Posts Tagged ‘মুক্তিযুদ্ধ’


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

may-day-1জনগণের সামনে রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনুপস্থিতির কারণে ১৯৭১ সালের জনগণের মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামীলীগ দখল করে নিতে পেরেছিল। জনস্বার্থবিরোধী একটি রাজনৈতিক দল যখন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে তখন তারা জনগণের গণতান্ত্রিক কেন্দ্রগুলো দখল এবং নিয়ন্ত্রণ করবে এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশে তাই ঘটে চেলেছে। স্বাধীনতার পর থেকে জনগণের এবং শ্রমিককৃষক মেহনতি জনতার সংগ্রামের দিনগুলোকে আওয়ামীলীগ এবং পরবর্তীতে তার শেকড় থেকে তৈরী শাসকশ্রেণীর দলগুলো দখল এবং নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে। এইসব দিবসগুলোকে জনগণের লড়াই সংগ্রামের দিবস থেকে জনগণকেই জনস্বার্থের বিরূদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার দিবসে পরিণত করেছে। স্বাধীনতার পর থেকে মে দিবসকে দখল এবং নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বর্তমানে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে দাঁড় করানো হয়েছে যে, গোটা বিশ্বের শ্রমজীবী জনগণের মুক্তির শপথ গ্রহণের এই দিনটিকে শ্রমজীবী মানুষদের দ্বারাই শ্রমজীবী জনগণের বিরূদ্ধে ব্যান্ড বাজিয়ে আনন্দ করার দিবসে পরিণত করেছে। বাংলাদেশে মে দিবসের চিত্র দেখলে এখন তাই দেখা যায়। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমএর লেখার প্রতিক্রিয়া

mujahidul-islam-selim-cpbআগষ্ট২০১৪ এর শুরু দিকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় “জনতার মৃত্যু নেই, তাই মৃত্যু নেই বঙ্গবন্ধুরও” এবং “দেশকালজনতা ও বঙ্গবন্ধু” দুটি লেখা প্রকাশিত হয়। লেখক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের প্রখ্যাত ছাত্রনেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। লেখা দুটি পড়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে। কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে প্রশ্নসমূহ উত্থাপন ও তার ব্যাখ্যা জানা জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রথমেই আমার জিজ্ঞাসা একজন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা কিভাবে ‘জাতির জনক’ অভিধার প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন? তাও আবার “বঙ্গবন্ধু” আর এই বঙ্গবন্ধু” উপাধি ঘোষণা করেছিলেন কারা? নিশ্চয়ই সেলিম ভাই তা জানেন। ছাত্রলীগের একটি সমাবেশ থেকে তারা তাদের নেতাকে যে কোন ভূষণে ভূষিত করতে পারে। কোন মাপকাঠিতে এই অভীধা সমগ্র জনগোষ্ঠীর অলঙ্কার হিসেবে সম্পৃক্ত হয়? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

ak-khandokar-bookমুক্তিযুদ্ধের উপসর্বাধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল আব্দুল করিম খন্দকারের লেখা বই ১৯৭১ : ভেতরে বাইরেনিয়ে অনেকেই লিখেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের ক্ষমতার কৃপাপ্রার্থীদের লেখার মধ্যে কোন যুক্তি না থাকলেও আওয়াজ অনেক বড়। কিন্তু তর্জনগর্জনের মধ্যে সবকিছু চাপা পড়ে যায় না। প্রশ্নকে উপেক্ষাও করা যায় না, স্থায়ীভাবে দাবিয়েও রাখা যায় না। বাংলাদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইসংগ্রামে ১৯৭১ সালে মুক্তির জন্য মানুষের লড়াই বিরাট ঘটনা। ঘটনা যত বড় হয় তাকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে জানার আগ্রহও মানুষের ততই গভীরহয়। জানা এমন এক বিষয় যে, ক্ষমতাবানরা যা জানাবেন তাকেই পূর্ণ জ্ঞান করা যায় না। জানা পূর্ণতা পায় প্রশ্নের মধ্যদিয়ে প্রাপ্ত উত্তর থেকে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের মানুষের শোষণমুক্তির লড়াইয়ের মাইলফলক। তাই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন মানুষের সামনে বার বার আসতেইথাকবে। মুক্তিযুদ্ধে মানুষের ভুমিকা কি ছিল, পরবর্তীতে যারা ক্ষমতাসীন হয়েছিলতাদের ভুমিকা কি ছিল, নের্তৃত্বের ভুমিকা কি ছিল, যুদ্ধের পরিকল্পনা কি ছিল এরকম অনেক প্রশ্ন মানুষের সামনে আসছে এবং আসবে। সেসব প্রশ্নের উত্তর মানুষ খুঁজতেই থাকবেন। এদেশের মানুষ একটি বুঝ থেকে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। মানুষের সংগ্রামের কেন্দ্রীকতার জন্য, দিক নির্দেশনার জন্য নের্তৃত্বের প্রয়োজন পড়ে। মানুষের বুঝ এবং চাওয়ার সাথে মিলে যাওয়ার শর্তে মানুষ নের্তৃত্বের উপর আস্থা রাখেন। মানুষ যেমন নের্তৃত্বের উপর আস্থা রাখেন তেমনই নের্তৃত্বেরও দায় থাকে। ১৯৭১ সালেরমুক্তি যুদ্ধে মানুষ যেসব নের্তৃত্বের উপর আস্থা রেখেছিলেন সেসব নের্তৃত্ব মানুষেরআস্থার দায় কিভাবে মিটিয়েছিলেন এ প্রশ্ন উঠতেই থাকবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

gonojagoron-program-12গণজাগরণ মঞ্চ থেকে প্রচার করা হয়েছে,

বছর ঘুরে আবারও আমাদের সামনে এসে হাজির হচ্ছে সেই ৫ ফেব্রুয়ারি। গত একবছরের এই দীর্ঘ যাত্রায় আমাদের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার হিসাব নিকাশ করা আবারও জরুরি। বর্ষপূর্তির ক্ষণে নিজেদেরকে আবারও উদ্দীপ্ত করার প্রত্যয় আর এযাবৎকালের অর্জনগুলোকে মূল্যায়ণ করাও খুব প্রয়োজন। সুতরাং, গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে বিশ্ব ইতিহাসের এই অভূতপূর্ব গণজাগরণের দিনটিকে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সকল মানুষের এই বিষ্ময়কর ঐক্যবদ্ধ জাগরণকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা ৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘গণজাগরণ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করছি। আমরা এই বর্ষপূর্তিকে শুধু পালন করব না, আমাদের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম যাতে আগামী প্রজন্মের কাছে হস্তান্তর করা যায়, এজন্য এবারের বর্ষপূর্তির আয়োজনে আমরা বিশেষ করে শিশুকিশোরদের অংশগ্রহনের জন্যও বেশ কিছু আয়োজন রেখেছি।” (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

muntasir-mamun-1গত ২০ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী গণসম্মিলনে’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক এবং ঘাতকদালাল নির্মূল কমিটির সহসভাপতি মুনতাসীর মামুন বলেছেন, “আমাদের এখনি সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এ দেশে কারা রাজনীতি করবেপাকিস্তানি না বাঙালিরা। বাংলাদেশে বাঙালি ছাড়া আর কারো রাজনীতি করার অধিকার নেই।” সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি বিএনপির রাজনীতিও নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন তিনি। (বিস্তারিত…)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি

০৪.০৭.১৩

 

৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত বা পরিপূর্ণ ইতিহাস গত বিয়াল্লিশ বছরেও সংরক্ষিত করা সম্ভব হয়নি। এই মুক্তিযুদ্ধে ছিল বামপন্থি/কমিউনিস্টদের বিশেষ ভূমিকা। বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে কোন কোন দল বা গোষ্ঠি বামপন্থি/কমিউনিস্টদের এই ভূমিকাকে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। আবার বামপন্থি/কমিউনিস্টদের এই ভূমিকাকে লিপিবদ্ধ করার চেষ্টাও করেছেন কেউ কেউ। “আমার চোখে একাত্তর” বইটিও তেমনি এক প্রচেষ্টা, যেখানে মুক্তচিন্তক লেখক ড. ইরতিশাদ আহমেদ তার অভিজ্ঞতায় মুক্তিযুদ্ধের একটি চিত্র তুলে ধরেছেন পাঠকদের সামনে। (বিস্তারিত…)

ইসলাম ধর্ম ও ধর্ম ব্যবসায়ীর দল এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবীতে আন্দোলন প্রসঙ্গে

Posted: ফেব্রুয়ারি 23, 2013 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

war-crime-5-৬২২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ সেপ্টেম্বর ইসলাম ধর্মের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হিজরত করে মদিনা পৌঁছে সর্বপ্রথম মদিনা ও তৎপার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ইহুদিদের মধ্যে সামাজিক ঐক্য ও রাজনৈতিক সমীকরণ, জাতীয় নিরাপত্তা, ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার মাধ্যমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক চুক্তি সম্পাদন করেন, যা ইতিহাসে “মদিনা সনদ” নামে পরিচিতি লাভ করে। এটাই ইতিহাসে প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের সংবিধান। ৪৭টি ধারাসম্পন্ন এ সনদের প্রধান দিকগুলো হলো

) মদিনা সনদে স্বাক্ষরকারী ইহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও মুসলমান সম্প্রদায় সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে এবং তারা একটি সাধারণ জাতি গঠন করবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

shahbagh-5-শাহবাগের গণজাগরণের বয়স আজ ১৬ দিন। বাংলাদেশে অতীতে এতদিন ধরে আর কোনো গণজমায়েত বা গণআন্দোলন এভাবে এক জায়গায় সন্নিবেশিত থাকেনি। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের গণজোয়ারের পর মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল বহুমাত্রিক। বহুকেন্দ্রে বিভক্ত এবং বহু অঞ্চলব্যাপী। এবারকার এই শাহবাগের গণজাগরণের মত এক সঙ্গে এত মানুষ টানা এতদিন ধরে আর কোনো আন্দোলনে একাট্টা থাকেনি। সে দিক দিয়ে তো বটেই আরও একটি কারণে এই আন্দোলন অভূতপূর্ব। স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বাধীকারের লড়াই এবং স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রাম ছিল প্রায় সমগ্র জনগণের। এবং সেই আন্দোলনগুলি কোনো না কোনো ভাবে ছিল বিদেশি শাসক বা দেশি শাসকদের বিরুদ্ধে মুক্তির লড়াই, কিন্তু এই আন্দোলনটি একেবারেই ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদ্ভব। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে না, অথচ চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্রেরই বিরুদ্ধে। সরকারের বিরুদ্ধে না, অথচ শেষ পর্যন্ত সরকারের আপোষকামীতার বিরুদ্ধে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে না, অথচ সেই ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত স্টাবলিশমেন্টেরই বিরুদ্ধে এই গণজাগরণ। কিন্তু শাসক দলের ‘নেক নজর’ সম্বল করে চেতনেঅবচেতনে তাদের এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের ‘গুরু দায়িত্ব’ নিয়ে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব একে ‘স্টপ ওয়াচ’ আন্দোলনে রূপ দিয়েছে। (বিস্তারিত…)


সংকলন: শিল্পভবন

war-crime-3দৈনিক বাংলা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বিচিত্রাতে ‘গোলাম আযম ও জামায়াতের রাজনীতি’, ৯ বর্ষ ৪৪ সংখ্যা, ১৭ এপ্রিল ৮১

এই সংখ্যাতে ‘গোলাম আযম ও জামায়াতের রাজনীতি’ শিরোনামে ১৭ পৃষ্ঠাব্যাপী জামায়াতের অতীত ও বর্তমান এবং ’৭১ সালে কতজন জামায়াতী মারা গিয়েছিল ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তর প্রতিবেদন ছাপা হয়। এই প্রতিবেদনের ভূমিকাতে যা ছিল তা এখানে তুলে ধরা হলো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

war-crime-4কোন দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠি যদি তার হাতে ভয়ানক কোন মানবধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা ও আরো বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করতে করতে এগিয়ে আসতে শুরু করে তাহলে নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রথম কাজটি হবে ঐ দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠীকে পাকড়াও করে তার হাতের ভয়ানক অস্ত্রটি কেড়ে নেয়া এবং তারপরে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোএবং বিচারের মাধ্যমে তার কৃত অপরাধের জন্য উপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা করা। ঐ দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠিটির হাত থেকে মানবধ্বংসী অস্ত্রটি কেড়ে না নিয়ে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো খুব বেশী সুবিধাজনক বলে মনে হয় না। (বিস্তারিত…)