Posts Tagged ‘মার্ক্সবাদ’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

শুনলাম বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ছাত্র সংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মাদ্রাসায় তাদের শাখা বিস্তৃত করেছে। বাসদ সদস্য কিবরিয়া হোসাইনের ফেসবুক আইডি থেকে জানা যায়, দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াবান ছালেহিয়া দারুচ্ছুন্নত দাখিল মাদ্রাসার ১৭ সদস্যবিশিষ্ট ছাত্র ফ্রন্টের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে। তিনি সেখানে কয়েকটি ছবিও পোস্ট করেছেন। ভালো কথা। এতে কেউ কেউ বেশ আপ্লুতও হচ্ছেন। এতে দোষেরও কিছু নেই।

তবে প্রশ্ন হলো, কোনো রাজনৈতিক সংগঠন কিসের ভিত্তিতে নতুন জায়গায় শাখা খুলতে পারে? (বিস্তারিত…)

Advertisements

রাশিয়া ও চীনের ঐতিহাসিক শিক্ষা

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

জনগণের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংস্কৃতি, সামন্তবাদবিরোধী সংস্কৃতি হলো – নয়াগণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি পরিচালিত হতে পারে একমাত্র সর্বহারাশ্রেণীর সংস্কৃতি ও মতাদর্শ; অর্থাৎ কমিউনিজমের মতাদর্শের দ্বারা। অন্য কোনো শ্রেণীর সংস্কৃতি ও মতাদর্শের দ্বারা এই সংস্কৃতি পরিচালিত হতে পারে না। এক কথায়, নয়াগণতান্ত্রিক সংস্কৃতি হলো সর্বহারাশ্রেণীর নেতৃত্বাধীন জনগণের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী এবং সামন্তবাদবিরোধী সংস্কৃতি।”

মাও সেতুঙ, নয়াগণতন্ত্র সম্পর্কে (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

মার্ক্সবাদ হাজার হাজার সত্যের সমষ্টি, কিন্তু এগুলো সবই কেন্দ্রীভূত হয় একটিমাত্র বাক্যে – ‘বিদ্রোহ ন্যায়সঙ্গত’। হাজার হাজার বছর ধরে এটা বলে আসা হচ্ছিলো যে, দাবিয়ে রাখাটা ন্যায়সঙ্গত, শোষণ করাটা ন্যায়সঙ্গত এবং বিদ্রোহ করা অন্যায়। এই পুরনো সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মার্ক্সবাদের উদ্ভবের পরই উল্টে গেলো। এটা একটা মহান অবদান। সংগ্রামের মধ্য দিয়েই সর্বহারাশ্রেণী এই সত্যকে শিখেছে এবং মার্ক্স এই উপসংহার টেনেছেন। আর তারপর এই সত্য থেকেই আসে প্রতিরোধ, সংগ্রাম, সমাজতন্ত্রের জন্য লড়াই।”

মাও সেতুঙ, স্তালিনএর ষাটতম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে ইয়োনানে সর্বস্তরের জনগণের সমাবেশে প্রদত্ত ভাষণ থেকে (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

The philosophers have always interpreted the world in various ways; the point, however, is to change it. (Marx, Theses On Feuerbach: Thesis 11, 1845) 

এক.

যে কোনো মতাদর্শ কিংবা দার্শনিক তত্ত্বেরই একটা বস্তুগত ভিত্তি থাকে। যে কোনো নির্দিষ্ট দেশকালের নিরিখে, নির্দিষ্ট আর্থসামাজিক ব্যবস্থার মধ্য থেকেই একেকটা মতাদর্শ জন্ম নেয়। সমাজে নতুন বস্তুগত পরিস্থিতি নতুন ধারণা এবং তত্ত্বের জন্ম দেয়। এটাই মার্ক্সবাদের শিক্ষা। মার্ক্সবাদের নিজের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহজাহান সরকার

‘নিয়মানুগ’ শব্দের অন্তরালে উপনিবেশের পুনরাবৃত্তি

ফিদেল কাস্ত্রোর মৃত্যু এবং ফ্যাসিবাদী ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন রাষ্ট্র প্রধানের পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার সম্পর্ক ত্বরান্বিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ-নিবন্ধে উভয় দেশের মধ্যকার ‘নিয়মানুগ’ (নরমালাইজ) সম্পর্ক সৃষ্টিতে ওবামার ভূমিকা আলোচিত হবে। ওবামার পদক্ষেপ এক চমৎকার মৌলিক পটভূমি তুলে ধরে যে, কেন কিউবায় বিপ্লব জরুরি হয়ে পড়েছিল, কেন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য কিউবার গৃহযুদ্ধের প্রধান লক্ষবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। কিভাবে ও কেন যে বিপ্লব শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভে সফল হয় নি। কী করেই-বা সম্ভব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ ও মিডিয়ার স্বার্থ হাসিলের সকল প্রচারণার মধ্যে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা।
(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নীলিম বসু

ambedkar-marxএই উপমহাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে বর্ণব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাসটাও অনেক পুরনো। চার্বাকদের ধ্বংস করেছিল ব্রাহ্মণ্যবাদীরা, চৈতণ্যের আন্দোলন, গৌতম বুদ্ধের ভাবধারাকে অঙ্গীভূত করে নেয় এই ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থা। ফুলে দম্পতি ও পেরিয়ারের সংগ্রাম এই ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। মূলত পেরিয়ারের আন্দোলন দক্ষিণ ভারতে এক গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে যায় ও ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দ্রাবিড় আত্মমর্যাদার আত্মপ্রকাশে পেরিয়ারের সংগ্রাম ও ভাবধারার গুরুত্ব অস্বীকার করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ড. বাবাসাহেব আম্বেদকরের ভাবধারায় গড়ে ওঠা সংগ্রাম এই সমস্ত সংগ্রামগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দলিত আন্দোলনের পরিসরে একটি মোড়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

Modi_Hitlerএকবিংশ শতাব্দীর একটা দশক অতিক্রান্তির উত্তরপর্বে দাঁড়িয়েও বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকটিকে বিস্মৃত হওয়া সম্ভব নয়। নব্বইয়ের দশকটি আমাদের দেশে উগ্র ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের নগ্ন প্রকাশের দশক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের নবগঠিত হিন্দুসভা পরবর্তী আট বছরের মাথায় ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে সারা ভারত হিন্দুমহাসভা নামে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এই ঘটনার ঠিক দশ বছরের মাথায় ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় জঙ্গি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদ। এখন আর জনসঙ্ঘ নেই, সেখানে হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। সঙ্ঘপরিবারের মূল নিয়ন্তা শক্তি হলো আরএসএস। এর সহযোগী হিসেবে শিবসেনা সহ অন্যেরা তো আছেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

naxal-movement-321আজকের পৃথিবীতে সকল সংস্কৃতি, সকল সাহিত্য ও সকল শিল্পই বিশেষ শ্রেণীর সম্পত্তি এবং বিশেষ রাজনৈতিক লাইন প্রচার করাই তার কাজ। শিল্পের জন্য শিল্প, শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে অবস্থিত বা রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন ও স্বাধীন শিল্প বলে আসলে কিছুই নেই। প্রলেতারীয় সাহিত্য ও শিল্প হচ্ছে সমগ্র প্রলেতারীয় বিপ্লবী লক্ষ্যেরই একটি অংশ; লেনিনের ভাষায় তা হচ্ছে বিপ্লবী যন্ত্রেরই দাঁত এবং চাকা। (শিল্প ও সাহিত্য প্রসঙ্গে মাওয়ের ইয়েনানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে গৃহিত) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

world-to-win[নির্বাচন সম্পর্কে বামপন্থী মহলে একটা বিতর্ক রয়েছে বহুপূর্ব হতেই। কেউ বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে সাফাই দেন; কেউ বা জাতীয় নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে যুক্তি দেখান; আবার কেউ বা শাসকশ্রেণীর কোনো একটি অংশকে মন্দের ভালো জ্ঞান করে তাতেই নিজের আখের গোছাতে মত্ত হন। আবার কেউ কেউ নির্বাচন মানেই সংশোধনবাদএমন তত্ত্ব ফেরি করেন। কোনো কোনো বামপন্থী সংগঠন ভারতের রাজধানী দিল্লীতে আত্মপ্রকাশ করা আম আদমি পার্টির সাথে নিজেদের মেলাচ্ছে; আবার কেউ বা এই নির্বাচনে শ্রেণীসংগ্রামের স্বপ্নও দেখেন! এমন বিবিধ চিন্তাচেতনায় কেউ কেউ বিভ্রান্তও হতে পারেন। তাই এ নিয়ে কিছু লেখা, তথা নির্বাচন সম্পর্কে নিজের অবস্থান তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। এই লেখাটি যেহেতু নির্বাচন সম্পর্কিত অবস্থান; তাই এখানে সংক্ষিপ্তাকারে হলেও এভূখণ্ডে পুঁজিবাদসাম্রাজ্যবাদের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরাটা জরুরী। আর এর মাধ্যমে ইতিহাস ও মতাদর্শের আলোয় বাঙলাদেশের আর্থসামাজিক কাঠামোর সাথে নির্বাচনের বিষয়টি মিলিয়ে দেখা সম্ভব হবে বলেই আমার ধারণা।] (বিস্তারিত…)


mongoldhonyপ্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনিসাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংখ্যা। সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্নজন বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যাবিশ্লেষণ করেছেন এবারের সংখ্যায়। প্রচ্ছদ করেছেন হেলাল সম্রাট। সহযোগিতায় ছিলেন আবিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অনুপ কুণ্ডু, আব্দুল্লাহ আলশামছ্‌ বিল্লাহ, তৌফিক খান, সুস্মিতা তাশফিন, কৌস্তভ অপু প্রমুখ। ২১ ফর্মার এই সংখ্যাটির বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টাকা। নিম্নে এবারের সংখ্যার সম্পাদকীয়, সূচিপত্র এবং প্রাপ্তিস্থান তুলে দেওয়া হলো।

—————————————

সম্পাদকীয়

সাম্রাজ্যবাদ পূর্বের ন্যায় কেবলমাত্র অস্ত্রহাতেই কি তার উপস্থিতি, নাকি এখন সে ভিন্ন কৌশলে অভিন্ন উদ্দেশ্যে ঘরের দোরগোড়ায় উপস্থিত ফুলেল মুখোশে? আর সেই মুখোশ চিনে নিতে আমরা নিজেরাই বা কতোটা প্রস্তুত? (বিস্তারিত…)