Posts Tagged ‘রাষ্ট্রযন্ত্র’


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

naxal-movement-321আজকের পৃথিবীতে সকল সংস্কৃতি, সকল সাহিত্য ও সকল শিল্পই বিশেষ শ্রেণীর সম্পত্তি এবং বিশেষ রাজনৈতিক লাইন প্রচার করাই তার কাজ। শিল্পের জন্য শিল্প, শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে অবস্থিত বা রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন ও স্বাধীন শিল্প বলে আসলে কিছুই নেই। প্রলেতারীয় সাহিত্য ও শিল্প হচ্ছে সমগ্র প্রলেতারীয় বিপ্লবী লক্ষ্যেরই একটি অংশ; লেনিনের ভাষায় তা হচ্ছে বিপ্লবী যন্ত্রেরই দাঁত এবং চাকা। (শিল্প ও সাহিত্য প্রসঙ্গে মাওয়ের ইয়েনানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে গৃহিত) (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Budget-2014-15বাজেট ঘোষনার আগে এবং পরে কিছু মানুষের মুখে কতকগুলো শব্দ উচ্চারিত হয়ে বাতাসে ভেসে বেড়ায়। প্রবৃদ্ধি, জিডিপি, উচ্চাভিলাষী, বরাদ্দ, উন্নয়ন ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথে সাধারণ মানুষের এক অর্থহীন পরিচয় ঘটে। এসব নিয়ে অর্থনীতিবীদ, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক নীতি নিধারকগণ বিচার বিশ্লষণ করেন, কাগজের পর কাগজ খরচ করেন, কথার পর কথা বলেন। খুবই প্রয়োজনীয় কাজ, সন্দেহ নেই। দেশ, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য এসব অপরিহার্য্য বটে। যে কোন কিছু করতে গেলেই হিসাবের প্রয়োজন আছে। যারা এই বাজেটের কেন্দ্রে তাদের নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারার জন্য হলেও একটা হিসাব আবশ্যই থাকতে হয়। সেদিক দিয়ে তাঁদের দিক থেকে বিচার করলে বাজেট নিয়ে এসব তৎপরতা কোন গুরুত্বহীন ব্যাপার নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

shahbagh-1গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে অনেক কথা, অনেক বিশ্লেষণ করেছি সাথে এও বলেছিলাম মঞ্চের আন্দোলনের সারসংকলন টানার সময় এখনো আসেনি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই সময় চলে আসছে এবং সারসংকলন টানার সময়টি আরও বেশী ঘনীভূত রূপ পাচ্ছে এবং আরো পাবে; বিশেষ করে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক পরিবেশে। না মঞ্চের বিষয়ে আগাম কিছু বা পুরনো বিশ্লেষণ তুলে ধরে কিছু বলব না। কিন্তু আজ গণজাগরণ মঞ্চ, প্রজন্ম ও সুশীল সমাজের কাছে একটি প্রশ্নই করব এবং এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

পুলিশি এ্যাকশনের রিভার্স

attack-on-police-1-বাংলাদেশের পুলিশ সম্পর্কে সবচেয়ে প্রচলিত প্রবাদ ‘বাঘে ছুঁলে এক ঘাপুলিশে ছুঁলে আঠারো ঘা’। প্রবাদটি এমনি এমনি রচিত হয়নি। সেই প্রাচীন কাল থেকেই অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলের হাফপ্যান্ট পুলিশ থেকে আজ অবধি সাধারণ মানুষের প্রতি পুলিশের নৃশংস এবং প্রতিহিংসাপরায়ন আচরণের জন্যই এমন প্রবাদ চালু রয়েছে। আঠারো ঘা হবে যে পুলিশ ছুঁলে সেই পুলিশই যখন নিজেদের শরীরে আঠারো দুগুণে ছত্রিশ ঘা নিয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরায় তখন সাধারণ মানুষকে একশ আশি ডিগ্রী ঘুরে ভাবতে বসতে হয় কেন এই কন্ট্রাস্ট? কন্ট্রাস্ট বলার কারণ কি? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জাকারিয়া হোসাইন অনিমেষ

 

সর্বহারার প্রতীক...কোন এক প্রতীক্ষিত দিন যেদিন, জানালায় জানালায় ভাঙনের সুর,

দরজায় দরজায় উচ্চ স্বরে কষাঘাত;

বিছানারা তার স্বরে চিৎকার করে বলবে

আমরা আর ঘুমুতে চাই না”।

.

যেদিন

দীর্ঘশ্বাসে শেষ হবে রাত প্রচন্ড আশায়।

পাখিরা গান ছেড়ে দেবে বিক্ষুব্ধ চিৎকার মানুষের গলায়।

পিচঢালা পথে উঁকি দেবে তরুণ ঘাস নতুন সূর্যের ছোঁয়ায়।

কারখানার মেশিন থমকে দাড়াবে সশব্দ বিপ্লবের আশংকায়।

…………….. (বিস্তারিত…)


শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদারের ৩৭তম হত্যা দিবস, জাতীয় শহীদ দিবসে জনগণতান্ত্রিক পাঠচক্র (People’s Democratic Study Circle-PDSC)’এর বিবৃতিঃ

সংগ্রামী সহযোদ্ধাগণ,

১৯৭৫ সালের ২রা জানুয়ারি, ফ্যাসিস্ট, স্বৈরশাসক শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা, মুক্তিযোদ্ধা, দেশপ্রেমিক ও মহান বিপ্লবী নেতা কমরেড সিরাজ সিকদারকে। পরবর্তীতে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘এনকাউন্টার’ নামক সাজানো নাটক হিসেবে মঞ্চস্থ করা হয়। তথাকথিত কমিউনিস্ট নামধারী কিছু সংশোধনবাদী কর্তৃক এই হত্যাকান্ডকে ‘ডাকাত অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

বিপ্লবীদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা রাষ্ট্রের মাস্টার প্ল্যানিংএর মধ্যে অন্যতম। পশিমবঙ্গের সরোজ দত্ত, বিপ্লবী চারু মজুমদারের মত কমরেড সিরাজ সিকদারকেও পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। কিন্তু এখানেই রাষ্ট্র থেমে থাকেনি, থাকার কথাও নয়। যার ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে হত্যা করা হয় কমরেড মনিরুজ্জামান তারা, কমরেড কামরুল মাস্টার, কমরেড মুফাখখার, কমরেড মিজানুর রহমান (কমরেড টুটুল)সহ অগণিত বিপ্লবী রাজনীতির নেতাকর্মীদের। এই হত্যাকাণ্ড অব্যাহত আছে আজো। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত রাষ্ট্র হত্যা করেছে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)’র মুখপাত্র কমরেড আজাদ এবং অন্যতম প্রধান নেতা কমরেড কিষানজী’কে। আর হত্যার পর যথারীতি জনগণের সামনে ‘এনকাউন্টার’, ‘ক্রসফায়ার’, ‘বন্দুক যুদ্ধ’সহ বিভিন্ন নামে নাটক সাজিয়ে প্রতারণা করা হয়। আর এই কপটতার সঙ্গী হয় দালাল মিডিয়া। (বিস্তারিত…)


আমরা এখন কি করছি এবং কি করতে চাই

মোঃ শাহীন

[নোটঃ লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলন কর্তৃক প্রকাশিত পার্টির মতাদর্শগত তাত্ত্বিক মুখপত্র লালঝাণ্ডার তৃতীয় প্রকাশ, সংখ্যা, আগস্ট ২০০০ সংখ্যায় এবং পাঠ্যসূচি২ এ। – সর্বোচ্চ নেতৃত্ব কমিটি।]

আমরা এখন বিপ্লবী শ্রেণী সংগ্রামের উচ্চতম রূপ বিপ্লবীযুদ্ধের অনুশীলন করছি। যার অর্থ হচ্ছে আমরা এখন সর্বহারা সহিংস বিপ্লবে নিয়োজিত রয়েছি। এক্ষেত্রে আমাদের লাইন হচ্ছে শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার প্রদর্শিত মাওবাদী বিপ্লবীযুদ্ধের রাজনীতিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত ও বিকশিত করার লাইন। এর বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আমরা পূর্ববাংলার নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করে সমাজতন্ত্র ও কমিউনিজমের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে চাই।

আমাদের লাইন ও তার অনুশীলন অর্থাৎ সংগ্রাম, দুটো পরস্পর বিপরীত দিকের একত্ব দ্বারা গঠিত।

এর একটি দিক হচ্ছে, শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার প্রদর্শিত মাওবাদী বিপ্লবীযুদ্ধের রাজনীতিকে পার্টির মধ্যে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত ও বিকশিত করার জন্য, এবং এই রাজনীতিকে দেশব্যাপী সংগ্রামিকসাংগঠনিকভাবে বাস্তবায়নের নেতৃত্ব প্রদানে পার্টিকে সক্ষম করে তোলার জন্য আমাদের পার্টিসংগঠনের মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলনকে অব্যাহত রাখা ও বিকশিত করার লাইন ও সংগ্রাম।

এর আরেকটি দিক হচ্ছে, শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার প্রদর্শিত মাওবাদী বিপ্লবীযুদ্ধের রাজনীতিকে দেশব্যাপী পুনঃপ্রতিষ্ঠিত ও বিকশিত করার জন্য পার্টির নেতৃত্বে সংগ্রামিকসাংগঠনিকভাবে প্রচেষ্টা চালানোর লাইন ও সংগ্রাম। যার অর্থ হচ্ছে প্রধানত বিপ্লবীযুদ্ধের সংগ্রাম ও বিপ্লবীযুদ্ধের সংগঠন তথা বিপ্লবীযুদ্ধ ও বিপ্লবী বাহিনীকে পুনরায় গড়ে তোলা ও তাকে বিকশিত করার লাইন ও অনুশীলন।

আমাদের লাইন ও অনুশীলনের বৈপরীত্যের একত্বের মধ্যে এখন প্রধান দিক হচ্ছে পার্টিসংগঠনের মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলনকে অব্যাহত রাখা ও বিকশিত করা। এবং অপ্রধান দিক হচ্ছে দেশব্যাপী পার্টির নেতৃত্বে সংগ্রামিকসাংগঠনিকভাবে বিপ্লবীযুদ্ধ ও বিপ্লবী বাহিনীকে পুনরায় গড়ে তোলা ও তাকে বিকশিত করা।

আমাদের লাইন ও অনুশীলনের বিকাশের প্রক্রিয়াতে পরবর্তীকালে আজকের প্রধান দিকটি পরিবর্তিত হবে অপ্রধান দিকে এবং আজকের অপ্রধান দিকটি পরিবর্তিত হবে প্রধান দিকে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনিত্য অনীক

[বেশ কিছুদিন আগে একটা খবরের দিকে মন আটকে গিয়েছিলো। রাজনীতি করার কারণেই দেওয়াল লিখন ও পোস্টার লাগানো (নিয়ন্ত্রন আইন) ২০১১ প্রবর্তন এবং তার ফলাফলের কথা ভেবে আৎকে উঠেছিলাম তখন। সম্প্রতি পূণরায় এই খবর আলোচনায় এসেছে। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে গত ২৮ নভেম্বর। আইনে রাখা হয়েছে কারাদন্ড এবং জরিমানার বিধান।]

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=17&action=main&option=single&menu_type=&news_id=213060&pub_no=886&type=

একটু বাংলাদেশের ইতিহাসের গোড়ার দিকে যাওয়া যাক। সময়টা ৭০ সাল। একদল তরুণ ধরা পড়ল পাকিস্তান সেনাথাবার ঘোরটোপে। তরুণদের হাতে একটা করে জিগা গাছের আগা থেতলানো লাঠি। সেনাবাহিনী কর্তৃক এতো রাতে বেরুবার কারণ জিজ্ঞেস করলে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদলের সোজাসাপ্টা উত্তরহলে চিকার উৎপাত খুব বেড়ে গেছে, তাই চিকা মারতে এসেছি। এহেন জবানবন্দীর পেছনের সত্য কিন্তু পুরোপুরি ভিন্ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিকামী তরুণেরা সেদিন চিকা মারতে নামেনি। সেদিন তাদের হাতে শুধু লাঠি ছিলো না। ছিলো আলকাতরাও। তারা নেমেছিলো কমরেড মনি সিংহএর মুক্তির দাবিতে স্লোগান প্রচারের জন্য। স্বাপ্নিক তারুণ্যের সেই প্রতিনিধিদলের চোখে সেদিন ছিলো সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়। দেয়ালে দেয়ালে স্লোগান উঠেছিলো

ভোটের বাক্সে লাথি মারো

সমাজতন্ত্র কায়েম করো।(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শিহাব ইশতিয়াক সৈকত

কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যে একটা আশা একসময় ছিল, তা পূরণ হওয়ার পর থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে বিষয়টাকে খুব উৎকট মনে হচ্ছে।সুস্থ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চার উর্বর ক্ষেত্ররাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে শুধু নয়,সবার উপরে অধিষ্ঠিত এই উলঙ্গ রাষ্ট্র কর্তৃক সংঘটিত সামান্য কিছু ঘটনার দর্শক হিসেবে বেঁচে যাওয়ার আক্ষেপ থেকেও এই বিতৃষ্ণা।

কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয় উল্লেখ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।গত বছর থেকে বিভাগীয় পদ্ধতির পরিবর্তেইউনিট ভিত্তিক পরীক্ষানামে শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।এবারো কোন কোন ইউনিট এর পরিসরভিত্তিক সামান্য পরিবর্তিন আনা হয়েছে।এই পরিবর্তিত কৌশল কে প্রশাসন তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তির জায়গা থেকেইফলদায়কহিসেবে জায়েয করার চেষ্টা করে।একটা উদাহরণ টানার চেষ্টা করি, গত বছর ই১ এবং ই২ নামে দুটো ইউনিট ছিল যাদের প্রতিটি ফর্মের মূল্য ছিল ৩৩০ টাকা করে।আবার এখন ই১ ও ই২ কে এক করেবানানো হয়েছে।এইইউনিট এর ফর্মের মূল্য ৯৩৫ টাকা।অর্থাৎ, আগে যে ছাত্র ৩৩০ টাকা দিয়ে তার কাঙ্ক্ষিত ইউনিট এ পরীক্ষা দিতে পারতো, এখন ঐ পূর্বের ই১ ইউনিটের অন্তর্গত বিষয়গুলোতে পরীক্ষা দিতে তার খরচ হবে ৯৩৫ টাকা।এই মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের লক্ষ করে প্রশাসনের বক্তব্য টা এরকম যে, ছাত্রছাত্রীদের মন এত ছোট না।মহামান্য ভিসির মতে,‘‘গরীবদের উচ্চশিক্ষার দরকার নাই।’’ এভাবেই প্রশাসন প্রমাণ করে যে তাদের কৌশল কতটাফলদায়ক(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফেরারী সুদ্বীপ্ত

বেশ কিছুদিন আগে একজন ফেইসবুক বন্ধু স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন,তিনি স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চান। আমরা কেউই তাকে আশার বাণী শোনাতে পারে নি ।কিভাবে তাকে নিশ্চয়তা দিই? কারণ আমার দেশ যে মৃত্যু উপত্যকা। এখানে রোগে মৃত্যু ,শোকে মৃত্যু, অপঘাতে মৃত্যু, দুর্ঘটনায় মৃত্যু, অনাহারে মৃত্যু, অপুষ্টিতে মৃত্যু ,হৃদরোগে মৃত্যু, আত্মহত্যায় মৃত্যু, ক্রসফায়ারে মৃত্যু, গণধোলাইয়ে মৃত্যু, ধর্ষণে মৃত্যু, স্বামীর প্রহারে মৃত্যু । গোটা বাংলাই গা ছমছম করা মৃত্যুপুরী। আমরা সবাই কেবলার চরের বাসিন্দা।

মৃত্যু এবং মৃত্যু। জীবনটা যদি একটি চলমান বাক্য হয় মৃত্যু তার বিরাম চিহ্ন । কিন্তু জীবন নামক এই বাক্যাংশ শেষ না হতেই অনাকাংক্ষিত বিরাম চিহ্ন বসে যাচ্ছে এই ব দ্ব্বীপের অনেক মানুষের জীবনে। আশ্চর্যের বিষয় এই ভুখন্ডে এখন কেউ নিঃসংগভাবে মরে না। এখানে বন্ধু , বন্ধুর দিকে চেয়ে চেয়ে অসহায় ভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে হয়তো কাদার ভেতরে ট্রাক চাপায় দম আঁটকে , না হলে সন্দেহের শিকার হয়ে বিনা দোষে গণপিটুনি নামক সম্মিলিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে। আর এই অর্ধশতাধিক মৃত্যুর মিছিলে শরিক হওয়া সবাই কোন না কোন বিদ্যায়তনের শিক্ষার্থী, জাতির আশা আকাংক্ষা লালনকারী, সমূহ ভবিষ্যত। (বিস্তারিত…)