Posts Tagged ‘রাজনৈতিক’


লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

() সোজা হিসাব

hill killing-1কে কে পাহাড়ের আদিবাসী সংস্কৃতির বিকাশ চান?

নিশ্চয় সবাই চান। এবার বলুন

কে কে পাহাড়ে পর্যটনের প্রসার চান?

অনেকেই চান। কেন চান?

আপনারা বলবেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। মানুষের আয় রোজগার বাড়বে। এলাকার উন্নয়ন হবে। দূর্গম অঞ্চলে রাস্তাঘাট হবে। আমরা আধুনিক দুনিয়ার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবো। আমরা নেংটি ছেড়ে জিন্সের প্যান্ট পরবো। আমরা উন্নত হবোইত্যাদি ইত্যাদি। (বিস্তারিত…)

Advertisements

নব্বইয়ের কবিতার চিত্রকল্প

মাতিয়ার রাফায়েলের ‘অমর, মর…’ এবং আমার নিজস্ব বিশ্লেষণ

লিখেছেন: আহমদ জসিম

জেনগল্প হৈতে প্রবাহিত

বহুদিন আগে একবার তাহার ছেলেসন্তান কী মরুভূতে নরবাণিজ্য

উদ্দেশে গিয়ো ফিরিয়া আসে নাই আর। তাহার কথাই মনে টানিয়া

বারঙবার গ্রামবৃদ্ধাটি কী গানসহিত মিতদীর্ঘশ্বাস প্রবাহে যায়

সেদিনও লামা পাহাড়ের পাদদেশের বাঁশঝাড়মধ্য হৈয়া রামদা হাতে আঁকিয়া বাঁকিয়া সরিতেছিলেন টীলাবাসিনী পোঁদশ্রেণীস্থা সেই গ্রাম বৃদ্ধাটি।

ছেলেটির জন্ম প্রাক্কালে যেতুরীয়সঙ্গম জঙ্গমতায় ধ্বনিত হৈত কণ্ঠ হৈতে তাহার, ওঁ, এই ওঙ্কার বিশেষ, তামাদি হৈয়া যাওয়া কোন অন্দর যেভগ স্ফূর্তিতে ছিল বান্, সেই পুরুষ শায়ক,

তাহার ভগবানপুরুষ, মরিয়া হাজিয়া পগার পার সেই কবে, সেই বাঙলা তেরশ’ কত যেন বন্যার পূর্বে

গ্রামবৃদ্ধার স্মৃতি প্রবাহে তাহেই কী দীর্ঘশ্বাসে মৃদু মৃদু ধাক্কা খাইতে খাইতে আবার সরিয়া সরিয়া পড়িয়া যায়।

তখনই মাত্র লুটিয়া প’ড়ে স্মৃতিতে আবার কী যে মিহি টানে সেই ওঁ, ওঙ্কার ধ্বনিপর : ‘ওঁমর, মর’

তাহারই ধারাবাহিকতায় এক বর্ষাদিবস চোখে চষিয়া গেল চকিতে আমার, এক পঞ্চাশীতিপরায়ণা প্রায় ধনুকায় ধনুকায় গ্রামবৃদ্ধাবাছিয়া বাছিয়া কচু কাটিতেছে।

আর ধ্বনিত হৈতেছে কণ্ঠ হৈতে, তাহারই যেন কোন অর্ধস্বর ভাঙিয়া, ‘ওঁকচু। অঁমর, ওঁমর’

আচম্বিতে কী জাদুগ্রস্তের মতো তদীয় পার্শ্বস্থিত হৈয়া কৈলাম : কী হে গ’ পোঁদে, কী শোধে কাহাকে তুমি ওমন অভিসম্পাৎ করিতেছ, ওঁকচু, অঁমর, ওঁমর

পোঁদবৃদ্ধাটি যারপরনাই লজ্জাপর কৈল, বিদেশী বাবু, মুই ত কেউরে কোন শোধে এইসা অভিসম্পাৎ করিচ্চি না!

ছেলে আমার অমর, বহুদিন আগে নরবাণিজ্যে গিয়া ধর্মান্তরিত হৈয়া গিয়া ফিরিয়া আসে নাই আর এ মাতৃকোলে কোনদিন!

কী নতুন নাম না কি হৈয়াছিল তাহার, অমর হৈতে ওমর, বাবুজি গা’, মুই ত তাহাই ধৈরা ডাকিচ্চি,

অঁমর, ওঁমর’

  (বিস্তারিত…)

মার্কসবাদী জ্ঞানতত্ত্ব :: মাও সে-তুঙ’এর “প্রয়োগ সম্পর্কে”

Posted: এপ্রিল 10, 2012 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

মার্কসবাদী জ্ঞানতত্ত্ব :: মাও সেতুঙএর “প্রয়োগ সম্পর্কে”, জ্ঞান ও প্রয়োগের মধ্যে, জানা ও করার মধ্যে সম্পর্ক প্রসঙ্গে (জুলাই, ১৯৩৭) হতে

সংকলন: থট রিডার

১। মানুষের সামাজিক অনুশীলন উৎপাদন কর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর বাইরেরও অনেক রূপ থাকতে পারে। শ্রেণী সংগ্রাম, রাজনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, শিল্পকলা ইত্যাদি।

২। শ্রেণী বিভক্ত সমাজে প্রত্যেকে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর সদস্য হিসেবে বাস করে, তাই ব্যতিক্রমহীনভাবে ব্যক্তির সব রকমের চিন্তাধারার উপরেই শ্রেণীর প্রভাব বিদ্যমান থাকে।

৩। মানুষের জ্ঞান ধাপে ধাপে নিন্মতর স্তর থেকে উচ্চতর স্তরে বিকাশ লাভ করে।

৪। মানুষের সামাজিক প্রয়োগই বহির্জগৎ সম্পর্কে মানুষের জ্ঞানের সঠিকতা যাচাইয়ের একমাত্র মাপকাঠি। সামাজিক প্রয়োগ হলোবৈষয়িক উৎপাদন, শ্রেণী সংগ্রাম, অথবা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষার প্রক্রিয়া ইত্যাদি।

৫। প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েই মানুষ তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং নিজের চিন্তাকে সংশোধন করে বহির্জগতের নিয়মের সাথে সংগতিপূর্ণ করে তোলে। “বিফলতাই সফলতার জননী।”

৬। লেনিন তাঁর ‘হেগেলের “যুক্তিশাস্ত্রের বিজ্ঞান”এর সংক্ষিপ্ত সার’ লেখায় বলেছেন, “প্রয়োগ (তত্ত্বগত) জ্ঞানের চেয়ে অনেক বড়, কারণ তার যে শুধু সার্বজনীনতার গুণ আছে তাই নয়, তাতে আছে আশু বাস্তবতার গুণও।” (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাহাবুব হাসান

শুরুর আগে

শিল্পসংস্কৃতি এক অশেষ পথ রেখা ধরে এগিয়ে চলে। সংস্কৃতিকে সময়পর্ব দিয়ে ভাগ করা অনেকটাই যান্ত্রিক ব্যাপার। যে কোন ধরণের ক্ষমতা কাঠামো (সেটা রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক) ভারসাম্যপূর্ণ বা ন্যূনতম ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে পারলেও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে তা কিন্তু একেবারেই সরাসরি ও দৃশ্যমান ক্রিয়া বা প্রতিক্রিয়া তৈরী করে না। তার বিকাশ ও ক্রিয়া প্রক্রিয়া চলে সুস্থির একটা নিবিড় পর্যায়ের মধ্য দিয়ে। সময়ের ধারাবাহিক এগিয়ে চলায় ঐতিহাসিকভাবেই শ্রেণী তার নিজস্ব ক্ষমতা কাঠামোকে (মানবিক বা অমানবিক) টিকিয়ে রাখার জন্য সংস্কৃতিকে বারংবার রূপান্তায়িত করে বা সংস্কৃতির রূপান্তর ঘটে যায়। এটা মনে করারও কোন কারণ নেই যে রাজনৈতিকঅর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যেসব কাঠামোর বিবর্তন বা পরিবর্তন ঘটে, সেই সব ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়ার কোন কিছুই সংস্কৃতির উপর পরে না। অবশ্যই পড়ে। কেননা এটা আরো ঘনিষ্টভাবে মনে রাখতে হবেযে কোন ধরণে উৎপাদনই (শিল্পসাহিত্য) সামাজিক উৎপাদন ব্যবস্থার বাইরের কিছু নয়। মানুষ একই সাথে সামাজিক সত্ত্বা ও একক সত্ত্বা। যে কোন ব্যক্তির কাছেই ‘সমাজ’ এ আপাত বিমূর্ত ধারণাটির প্রকৃত অর্থটি বলতে গেলে বলতে হবে সমসাময়িক ও পূর্ববর্তী সকল গোষ্ঠী বা প্রজন্মগুলোর পরোক্ষ ও প্রতক্ষ্য সকল মানুষের সম্পর্কের একটি যৌথ যোগফল।

একক সত্ত্বা হিসেবে ব্যক্তি নিজেই চিন্তা, অনুভব ও নানাবিধ প্রকল্প ও প্রচেষ্টা চালাতে সক্ষম। কিন্তু এই দৃশ্যের গহীনের প্রকৃত উন্মোচনটি হলো ব্যক্তি তার সকল অনুভূতিময় কর্ম বা অস্তিত্বের মধ্যে শারীরিক ও চৈতণ্যের বিকাশ ও উপস্থাপনের জন্য সমাজের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। তাই সমাজ কাঠামোর বাইরের অংশ হিসেবে তাকে কোনভাবে চিন্তা করা বা অন্য কোন প্রক্রিয়া যদি থেকে থাকে তা দিয়ে বোঝার ও গভীরভাবে অনুশীলন করা এক কথায় হবে অলিক ও অসম্ভব। মানুষ তার সব প্রয়োজনীয় সকল কিছুর যোগানকাজের জন্য হাতিয়ার, হাতিয়ার ব্যবহারের ভিন্ন ভিন্ন কৌশল,নানা রকমের বিকশিত শ্রমশিল্প, আর মৌলিক চাহিদাগুলোতো রয়েছেই; আরো রয়েছে প্রাণী হিসেবে মানুষের সবচেয়ে বিশেষ বিকশিত অবস্থানটি, তার চিন্তা করার সক্ষমতা, ভাষা ও চিন্তা করার নানা রূপ ও কৌশল এবং সর্বোপরি চিন্তার সকল বিষয়াদিসহ মানুষের ইতিহাসটাই গড়ে উঠেছে অসংখ্য মানুষের একটু একটু কাজের অংশ গ্রহণের মধ্য দিয়ে, আর তা লুকানো রয়েছে ছোট একটি শব্দের মাঝে, সে শব্দটি হলো ‘সমাজ’। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেট কালো থাবায় স্বকীয় বাঙলা ভাষার নাভীশ্বাস

Posted: ফেব্রুয়ারি 20, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

কর্পোরেট কালো থাবায় স্বকীয় বাঙলা ভাষার নাভীশ্বাস এবং ভাষার আধুনিক টার্মোলজি :: রাষ্ট্রের উগ্র জাতীয়তাবাদ

লিখেছেন: মালবিকা টুডু

মনের ভাব প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভাষা; তবে ভৌগোলিক অবস্থান, কাল ভেদে তা পরিবর্তনশীল। হাজার বছর আগেও ভাষার উন্মেষ ঘটেছিল, আবার হাজার বছর পরেও ভাষা থাকবে; তবে মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে তার স্বরূপ পরিবর্তিত হয়, সেই সাথে পরিবর্তন আসে সাহিত্যসংস্কৃতি, জীবন আচারেও। ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, যেখানেই মানুষ আছে, সেখানেই ভাষা আছে; আদিম ভাষা বলে কিছু নেই, সব মনুষ্য ভাষাই সমান জটিল এবং মহাবিশ্বের যেকোন ধারণা প্রকাশে সমভাবে সক্ষম; যেকোন ভাষার শব্দভাণ্ডারকে নতুন ধারণা প্রকাশের সুবিধার্থে যৌক্তিক উপায়ে নতুন শব্দ গ্রহণ করিয়ে সমৃদ্ধ করা সম্ভব; সব ভাষাই সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয; মানুষের ভাষায় ভাষায় যে পার্থক্য, তার কোন জৈবিক কারণ নেই; যেকোন সুস্থ স্বাভাবিক মানব সন্তান পৃথিবীর যেকোন ভৌগলিক, সামাজিক, জাতিগত বা অর্থনৈতিক পরিবেশে যেকোন ভাষা শিখতে সক্ষম।

ভাষার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল তার সৃষ্টিশীলতা; ভাষাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে জাতি, এমনকি জাতিরাষ্ট্র; উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশ রাষ্ট্র’র কথাই বলা চলে। ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্র ভাষাকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন শুরু হয়, তা সর্বাত্মক আন্দোলনের রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে; পরবর্তীতে এরই ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালে জাতিরাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ। তবে এই আন্দোলনের বীজ বোনা হয় ১৯৪৭ সালে, যখন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড: জিয়াউদ্দীন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশ করেন। ড: মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানান “পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সমস্যা” প্রবন্ধে, সেখানে তিনি লেখেন– “কংগ্রেসের নির্দিষ্ট হিন্দীর অনুকরণে উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা রূপে গণ্য হইলে তাহা শুধু পাশ্চাদগমনই হইবে।…….. বাংলাদেশের কোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার পরিবর্তে উর্দু বা হিন্দী ভাষা গ্রহণ করা হইলে, ইহা রাজনৈতিক পরাধীনতারই নামান্তর হইবে।” দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়, কিন্তু পাকিস্তানের দুটি অংশ পূর্ব পাকিস্তান (পূর্ব বাংলা, বর্তমান বাংলাদেশ) ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও ভাষাগত দিক থেকে যে বিশাল পার্থক্য ছিল, সেই পার্থক্যকে শাসকশ্রেণী কখনোই লঘু করার চেষ্টাটুকুও করেনি তাদের শ্রেণী চরিত্রের কারণেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

গত ১৬ ডিসেম্বর বিকালে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষার্থী সুরমার শাখানদী চেঙ্গেরখালে নৌকাভ্রমনে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় ফেরার পথে ডাকাতের কবলে পড়লে সেখানে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স (সিইপি) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রদ্বয় দীপঙ্কর ঘোষ অনিক ও খায়রুল কবীর নিহত হন, যাদের লাশ পরবর্তী দিনে অর্থাৎ শনিবার সকালে চেঙ্গেরখাল থেকে উদ্ধার করা হয়। লাশ গ্রহণ করার সময়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রি শেখর রায়ের অবিস্মরনীয় বানী ‘ডুবুরীর কোন দরকার নেই, মরা বাহাত্তর ঘন্টার পর এমনিতেই ভেসে উঠবে!!!’ এবং সহকারী প্রক্টর ফারুক উদ্দীনের লাশের সামনে সিগারেট ধরানো এবং পরবর্তীতে সাধারণ ছাত্রদের ‘রাজনীতি বিমুখতা’কে কাজে লাগিয়ে শাসকসশ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতায় থাকা ছাত্র সংগঠনটির বিষয়টিকে ঘিরে আন্দোলনকে ‘অরাজনৈতিক’ মোড়কে দেখিয়ে স্তিমিত করার দূরভিসন্ধীর বিষয়টি নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা জরুরী ঠেকেছে,বিধায় তা নিয়ে লিখতে বসলাম।

অনিক ও খায়রুল'এর নিথর দেহ

এ কথা অনস্বীকার্য যে যেকোন ইস্যুতেই গনআন্দোলন কখনোই ‘অরাজনৈতিক’ হতে পারেনা, তা সম্ভবও নয়, কেননা আন্দোলনের প্রতিটা ইস্যুই স্পষ্টত বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামোর আওতায় এবং যেই ক্ষমতা বিদ্যমান শাসকশ্রেণীর কুক্ষীগত। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবলীলায় হত্যার বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন করলে তা অবশ্যই ‘অরাজনৈতিক’ হওয়া আরো সম্ভব নয়। দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হত্যার বিষয়টিকে ‘অরাজনৈতিক’ হিসাবে দেখতে শিখলে কিংবা সেভাবে ধরে নিলে প্রকৃতপক্ষে অবলীলায় শিক্ষার্থীদের হত্যার বিষয়টিকেই অনুমোদন করা হয়। এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের যেই তিন দফা দাবী ছিলো সেগুলা হলো:

১। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।

২। লাশের প্রতি অবমাননার দরুন ফারুক স্যারকে ছাত্রছাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

৩। অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। (বিস্তারিত…)