Posts Tagged ‘যৌনতা’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

[এই লেখাটি ক্রমাগত সমৃদ্ধ হচ্ছে। আর এর পেছনে কয়েকজন কমরেডের সম্মিলিত উদ্যোগ রয়েছে। নিজেদের মধ্যকার বিতর্কআলোচনাসমালোচনাআত্মসমালোচনাপর্যালোচনায় অনেক তীর্যক অনুসন্ধান বেরিয়ে আসছে। যা আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি। নামোল্লেখ না করেই কমরেডদের ধন্যবাদ জানাই। আর এতে সব কমরেডদের মতামত জানানোর আহ্বান জানাই।]

ভালোবাসা শব্দটার ব্যাপ্তি বেশ বড়। প্রেম তো আরো গভীর বিষয়। প্রেমের মানে নিবিষ্ট, একাগ্র আবেগযেখানে ব্যক্তিসত্তা অপর সত্তার সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কে আবদ্ধ হয়। তবে প্রেমের সংজ্ঞাটা অনেকটা অসংজ্ঞায়িতযার মানেতাকে অনেকভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়, কিন্তু তা পরিপূর্ণ নয় এখানে পছন্দের ক্ষেত্রে যেমন শ্রেণীগত অবস্থান ক্রিয়াশীল থাকে, তেমনি জীনগত রসায়নও তাতে ক্রিয়াশীল। অর্থাৎ শরীর এবং মন বা চিন্তা; উভয়টিই পছন্দের ক্ষেত্রে কার্যকর থাকে

ব্যক্তির চেতনাযাতে ব্যক্তির চিন্তাগত এবং শারীরবৃত্তীয় রসায়ন, উভয়টির প্রতিফলন ঘটে, তার নৈকট্য বোধের আবেগের মাধ্যমেই ব্যক্তিসমূহের মাঝে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠতে পারে এই আবেগ বাঁধভাঙা হতে পারে না, কারণ তাতে ওই সম্পর্কটাও ভেসে যাবে। আবেগ অবশ্যই থাকতে হবে, তবে তা হতে হবে নিয়ন্ত্রিত। আবেগ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে মুক্তির পথে এগোনো তো দূরের কথা, মানুষ হারাতে পারে তার মানবিকতা। তা বোঝার জন্য একটা উদাহরণ দিই। মনে করুন, কোনো ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। তাকে দেখে অপর ব্যক্তির যৌনানুভূতি জাগ্রত হলো, হাসি, কান্না, দুঃখ, সুখ, কষ্ট, আনন্দ, বিরহের মতো এটাও আবেগ। এখন ওই ব্যক্তি কি অপর ব্যক্তির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে তার যৌনানুভূতিকে নিবৃত্ত করতে? আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না হলে তো তিনি অপরের চিন্তা বা মতামতকে কোনো তোয়াক্কা না করে সেটা করতেই পারেন। কিন্তু মানবিকতা আমাদের তা করা থেকে বিরত রাখে, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখায়। এমনি করে সম্পর্কে পারস্পরিক রাগারাগি হতে পারে, মতভিন্নতা হতে পারে। কিন্তু তখন আবেগ নিয়ন্ত্রণ না করে অপরকে আঘাত করা, বা জোর করে নিজের চিন্তাটা চাপিয়ে দেয়া হলে সেই সম্পর্কটা কী আর টিকে থাকতে পারে?? আবার প্রেমিকপ্রেমিকার মধ্যে কোনো একজনের আকাঙ্ক্ষা হলো অপরের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর; এ ক্ষেত্রে অপরপক্ষ তাতে সম্মতি না জানালেও কী আবেগের বশবর্তী হয়ে তা কার্যকর করতে হবে? এটা কী আধিপত্যবাদী চেতনারই বহিঃপ্রকাশ নয়? বস্তুত আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে বাস্তবতার বিচারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার জন্যই মানুষ চিন্তাশীল প্রাণী। আর এটাই মানবিকতার সৃষ্টিশীলতা। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন:সৌম্য মণ্ডল

sex-educationঅন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে যৌনতা খুবই স্পর্শকাতর বিষয়, যৌনতা বিষয়ে প্রকাশ্যে স্বাভাবিক স্বরে কথা বলা ‘অসভ্যতা’ সামিল। অথচ এই দেশেই কোনো নতুন সংবাদপত্র বাজারে এলে তাকে সেলিব্রেটিদের কেচ্ছা, কেলেঙ্কারী, যৌনতা সংক্রান্ত রগরগে কিছু পাতা রাখতেই হয়, নতুন বাজার ধরার স্বার্থে। আমের রস থেকে ছেলেদের সেভিং ক্রিম (যার সাথে মেয়েদের কোনো সম্পর্ক নেই!) সবেতেই নারী দেহ, যৌনতার উপস্থিতি। আর গাধার নাকের ডগায় মূলো ঝুলানোর মতো,নাকের ডগায় নারী দেহ ঝুলিয়ে ভোগবাদের ভূবনে ক্রেতাকে ছুটিয়ে বেড়ানোর যে বানিজ্যিক প্রথা, তাকে জনতা মনেহয় খুব স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নিয়েছে। তাই কথিত মূল স্রোতের রাজনৈতিক দলগুলো এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ প্রতিরোধের প্রয়োজন মনে করেনি কখনো। ফেলো করি মাখো তেল। সরষে হোক বা জাপানি। পুঁজিবাদ সব কিছুকে বাজারের কেনাবেচার সামগ্রীতে পরিণত করেজল থেকে যৌনতা, সব কিছু টাকার বিনিময়ে কেনা। লুকিয়ে যৌনতা কেনা। স্বাভাবিক মানবিক সম্পর্ক যখন পন্যের রূপ ধারণ করে, তখন তা আর মানবিক থাকেনা। অমানবিক হয়ে ওঠে, হয়ে ওঠে বিকৃত। প্রকাশ্য বাজার থেকে লুকিয়ে চুরিয়ে বিকৃত যৌনতা কেনা যাবে। কিন্তু যৌনতা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করা মহা পাপ! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

পুরুষতান্ত্রিকতা...এই দুই হাতে তোমার দুই হাত,

আঙুলে আঙুলে খেলে ভালোবাসা।

বৃন্তে বৃন্তে আমার ঔদ্ধত্য,

নরম ঠোঁটে খেলা করে প্রেমের রোদ্দুর।

এভাবেই মনের ফাগুনে কেটে যায় বসন্ত!

আর চলতে থাকে ….

ভাঁজে ভাঁজে সৃষ্টির আলেখ্য।

সৃষ্টিতে শুধু কাঠামো বা শরীর অথর্ব;

মনপ্রাণের ছোঁয়ায় হয়ে ওঠে সৃষ্টি জীবন্ত! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

মাসুদের দৃষ্টি আটকে থাকে বাসের দুই সারি সিটের মাঝে কায়ক্লেশে দাঁড়িয়ে থাকা ঈষৎ দোদুল্যমান এক জোড়া নিতম্বের দিকে।

আর কয়েক দিন পর কোরবানীর ঈদ। গ্রীষ্মের দাবদাহে প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ বাসের যাত্রীদের মধ্যে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য কয়েক আজলা জলের হাপিত্যেশ। টিকেট চেকারের হাঁকডাঁক। কতিপয় যাত্রীর খিস্তিখেউড় উড়ে বেড়াচ্ছে বাসের অভ্যন্তরে, বাতাসে। কয়েকটা সেলফোন মাঝে মধ্যেই বেজে উঠছে কর্কশ শব্দে। কেউ কেউ সেটা কানের কাছে ধরে ততোধিক কর্কশ স্বরে চেঁচিয়ে যাচ্ছে প্রাণপণে, বাসের ভেতরে চিৎকারচেঁচামেচি ভেদ করে শ্রবণতন্ত্রীতে বোধগম্য শব্দমালা সৃষ্টিতে ব্যর্থ হচ্ছে শব্দতরঙ্গের অপর পার্শ্ববর্তী/বর্তিনীর কণ্ঠস্বর। বঙ্গভবনের সামনে দিয়ে কিছুদূর এগিয়ে সচিবালয়ের সামনের রাস্তায় পড়ার ঠিক আগে বাস দাঁড়িয়ে গেছে অসহ্য যানজটে। এরপর তোপখানা পেরোতে আধা ঘণ্টা। বাসের মধ্যে প্রায় গুমোট আবহে নিতম্বিনীর কোমর অবধি নেমে আসা চুল সামান্য বাতাসে মৃদু কাঁপছে। মাসুদের মনের তৃষ্ণা বাড়ায় তার মুখাবয়ব দেখবার অনিঃশেষ আকুলতা। পাশে বসে থাকা আধবুড়ো লোকটা খক্খক্ করে কাশে। মাসুদ প্রচণ্ড বিরক্তি নিয়ে তার দিকে তাকায়। আধা কাঁচাপাকা খোঁচাখোঁচা দাঁড়ি, ঠোঁট দুটো পানের রসে জারিত, নোংরা নীল শার্ট আর সস্তা লুঙ্গিপরিহিত আধবুড়োটা অশিক্ষিত শ্রেণীভুক্ত এক পলকেই বলে দেয়া যায়। নিমীলিত নেত্রে সে তাকায় মাসুদের মুখপানেসেখানে ফুটে ওঠা বিরক্তির শীতল দৃষ্টি তাকে বিচলিত করে বলে মনে হয় না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

এক

কতদিন নারী মাংশের স্বাদ পাই না, কতদিন যৌনপল্লীতে যাইনি; দীর্ঘ একমাস পূর্বে একবার গিয়ে শরীরের ক্ষুধা মিটিয়ে এসেছিলাম। মেয়েগুলো কত সস্তায় যে তাদের দেহ বিক্রি করে! পঞ্চাশ টাকা, একশ টাকা, দুইশ টাকা, তিনশ টাকাএত কম দামে এমন ভাল জিনিস পৃথিবীর আর কোথায় পাওয়া যায় কিনা সন্দেহ! আর আমি অভাগা এমন সুযোগ নাকের ডগায় পেয়েও সামান্য কটি টাকার অভাবে, দেহের লালসা নিয়মিত নিবৃত্ত করতে পারিনা।

মেয়েগুলো কত যে ভালো! কোন আবদার নেই, বিশেষ বাহানা নেই, চটুলতা নেই, ছেনালীপনার ছিটেফোটা নেই, কত সহজ,কেমন সুন্দর সরল! আর যা কিছু করে, সকল তাদের ব্যাবসার খাতিরে, খদ্দেরদের সামনে কাঁচা মাংশের পসরা সাজিয়ে বসে থাকে, বিভিন্ন ভঙ্গিমায় দেখায়, গুনাগুন বর্ণনা করে; মানিব্যাগ খুলে কয়েকটা কড়কড়ে নোট বের করে দিলেই, সুবোধ বালিকাদের মত; নিম্নাঙ্গ উন্মুক্ত করে বিছানায় শুয়ে পড়ে।

আর ভদ্র ঘরের সামাজিক মেয়েরা,যারা সমাজ সংসার থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে ছেলেদের সাথে প্রেম প্রেম খেলে; তাদের কত যে তাল বাহানা, ছেবলামো, ছেনালীপনা, ধূর্ততা তা বলে শেষ করা যাবে না! ওদের মনের মধ্যে যেন গুবরে পোকা সবসময় কিলবিল করে; কুকুরের মত, জিহ্বা দিয়ে সবসময় লালা টপটপ করে পড়তে থাকে; থ্রিপিছ, শাড়ী, চুড়ি, কানের দুল, সাবান,শ্যাম্পু,সুগন্ধি তেল, পারফিউম কিনে দাও, ফোনে ব্যালান্স ভরে দাও, মিসড কল মারলে ফোনে ভালাবাসার চটুল কথাবার্তা বলতে বলতে; নাকি কান্না শুনতে শুনতে সমস্ত রাত্রি কাবার, মানি ব্যাগের সব টাকা শেষ। তার পরেও রেহাই নেই, টাকা ধার করে হলেও সপ্তাহে একদিন চাইনিজে; দুই দিন পার্লারে নিয়ে যাও। আগের দিনে দুই টাকার বাদাম কিনে পার্কে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা প্রেম করা যেত, এখন সেই দিন শেষ; নতুন যুগ এসেছে, তার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে,নইলে আর প্রেমিকার মুখ দেখতে হবেনা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌরভ ব্যানার্জী

আমি নিজেকে যতটা ভালবাসি ততটাই তোমাকে

তুমি নেই পাশে, নেই কাছে, এই মূহুর্তে

শুধু প্রতিটি নিঃ‍শ্বাস জানায় তোমার উপস্থিতি

প্রতিটা মূহুর্ত ঠেলে দেয় আমাকে তোমার কাছে, আরও কাছে

মনের কত কাছে তবু দেহ থেকে কত দূরে

কত চেনা তবু কত অপরিচিত, অজানা, শব্দাতীত

তবে মনে মনে জানি একদিন দেখা হবে হঠাৎ, অজান্তে

আর তুমি দেবে আমায় মুক্তি, নবজাগরণ।

প্রথম মিলনের নজরাণা। (বিস্তারিত…)