Posts Tagged ‘যুদ্ধাপরাধ’


লিখেছেন: অজয় রায়

২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইয়েমেনের উপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট। যাদেরকে মদত দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।[] ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপতি আব্দরাব্বু মানসুর হাদিকে ইয়েমেনে পুনর্বহালের জন্য বিমান হামলা শুরু করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তবে তারা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েও ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদেরকে উৎখাত করতে পারেনি। বরং সৌদি জোটেই বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে। সম্প্রতি যেমন এডেন শহরে সৌদি সমর্থিত হাদির অনুগত সেনাদের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমির শাহীর ঘনিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

gaza_massacre-1প্যালেস্টাইনে ইজরায়েলি হানা অব্যাহত। এখন অবধি যা খবর তাতে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অসামরিক ব্যক্তি তথা সাধারণ নাগরিক, যাদের মধ্যে আবার ২১৮জন শিশু, আহতের সংখ্যা এখনো অবধি ৫২৪০জন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমী দেশগুলো এবং রাশিয়ায় যখন ইউক্রেন সীমান্তে ভেঙ্গে পড়া বিমানের যাত্রীদের মৃত্যু নিয়ে একদিকে শোকাতুর, অন্যদিকে এ নিয়ে রুশ মার্কিন চাপান উতর চলছে, তখন খুশির ঈদের দিনই উদ্বাস্তু শিবিরের সামনের মাঠে খেলাধুলারত শিশুদের উপর কিংবা স্কুলবাড়ি বা হাসপাতালে; জনবহুল রাস্তায় কিংবা অসামরিক নাগরিকদের বাসস্থানের জন্য নির্মিত এপার্টমেন্টে আছড়ে পড়েছে একের পর এক ইজরায়েলি মর্টার এবং ক্ষেপনাস্ত্র। ওই দিনই অন্ততঃ পাঁচটি মসজিদে তারা ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ধ্বংস করা হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জলবন্টন ব্যবস্থাকেও। (বিস্তারিত…)


সংকলন: শিল্পভবন

war-crime-3দৈনিক বাংলা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বিচিত্রাতে ‘গোলাম আযম ও জামায়াতের রাজনীতি’, ৯ বর্ষ ৪৪ সংখ্যা, ১৭ এপ্রিল ৮১

এই সংখ্যাতে ‘গোলাম আযম ও জামায়াতের রাজনীতি’ শিরোনামে ১৭ পৃষ্ঠাব্যাপী জামায়াতের অতীত ও বর্তমান এবং ’৭১ সালে কতজন জামায়াতী মারা গিয়েছিল ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তর প্রতিবেদন ছাপা হয়। এই প্রতিবেদনের ভূমিকাতে যা ছিল তা এখানে তুলে ধরা হলো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

war-crime-4কোন দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠি যদি তার হাতে ভয়ানক কোন মানবধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা ও আরো বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করতে করতে এগিয়ে আসতে শুরু করে তাহলে নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রথম কাজটি হবে ঐ দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠীকে পাকড়াও করে তার হাতের ভয়ানক অস্ত্রটি কেড়ে নেয়া এবং তারপরে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোএবং বিচারের মাধ্যমে তার কৃত অপরাধের জন্য উপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা করা। ঐ দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠিটির হাত থেকে মানবধ্বংসী অস্ত্রটি কেড়ে না নিয়ে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো খুব বেশী সুবিধাজনক বলে মনে হয় না। (বিস্তারিত…)


গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হোন

Mongoldhoni - logo১৯৭১এর মুক্তিযুদ্ধ এই ভূখণ্ডের জনগণের আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ঐতিহাসিকভাবেই এই ভূখণ্ডের মানুষ সংগ্রামী। তারা বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। আর এই সংগ্রামের চাপে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালে হিন্দুস্তান ও পাকিস্তান নামের দুইটি রাষ্ট্র সৃষ্টি ও তার শাসকদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বৃটিশরা। পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠন প্রক্রিয়ার সময়ে মানুষ যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আশা করেছিল, তা থেকে যায় অধরা। উল্টো তারা সামরিক আমলাতান্ত্রিক এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনে জর্জরিত হতে থাকে। আর এই প্রক্রিয়ার সহযোগী শক্তি হিসেবে বরাবরই সক্রিয় সমর্থন যোগায় ইসলামী ধারার কয়েকটি রাজনৈতিক দল। বিপরীতে জনগণের গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত সমাজের আকাঙ্খা থেকে অসংখ্য রাজনৈতিক সংগ্রাম সংগঠিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আসে ’৭১, যা মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জামায়াতে ইসলামী এবং তৎকালীন ইসলামী ছাত্র সংঘ (বর্তমানে ইসলামী ছাত্র শিবির) তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিকআমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে রক্ষার জন্য পাকিস্তানী সেনা কমান্ডের অধীনে রাজাকার, আলবদর, আলশামস নামে ফ্যাসিস্ট বাহিনী গঠন করে। এই বিশেষ বাহিনী জনগণের মুক্তি সংগ্রামের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কর্মীসহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সাধারণ নিরীহ জনগণকে হত্যা, নারী নির্যাতন ও লুণ্ঠনে মেতে উঠে এবং তারা বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক মনোভঙ্গী থেকে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠীকে নির্মূলের চেষ্টা করে। (বিস্তারিত…)


shahbagh-1

যেহেতু ১৯৭১ এ মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতি ও রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি এবং যেহেতু মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এবং দুই লক্ষ নির্যাতিত নারীর জীবনের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে এবং যেহেতু এই মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর সক্রিয় সহযোগী হিসেবে গণহত্যা ও ধর্ষণ সহ সকল মানবতাবিরোধী অপরাধে জামাতে ইসলামী এবং তৎকালীন ইসলামী ছাত্র সংঘ (বর্তমানে ইসলামী ছাত্র শিবির) সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকেছে এবং যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক বহুবছর এই মানবতা বিরোধী অপরাধের ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত থেকেছে এবং যেহেতু বর্তমান মহাজোট সরকার এই মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার করবে এই মর্মে প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিরংকুশ সংখ্যগরিষ্ঠতা পেয়েছে এবং যেহেতু মিরপুরের কসাই খ্যাত কাদের মোল্লার যাবজ্জীনের রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রত্যাশিত ন্যায় বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে জাতির স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে; সেহেতু শাহবাগে জমায়েত মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় প্রজন্ম নিম্নোক্ত ঘোষণা সর্বসম্মতভাবে প্রকাশ করছে। (বিস্তারিত…)