Posts Tagged ‘যুদ্ধাপরাধের বিচার’


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

gonojagoron-program-12গণজাগরণ মঞ্চ থেকে প্রচার করা হয়েছে,

বছর ঘুরে আবারও আমাদের সামনে এসে হাজির হচ্ছে সেই ৫ ফেব্রুয়ারি। গত একবছরের এই দীর্ঘ যাত্রায় আমাদের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার হিসাব নিকাশ করা আবারও জরুরি। বর্ষপূর্তির ক্ষণে নিজেদেরকে আবারও উদ্দীপ্ত করার প্রত্যয় আর এযাবৎকালের অর্জনগুলোকে মূল্যায়ণ করাও খুব প্রয়োজন। সুতরাং, গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে বিশ্ব ইতিহাসের এই অভূতপূর্ব গণজাগরণের দিনটিকে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সকল মানুষের এই বিষ্ময়কর ঐক্যবদ্ধ জাগরণকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা ৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘গণজাগরণ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করছি। আমরা এই বর্ষপূর্তিকে শুধু পালন করব না, আমাদের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম যাতে আগামী প্রজন্মের কাছে হস্তান্তর করা যায়, এজন্য এবারের বর্ষপূর্তির আয়োজনে আমরা বিশেষ করে শিশুকিশোরদের অংশগ্রহনের জন্যও বেশ কিছু আয়োজন রেখেছি।” (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন:আবিদুল ইসলাম

ধর্মভিত্তিক রাজনীতির স্বরূপ

বাংলাদেশের ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো থেকে দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ডাক দেয়া হয় মাঝে মধ্যেই। হেফাজতে ইসলাম নিজেদের অরাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করলেও তাদের কর্মসূচির রাজনৈতিক চরিত্রও চোখে পড়ার মতো। শতকরা ৯৫ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে আজ “ইসলাম বিপন্ন” এমন শ্লোগান হেফাজতে ইসলামের লোকজনের পক্ষ থেকে উত্থিত হচ্ছে, যদিও এই ভূখণ্ডে এ আওয়াজ নতুন কিছু নয়। পাকিস্তান আমল থেকেই জনগণের যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনসংগ্রামের সময় শাসক গোষ্ঠীর পক্ষ হতে এ আওয়াজ তোলা হতো। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন সহ অধিকাংশ সময়েই গণতান্ত্রিক দাবিদাওয়া আদায়ের সংগ্রামে জনগণ সংগঠিত হলেই পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষ হতে ‘ইসলাম গেল’ চিৎকার ওঠানো হতো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:আবিদুল ইসলাম

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গ ও শাহবাগের আন্দোলন

বর্তমানে যে ইস্যুটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তাহলো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনীর সহযোগী তথা রাজাকার, আলবদর, আলশামসের সদস্য হিসেবে যারা বিভিন্ন প্রকার অপরাধে লিপ্ত ছিল তাদের বিচার প্রসঙ্গ। বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটসরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে কতিপয় যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিষয়ক এক ট্রাইবুনাল গঠন করে। এই ট্রাইবুনাল থেকে প্রথম রায় দেয়া হয় গত ২১ জানুয়ারি বাচ্চু রাজাকার ওরফে আবুল কালাম আজাদের। পলাতক এই যুদ্ধাপরাধীকে প্রদান করা হয় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শওকত রিপন

জাতি হিসেবে আমরা বরাবরই ছিদ্রান্বেষী। অন্যের দোষত্রুটিখুঁত খুঁজে বেড়াতে সময়ের অন্ত নাই। নিজের দোষ তো খুঁজিই না তাই খুঁজে পাবার আশা বাতুলতা। কার্যকারণে যদি কখনো কোন দোষ ধরা পড়ে যায় তবে ব্যাস্ত হয়ে পড়ি সেটা অন্য কারো ঘাড়ে চাপানোর জন্য। বাংলাদেশে এই মূহুর্তে যে অশনি সঙ্কেত বেজে চলেছে,ঘরে ঘরে আহাজারী আর দুর্দশা বেড়েই চলেছেতার জন্য কাকে দোষ দিতে গিয়ে কার কোপানলে পড়ি তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। (বিস্তারিত…)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি

গণজাগরণ মঞ্চের মূল নেতৃবৃন্দের আপোষকামীতার কারণে আন্তরিক আন্দোলনকারীদের মধ্যে যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছেতারই প্রকাশ ঘটেছে শহীদ রুমী স্কোয়াডের আমরণ অনশন কর্মসূচিতে। এ মূল নেতৃবৃন্দ শুরু থেকেই আওয়ামী লীগের গা বাঁচিয়ে, তাদের ছত্রছায়ায় গণজাগরণ মঞ্চ থেকে আন্দোলনের খেলা পরিচালনা করছে। তারা জনগণের আশাআকাঙ্খার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এ সত্য এখন পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও রুমী স্কোয়াডের এ কর্মসূচি আপোষকামী নেতৃত্বের কব্জা থেকে আন্তরিক আন্দোলনকারীদের বেরিয়ে আসার প্রবণতা হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

rumi-squad-5-যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর কেন্দ্রিক পুরো বাংলাদেশ জুড়ে গণজাগরণের হাওয়া বইতে শুরু করে। অনেক বেশী লোকের সমাবেশ হওয়ার কারণে এবং এটা যেহেতু একটা বড় ধরণের গণজাগরন সুতরাং তার দরকার পড়েনি হিংসাত্বক হওয়ার। অহিংস পদ্ধতিতেই এই আন্দোলন চলে আসছে অনেক দিন ধরে।

কিন্তু আন্দোলনের ধারাবাহিকতার একপর্যায়ে এসে দেখা গেল ঘোষকদের অহিংসার পদ্ধতি হাস্যকর পর্যায়ে এসে ঠেকেছে। জনগণ প্রচন্ডরকম মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে আস্থা হারিয়ে ফেলে পিছু হটতে শুরু করে। জনগণ তাদের বুকের ভেতরে যে দায় বা তাগিদ অনুভব করেছে তাতে করে তারা প্রজন্ম চত্বরে সমবেত না হয়ে পারেনি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

revolutionary-force-2বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্যিক পরিস্থিতিতে জনগণের লড়াইকামী শক্তির বিভ্রান্ত হবার কোনো কারণ নেই, বরং লড়াইকে জনমানুষের কাতারে নেবার এখনই যথার্থ সময়। অরূন্ধতী রায়ের লেখা থেকে একটি উদ্ধৃতি দিয়ে আমি আমার এই লেখাটি অবতারনা করছি।

প্রখ্যাত লেখক এবং সমাজসংশ্লিষ্ট মতামত প্রদানকারী ভারতীয় লেখা অরূন্ধতী রায় তার এক লেখায় লিখেছেন, ক্ষমতায় থাকা যে কারো জন্যই প্রধান কৌশল হলো জাতিকে বিভক্ত রাখার পথ খোঁজা।” (বিস্তারিত…)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি

শহীদ রুমি স্কোয়াড আগামীকাল২৯ মার্চ, ২০১৩ থেকে সারাদেশব্যাপী গণঅনশন শুরু করার আহবান জানাচ্ছে!

শহীদ রুমী স্কোয়াড এর জামাতশিবির নিষিদ্ধের দাবীতে আমরণ অনশনের ৪৫ ঘন্টা

rumi-squad-5-জামাতশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবীতে ২৬ মার্চ রাত ১০ টা ৩০ মিনিটে জাতীয় জাদুঘরের সামনে শহীদ রুমী স্কোয়াডের ডাকে শুরু হওয়া আমরণ অনশন কর্মসূচি পার করলো এর ৪৫ তম ঘন্টা। গণজাগরণ মঞ্চের ২১ ফেব্রুয়ারির মহাসমাবেশ থেকে যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে জামাতশিবিরের নিষিদ্ধের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ২৬ মার্চ পর্যন্ত যে আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছিলো, সরকার সেটি না মানায়, এবং এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়ায়, শহীদ রুমী স্কোয়াডের সাত তরুণ এই অনশন কর্মসূচীর সূচনা করেন। ২৭ মার্চ সকাল থেকে এখন পর্যন্ত স্বতপ্রণোদিত হয়ে এই অনশনে যোগ দিয়েছেন আরো ৯ জন; অনড় এই দাবীতে অনশনে যোগদানকারীর সংখ্যা এখন মোট ১৬ জন। শহীদ রুমি স্কোয়াডের পক্ষ থেকে সংহতি সমাবেশের আহবানে পাওয়া গেছে বিপুল সাড়া, সাংগঠনিক পর্যায় থেকে সারা দেশ থেকে ২৬ টি সংগঠন তাদের সংহতির কথা প্রকাশ করেছেন আমাদের সাথে। যার মধ্যে ছাত্র সংগঠন থেকে শুরু করে আছে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। এছাড়া ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে দেশ বিদেশের অসংখ্য মানুষ সংহতি প্রকাশ করেছেন আমাদের সঙ্গে, যার একটি বড় অংশ যার যার অবস্থান থেকে এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। (বিস্তারিত…)


প্রেস রিলিজ

শহীদ রুমী স্কোয়াড এর জামাতশিবির নিষিদ্ধের দাবীতে আমরণ অনশনের ১৫ ঘন্টা

জামাতশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবীতে ২৬ মার্চ রাত ১০ টা ৩০ মিনিটে জাতীয় জাদুঘরের সামনে শহীদ রুমী স্কোয়াডের ডাকে শুরু হওয়া আমরণ অনশন কর্মসূচি পার করলো এর ১৫ তম ঘন্টা। গণজাগরণ মঞ্চের ২১ ফেব্রুয়ারির মহাসমাবেশ থেকে যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে জামাতশিবিরের নিষিদ্ধের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ২৬ মার্চ পর্যন্ত যে আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছিলো, সরকার সেটি না মানায়, এবং এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়ায়, শহীদ রুমী স্কোয়াডের সাত তরুণ এই অনশন কর্মসূচীর সূচনা করেন। ২৭ মার্চ সকালে স্বতপ্রণোদিত হয়ে এই অনশনে যোগ দেন আরো দুজন; অনড় এই দাবীতে অনশনে যোগদানকারীর সংখ্যা এখন মোট নয় জন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

shahbagh-3আবারও তারুণ্য জেগেছে, বহুকাল পরে হলেও জেগেছে। ৯০এর পর এমন জাগরণ আর আমাদের চোখে পড়েনি। ৯০এ স্বৈরাশাসককে উৎখাত করতে, এবার জাগলো ইতিহাসের একটা অমিমাংশিত হিসেবের নিষ্পত্তি করতে একটা জাতির অস্তিত্বকালীন সময়ে পুরো জাতির সাথে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, যারা করেছে মানবতার চরম লঙ্ঘন তাদের যথাযথ পাওনা মিটিয়ে দিতে। একটা জাতির বিকাশের স্বার্থের সাথে তার ইতিহাসের দায় মিটানোর স্বার্থ এক ও অভিন্ন। ঠিক এই প্রতিশ্রুতি দিয়েইতো বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তরুণ সমাজ এই আশাতেই বুক বেঁধে বর্তমান সরকারকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছে। (বিস্তারিত…)