Posts Tagged ‘রাজনীতি’


লিখেছেন: আহ্‌নাফ আতিফ অনিক

শ্রদ্ধেয় বদরুদ্দীন উমর তার সম্পাদিত সংস্কৃতি পত্রিকার অক্টোবরনভেম্বর মহান অক্টোবর বিপ্লবের শত বার্ষিকী বিশেষ সংখ্যায়, ‘সমাজতান্ত্রিক সংগ্রামের পথ’ শিরোনামে কমিউনিস্ট আন্দোলনের মূল্যায়নধর্মী একটি প্রবন্ধ লিখেছেন। ই প্রবন্ধে তিনি তার রাজনৈতিক অবস্থান থেকে কমিউনিস্ট আন্দোলনকে দেখেছেন। তার এই লেখাটি ছোট হলেও এটিই তার বর্তমান অবস্থানকে নির্দেশ করছে। তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনের সফলতাব্যর্থতাকে কিভাবে দেখছেন, তা এই লেখায় স্বল্প পরিসরে হলেও সামগ্রিকভাবেই এসেছে। কিন্তু ই লেখায় তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনকে মূল্যায়ন করেছেন এক যান্ত্রিক ব্যক্তিকেন্দ্রিক মূল্যায়নের দ্বারা। নিঃসন্দেহে বদরুদ্দীন উমর এদেশের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনে এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। আর জন্যই তার অসা যুক্তির লেখাটিকে সংগ্রাম করাকে বিপ্লবী কর্তব্য বলেই মনে করি। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a6%bfমোদিজী নিজেকে দলিতদের সবচেয়ে বড় বন্ধু বলে দাবী করছেন। শুধু তাই নয় মোদিজী ও তার দল বিজেপি থেকে সংঘ পরিবার দিকে দিকে আম্বেদকারের স্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। যদিও ভারতীয় সংবিধান তৈরির শুরুর সময় থেকে সংঘ পরিবার এই সংবিধানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। তাদের অভিমত ছিল যে, এই সংবিধান মনুস্মৃতিকে মর্যাদা দেয়নি। যা হোক, ন ক্ষমতায় আসার পর তাদের সেই সংবিধান মেনেই দেশ চালাতে হবে। অগত্যা আম্বেদকার নিয়ে আজ তারা মুখে অন্তত তাদের অবস্থানে ইউটার্ন করেছে। (বিস্তারিত…)


১০. বিপ্লব

—————————

abstract_rev-5তখনও গোধুলির শেষ রক্তরঙটুকু ছড়ানো আকাশে

তখনও প্রকৃতি নিবিষ্ট দু’জনের আলাপনে

বিহঙ্গরা খোঁটনি ঠোঁটে ঘোর অন্ধকার

কেবল দু’চারটে তারার আকাশ বাগানে পুষ্পরূপ ফোঁটা

সামনের কদুলির ডগাগুলো নড়ছে

পাতাগুলো ঘনকালো

.

আপনি রাষ্ট্র ও বিশ্বাস প্রসংঙ্গে বলেছেন খানিকটা (বিস্তারিত…)


religion-discourse

অন্তিমের আনন্দধ্বনি’ শীর্ষক কাব্যসংকলনটি এখানে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। আজ প্রকাশিত হলো তার দ্বিতীয় কিস্তি।

.

০৪. রাজনীতি

——————————–

শতবছরের রাজনীতির ফলেনি ফসল এই ভূখণ্ডে

কেবল ভুলের স্তুপ,জঞ্জাল সিদ্ধান্তের

তবে কেন এত বলিদান মানুষের?

শতভাগ শতনামে শত মতের ক্ষুদ্রঅনুকণা

নয় কি ভুল অপরিমেয় ক্ষতির হিসাব?

আর্থহীন মোহান্ধতা,এক উগ্রতার দলিল অযাথা

শ্লোগান সমঅধিকার,

সাম্যসুন্দর ভোঁজবাজির সম্মোহন দোধারী তরবারি

ক্ষমতারলোভ একধারা শ্রেণীর চলমান বৈপরীত্য সর্বহারার,

নয় কি আরেক স্বৈরাচার রূপে? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মহসিন শস্ত্রপাণি

matin-bairagiদীর্ঘদিন ধরে পথচলার সাথী কবি মতিন বৈরাগীর সত্তর বছরে যাত্রা উপলক্ষে অজস্র শুভেচ্ছা জানাই। তিনি পৃথিবীর আলোহাওয়ায় নিঃশ্বাস নিয়ে চোখ মেলে তীক্ষ্ণ চিৎকার দিয়েছিলেন বরগুনার লাকুরতলা গ্রামে, ১৯৪৬ সালের ১৬ নভেম্বর। তিনি কবিতাপ্রেমে একগ্রতার সাথে মগ্ন আছেন কৈশোরকাল থেকেই এবং নিশ্চিতভাবেই বলা যায় মগ্ন থাকবেন। অন্য কোনো বিষয়ে তাঁর প্রেম এতো গভীর ও অনড় নয়। জীবনের নানা আঘাত ও সংকটে তাঁর কবিতাপ্রেম এতোটুকু টলেনি। দুএকটা ছোট গল্প ও সামান্য কিছু গদ্য রচনায় মন দিলেও কবিতাই তাঁর সব। কবিতার সঙ্গে জীবনযাপনে তাঁর যতো সুখ, যতো আনন্দ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

Bajrangi-Bhaijanগত ১৭ জুলাই ২০১৫ তারিখে ভারত সহ সারাবিশ্বে মুক্তি পেয়েছে কবির খান পরিচালিত ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্র ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। মুক্তির পরপরই সিনেমাটি বিরাট সাফল্যের মুখ দেখেছে, বলিউডের সিনেমার ইতিহাসে বেশ কয়েকটি রেকর্ড ভঙ্গের দিক থেকে প্রথম অথবা দ্বিতীয় স্থানে নাম লিখিয়েছে। চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয়কারী প্রখ্যাত ভারতীয় অভিনেতা সালমান খান সিনেমার প্রযোজক। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ সব স্থানেই দর্শকবৃন্দ চলচ্চিত্রটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ভারতপাকিস্তান সম্পর্ককে ঘিরে কাহিনী আবর্তিত হওয়ায় দৃশ্যমান ঘটনাবলির অন্তরালে এর নিগূঢ় রাজনৈতিক তাৎপর্য অনেকের কাছে ভিন্নমাত্রায় উদ্ভাসিত হয়েছে। বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে একে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

mongoldhonyমঙ্গলধ্বনি ছোট কাগজ মানবজীবনের কল্যাণের পক্ষের কথা বলবার জন্য এবং শোনানোর জন্য কয়েক তরুণ চেষ্টার এই ছোট কাগজ। সে কল্যাণ সার্বিক সামাজিক রাজনৈতিক প্রাণপ্রকৃতিপরিবেশের পক্ষের। নিয়মিত নয় এই ছোটকাগজ, তবে তাদের চেষ্টা দেখে বুঝে নেয়া যায় যে একটুখানি সহযোগিতা পেলে তারা নিয়মিত হয়ে উঠতে পারে এবং নিরন্তর নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তাদের শ্রমমেধাযোগ্যতাকে ব্যবহার করতে পারে। জগজীবনে কোনো কাজই যা বৃহক্ষ্য অর্জনে নিবদ্ধ, তা একক চেষ্টায় পূর্ণতা পায় না সাহসী, উদ্যমী, সমাজ সচেতন মানুষের অংশগ্রহণ তাই জরুরী। তবু এই গীত তারা গাইতে চাইছে এবং এর জন্য অসুখ চিহ্নিত করে ইস্যুভিত্তিক লেখা তারা ছাপছে তাদের এই ছোট কাগজে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

০১.

abstract-art-432দীর্ঘ সময় ধরে চলমান সামাজিক রাজনৈতিক আবদ্ধতা মানুষের মনজগতে নানা প্রতিক্রিয়ার প্রভাব ফেলে। মানুষ সামগ্রিকভাবেই চিন্তা চেতনার ক্ষেত্রে কমবেশি পঙ্গুত্বকে বহন করতে শুরু করে। নতুন চিন্তা যা কিছু তারা বলে তা পুরানো চিন্তারই নামান্তর, অর্থাৎ দাস মনোবৃত্তিই তাদের মনোজগতে প্রবল হয়ে ওঠে ও প্রভুর সকল ছলচাতুরীকে তারা গোষ্ঠী জাতি বা বৃহত্তর মানুষ গোষ্ঠীরা প্রায় একই রূপ বহন করতে থাকে তারা মনে করে যে তারা নতুন জীবন দেখছে নতুন সুযোগ পাচ্ছে এবং নতুনের দিকে যাচ্ছে। আসলে এই ভাবনা তার মনোবৈকল্যের ফলাফল। আমরাও আমাদের চারপাশে এরকম অবস্থাই দেখছি। দেখা স্বাভাবিক। বিশ্বপরিস্থিতির ভেতরই আমাদের বসবাস এবং বিশ্ব মোড়লদের একই ছকের ভেতর আমাদের দিনরাত্রি। হিসেব নিকেশও প্রায় একই রকম। সামান্য কিছু হেরফের থাকলেও উন্নত বিশ্ব বা গরীব বিশ্বের মানুষেদের মনোজগতের ক্রিয়া কর্মে খুব বেশি দূরত্ব থাকেনা।। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

indian-media-and-army[মূল্যায়ন পত্রিকার তরফে ত্রয়ন দা আমাকে নেপালের ভূমিকম্প :: একটি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিষয়ক প্রবন্ধ লিখতে বলেছে। দীর্ঘ দিন ঝুলিয়ে অবশেষে লিখতেই হল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখতে গেলে সেটা অবধারিতভাবেই রাজনৈতিক মতামত হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু মুশকিল হল এই যে নেপাল সম্বন্ধে আমার যানা বোঝা হল কিছু বই পড়া ভাসা ভাসা জ্ঞ্যান আর গত ভূমি কম্পের সময় ইউএসডিএফ United Students’ Democratic Front (USDF)-এর তরফে নেপালে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে গিয়ে যেটুকু নেপাল দেখা। মাও সেতুঙএর ভাষায় যাকে বলে ঘোড়ায় চড়ে ফুল দেখা। মাওএর মতে, কোন বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান না করে সেই বিষয়ে মতামত দেওয়ার কোন অধিকার থাকে না। আর এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ স্টাডি আমার নেই। ফলে লেখাটি একটি অহেতুক অকারণ অগভীর প্রবন্ধে পর্যবসিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আজ কাল কথিত মূল ধারার অধিকাংশ রাজনৈতিক প্রবন্ধের ক্ষেত্রে যা হয় আরকিতবুও এইটুকু সময়ের মধ্যে যা দেখাজানাবোঝা (ভুল বা সঠিক) সেটা পাঠককে জানাবার সুযোগ পেলে মন্দ কি? বাকি বিচার পাঠকের উপরই ন্যস্ত থাকলো।।] (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাসুদ রানা

Prochod -vabbudbudস্বাধীনতা অর্জনের কয়েক দশক পেরিয়ে গেল না পেলাম অর্থনৈতিক মুক্তি, না পেলাম রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি। যেখানে দিন দিন এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, সেখানে প্রতিনিয়ত অবনতির কড়াল গ্রাসের মতো পিছনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। দেশ, সমাজটা যেন জৌলসে অনেক উন্নতি করেছে। আগের চেয়ে রাস্তাঘাট, অফিসআদালত, দালানকোঠা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু মানুষের হাহাকার কমেনি, বরঞ্চ তা বেড়েছে বৈকি! এসবের পাশাপাশি আমাদের দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক সঙ্কট আরো বেশি ঘনীভূত হয়েছে এবং হচ্ছে। এসব সঙ্কটের রূপ আরো গভীরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া কোনো উপায় খুঁজে পাওয়ার সুযোগ নেই। আপাত অর্থে আমাদের দেশ পরিচালনাকারী রাজনৈতিক দল, রাজনীতিবিদরা এ সঙ্কটের জন্য মূলগতভাবে দায়ী। কিন্তু এসবের পাশাপাশি রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিকভাবে সাহায্যসহযোগিতা করেছে আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা। বুদ্ধিজীবীরাই মূলত সাংস্কৃতিক সঙ্কটের জন্য এককভাবে দায়ী। এরাই আমাদের সাহিত্যসংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করেছেন। প্রগতিশীল ভেকধারী তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরাই এ সঙ্কটের তৈরি করেছেন, বললে অত্যুক্তি হবে না। এসব বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে আহমদ ছফা বলেছেন

যাঁরা মৌলবাদী তারা শতকরা একশো ভাগ মৌলবাদী। কিন্তু যাঁরা প্রগতিশীল বলে দাবী করে থাকেন তাঁদের কেউ কেউ দশভাগ প্রগতিশীল, পঞ্চাশ ভাগ সুবিধাবাদী, পনেরো ভাগ কাপুরুষ, পাঁচ ভাগ একেবারে জড়বুদ্ধিসম্পন্ন। (সাম্প্রতিক বিবেচনা বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস) (বিস্তারিত…)