Posts Tagged ‘মুক্তি সংগ্রাম’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

Irom_Chanu_Sharmilaইরোম শর্মিলা চানু, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী নন, তথাপি তিনি মণিপুরের জনগণের আন্দোলনসংগ্রামের অনস্বীকার্য প্রতিনিধিতে পরিণত হয়েছেন। অথচ কর্পোরেট মিডিয়ার প্রচারণায় না থাকায় তার অব্যাহত নীরব আন্দোলন থেকে গেছে অনেকাংশেই পর্দার আড়ালে, অনেকের কাছেই এই ইতিহাস এখনো অজানা। একটি গণবিরোধী আইন বন্ধের দাবী, তথা রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ বছর ধরে চলমান অনশনের ইতিহাস মানব সভ্যতায় বিরল। অথচ, তাকে নিয়ে লেখালেখিও যে খুব হয়েছে এমনটি নয়। উল্লেখ করার মতো গুটিকয়েক প্রকাশনা আর গ্রেপ্তারকৃত অবস্থায় কর্পোরেট মিডিয়ার কয়েক সেকেন্ডের খবরই কেবল তার জন্য বরাদ্দ ছিল। (বিস্তারিত…)

Advertisements

প্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনির ৩য় সংখ্যা…

Posted: নভেম্বর 3, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 Mongoldhoni-logo-1

মেষ শাবককে খাবার জন্যে নেকড়ের কোনো যুক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চিঁ চিঁ ধ্বনির প্রতিবাদ নেকড়েকে প্রতিহত করতে পারে না। নেকড়েকে রুখতে হলে আকাশ বির্দীণ করা চিৎকার করতে হবে। তেমন চিৎকার একক কন্ঠে সম্ভব নয় সম্মিলিত কন্ঠে প্রবল শক্তির নির্ঘোষে হতে হবে। সেই শক্তির আবাহনের কর্তব্যবোধে ‘মঙ্গলধ্বনি’র সকল আয়োজন। জগতে একা একা কিছুই হয় না একটা কুটোও নড়ানো যায় না। তবু একা চলার সাহস দেখাতেই হবে। যে প্রথম সামনে এগোয় সে অন্যকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রাণিত করে। একা ব্যক্তির এই ভূমিকা প্রশংসার, শ্রদ্ধার। ‘মঙ্গলধ্বনি’ প্রশংসা ও শ্রদ্ধার চেয়ে অধিক প্রত্যাশা করে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। আর একত্রিত হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করা চিৎকার দেবার শক্তি হয়ে ওঠার। সে শক্তি নেকড়েদের কেবল রুখবেই না চিরতরে মানব সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। নেকড়ে ও মানুষ এক সমাজে বাস করতে পারে না। (বিস্তারিত…)


প্রণব মুখার্জীর বাংলাদেশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে আগমনের প্রতিবাদে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ ও কুশপুত্তলিকা দাহ

২ মার্চ ২০১৩, শনিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশ ও ভারতের গণতান্ত্রিক জনগণের শত্রু ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর বাংলাদেশ আগমনের প্রতিবাদে সোচ্চার হোন

aisu-1-মিথ্যা আশ্বাসের ফুলঝুড়ি নিয়ে ২০১২ সালের ৭ আগষ্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন ভারতের তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জী। আগামী ৩ মার্চ তিনি আবার আসছেন। বাংলাদেশের তাবেদার সরকার ও শাসকশ্রেণী তা সাদর অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত হয়ে আছে। এই সফরে তিনি ট্রানজিট, সীমান্ত ও তিস্তা প্রশ্নে আগের মতই মিথ্যা আশ্বাস দেবেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করবেন। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের কি লাভ হবে? গত ১০ বছরে ভারতীয় সীমান্তে পাখীর মত গুলি করে সহস্রাধিক বাংলাদেশী নাগরিকের হত্যার বিচার হবে? হত্যা বন্ধ হবে? তাবেদার সরকারের মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ বলেছিলেন, “সীমান্ত হত্যায় রাষ্ট্রের কোন দায়িত্ব নেই”। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

শহীদ আসাদ

কোন কোন মৃত্যু ইতিহাস হয়ে যায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে জনস্রোতের উদ্বেল জোয়ার আনে। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদ, যিনি আসাদ নামেই সর্বাধিক পরিচিত, তাঁর মৃত্যু এমনি এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থানে। আসাদ এবং ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থান এক অখন্ড সত্বা।

এই বিপ্লবী ১৯৪২ সালের ১০ জানুয়ারী নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার ধুনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মাওলানা আবু তাহের। তিনি ছিলেন হাতিরদিয়া সাদত আলী হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা হেডমাষ্টার। আসাদের মাতার নাম মতি জাহান খাদিজা খাতুন। ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আসাদ ছিলেন চতুর্থ। ১৯৬০ সালে আসাদ শিবপুর হাই স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে সিলেটের এম.সি কলেজে (মুরারী চাঁদ কলেজ) ভর্তি হন। ১৯৬৩ সালে ওই কলেজ থেকে আই.এ পাশ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে অনার্সসহ বি.এ ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৬৬ সালে বি.(অনার্স) এবং ১৯৬৭ সালে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন।

ছোট বেলা থেকেই প্রতিবাদী আসাদ স্কুল ও কলেজ জীবনে পুরোপুরি রাজনৈতিক অঙ্গনে জড়িত না থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়েই রাজনীতিতে আসাদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পায়। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন এবং জননেতা আঃ হামিদ খান ভাসানীর অনুসারী হন। এরপর রুশচীন আন্তর্জাতিক মহাবিতর্কের প্রক্রিয়ায় আসাদ বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হন। ধারণা করা যায়, এ সময়েই তিনি ইপিসিপি (এমএল)-এ যোগদান করেন। অত্যন্ত মেধাবী এই ছাত্রনেতার অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ছাত্র সংগঠনে যুক্ত থাকা অবস্থায় অল্প দিনের মধ্যেই ঢাকা হলের সভাপতিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। (বিস্তারিত…)