Posts Tagged ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’


লিখেছেন: অজয় রায়

একদিন সকালে দেখা যায় শিশুদের খেলার মাঠে দুটি নাৎসিদের প্রতীকী স্বস্তিকা চিহ্নের পাশে লেখা রয়েছে গো ট্রাম্প। গত নভেম্বরের মাঝামাঝি মার্কিন মুল্লুকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরেই এ ঘটনা ঘটে। সাউদার্ন পভার্টি ল সেন্টারের দেওয়া তথ্য অনুসারে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরবর্তী এক মাসের মধ্যেই সহস্রাধিক বিদ্বেষমূলক অপরাধ বা হেইট ক্রাইমের ঘটনা ঘটেছে সেদেশে।[] আর এখনও তা চলছে। নিশানায় রয়েছেন মূলত সংখ্যালঘু, অভিবাসী ও মুসলিমরা। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: শাহজাহান সরকার

‘নিয়মানুগ’ শব্দের অন্তরালে উপনিবেশের পুনরাবৃত্তি

ফিদেল কাস্ত্রোর মৃত্যু এবং ফ্যাসিবাদী ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন রাষ্ট্র প্রধানের পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার সম্পর্ক ত্বরান্বিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ-নিবন্ধে উভয় দেশের মধ্যকার ‘নিয়মানুগ’ (নরমালাইজ) সম্পর্ক সৃষ্টিতে ওবামার ভূমিকা আলোচিত হবে। ওবামার পদক্ষেপ এক চমৎকার মৌলিক পটভূমি তুলে ধরে যে, কেন কিউবায় বিপ্লব জরুরি হয়ে পড়েছিল, কেন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য কিউবার গৃহযুদ্ধের প্রধান লক্ষবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। কিভাবে ও কেন যে বিপ্লব শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভে সফল হয় নি। কী করেই-বা সম্ভব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ ও মিডিয়ার স্বার্থ হাসিলের সকল প্রচারণার মধ্যে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা।
(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

gaza_massacre-1প্যালেস্টাইনে ইজরায়েলি হানা অব্যাহত। এখন অবধি যা খবর তাতে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অসামরিক ব্যক্তি তথা সাধারণ নাগরিক, যাদের মধ্যে আবার ২১৮জন শিশু, আহতের সংখ্যা এখনো অবধি ৫২৪০জন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমী দেশগুলো এবং রাশিয়ায় যখন ইউক্রেন সীমান্তে ভেঙ্গে পড়া বিমানের যাত্রীদের মৃত্যু নিয়ে একদিকে শোকাতুর, অন্যদিকে এ নিয়ে রুশ মার্কিন চাপান উতর চলছে, তখন খুশির ঈদের দিনই উদ্বাস্তু শিবিরের সামনের মাঠে খেলাধুলারত শিশুদের উপর কিংবা স্কুলবাড়ি বা হাসপাতালে; জনবহুল রাস্তায় কিংবা অসামরিক নাগরিকদের বাসস্থানের জন্য নির্মিত এপার্টমেন্টে আছড়ে পড়েছে একের পর এক ইজরায়েলি মর্টার এবং ক্ষেপনাস্ত্র। ওই দিনই অন্ততঃ পাঁচটি মসজিদে তারা ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ধ্বংস করা হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জলবন্টন ব্যবস্থাকেও। (বিস্তারিত…)


 

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

private-prisons-for-profitদুনিয়ার দিকে দিকে গণতন্ত্রের ঠিকাদার হয়ে বসে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ঘেষা প্রচারমাধ্যমগুলোও মার্কিনি গণতন্ত্রের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, অথচ মার্কিন জেলগুলোর দিকে তাকালেই বোঝা যাবে যে সেখানে কি ব্যপক পরিমানে মানবাধিকারকে পদদলিত করা হয়। এ এমনই এক দেশ, যেখানে কারান্তরালে রয়েছেন প্রায় ২৫ লক্ষ সেই দেশেরই সহনাগরিক। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ। প্যারোল এবং প্রবিশন ধরলে সংখ্যাটা আরো বেশি। জনসংখ্যার শতকরা ৩.২ শতাংশ। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বলা যায়, প্রতি ৩১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের মধ্যে অন্ততঃ একজন জেলে আছেন! পৃথিবীর বন্দী সংখ্যার ২৫ শতাংশই মার্কিনি বন্দী। ক্যালিফোর্ণিয়ার প্রিজন ফোকাসের মতে “মানব সমাজের ইতিহাসে আর কোন সমাজে এত বেশি সংখ্যক সহনাগরিককে বন্দী করে রাখা হয়নি”। ইন্টার ন্যাশানাল সেন্টার ফর প্রিজন স্টাডিজের পরিসংখ্যান জানাচ্ছে প্রতি এক লক্ষ জনসংখ্যা অনুপাতে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ বন্দী আছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রতি লাখে ৭১৬ জন। এই অনুপাতে দ্বিতীয় স্থানে আছে রাশিয়া। প্রতি লাখে ১২১ জন (ভারতও অবশ্য পিছিয়ে নেই সারা বিশ্বে বন্দী সংখ্যার নিরিখে ভারতের স্থান পঞ্চম!)। কালো চামড়ার মানুষরা আমেরিকায় জনসংখ্যার ১৩ শতাংশ, অথচ মোট বন্দীদের ৬০ শতাংশই হলো কালো চামড়ার মানুষ। ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী আফ্রোআমেরিকান পুরুষদের প্রতি তিনজনে একজন, কোন না কোন ক্রিমিনাল জাস্টিস সুপারভিশনের আওতায় আছেন। ৩০ বছর বয়সী কৃষাঙ্গ পুরুষদের প্রতি ১০ জনে ১ জন জেলে আছেন। বন্দিদের অনুপাত দেখলেই তথাকথিত ‘সভ্য’দের বর্ণবিদ্বেষ চোখে পড়বে। পরিসংখ্যান বলছে ১ কোটি ৪০ লক্ষ শ্বেতাঙ্গ এবং ২৬ লক্ষ কৃষ্ণাঙ্গ মাদকাসক্ত, অর্থাৎ মাদকাসক্তের অনুপাতে শ্বেতাঙ্গরাই অনেক বেশি। প্রায় ৫ গুণ বেশী। অথচ মাদক সংক্রান্ত মামলায় শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় ১০গুন বেশি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ জেলে বন্দী! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

ukraine_map_crimea_sevastopol_simferopolগত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইউক্রেনে উডার, হোমল্যান্ড এবং সভোবোদার মতো চরম দক্ষিণপন্থী বিরোধী দলগুলি সহিংস বিক্ষোভের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ভিক্টর ইয়ানুকোভিচকে। যিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবর্তে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছিলেন। সেজন্যই ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাকে অপসারণে মদত জুগিয়েছে। আর ভূরাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে কর্তৃত্ব কায়েম করে রাশিয়াকে চাপে ফেলতে কিয়েভে গড়েছে এমন এক পুতুল সরকার, যা তাদের নির্দেশিত জনবিরোধী নয়াউদারবাদী সংস্কার কর্মসূচী সম্পূর্ণ ভাবে কার্যকর করতে প্রস্তুত। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

ticfa-1একেকবার একেক মোড়কে পুরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে টিফা (ট্রেড এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট) চুক্তি স্বাক্ষরের পায়তারা চলছে বহুদিন ধরে। টিফা কখনও হয়ে যায় টিইসিএফ (ট্রেড এন্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন ফোরাম), কখনও হাজির হয় টিকফা (ট্রেড এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট কোঅপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট)’র খোলশে। নাম যাই হোক, বাণিজ্য সুবিধা, পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার, কৌশলগত স্বার্থ ইত্যাদি নানান মিষ্টি প্রলেপ দিয়ে বাংলাদেশকে টিফার বিষাক্ত ক্যাপসুল গেলানোর জন্য বাংলাদেশের উপর চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেটোক্রেসি, সাম্রাজ্যবাদের নয়া চেহারা ও বাংলাদেশ (শেষ পর্ব)

Posted: অগাষ্ট 18, 2013 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

প্রথম পর্বের পর

Corporatocracy-2কর্পোরেটোক্রেসির প্রতিটি কাজের পেছনে রয়েছে গোপনীয়তা। তাদের কর্মকাণ্ড সাধারণের আয়ত্তের বাইরে। ভিতরে কি হচ্ছে তা বাইরে থেকে বুঝার কোনো উপায় থাকে না। কারণ দুনিয়ার অধিকাংশ মিডিয়া কর্পোরেটোক্রেসির অংশ। ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এনবিসি) মালিক হচ্ছে জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি। আমেরিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) মালিক হচ্ছে ডিজনি। ভায়াকম হচ্ছে কলম্বিয়া ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের (সিবিএস) মালিক। ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্ক (সিএনএন) হচ্ছে আমেরিকা অন লাইন টাইম ওয়ার্নার গ্রপের অংশ। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেটোক্রেসি, সাম্রাজ্যবাদের নয়া চেহারা ও বাংলাদেশ (পর্ব – ১)

Posted: অগাষ্ট 14, 2013 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

Corporatocracy-2গোটা দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ ও শোষণের আওতাভুক্ত করতে উন্নত দেশসমূহের বহুজাতিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্বব্যাংক, বহুজাতিক দাতাসংস্থা, আইএমএফ ও উন্নত দেশগুলির সরকারসমূহ অলিখিতভাবে যে লুটেরা বাণিজ্যিক সংস্কৃতির চর্চ্চা করে থাকেন তাকে বলা হয় কর্পোরেটোক্রেসি। নিজেরা বুঝার জন্য আমরা যার অর্থ করতে পারি ‘সম্মিলিত শোষণাগার’। যা সাম্রাজ্যবাদেরই আরেকটি ধাপ, নয়া চেহারা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

snowden-4ইমেল পাঠাচ্ছেন। এসএমএস করছেন। চ্যাটে মশগুল হয়ে রয়েছেন। কিন্তু আপনার উপর কেউ গোপনে নজর রাখছে না তো? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। কারণ সম্প্রতি জানা গিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (এনএসএ) বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট এবং ফোনে আড়ি পাতছে। গত মাসের গোড়ায় হঙকঙে সংবাদমাধ্যমের কাছে এই গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং এনএসএ’র প্রাক্তন কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

khaleda-zia-4-বর্তমান আওয়ামী লীগনেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গণতান্ত্রিকভাবে দেশ চালাচ্ছে একথা বর্তমানে তাদের অন্ধ সমর্থক ছাড়া আর কেউই বলবেন না। বিগত কয়েক বছরের মানবাধিকার পরিস্থিতি, সন্ত্রাসনির্যাতনধর্ষণগুমখুন, জনগণের অর্থ লোপাট, নিরাপত্তাহীনতা, নৈরাজ্য থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুঃশাসন নতুন মাত্রা অর্জন করেছে। এর বিরুদ্ধে খুব কার্যকরভাবে না হলেও জনগণের ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসাধারণ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একত্র হয়ে এসবের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এমনকি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যানার থেকেও বর্তমানে চলমান যাবতীয় অনাচারঅত্যাচার থেকে রেহাই পাওয়ার দাবি জানিয়ে সমাবেশমিছিলঅনশনমানববন্ধন ইত্যাদি করা হচ্ছে। এসব দাবি ও দাবি প্রকাশের ধরন ইত্যাদির কার্যকারিতা নিয়ে অনেক রকম প্রশ্ন ও বিতর্ক তোলা যেতে পারে। কিন্তু এসব যে হচ্ছে তার মধ্যে দিয়েই আন্দাজ পাওয়া যায় বর্তমান সরকারের অধীনে দেশ কতোটা ‘ভালোভাবে’ চলছে। নিজেদের গণবিরোধী শাসনসৃষ্ট প্রতিক্রিয়ায় সরকার নিজেই এখন দিশেহারা। নিজেদের অপশাসনদুঃশাসন তাদের চারিদিকে যে চোরাবালির বলয় তৈরি করেছে তাতে তাদের স্বখাতসলিলে ডুবে মরার মতো অবস্থা। এজন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া ছাড়া বলতে গেলে তাদের হাতে এই মূহুর্তে আর তেমন কিছুই নেই। এ কারণেই এ ইস্যুটিকে তারা বারবার সামনে আনতে চাইছে, এবং বিরোধী মতের অন্যান্য সংগঠনের যেকোনো সরকারবিরোধী সমালোচনা ও আন্দোলন প্রচেষ্টাকেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করে বিষয়গুলো ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। (বিস্তারিত…)