Posts Tagged ‘মালিকশ্রেণী’


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

toba-group-workersতৈরি পোষাক বা গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশে সব সময় আলোচনার বিষয়। চরম অব্যবস্থাপনার এই খাতের সুবিধাভোগী মালিকপক্ষরাষ্ট্র, সরকার কিংবা প্রশাসনের কাছ থেকে ‘চাহিবা মাত্র’ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছে। সেক্ষেত্রে দেশের বা আন্তর্জাতিক কোন আইনকানুন তাদের কাছে তেমন কোন বাধা হতে পারেনি। উপরন্তু সমস্ত আইন কানুন স্বয়ং তাদের সেবাদানকারীর ভূমিকা পালন করছে। জবাবদিহিহীন এবং বিচারহীন এক উদ্ভট সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে উঠেছে লুটপাট নির্ভর শাসকগোষ্ঠীর আস্কারায় প্রতিপালিত গার্মেন্টস ক্ষেত্রের মালিকেরা।। আর এই খাতের ভিত্তি যাদের শ্রমের উপর নির্ভর করে সেই লক্ষ লক্ষ শ্রমিক যারা শোষন, নীপিড়ন, অসম্মান এবং অন্যায্য আচরণের মূর্তিমান ভূক্তভোগী। সামন্তযুগের দাসদের আধুনিক সংস্করণ আজকের বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকেরা। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

toba-garments-2বাংলাদেশের তৈরী পোশাক ক্ষেত্রে শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত কোন না কোনভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। বহুবিধ সমস্যা, অমানুষিক পরিশ্রম, কাজের অনিশ্চয়তা, অনিরাপদ কর্মক্ষেত্র, অসহনীয় দুর্ব্যবহার, এসবই তারা সহ্য করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। দেশের অর্থনীতির চাকাও টেনে চলেছেন পৃথিবীর নিম্নতম মজুরীতে। কিন্তু এসত্ত্বেও যখন তারা তাদের ন্যূনতম প্রাপ্য চাওয়ার অজুহাতে নিগৃহীত হন, আর এই প্রাপ্য চাওয়াটাকেই দেখা হয় “বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি” হিসেবে, তখন রাষ্ট্রযন্ত্রের অবস্থানটিও আরও সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

toba-group-workers-5ঈদের আগের দিন থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারী এবং আবাস থেকে উচ্ছ্বেদ হওয়া শ্রমিকরা তাদের কর্মস্থলে এসে জড়ো হন। পোষাক নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান তোবা গ্রুপের ৫টি কারখানার ১৬০০ শ্রমিককে তিনমাস ধরে বেতন দেওয়া হয়নি। শ্রমিকদের যে বেতন দেওয়া হয়, তাতে নিয়মিত বেতন পেলেও পরিবার পরিজন নিয়ে তাঁদের মান সম্পন্ন খাবার এবং আবাস জোটে না। কষ্ট করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থেকে শুধুমাত্র জীবন ধারণের জন্য খাবার খেয়ে কোন রকমে তাঁরা জীবনটাকে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। বেতন বন্ধ হলে স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের উপোস থাকতে হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শামীম ইমাম

Labor_Lawঅতীতের সরকারগুলোর মতো বর্তমান মহাজোট সরকারও প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক রীতিনীতি না মেনে স্বৈরতান্ত্রিকভাবে গত ১৫ জুলাই ২০১৩ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর সংশোধনী প্রস্তাব জাতীয় সংসদে পাশ করে এবং ২২ জুলাই বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ নামে গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। এখন থেকে এটাই আইন হিসেবে গণ্য হবে এবং তার কার্যকারীতা শুরু হবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

এম এম আকাশ

এম এম আকাশ

সমাজতন্ত্র যেমন শ্রমদাসত্ব থেকে মুক্তির সনদ, তদরূপ বিশ্বাসঘাতকদের ভাল মুখোশও হতে পারে! আমাদের সামনে মুসোলিনী কিংবা হিটলারের নাম যেমন আছে তদরূপ একেবারে দেশীয় অভিজ্ঞতায় আছে শেখ মুজিবের নামও। এই মুখোশদারি প্রতারকদের ইতিহাস কোন এক সময়ের কোন এক ব্যক্তির ইতিহাস নয়। এটা চলমান প্রক্রিয়া।

শ্রমিকশ্রেণীর নামধারী যেসব দল আদপে বুর্জোয়াদের স্বার্থ রক্ষা করে, যারা কৌশল হিসেবে নয় বরং নীতি হিসেবে নির্বাচন করে, ক্ষমতার হালুয়ারুটি ভাগের জন্য বুর্জোয়া দলগুলোর লেজুড়বৃত্তি করে এবং মুখে শ্রমিকশ্রেণীর কথা বলে তাদেরকে চিহ্নিত করা আজ আমাদের সামনে কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনই এক বিশ্বাসঘাতকতার নমুনা আমরা দেখলাম গত ১৩ জুলাই প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত আশুলিয়ার গার্মেন্টস শ্রমিকদের সংগ্রাম নিয়ে, জনাব এম এম আকাশের ‘ন্যায্য মজুরি দিয়েও শিল্পের বিকাশ সম্ভব’ শিরোনামের কলামে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

শ্রমিক বিদ্রোহগত দুইদিন ধরে ঢাকার আশুলিয়ায় আবার শুরু হয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক বিদ্রোহ। এবারও বিদ্রোহের কারণ বকেয়া বেতন ও মজুরি বৃদ্ধি। বরাবরের মতো শ্রমিক পক্ষ এবং মালিক পক্ষ থেকে আসছে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য। যদিও এখানে শ্রমিকের কণ্ঠস্বর অতিক্ষীণ, কারণ শ্রমিকের কথা ব্যথাযন্ত্রনা তুলে ধরার মতো কোন মিডিয়া নেই। অপরপক্ষে সমস্ত বুর্জোয়া মিডিয়াই আদপে মালিকের স্বার্থের পাহারাদার। এই বুর্জোয়া মিডিয়াই শ্রম শোষণকারী মালিক পক্ষের বক্তব্য, শ্রমিক বিদ্রোহকে তৃতীয় পক্ষের উসকানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রয়াসী হয়েছে। এই পর্যন্ত যতবারই শ্রমিক তাদের ন্যায্য দাবিদাওয়া নিয়ে মাঠে নেমেছে মালিক, সরকার আর তাদের স্বার্থের পাহারাদার বুর্জোয়া মিডিয়া একই সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে প্রচার চালিয়েছে, তৃতীয় পক্ষের উসকানি হিসেবে।

যে কোন আন্দোলনসংগ্রামেই অংশ গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যক্তি একধরণের উসকানি বোধ করে। এই উসকানিই ব্যক্তিকে আদর্শের বলে বলিয়ান করে। উদাহরণ হিসেবে আমরা বলতে পারি, শহীদ নুর হোসেনের নাম, স্বৈরশাসক জেনারেল এরশাদের একনায়ক শাসনই এই মহান মানুষটাকে সংগ্রামে নামতে বাধ্য করেছিল। যে সংগ্রাম তাঁর কাছে ছিল জীবনের থেকেও বেশি কিছু। যে কারণে মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও নুর হোসেন বুকেপিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাক যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লিখে রাজপথে নেমেছিলেন। (বিস্তারিত…)