হত্যা, কিশোরীনারী নির্যাতন ও ধর্ষণ, ডাকাত বা ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনীতে মানুষ হত্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এই হত্যানির্যাতনের সংখ্যা এবং মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই বিভৎসতা, নৃশংসতা ভাষায় বর্ণনা করার নয়। যা দেখে কোন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক থাকা সম্ভব নয়। কেন ঘটছে এই ধরনের হত্যানির্যাতনবিভৎসতা? এর প্রতিকার কি সম্ভব নয়? নাকি এসব ঘটতেই থাকবে আর সাধারণ মানুষ নির্বিকারভাবে দেখে যাবে, সামান্য আহাউহু তারপর যথারীতি দৈনন্দিন জীবনযাপন। সাধারণের মধ্যে, সংঘবদ্ধ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে দেখা যাচ্ছে না কেন? (বিস্তারিত…)


জন এম. কোয়েইটজি

অনুবাদ: বখতিয়ার আহমেদ

m-j-coetzeeনাথানিয়েল হ্যাথর্ন তার ‘স্কারলেট লেটার’এ লিখেছিলেন, “একটি উপনিবেশ যখন কোথাও শেকড় গাড়ে, নিতান্তই বাস্তব প্রয়োজনে, একেবারে শুরুতেই যে পদক্ষেপটি নেয় তা হল অধিকৃত ভূমির একটি অংশে গোরস্থান এবং আরেকটি অংশে কারাগার স্থাপন”। উপনিবেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকাও এর ব্যতিক্রম নয়, দেশটির সারা মুখ জুড়ে গুটি বসন্তের দাগের মত ছড়িয়ে আছে অসংখ্য কারাগার, হ্যাথর্ন যাদের নাম দিয়েছিলেন “সভ্য সমাজের কালো ফুল”। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

পুলিশ হেফাজতে কমরেড চারু মজুমদারের শেষ ছবি

পুলিশ হেফাজতে কমরেড চারু মজুমদারের শেষ ছবি

কমরেড সিএমএর দৃষ্টিভঙ্গীটা গ্রহণ করাই হল আজকের দিনে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা। ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনে সিএম ই প্রথম নেতা যিনি দরিদ্র ও ভূমিহীন কৃষককে নেতৃত্বে উন্নীত করার কথা বলেন।

দরিদ্র ও ভূমিহীন কৃষকদের নেতৃত্বে উন্নীত করতে না পারলে যত বড় বিপ্লবী সম্ভাবনাই থাকুক না কেন শ্রেণী সংগ্রাম ব্যর্থ হতে বাধ্য। এই সব কৃষকদের স্কোয়াডকে গণতান্ত্রিক অধিকার দিলেই তাদের বিপ্লবী উদ্যোগ বাড়বে। এই অধিকার দিতে বাধা দেয় আমাদের মধ্যে সংশোধনী চিন্তাধারা। ক্ষমতা দখলের রাজনীতিই পারে তাদের চিন্তাজগতে আলোড়ন আনতে। গ্রামাঞ্চলে দরিদ্র ও ভূমিহীন কৃষকের নেতৃত্ব বিপ্লবী কমিটি প্রতিষ্ঠা করা এবং সেই বিপ্লবী কমিটির নেতৃত্বে ব্যাপক কৃষক জনতাকে সংগ্রামে সামিল করা। এই দুটি কাজ সফলভাবে করতে পারলে ঘাঁটি এলাকা গড়ার সমস্যার সমাধান হবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অরিন্দম সিরাজী হিজল

art-22শেষ বিকেলের আলো ক্রমশই

মিশে যাচ্ছে

রাখালেরাও ঘরে ফিরছে

চলনবিলের সমস্ত এলাকা তখন

অন্ধকারে নিমজ্জিত। (বিস্তারিত…)

তাহের হত্যা, ৭ নভেম্বর :: অসমাপ্ত বিপ্লব

Posted: নভেম্বর 6, 2012 in দেশ, মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

কর্নেল আবু তাহের

কর্নেল আবু তাহের

৭ নভেম্বর, বাংলার ইতিহাসের এক অনন্য দিন। কারো মতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়ের সূচনা, আবার কারো মতে তা বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বিএনপি’র পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়, এই দিনে সিপাহিজনতার উত্থানের মধ্য দিয়ে একটি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল, ফলে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে আসে এবং সার্বভৌমত্বস্বাধীনতা রক্ষা পায়। ৭ নভেম্বর বিএনপি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করলেও এই বিপ্লব সংঘটনের অপরাধেই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম ও তাঁর রাজনৈতিক দল জাসদের নেতৃবৃন্দকে এক প্রহসনের বিচারের মুখোমুখি করা হয়, কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়।

কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, ঐ দিনের ঘটনাক্রম ছিল পাকিস্তান আমল বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া বুর্জোয়া রাজনৈতিক টানাপোড়েন থেকে একদমই ভিন্ন। সেদিন সমাজতন্ত্রের আদর্শে উদ্বুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত সেনা সদস্যরা একটি ভিন্ন লক্ষ্যে এগিয়ে আসে। আর সেক্ষেত্রে রাশিয়ায় কমরেড ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক বিপ্লবের দিনটিকেই (৭ নভেম্বর) বেছে নেয়া হয় বাংলাদেশে বিপ্লবের জন্য। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের পর সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ, চাটুকার ঘেরা তৎকালীন সরকার, রাষ্ট্রদ্রোহীতার দায়ে জাসদের (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) নিষিদ্ধকরণ ও দমন নিপীড়ণের স্বার্থে দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীসমর্থকদের হত্যা এবং মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে কতগুলো অভ্যুত্থান আর রক্তপাতের বিরুদ্ধে ছিল তাদের তীব্র ঘৃণা; আর এরই ফলশ্রুতিতে জাতীয় জীবনে পরিপূর্ণ মুক্তির লক্ষ্যে তাদের এই প্রচেষ্টা। এখানে বলে রাখা ভালো যে, এখনকার শোষকের ভাগীদার জাসদ আর তৎকালীন জাসদকে এক করাটা পুরোদস্তুর বোকামী হবে। তবে কর্নেল তাহেরের কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা করার ক্ষেত্রে দলটির মূল্যায়ণ অতীব জরুরী, যা আমরা আলোচনার পরের অংশে করব। (বিস্তারিত…)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি

২৮ জুলাই, ২০১২

২৮ জুলাই শনিবার বিকাল ৩.৩০ মিনিটে ছবির হাট চারুকলা ইনষ্টিটিউটের বিপরীতে ‘গণমুক্তির গানের দল’এর উদ্যোগে উদযাপিত হয়েছে মহান শিক্ষক কমরেড চারু মজুমদার’র ৪১তম শহীদ দিবস। এ উপলক্ষ্যে “জনগণের বলিষ্ঠ প্রতিরোধ শক্রর মনোবল চূর্ণবিচূর্ণ করে দিতে পারবে”, এই শ্লোগানের আলোকে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও গণসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এ্যাডভোকেট যাহেদ করিম।

কমরেড চারু মজুমদার ভারতবর্ষ তথা দক্ষিণ এশিয়ায় আদর্শের উত্তরাধিকার হিসেবে মাওবাদকে সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মস্থ করেন, রক্ষা করেন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমিকশ্রেণীর বৈজ্ঞানিক মতবাদ মার্কসবাদলেনিনবাদের সর্বোচ্চ বিকশিত রূপ হিসাবে মাওবাদকে প্রয়োগ করে আধাউপনিবেশিকআধাসামন্ততান্ত্রিক ভারতবর্ষের কমিউনিস্ট পার্টির মানদণ্ড, রূপপ্রকৃতি, কর্মসূচী নির্ধারণের দৃষ্টিভঙ্গী ও বিচারবোধের গুণগত পরিবর্তন সাধন করেন এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সংশোধনবাদী নয়া সংশোধনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি ও আন্দোলনের বিপরীতে নতুন মতাদর্শের উপযুক্ত নতুন ধরনের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি ও আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন।

সভায় বক্তরা বলেন, আমাদের দেশ একটি নয়াউপনিবেশিক দেশ। আমাদের সমাজের চরিত্র আধাউপনিবেশিক আধাসামন্ততান্ত্রিক এবং বিপ্লবের স্তর নয়াগণতান্ত্রিক। মার্কসবাদলেনিনবাদমাওবাদ ও চারু মজুমদারের শিক্ষাসম্মত সর্বহারা শ্রেণীর নেতৃত্বই শ্রমিককৃষকের মৈত্রীর উপর আধারিত এই বিপ্লব সম্পন্ন করতে পারেন। আসুন মহান শিক্ষক কমরেড চারু মজুমদারের ৪১ তম শহীদ দিবস পালন করার মধ্য দিয়ে গণমানুষের নয়াগণতান্ত্রিক গণমুক্তির লক্ষ্যে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ, সামন্তবাদ ও আমলা মুৎসুদ্দী পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী গণসাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলি।

আলোচনা সভায় অংগ্রহণ করেন

* এডভোকেট যাহেদ করিম (সভাপতি)

* কমরেড হাসান ফকরী

* আশিষ কোড়ায়া (সাধারণ সম্পাদক, গণমুক্তির গানের দল)

* আফরোজা (সদস্য, ল্যম্পপোষ্ট)

* মিথুন চাকমা (সংগঠক, ইউ পি ডি এফ)

* তমিজ উদ্দীন (সদস্য, নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা)

* শামসুজ্জামান মিলন, প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ

* . নূরুন্নবী, বামবুদ্ধিজীবী

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে

* সমগীত

* গণমুক্তির গানের দল

* মুক্তির মঞ্চ

বিপ্লবী শুভেচ্ছান্তে,

আফরোজা খাতুন

সদস্য

গণমুক্তির গানের দল


বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ

তারিখঃ ২৮০৭২০১২

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সিপিআই (এমএল) নেতা, উপমহাদেশে মাওবাদী আন্দোলনের পথিকৃৎ, বিপ্লবী কমরেড চারু মজু্মদার এর ৪০ তম হত্যাবার্ষিকী পালিত।

২৮০৭২০১২ তারিখ, শনিবার, দুপু্র ২টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘরোয়াভাবে এক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি শিপন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম ইফতেখারুল ইসলাম শিপলু, সাংগঠনিক সম্পাদক আয়াতুল্লাহ খোমেনি, দপ্তর সম্পাদক আবু সুফিয়ান বক্‌সী, শিক্ষাগবেষণা ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শিহাব ইশতিয়াক সৈকত প্রমুখ। বক্তারা বলেনকমরেড চারু মজুমদার ছিলেন মুক্তিকামী যোদ্ধা। তাঁর নেতৃত্বে নকশালবাড়ীর নিপীড়িত কৃষকজনতা রুখে দিয়েছিল অন্যায়কে। সংশোধনবাদ, মধ্যপন্থা, আপোষকামীতা, সুবিধাবাদের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন লড়েছেন। সেই সাথে বিপ্লবী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন মানুষকে। তাঁর ডাকে হাজার হাজার তরুন ছাত্র সশস্ত্র সংগ্রামে নেমেছিলেন। ১৯৭২ এর ১৬ জুলাই তিনি রাষ্ট্রের হাতে ধরা পড়েন তিনি। মৃত্যুর পূর্বে আটকাবস্থায় তাঁর উপর নির্যাতন চালিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়। জীবনরক্ষাকারী ওষুধের সরবরাহ বন্ধ করে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয় তাঁকে। সেই সাথে বক্তারাবিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ছাত্রজনসাধারণকে স্বোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

বার্তা প্রেরক

শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক


লিখেছেন: আহমদ জসিম

ক্রাচের কর্নেলইতিহাসকে উপজীব্য করে উপন্যাস নির্মাণ বাংলাসাহিত্যে নতুন কিছু নয়। আমরা বরং বলতে পারি বঙ্কিমীয় কালপর্বের ধারাবাহিকতায় ক্রাচের কর্নেলএর পর্বে আসলাম মাত্র। তবে ইতিহাসনির্ভর উপন্যাস পাঠ করতে গিয়ে পাঠক হিসেবে আমাদের সামনে কিছু দাবি থাকে, যেমনইতিহাসের দায়ের সাথে শিল্পের দায় ষোলআনা পূরণ হওয়া চাই। ক্রাচের কর্নেল পাঠপূর্বে উল্টেপাল্টে দেখতে গিয়ে আমাদের দৃষ্টি আটকে পড়ে দীর্ঘ রেফারেন্সএর তালিকায়। ছোট্ট ভূমিকাটা দেখি: ‘নানা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য এবং ভাবনাকে সৃজনশীল সংশ্লেষের মাধ্যমে উপন্যাসে উপস্থিত করেছি মাত্র।’ যদি তাই হয়, তবে ইতিহাসের দায়টা কোথায়, কোথায় রইলো শিল্পের দায়। প্রাপ্তসূত্র দিয়ে তো রিপোটিং হয়, সাহিত্য নয়। আবার শোনাকে ইতিহাসে রূপান্তর করারও নানা পদ্ধতি আছে, ক্রাচের কর্নেলে কোন পদ্ধতি প্রয়োগ হয়েছে। লেখক এইসব প্রশ্নে নির্বিকার হলেও পাঠের মধ্য দিয়ে আমরা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে নেবার চেষ্টা করবো।

উপন্যাসে আমরা প্রবেশ করলাম মিশুকের হাত ধরে, মিশুক এক আত্মহত্যাপ্রবণ তরুণ। যার কবিতার পঙ্ক্তিতে স্পষ্ট আত্মহত্যার ইঙ্গিত। এই মিশুক আর কেউ নয়, কর্নেল তাহেরে কনিষ্টপুত্র। এই মিশুক যার কাছে পিতার স্মৃতি মানেই ধূসর অন্ধকার। মিশুক ও তার প্রজন্মের আমরা এই উপন্যাসের ভিতর দিয়ে মিশুক তার পিতাকে আর পাঠক এক বিপ্লবের স্বপ্নচারি সৎ আর্মি অফিসারে জীবন চরিত্র উন্মোচন করতে যাচ্ছে। এই উন্মোচনের সূচনা হয় ইডেন কলেজের ছাত্রী লুতফার সাথে কর্নেল তাহেরের বিয়ের মধ্য দিয়ে। তাহের সদ্যবিবাহিত স্ত্রী নিয়ে ট্রেনে করে ঢাকা ফিরছে, পথে কাকতালিয়ভাবে দেখা মোজাফফর আহমদ আর মতিয়া চৌধুরীর সাথে। এই সাক্ষাতের মধ্যদিয়ে আমরা জানতে পারি লুতফাও একদা রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। মোজাফফর মতিয়ার সাথে আলাপচারিতার ভিতর দিয়ে তাহেরের রাজনৈতিক চিন্তার সাথে পাঠকের কিছুটা পরিচয় ঘটলো। কিন্তু এই ট্রেনের কামরা থেকে আমাদের এক উল্লম্ফন দিতে হলো, ইতিহাসের নাতিদীর্ঘ বর্ণনা। ৪৭ থেকে ৬৯। লেখক যেন তার পাঠকের সামনে বাল্যশিক্ষাধারাপাত নিয়ে বসেছেন ইতিহাসের অখ শিখানোর জন্য। (বিস্তারিত…)