Posts Tagged ‘মেহনতি মানুষ’


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

ভূমিকা

yunus-2সাভারে শ্রমিক গণহত্যায় সুদূর ভ্যাটিকান সিটির পোপ থেকে শুরু করে দেশের সরকার, সুদখোর ইউনুস, মালিক শ্রেণী সবাই যেন নড়েচড়ে বসেছে, মন্তব্যের ফুলঝুরি নিয়ে হাজির হচ্ছে। অন্যদিকে সাভারের ভবন ধ্বসের শোকাবহ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত ১৩২০১৩ তারিখে মন্ত্রীসভার বৈঠকে “বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন), ২০১৩” এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে যা আসলে শ্রম বান্ধব কোন নীতি নয় বরং চূড়ান্ত বিচারে শ্রমিক বিরোধী।এছাড়া ১২২০১৩ তারিখে সরকার একটি ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। যেহেতু উৎপাদনের সাথে আমাদের সবার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা নাই, তাই আপাত দৃষ্টিতে এসমস্ত পদক্ষেপকে আমরা ইতিবাচক ধরে নেই এবং রাষ্ট্রকে গনরাষ্ট্রের আয়নায় দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

yunus-2সাভারে শ্রমিক গণহত্যায় সুদূর ভ্যাটিকান সিটির পোপ থেকে শুরু করে দেশের সরকার, সুদখোর ইউনুস, মালিক শ্রেণী সবাই যেন নড়েচড়ে বসেছে, মন্তব্যের ফুলঝুরি নিয়ে হাজির হচ্ছেন। গত কয়েক দিনে গন মাধ্যমে প্রকাশিত সুদী কারবারি ইউনুসের সাম্প্রতিক একটি লেখা ও রাষ্ট্রের নতুন শ্রম আইন ও মুজুরি বোর্ড গঠনের বেশ কয়েকটি সংবাদ বিশ্লেষণ করতে গিয়েই এ লেখার অবতারণা। (বিস্তারিত…)


cold-efected-rescue-1গত ৫ ই জানুয়ারী প্রজেক্ট রেসকিউ বাংলাদেশ (পি আর বি)-এর উদ্যোগে আইলা দুর্গত বেশ কয়েকটি এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়। দুর্গতদের মধ্যে ১০০ জন নারী, ১০০ জন পুরুষ, ২০০ শিশু এবং ৩০ জন প্রতিবন্ধীদের ১৫০ পিছ কম্বল, ২০০ জ্যাকেট, ২০০ পিছ শার্টপ্যান্ট, ২০ পিছ চাদর এবং ৫০ পিছ সোয়েটার বিতরন করা হয়। পাশাপাশি ২০ জন গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা ও কলম বিতরন করা হয়। (বিস্তারিত…)


 প্রেস বিজ্ঞপ্তি

prb-1-কোনো মৃত্যু সংবাদও যেন এখন আর আমাদের কাঁদায়না। আমার অনেক বেশি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গেছি। কেবল নাগরিক জীবনের আত্মকেন্দ্রিক সুখই খুঁজি আমরা। চা খাই আর আড্ডা মারি, গল্প করি। খাই ফাস্টফুড। সারাদিন মত্য হয়ে থাকি বেনিয়া সংস্কৃতিতে। আমাদের সংগ্রাম শুধু অর্থবিত্তের জন্য। আমরা ভুলে যাই সেই আইলা দুর্গত মানুষের কথা। ভুলে যাই রাস্তার পাশের মানুষটিকে কিংবা আমাদের বাড়ীর পাশের হতদরিদ্র মানুষটির কথা। কোনো দিনই খবর রাখি না এমন সব খেটে খাওয়া মানুষের জীবন সংগ্রামের, দুমুঠো খাবার জোগাড় করাই জীবনের প্রধানতম ব্রত যাদের। অথচ এই মেহনতি মানুষগুলোর অক্লান্ত পরিশ্রমেই কিন্তু গড়ে উঠেছে আমাদের সুন্দর (!) সমাজটির প্রতিটা কণা। কিন্তু তাতে তাদেরই কোনো অধিকার নাই! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

শহীদ আসাদ

কোন কোন মৃত্যু ইতিহাস হয়ে যায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে জনস্রোতের উদ্বেল জোয়ার আনে। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদ, যিনি আসাদ নামেই সর্বাধিক পরিচিত, তাঁর মৃত্যু এমনি এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থানে। আসাদ এবং ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থান এক অখন্ড সত্বা।

এই বিপ্লবী ১৯৪২ সালের ১০ জানুয়ারী নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার ধুনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মাওলানা আবু তাহের। তিনি ছিলেন হাতিরদিয়া সাদত আলী হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা হেডমাষ্টার। আসাদের মাতার নাম মতি জাহান খাদিজা খাতুন। ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আসাদ ছিলেন চতুর্থ। ১৯৬০ সালে আসাদ শিবপুর হাই স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে সিলেটের এম.সি কলেজে (মুরারী চাঁদ কলেজ) ভর্তি হন। ১৯৬৩ সালে ওই কলেজ থেকে আই.এ পাশ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে অনার্সসহ বি.এ ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৬৬ সালে বি.(অনার্স) এবং ১৯৬৭ সালে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন।

ছোট বেলা থেকেই প্রতিবাদী আসাদ স্কুল ও কলেজ জীবনে পুরোপুরি রাজনৈতিক অঙ্গনে জড়িত না থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়েই রাজনীতিতে আসাদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পায়। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন এবং জননেতা আঃ হামিদ খান ভাসানীর অনুসারী হন। এরপর রুশচীন আন্তর্জাতিক মহাবিতর্কের প্রক্রিয়ায় আসাদ বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হন। ধারণা করা যায়, এ সময়েই তিনি ইপিসিপি (এমএল)-এ যোগদান করেন। অত্যন্ত মেধাবী এই ছাত্রনেতার অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ছাত্র সংগঠনে যুক্ত থাকা অবস্থায় অল্প দিনের মধ্যেই ঢাকা হলের সভাপতিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। (বিস্তারিত…)