Posts Tagged ‘মিঠুন চাকমা’


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

Bang Jeong Hwanকোরিয়ায় শিশু দিবস পালন করা হয় প্রতি বছরের মে মাসের ৫ তারিখ। এই শিশুদিবস পালনের ইতিহাসে রয়েছে শিশুপ্রিয় এক ব্যক্তির নাম। তার নাম বাঙ চোঙহোন ইংরেজিতে Bang Jeong-hwan। কোরিয়ার এই শিশুদিবস পালনের পেছনে রয়েছে লড়াইয়ের ইতিহাস, অধিকার পাবার জন্য হাঁসফাঁসের ইতিহাস।

কোরিয়া জাপানের কাছ থেকে পদানত হয় ১৯১০ সালে। তখন কোরিয়ায় দুর্যোগের কাল যাচ্ছে। কোরিয়ার স্বাধীনতাকামীরা চেষ্টা করছে কোরিয়াকে জাপানের নাগপাশ থেকে বেরিয়ে আনতে।

বাঙ চোঙ হোন

বাঙ চোঙহোনের বয়স তখন ১১ অথবা ১২ বছর। ১৮৯৯ সালে তিনি জন্মেছিলেন। তাদের পরিবার চার প্রজন্ম ধরে সুখে শান্তিতে একই স্থানে বসবাস করছিলো। তারা ছিলেন বনেদি ব্যবসায়ী। কিন্তু কোরিয়া জাপানের পদানত হবারপর থেকে তাদের পারিবারিক ব্যবসা লাটে উঠতে থাকে। একসময় তারা সর্বশান্ত হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে বাঙ হোনচোঙকে চাকুরি নিতে হয়। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

Bir Bahadur Ushwe Sing[পড়ার আগে যা পড়তে অনুরোধ করবোবলে রাখি এই লেখাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম সংশ্লিষ্ট।গত ২৬ সেপ্টেম্বর পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈচিঙ খাগড়াছড়ি এসে শিক্ষা উন্নয়নের কথা বলেন। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে জেলা পরিষদসমূহকে অনির্বাচিতদের দিয়ে পরিচালনার মাধ্যমে সেখানে প্রকাশ্যে, কোনো রাখঢাক না রেখে পাথমিক পর্যোয়ে শিক্ষক নিয়োগের নামে যে দুর্নীতি চলে, এতে পার্বত্যাঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থার যে অতীব দুর্গতি ঘটতে শুরু করেছে সেদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করার জন্য আমার এই লেখার অবতারনা। সেই দিক বিবেচনা করে লেখাটি পাঠকগণ পড়বেন এই আশা রইল। ধন্যবাদ।]

লেখাটি লেখার সময় হেডিং কী দেবো তা নিয়ে চিন্তা করলাম কিছুক্ষণ। প্রথমে চিন্তা করলাম হেডিং দেবো এভাবে মন্ত্রীবর, ভিক্ষা ‘মাগার’ দরকার নেই, ‘কুকুর’ সামলান! কিন্তু তা যুৎসই মনে করলাম না। তারপর ভাবলাম, হেডিং দেবো এভাবে, ডিয়ার পার্বত্যমন্ত্রী, মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ দেখাবার দরকার নেই। কিন্তু ভাবলাম, এত সরাসরি ‘হিট’ করার মতো হেডিং বা শিরোনামা না দিয়ে একটু ‘মাইল্ড’ হেডিং দিই। তাই উপরের হেডিং দিলাম। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

scottland-freedomস্কটল্যান্ডের স্বাধীনতাকামী নেতা পদত্যাগের ঘোষনা দিয়েছেন। স্কটল্যান্ড সংক্রান্ত রেফারেন্ডমের ফলাফল প্রকাশের পর স্বাধীনতার পক্ষের স্কটল্যান্ড ন্যাশনাল পার্টির নেতা আলেক্স স্যামন্ড পরাজয় মেনে নিয়েছেন। তিনি স্কটল্যান্ডের সকল নাগরিকদের এই ফলাফল মেনে নিতে বলেছেন।

১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডে স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। স্কটল্যান্ডের মোট ৪২ লাখ ৮৫ হাজার ভোটারের প্রায় অনেকেই ভোট দেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে ফলাফল প্রকাশ হতে থাকে। মোট ৩২টি কাউন্সিলের মধ্যে ৩১টি কাউন্সিলের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় না ভোট পড়েছে ১৯ লাখ ১৪ হাজার আর হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯২০টি। শতাংশ হিসাব করে দেখা যায় মোট ভোটের ৫৫.৩ শতাংশ পড়েছে না ভোটের পক্ষে, আর ৪৪.৭ শতাং ভোট পড়েছে হ্যা এর পক্ষে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

education-business-1১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষাদিবস। দিনটি পালন করে বাংলাদেশের অনেক প্রগতিশীল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগঠন। ১৯৬২ সালের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ শরিফ শিক্ষাকমিশনের বাণিজ্যমুখীন শিক্ষাব্যবস্থা চালুর সুপারিশের বিরুদ্ধে হরতাল ডেকেছিল।

পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক প্রশাসক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৫৯ সালের ৫ জানুয়ারি শিক্ষা কমিশনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষনা করেন। এই কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার একসময়কার শিক্ষক আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষাবিভাগের সচিব এস এম শরিফকে নিয়োগ করেছিলেন। উক্ত কমিশনে পূর্ব পাকিস্তান থেকে ৪ জন ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ৬ জন সদস্য নিযুক্ত করা হয়। শিক্ষাকমিশনে পূর্ব পাকিস্তান থেকে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মোনাজাতউদ্দিন, ঢাকা মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের প্রেসিডেন্ট আব্দুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আতোয়ার হোসেন ও ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ রশীদ। (বিস্তারিত…)


তারিখ: ১০ সেপ্টেম্ব, ২০১৪

mao-poster-1সমাজতান্ত্রিক চীন গড়ার লড়াইয়ের সফল বিপ্লবী মাও সেতুঙএর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ১০ সেপ্টেম্বর সকালে ইউপিডিএফ সাজেক ইউনিটের উদ্যোগে সাজেক ভূমিরক্ষা কমিটি কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় মাও সেতুঙএর জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে মূল আলোচনা করেন ইউপিডিএফ সাজেক ইউনিট সমন্বয়ক মিঠুন চাকমা। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন ইউপিডিএফ সদস্য ক্যহলাচিঙ মারমা, গণতান্ত্রিক যুবফোরাম সাজেক শাখার সহ সভাপতি জেনেল চাকমা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

CHT-7পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের রুইলুই এলাকায়। গত ০৬ নভেম্বর এ কথা ঘোষণা দিয়ে এসেছেন দেশের সামরিক বাহিনীর চট্টগ্রাম ডিভিশনের প্রধান মেজর জেনারেল সাব্বির আহম্মেদ। (সূত্র: সিএইচটি২৪.কম)

না, তিনি পর্যটনমন্ত্রী নন এবং সম্ভবত পর্যটন সমৃদ্ধি বা উন্নয়নের দায়িত্বও তিনি পাননি। দেশে সেনাশাসন বা সামরিক শাসনও চলছে না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

স্নেহ কুমার চাকমা

স্নেহ কুমার চাকমা

পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম নেতৃত্বের একজন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক শিক্ষক আনন্দ বিকাশ চাকমার প্রকাশিত একটি লেখাকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে যে আলোচনা চলছে তার সূত্র ধরেই আমি নিচের পয়েন্টগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি পাঠক মহলে।

ভারত বিভাগ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম” শিরোনামে আনন্দ বিকাশ চাকমার লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি পত্রিকা’র জুন, ২০১৩ সংখ্যায় একত্রিংশ খন্ডে।

লেখায় লেখক ভারত বিভাগের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের নেতৃত্বেনর ভূমিকা নিয়ে পর্যালোচনা করেন। তার প্রবন্ধের প্রারম্ভিব বক্তব্যের সারসংক্ষেপ অংশে বলা হয়েছে

আলোচ্য প্রবন্ধে ১৯৪৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামকে পূর্ব বাংলার (বর্তমান বাংলাদশের) সঙ্গে রাখার অনুকূল ঐতিহাসিক, আর্থসামাজিক ও সাম্প্রদায়িক প্রেক্ষাপট এবং পাহাড়ী নেতৃবৃন্দের অমুসলিম পরিচিতিকে ইস্যু করে ভারত ইউনিয়নে থাকার পক্ষে প্রদত্ত যুক্তিসমূহের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

Giap(জেনারেল ভো নগুয়েন গিয়াপ মারা গেলেন ১০২ বছর বয়সে। গত শুক্রবার ০৪ অক্টোবর, ২০১৩ ভিয়েতনামের হ্যানয়ের এক সামরিক হাসপাতালে তিনি মারা যান। তাকে নিয়ে, তার জীবন নিয়ে আমার সংক্ষিপ্ত একটি লেখা। লেখক)

তাকে বিবেচনা করা হয় ইতিহাসের অন্যতম একজন সমর বিষয়ক কলাকুশলবিদ হিসেবে। ফ্রান্স ও আমেরিকা সাম্রাজ্যবাদকে ভিয়েতনাম থেকে হটিয়ে দিতে তিনি সামরিকভাবে ভিয়েতনাম বিজয়ের ক্ষেত্রে স্থপতির মতো ভূমিকা রেখেছিলেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

The_first_nupilaln_1904_(women_agitation_against_british)নুপি লান একটি মনিপুরী শব্দগুচ্ছ। এর অর্থ হচ্ছে নারীদের সংগ্রাম। মনিপুরী মহারাজ ও ব্রিটিশ সরকারে বিরুদ্ধে মনিপুরী নারীরা এই সংগ্রাম সংঘটিত করে। মনিপুরে এ সময় ব্রিটিশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে ছিলো মি. জিম্পসন (১৯৩৩১৯৪৫)। মনিপুরী সরকারের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শোষনমূলক নীতির বিরুদ্ধে মনিপুরী নারীরা এই সংগ্রাম করেছিল। এই সংগ্রামের কারণে শেষপর্যন্ত মনিপুরী সরকার শাসনতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক সংস্কার করতে বাধ্য হয়েছিল। এই সংগ্রাম মনিপুরের ভবিষ্যত লড়াইকেও প্রভাবিত করেছিল। (বিস্তারিত…)


অনুবাদ: মিঠুন চাকমা

প্রারম্ভিকা:

zhou-enlai-1(চৌ এন লাইএর এই লেখাটির মূল শিরোনামটি ছিলো Outline of a Talk on Leadership and Review of Work। অর্থাৎ, নেতৃত্ব বিষয়ে আলোচনার সংক্ষিপ্তসার এবং কাজের পর্যালোচনা। তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সেন্ট্রাল কমিটির দক্ষিণাঞ্চল ব্যুরোএর কর্মীদের সাথে এক আলোচনায় এই কথাগুলো বলেন। লেখার তারিখ ১৯৪৩ সালের ২২ এপ্রিল। মার্কসিস্টস ডট ওআরজি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ইংরেজী সংস্করণ থেকে আমি তা বাংলায় অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি। নেতৃত্ব নিয়ে এই লেখাটিকে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। তাই আমি তা অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি।

আজকাল সাম্রাজ্যবাদের ক্ষয়কালীন পুঁজিবাদী এই যুগে নেতৃত্ব বা নেতা বলতে যে কী বোঝায় তাই যেন নৈরাজ্যিক হয়ে উঠেছে! নেতা মানে অনেকের কাছে বোঝায় বাহাদুরী দেখানোই, কারো কাছে জনতার দিকে ছরি ঘোরানোই যেন নেতা বনে যাওয়া! কারো চোখে নেতা মানে তার অগাধ অর্থসম্পদ! তার অগাধ ক্ষমতা! তার কথায় সবাই উঠবে আর বসবে! কেউ নিজেকে নেতাই মনে করে! কেউ নেতাগিরি করে!

কারো কাছে নেতা মানে তার কয়েকজন সাগরেদ থাকবে, যারা তাই ফাই ফরমাশ খাটবে! কেউ নেতা মানে বোঝে শুধু নির্দেশ দাও, নির্দেশ দিতে জানলেই যে নেতা! এই সব বৈশিষ্ট্যই যেন অনেকের কাছে নেতা বনে যাওয়া!

কিন্তু যারা সমাজের সত্যিকার কিছু চান, যারা সমাজকে এগিয়ে নিতে চান, সমাজে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন চান, তাদের কাছে নেতা মানে কী বোঝায় বা কী বোঝাতে পারে এ নিয়েই চৌ এন লাইয়ের লেখায় আলোচনা করা হয়েছে।

অনুবাদে নানা দুর্বলতা থাকাটাই স্বাভাবিক। আমাকে বলতে হচ্ছে, ওয়ার্ড টু ওয়ার্ড অনুবাদ করার চেষ্টা না করে অন্তর্বস্তু ঠিক রেখে লেখাটির অনুবাদ করার চেষ্টা আমি করেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে ভাবটি ফুটিয়ে না তুলতে পারলে শুধু অনুবাদ করে এই লেখার বিষয়বস্তু তেমন পাঠযোগ্য নাও হতে পারে।

সবাই আন্তরিকতার সাথে লেখাটি পড়বেন এই আশা করছি। এটি পড়ে নেতৃত্ব বিষয়ে যদি কেউ সচেতন হয়ে ওঠে তাতেই অনুবাদকের সার্থকতা! অনুবাদ করতে রীনা দেওয়ান বরাবরের মতো সহায়তা করেছেন। অনুবাদক) (বিস্তারিত…)